রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের’ পরিকল্পনা করছে: ব্লিঙ্কেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করলে ওয়াশিংটন ‘ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকবে’। সেই সাথে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার "উল্লেখযোগ্য আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ" নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছড়াও এই সপ্তাহে একটি শীর্ষ-স্তরের বৈঠকের আগে ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে৷

বুধবার (১ ডিসেম্বর) লাটভিয়ার রিগায় ন্যাটো মন্ত্রীদের এক বৈঠকের পর, ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য আগ্রাসী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করেছে বলে প্রমাণ পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।

ব্লিঙ্কেন গণমাধ্যমে বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে "আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিনা" মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা এখনও জানে না। তবে শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক বলেছেন, ‘আমরা জানি যে যদি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাহলে তারা করার মতো ক্ষমতা রাখে’।

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভাও বুধবার বলেছেন, মার্কিন দূতাবাসের কর্মীরা যারা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে মস্কোতে ছিলেন তাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক বিষয়। ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা কমানোর জন্য এই বছরের শুরুর দিকে প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, ইউক্রেনের কাছে রাশিয়ান সেনা গঠনের বিষয়ে পশ্চিমা উদ্বেগের মধ্যে সম্পর্কটি ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রয়েছে।

এই সপ্তাহের শুরুর দিকে, পুতিন মস্কোতে একটি আলোচনা সভায় বলেছিলেন যে ইউক্রেনে ন্যাটো সামরিক অবকাঠামোর একটি লাল রেখা যা অতিক্রম করা হবে না বলে তিনি আশা করেছিলেন। একই সাথে রাশিয়ান রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেছেন যে দেশটি ‘নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা গ্যারান্টি’ চাইবে।

তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের সাথে একটি সংলাপে, আমরা সুনির্দিষ্ট চুক্তির কাজ করার উপর জোর দেব যা ন্যাটোর পূর্ব দিকে অগ্রসর হওয়া এবং রাশিয়ার ভূখণ্ডের কাছাকাছি আমাদের হুমকির মধ্যে থাকা অস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েনকে বাদ দেবে’। এদিকে ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, উত্তেজনা শেষ করতে এবং দেশটির পূর্বে সংঘাত বন্ধ করতে মস্কোর সাথে কিইভের সরাসরি আলোচনা দরকার।

ওষুধের দোকানেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা!



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওষুধের দোকানেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা!

ওষুধের দোকানেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা!

  • Font increase
  • Font Decrease

এখন থেকে করোনার টিকা কোভাক্সিন এবং কোভিশিল্ড পাওয়া যাবে ভারতের ওষুধের দোকানে! বুধবার সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের (সিডিএসসিও) বিশেষজ্ঞ দল (এসইসি) এই দুই টিকাকে বাজারে ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার এই খবর জানিয়েছে।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, গত ১৪ জানুয়ারি কোভাক্সিন এবং কোভিশিল্ড এই দুই টিকা সংস্থার পক্ষ থেকে সব রকমের তথ্য চেয়েছিল বিশেষজ্ঞ দল। বাজারে ছাড়া যাবে কি না সেই নিয়ে চিন্তা ভাবনা ছিল তাদের। সেই কারণেই তথ্য চাওয়া হয়েছিল ভারত বায়োটেক এবং সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে। বেশির ভাগ মানুষের শরীরে এই টিকা কার্যকর হয়েছে বলেই রিপোর্টে উঠে এসেছে। এর ফলে বাজারে এই টিকা ছাড়ার ব্যাপারে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে, ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনেরাল অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে কোভাক্সিন, কোভিশিল্ড ছাড়াও ভারতে ব্যবহার হওয়া বাকি টিকাগুলিকেও আপতকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কোভাক্সিন এবং কোভিশিল্ডকে গত বছর ৩ জানুয়ারিতেই আপতকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

;

ভারতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনার কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আবারও বাড়িয়েছে ভারত। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশটিতে সব ধরনের যাত্রীবাহী বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে কার্গো বিমান ও বিশেষভাবে পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।

দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ) বুধবার (১৯ জানুয়ারি) এই ঘোষণা দিয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

বর্তমানে, ভারত করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ে ভুগছে। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে। তবে, এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় বিশেষ ফ্লাইটগুলো এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশনের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, গত বছরের ২৬ নভেম্বর জারি করা সার্কুলারে কিছু সংশোধন এনে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাতিল করা হলো।

গত মাসে, বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক, নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছিল।

ভারত কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে ২০২০ সালের ২৩ মার্চ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিষিদ্ধ করেছিল। ফ্লাইট বিধিনিষেধ অবশ্য পরে কিছু দেশের সাথে এয়ার বাবল ব্যবস্থার অধীনে শিথিল করা হয়েছিল।

;

পদত্যাগের চাপে বরিস জনসন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের মহামারি ঠেকাতে যে লকডাউন দেওয়া হয়েছিল, এর মধ্যে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে মদ্যপানের পার্টি আয়োজনের ঘটনায় ​প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ ঘটনা সামনে আসার পর তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট নন খোদ তাঁর দলের নেতারা। এখন বরিসের পদত্যাগ চাইছেন তাঁরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা বরিস জনসনের পদত্যাগ চেয়েছেন।
জনসন বারবার ক্ষমা চেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বরিস হাউস অব কমন্সে ক্ষমা চাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রোস। তিনি বলেন, বরিসের সঙ্গে তাঁর ‘শক্ত কথাবার্তা’ হয়েছে। রোস একই সঙ্গে হাউস অব কমন্সের আইনপ্রণেতা এবং স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতা।

রোস বলেন, তিনি ১৯২২ কমিটির’ কাছে লিখবেন, যাতে বরিসের নেতৃত্ব নিয়ে আস্থা ভোটের আয়োজন করা হয়।

নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জের জন্য, সংসদের ৩৬০ রক্ষণশীল এমপির মধ্যে ৫৪ জনকে অবশ্যই পার্টির ১৯২২ কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে অনাস্থার চিঠি লিখতে হবে।

২০টির মতো রক্ষণশীল আইন প্রণেতারা যারা ২০১৯ সালের শেষ জাতীয় নির্বাচনে তাদের আসন জিতেছেন, তারা জনসনের প্রতি অনাস্থার চিঠি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, টেলিগ্রাফ জানিয়েছে। আরও কয়েকজন ইতিমধ্যে বলেছেন যে তারা এমন চিঠি লিখেছেন।

উল্লেখ্য, বরিস জনসন ওই পানাহারের আয়োজন করেছিলেন ২০২০ সালের ২০ মে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে আয়োজিত যুক্তরাজ্যের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের ওই আসরে বরিস জনসন ও তাঁর স্ত্রী ক্যারি সিমন্ডস উপস্থিত ছিলেন। অতিথি ছিলেন শতাধিক। ওই সময় যুক্তরাজ্যে কোনো আয়োজনে একসঙ্গে এত মানুষের উপস্থিতি আইনত নিষিদ্ধ ছিল।

;

বিশ্ব থেকে আরও এক মাস বিচ্ছিন্ন থাকবে টোঙ্গা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরি এবং সুনামির কারনে বিচ্ছন্ন টোঙ্গাকে ঠিকঠাক করতে কমপক্ষে এক মাস সময় প্রয়োজন।

সম্প্রতি টোঙ্গায় আঘাত হানে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরি ও সুনামি। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে টোঙ্গা। মহাসাগরের ভেতরের এই অগ্ন্যুৎপাতে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের বেশিরভাগ অংশ বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে টোঙ্গার একমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবল চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেটির সংযোগ রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ফিজির সঙ্গে। এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ ও আন্তর্জাতিক ফোনও সার্ভিস চালু করা সম্ভব হয়নি। সমুদ্রের তলদেশে ক্ষতিগ্রস্ত সাবমেরিন ক্যাবল মেরামত করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। আর এটি করতে গেলে বিশ্ব থেকে কয়েক সপ্তাহের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে টোঙ্গা।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছেন।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনের সূত্রে জানা গেছে, আগ্নেয়গিরির ছাই আর মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এখনও ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে ত্রাণ তৎপরতাও।

;