বুকার পেলেন ড্যামন গ্যালগাট



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছরে ‘দ্য প্রমিস’ উপন্যাসের জন্য বুকার পুরস্কার জিতেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার লেখক ড্যামন গ্যালগাট। ৫৭ বছর বয়সে তিনি এ পুরস্কার পেলেন।

গ্যালগাট এর আগে ২০০৩ ও ২০১০ সালে বুকারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু, এবারই প্রথম তিনি পেলেন সম্মানজনক এই পুরষ্কার।

বৃহস্পতিবার (০৪ নভেম্বর) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (০৩ নভেম্বর) একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গ্যালগেট হাতে পুরষ্কারের ৫০ হাজার পাউন্ড প্রদান করা হয়।

ড্যামন গ্যালগাট মূলত উপন্যাস ও নাটক লেখেন। ১৭ বছর বয়স থেকে তিনি নিয়মিত লিখছেন।

'দ্য প্রমিস' উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয় ১৯৮৬ সালে। বইয়ে এক শ্বেতাঙ্গ কৃষক পরিবারের ৪ দশকের কাহিনীর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। বইটি গত জুনে যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই প্রশংসা পাচ্ছে।

পদত্যাগ করবেন না সাফ জানিয়ে দিলেন বরিস



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

  • Font increase
  • Font Decrease

পার্লামেন্টে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়ে ‘নিয়মভঙ্গকারীদের পদ ছাড়া উচিত’বলে  স্বীকার করলেও লকডাউনে পার্টির ইস্যুতে নিজে পদত্যাগ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। খবর রয়টার্সের।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ডাউনিং স্ট্রিট কার্যালয় এবং শীর্ষ সরকারি দপ্তরগুলোতে লকডাউনের সময় পার্টি করা নিয়ে তদন্ত শুরু করে লন্ডন পুলিশ।

তদন্তের কাজ শেষ এবং আজ বুধবারই তা প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। এতেই প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ওপর চাপ বেড়েছে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) পার্লামেন্টে বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা কেয়ার স্টারমার বরিসকে প্রশ্ন করেন, কোনো মন্ত্রী জেনেশুনে পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করলে পদত্যাগ করতে হবে, এই নিয়ম তার জন্যও প্রযোজ্য কি না? জবাবে বরিস জনসন বলেন, অবশ্যই।

এমন নীতি স্বীকার করলেও নিজে আপাতত এমনটা করবেন না বলেও জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

তদন্তের ফল প্রকাশ ঘনিয়ে আসায় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের প্রধানমন্ত্রিত্বের ওপর হুমকি আরও গভীর হয়েছে। এ তদন্তের ফলের ওপর জনসনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস বলেন, ‘ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবনে করা অনুষ্ঠানগুলোর তদন্ত প্রতিবেদন বরিস জনসনের কাছে এখনও যায়নি। তদন্তের ফল প্রকাশ হওয়ার আগ পর্যন্ত জনগণের অপেক্ষা করা উচিত।’

বরিস জনসনের মুখপাত্র তদন্তকাজে পুলিশকে পূর্ণ সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। 

উল্লেখ্য, বরিস জনসন ওই পানাহারের আয়োজন করেছিলেন ২০২০ সালের ২০ মে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে আয়োজিত যুক্তরাজ্যের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের ওই আসরে বরিস জনসন ও তার স্ত্রী ক্যারি সিমন্ডস উপস্থিত ছিলেন। অতিথি ছিলেন শতাধিক। ওই সময় যুক্তরাজ্যে কোনো আয়োজনে একসঙ্গে এত মানুষের উপস্থিতি আইনত নিষিদ্ধ ছিল। বিষয়টি নিয়ে বরিস জনসন তার প্রধানমন্ত্রীত্বের মেয়াদে সবচেয়ে বড় সঙ্কটে পড়েছেন।

;

ইউক্রেন দখলের চেষ্টা করলে বিশ্বযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে: বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আবারও সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রাশিয়াকে আবারও কঠিন হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

বুধবার এক সংবাদমাধ্যমকে জো বাইডেন বলেছেন, রাশিয়া যেভাবে আগ্রাসন দেখাচ্ছে তার পরিণতি ভাল হবে না। ইউক্রেন দখলের চেষ্টা করলে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ বেঁধে যাবে, ফলে বিশ্বযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। বিশ্ব কূটনীতির ভারসাম্য নষ্ট হবে, গোটা পৃথিবীই বদলে যাবে।

আমেরিকা জানিয়েছে, আট হাজার সেনাকে রাশিয়ার সীমান্তের কাছেই মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে সেনার সংখ্যা বাড়ানো হবে। ন্যাটো বাহিনীও রুশ সীমান্তের কাছে যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে তাদের সীমান্তে রাশিয়া অন্তত এক লক্ষ সেনা মোতায়েন করে রেখেছে বলে অভিযোগ করে আসছে ইউক্রেন। যে কোনও সময়ে মস্কো তাদের উপরে হামলা চালিয়ে গোটা ইউক্রেন দখল করে নেবে বলেও আশঙ্কাও করা হচ্ছে।  দুই দেশের সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে।

হোয়াইট হাউস একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রশাসন এবং তার ইউরোপীয় মিত্র শক্তি ইউক্রেন সীমান্তে রুশ আগ্রাসন নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। রাশিয়াকে বলা হয়েছে, সামরিক আগ্রাসনের নীতি ছেড়ে অবিলম্বে কূটনৈতিক আলোচনার রাস্তায় হাঁটতে। রাশিয়ার সমঝোতার পথে না গেলে নিষেধাজ্ঞা চাপাতে বাধ্য হবে যুক্তরাষ্ট্র।

এমনকি ২০১৪ সাল থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে সব আর্থিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছিল, সেগুলি ফিরিয়ে আনা হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রয়োজনে জার্মানির সঙ্গে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ চুক্তিও স্থগিত রাখা হতে পারে। ওই চুক্তি স্থগিত হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা খাবে রাশিয়া সরকার।

ইউক্রেন সীমান্ত জুড়ে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে মস্কো। সম্প্রতি ইউক্রেনের গোয়েন্দা দফতরের প্রধান কিরিলো বুদানভ জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন সীমান্তে ইতিমধ্যেই কমপক্ষে ৯২ হাজার রুশ সেনা ঘাঁটি গেড়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, শুধু স্থলেই নয় আকাশপথেও হানা দিতে পারে রুশ বাহিনী।

ইউক্রেন-রাশিয়ার এই টানাপোড়েন নিয়ে উদ্বিগ্র আন্তর্জাতিক মহলও। এই পরিস্থিতিতে ন্যাটো বাল্টিক অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্পেন নৌশক্তি বাড়িয়েছে। যেকোনও ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেদারল্যান্ড যুদ্ধজাহাজ ও স্থল সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রেখেছে। পূর্ব ইউরোপের ন্যাটো-র অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির নিরাপত্তা বাড়াতে সেনা পাঠিয়েচে আমেরিকা।

সূত্র : দ্য ওয়াল

;

জাতিসংঘে ৭১’র গণহত্যা ও মুম্বাই হামলার বিচার চাইলো ভারত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার বিচার চাইলো ভারত।  জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বছরের প্রথম উন্মুক্ত বিতর্কে এ দাবি করেন সংস্থাটিতে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি।

২০০৮ সালে মুম্বাই হামলায় ১৬৬ জন নিহত হয়। সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকদেরও বিচারের দাবী জানান তিনি। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের।

ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুদিন ধরেই ১৯৭১ এ বাংলাদেশে গণহত্যার দায়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিচার চেয়ে আসছে ভারত। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার চেষ্টা করেও পাকিস্তানের সামরিক কর্মকর্তাদের আজও আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।

টিএস ত্রিমূর্তি বলেন, ভারত কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সশস্ত্র সংঘাতগুলো অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রাজনৈতিক-কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেমে সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনের মানুষজন যুদ্ধের ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করছে। আরও অনেক দেশ আছে যারা এখনো অতীতের গণহত্যার মতো সামরিক কর্মকাণ্ডের ফল ভুগছে, যেমন ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে হয়েছিল।

২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার ফলাফলের কথা উল্লেখ করে জতিসংঘে ভারতীয় প্রতিনিধি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত সব ধরনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অটল থাকা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করা।

;

বাড়িতেই গাজা চাষের বৈধতা দিতে যাচ্ছে থাইল্যান্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডই প্রথম দেশ যারা বাড়িতে গাজা চাষের অনুমতি দিতে যাচ্ছে। এজন্য গাজাকে মাদকের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে থাইল্যান্ডের মাদকদ্রব্য বোর্ড। মঙ্গলবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যবহার ও গবেষণার জন্য ২০১৮ সালে থাইল্যান্ড প্রথম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হিসেবে গাজাকে বৈধতা দেয়। এখন থেকে দেশটিতে বাড়িতে জন্মানো গাজা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ ও খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

থাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরকুল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাদের এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী লোকেরা তাদের স্থানীয় সরকারের অনুমতি নিয়ে বাড়িতেই গাজার চাষ করতে পারবে। তবে কেউ এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে পারবে না, এজন্য অবশ্যই লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই সপ্তাহে সংসদে এ সম্পর্কিত একটি পৃথক খসড়া বিল পেশ করবেন। যাতে উৎপাদন, বাণিজ্যিক ও বিনোদনসহ গাজার আইনি ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।

সরকারের অনুমতি ছাড়া যদি কেউ গাজা চাষের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে থাই মুদ্রায় তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।

অন্যদিকে কেউ যদি লাইসেন্স ছাড়া বাণিজ্যকভাবে গাজা বিক্রির সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাকে তিন লাখ টাকা জরিমানা ও তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে খসড়া আইনে।

;