পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি নির্মাণের বিরোধিতা যুক্তরাষ্ট্রের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দখল করা পশ্চিম তীরে নতুন করে ইহুদি বসতি স্থাপনের ইসরায়েলি পরিকল্পনার ‘তীব্র বিরোধিতা’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এমন অবস্থানের কথা স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার জানান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নেড প্রাইস বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন করে হাজারের বেশি বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার। মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’

এই বিষয়ে নেড প্রাইস আরও বলেন, ‘আমরা (মার্কিন প্রশাসন) ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করছি। এই উদ্যোগ ওই অঞ্চলের উত্তেজনা কমিয়ে আনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে পুরোপুরি অসামঞ্জস্যপূর্ণ।’

ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সরকার গত রোববার দখল করা পশ্চিম তীরে আরও ইহুদি বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানায়। ইসরায়েলের গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পশ্চিম তীরে ১ হাজার ৩৫৫টি বাড়ি নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন বসতিগুলোয় দুই হাজারের বেশি বাসিন্দা থাকতে পারবে। গত আগস্টে পশ্চিম তীরে এসব বসতি নির্মাণের অনুমোদন দেয় ইসরায়েল সরকার।

১৯৬৭ সালে ৬ দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় পশ্চিম তীর দখল করে ইসরায়েল। এর পর থেকে বিভিন্ন দফায় সেখানে বসতি স্থাপন করেছে দেশটি। ইসরায়েলের গৃহায়ণমন্ত্রী জিভ এলকিন রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, ইহুদিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি কার্যকরের জন্য সেখানে (পশ্চিম তীরে) ইহুদিদের উপস্থিতি জোরদার করা জরুরি।

নতুন করে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাতায়াহ। সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি ইসরায়েলের এই বসতি নির্মাণকে ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘আগ্রাসন’ বলে বর্ণনা করেন। এ সময় ইসরায়েলি আগ্রাসন ঠেকাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এর আগেও ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার নেড প্রাইস যেকোনো একতরফা পদক্ষেপ নেওয়া থেকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন, এমন পদক্ষেপ ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াবে এবং এতে করে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানে অগ্রগতি থমকে যাবে।

হাসপাতালে মাহাথির মোহাম্মদ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদকে দেশটির ন্যাশনাল হার্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) তার এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

মুখপাত্র জানান, মাহাথিরকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

৯৬ বছর বয়সী এ নেতা এর আগে ৭ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসা শেষে ১৩ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন।

মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাহাথির। এর আগে তার বাইপাস সার্জারিও করতে হয়েছিল । তবে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর শরীরে কোন কোন উপসর্গ দেখা দিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

;

বিদেশ থেকে কর্মী সংস্থান করবে জার্মানি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক,বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোভিড পরিস্থিতি-সহ নানা কারণে জার্মানির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মী সংখ্যার যথেষ্ট অভাব দেখা দিয়েছে। সেই অভাব পূরণ করতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোতে প্রতি বছর ৪ লাখ দক্ষ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে জার্মানির নতুন জোট সরকার।

বিদেশ থেকেই সেই কর্মী আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

জার্মান ইকোনোমিক ইনস্টিটিউট-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, বয়স্ক কর্মীর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে দেশটিতে। যাদের বেশির ভাগই অবসর নেবেন এ বছর। ফলে বিপুল সংখ্যক কর্মীর চাহিদা দেখা দেবে। ওই সমীক্ষায় আরও দাবি করা হয়েছে এ বছরেই তিন লক্ষেরও বেশি কর্মীর অভাব দেখা দেবে। ২০২৯-এর মধ্যে সেই সংখ্যাটা সাড়ে ৬ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে কর্মীর অভাব এড়াতে শীঘ্রই সেই বিদেশ থেকে দক্ষ কর্মীর আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

সরকারের ফ্রি ডেমোক্র্যাটস (এফডিপি)-এর নেতা ক্রিশ্চিয়ান দুয়ের বলেন, “দক্ষ কর্মীর অভাব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি ক্রমেই মন্থর হয়ে পড়ছে। যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। তাই নবনির্বাচিত সরকার বিদেশ থেকে কর্মী আনার কথা চিন্তা করছে।”

নতুন অভিবাসন নীতিকে কাজে লাগিয়েই এই সমস্যা সমাধানের একটা পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন দুয়ের। যত দ্রুত সম্ভব ওই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

;

মিয়ানমারে সু চির দলের সংসদ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থাও এবং গণতন্ত্রপন্থী নেতা কিয়াউ মিন ইউকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সামরিক আদালত।

মিয়ানমার জান্তা সরকার বলেছে, নভেম্বরে গ্রেফতার হওয়া ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির সদস্য ফিও জেয়ার থাওকে 'সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আজ শুক্রবার মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কিয়াউ মিন ইউকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতির সঙ্গে ফিয়াউ জেয়ার থাও এবং কিয়াউ মিন ইউর হাতকড়া পরা ছবিও প্রকাশ করে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের মিডিয়া টিম।

মিয়ানমার জান্তা ভিন্নমতের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে কয়েক ডজন অভ্যুত্থানবিরোধী কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি।

এর আগে গত নভেম্বরে ইয়াঙ্গুনের একটি ফ্ল্যাট থেকে দুটি পিস্তল, একটি বন্দুক ও বেশকিছু গুলিসহ এনএলডি নেতা ও জনপ্রিয় হিপহপ সংগীতশিল্পী ফিও জেয়ার থাওকে গ্রেফতারের কথা জানায় জান্তা সরকার।

২০১৫ সালে সু চির দল এনএলডির হয়ে এমপি নির্বাচিত হন ফিও জেয়ার থাও। সেবারই বেসামরিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ফিরে আসে মিয়ানমার। এর আগেও সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে গাওয়া তার হিপহপ সংগীত ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০০৮ অবৈধ সংগঠনে জড়িত থাকা এবং বিদেশি মুদ্রা রাখার দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করেন তিনি।এ ছাড়া সম্প্রতি অং সান সু চিকেও ৬ বছরের কারাদণ্ড দেন মিয়ানমারের সামরিক আদালত।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির  নেত্রী অং সান সুচিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে বন্দী করে। এরপর থেকে সেখানে চলছে জান্তাবিরোধী রক্তক্ষয়ী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এ বিক্ষোভে  এখন পর্যন্ত এক হাজার ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।

;

ইয়েমেনে কারাগারে হামলার নিন্দা জাতিসংঘের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়েমেনের কারাগারে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় ৭০ জনের অধিক মানুষ নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেসের এ হামলার তদন্ত চেয়েছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ইয়েমেনের সাদা শহরে বিমান হামলা চালায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী। বিদ্রোহী হুতিদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই শহরটিকে। হুতিদের দমনে ২০১৫ সাল থেকে লড়াই চালিয়ে আসছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী।

এ হামলা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে যেভাবে উত্তেজনা বাড়ছে, তা অবশ্যই কমাতে করতে হবে। এ ছাড়া হামলার পর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনও।

শনিবার এক বিবৃতিতে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ফলস্বরূপ ১০ হাজারের বেশি শিশুসহ কয়েক হাজার বেসামরিক লোক নিহত বা আহত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং জনসংখ্যার বেশিরভাগই দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

;