যুক্তরাষ্ট্রে দুই ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তি ওমিক্রনে আক্রান্ত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ শনাক্ত হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার এই বাসিন্দা সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরেছেন।

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি পূর্ণ ডোজ টিকাপ্রাপ্ত। ক্যালিফোর্নিয়ার এই বাসিন্দা গত ২২ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেন। এর সাত দিনের মাথায় তিনি করোনা আক্রান্ত হন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আক্রান্ত ওই ব্যক্তির শরীরে হালকা লক্ষণ দেখা গেছে। বর্তমানে সে স্ব-বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে সিডিসি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরিকল্পনা করছে।

আন্তর্জাতিক যাত্রীদের শিগগিরই তাদের প্রস্থানের ২৪ ঘণ্টা আগে করোনার নেতিবাচক পরীক্ষার ফলাফল প্রদান করতে হবে। বৃহস্পতিবার থেকে এ নিয়ম কার্যকর হতে পারে বলে সিএনএন জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রন ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের এক নির্দেশনায় এয়ারলাইন্সগুলোকে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল থেকে আনা যাত্রীদের নামের তালিকা আগেই সরবরাহের কথা বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ওমিক্রন গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হয়। তারপর অন্যান্য দেশে শনাক্ত হয়েছে নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট। করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে এরইমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরাও। তারা বলছেন, করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে রূপান্তরিত হয়ে নতুন এই রূপ নিয়েছে। এটি মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওষুধের দোকানেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা!



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওষুধের দোকানেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা!

ওষুধের দোকানেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা!

  • Font increase
  • Font Decrease

এখন থেকে করোনার টিকা কোভাক্সিন এবং কোভিশিল্ড পাওয়া যাবে ভারতের ওষুধের দোকানে! বুধবার সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের (সিডিএসসিও) বিশেষজ্ঞ দল (এসইসি) এই দুই টিকাকে বাজারে ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার এই খবর জানিয়েছে।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, গত ১৪ জানুয়ারি কোভাক্সিন এবং কোভিশিল্ড এই দুই টিকা সংস্থার পক্ষ থেকে সব রকমের তথ্য চেয়েছিল বিশেষজ্ঞ দল। বাজারে ছাড়া যাবে কি না সেই নিয়ে চিন্তা ভাবনা ছিল তাদের। সেই কারণেই তথ্য চাওয়া হয়েছিল ভারত বায়োটেক এবং সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে। বেশির ভাগ মানুষের শরীরে এই টিকা কার্যকর হয়েছে বলেই রিপোর্টে উঠে এসেছে। এর ফলে বাজারে এই টিকা ছাড়ার ব্যাপারে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে, ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনেরাল অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে কোভাক্সিন, কোভিশিল্ড ছাড়াও ভারতে ব্যবহার হওয়া বাকি টিকাগুলিকেও আপতকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কোভাক্সিন এবং কোভিশিল্ডকে গত বছর ৩ জানুয়ারিতেই আপতকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

;

ভারতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনার কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আবারও বাড়িয়েছে ভারত। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশটিতে সব ধরনের যাত্রীবাহী বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে কার্গো বিমান ও বিশেষভাবে পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।

দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ) বুধবার (১৯ জানুয়ারি) এই ঘোষণা দিয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

বর্তমানে, ভারত করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ে ভুগছে। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে। তবে, এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় বিশেষ ফ্লাইটগুলো এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশনের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, গত বছরের ২৬ নভেম্বর জারি করা সার্কুলারে কিছু সংশোধন এনে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল করা হলো।

গত মাসে, বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক, নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছিল।

ভারত কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে ২০২০ সালের ২৩ মার্চ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিষিদ্ধ করেছিল। ফ্লাইট বিধিনিষেধ অবশ্য পরে কিছু দেশের সাথে এয়ার বাবল ব্যবস্থার অধীনে শিথিল করা হয়েছিল।

;

পদত্যাগের চাপে বরিস জনসন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের মহামারি ঠেকাতে যে লকডাউন দেওয়া হয়েছিল, এর মধ্যে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে মদ্যপানের পার্টি আয়োজনের ঘটনায় ​প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ ঘটনা সামনে আসার পর তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট নন খোদ তাঁর দলের নেতারা। এখন বরিসের পদত্যাগ চাইছেন তাঁরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা বরিস জনসনের পদত্যাগ চেয়েছেন।
জনসন বারবার ক্ষমা চেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বরিস হাউস অব কমন্সে ক্ষমা চাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রোস। তিনি বলেন, বরিসের সঙ্গে তাঁর ‘শক্ত কথাবার্তা’ হয়েছে। রোস একই সঙ্গে হাউস অব কমন্সের আইনপ্রণেতা এবং স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতা।

রোস বলেন, তিনি ১৯২২ কমিটির’ কাছে লিখবেন, যাতে বরিসের নেতৃত্ব নিয়ে আস্থা ভোটের আয়োজন করা হয়।

নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জের জন্য, সংসদের ৩৬০ রক্ষণশীল এমপির মধ্যে ৫৪ জনকে অবশ্যই পার্টির ১৯২২ কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে অনাস্থার চিঠি লিখতে হবে।

২০টির মতো রক্ষণশীল আইন প্রণেতারা যারা ২০১৯ সালের শেষ জাতীয় নির্বাচনে তাদের আসন জিতেছেন, তারা জনসনের প্রতি অনাস্থার চিঠি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, টেলিগ্রাফ জানিয়েছে। আরও কয়েকজন ইতিমধ্যে বলেছেন যে তারা এমন চিঠি লিখেছেন।

উল্লেখ্য, বরিস জনসন ওই পানাহারের আয়োজন করেছিলেন ২০২০ সালের ২০ মে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে আয়োজিত যুক্তরাজ্যের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের ওই আসরে বরিস জনসন ও তাঁর স্ত্রী ক্যারি সিমন্ডস উপস্থিত ছিলেন। অতিথি ছিলেন শতাধিক। ওই সময় যুক্তরাজ্যে কোনো আয়োজনে একসঙ্গে এত মানুষের উপস্থিতি আইনত নিষিদ্ধ ছিল।

;

বিশ্ব থেকে আরও এক মাস বিচ্ছিন্ন থাকবে টোঙ্গা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরি এবং সুনামির কারনে বিচ্ছন্ন টোঙ্গাকে ঠিকঠাক করতে কমপক্ষে এক মাস সময় প্রয়োজন।

সম্প্রতি টোঙ্গায় আঘাত হানে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরি ও সুনামি। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে টোঙ্গা। মহাসাগরের ভেতরের এই অগ্ন্যুৎপাতে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের বেশিরভাগ অংশ বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে টোঙ্গার একমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবল চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেটির সংযোগ রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ফিজির সঙ্গে। এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ ও আন্তর্জাতিক ফোনও সার্ভিস চালু করা সম্ভব হয়নি। সমুদ্রের তলদেশে ক্ষতিগ্রস্ত সাবমেরিন ক্যাবল মেরামত করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। আর এটি করতে গেলে বিশ্ব থেকে কয়েক সপ্তাহের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে টোঙ্গা।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছেন।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনের সূত্রে জানা গেছে, আগ্নেয়গিরির ছাই আর মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এখনও ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে ত্রাণ তৎপরতাও।

;