ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়াকে সতর্ক করলেন বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার রেড লাইন মানবেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের পরিকল্পনা করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, রাশিয়া যদি তার প্রতিবেশীর ওপর আক্রমণের পরিকল্পনা করে তাহলে তা অত্যন্ত দুরূহ করে তুলবেন বলেও সতর্ক করেছেন।

শনিবার (০৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন ২০২২ সালের প্রথম দিকে ইউক্রেনে আক্রমণ চালাতে পারে মস্কো। এরই অংশ হিসেবে ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি ৯৪ হাজারেরও বেশি রুশ সেনা জড়ো করেছে মস্কো। সেখানে প্রতিনিয়তই মহড়া চালানো খবর পাওয়া যাচ্ছে। যা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে ইউক্রেন।

এই সপ্তাহে উত্তেজনা কমাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভিডিও কলে কথা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি রাশিয়ার নেতার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার আশা করছেন এবং সতর্ক করেছেন যে তিনি কারও রেড লাইন মানবেন না।

বেকায়দায় বরিস জনসন, তদন্তে লন্ডন পুলিশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী বরিস

প্রধানমন্ত্রী বরিস

  • Font increase
  • Font Decrease

লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ক্রেসিডা ডিক মঙ্গলবার বলেছেন যে, লকডাউন চলাকালীন নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘনের কারণে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ডাউনিং স্ট্রিট অফিসে অনুষ্ঠিত পার্টির অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত করবে।

কমিশনার প্রধান ক্রেসিদা ডিক জানিয়েছেন, অভিযোগ গুরুতর। সেই অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশকে বলা হয়েছে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করত হবে বলে সিএনবি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, লকডাউন চলাকালীন ওই পার্টির আয়োজন করেছিলেন তার স্ত্রী ক্যারি সিমন্ডস। প্রধানমন্ত্রী বরিসের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ওই পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। পার্লামেন্ট দাঁড়িয়ে ওই ঘটনার জন্য বরিস জনসন ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন। যদিও তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। তার দলের তরফ থেকেই বরিসকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী ওই পার্টির কথা স্বীকার করলেও সেখানে নিজের উপস্থিতি অস্বীকার করেছেন। এই স্বীকারোক্তিতেও বিষয়টি হালকা হয়নি। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, কিভাবে দেশবাসীকে কড়া বিধিনিষেধের মধ্যে রেখে প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবনে এমন পার্টির অনুমতি দিলেন। এরপরই নিজ দলের তরফ থেকে বারবার পদত্যাগের চাপ আসতে থাকে।

বরিস জনসনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কিনা, এই ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে সে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক যদি প্রধানমন্ত্রীকে জেরার দাবিতে সরব হয় পুলিশের ওপর চাপ আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে বরিস জনসনকে জেরা করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও রাস্তা থাকবে না। যদিও বরিস জনসন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনোভাবেই পদত্যাগ করবেন না।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত পার্টিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষিতে পুলিশি তদন্তের নির্দেশে খুশি বিরোধীরা। তারা এখন তদন্তের দিকে তাকিয়ে। 

উল্লেখ্য, বরিস জনসন ওই পানাহারের আয়োজন করেছিলেন ২০২০ সালের ২০ মে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে আয়োজিত যুক্তরাজ্যের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের ওই আসরে বরিস জনসন ও তার স্ত্রী ক্যারি সিমন্ডস উপস্থিত ছিলেন। অতিথি ছিলেন শতাধিক। ওই সময় যুক্তরাজ্যে কোনো আয়োজনে একসঙ্গে এত মানুষের উপস্থিতি আইনত নিষিদ্ধ ছিল।

;

সাংবাদিককে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিলেন জো বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জো বাইডেন

জো বাইডেন

  • Font increase
  • Font Decrease

সোমবার বিকেলে হোয়াইট হাউসের একটি ইভেন্টের পর রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন ফক্স চ্যানেলের একজন সাংবাদিককে অশ্রাব্য ভাষায়  বকাবকি করেন। এর পরপরই আবার ক্ষমাও চেয়ে নেন।

প্রেসিডেন্টের এমন কুৎসিত ভাষার গালির ঘটনাটি সাথে সাথেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। নানা প্রান্ত থেকে সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর প্রতিবেদন অনুসারে, হোয়াইট হাউজে চলছিল ফোটোসেশন। একেবারেই ঘরোয়া অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে ফক্স চ্যানেলের হোয়াইট হাউসের সংবাদদাতা পিটার ডুসি প্রশ্ন করেন মুদ্রাস্ফীতি রোধ করা প্রেসিডেন্টের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে কি না।

আর তাতেই প্রেসিডেন্ট মেজাজ হারিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় পিটার ডুসিকে গালমন্দ করেন।

সে সময় মাইক্রোফোন যে চালু ছিল সেটা প্রেসিডেন্ট সম্ভবত জানতেন না। তাই অনেক শোরগোলের মাঝেও শুনে ফেলেন উপস্থিত সকলেই। তারপরে শুরু হয় গুঞ্জন। হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে বিষয়টি চেপে যাওয়ার কম চেষ্টা করা হয়নি। কিন্তু ততক্ষণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে বিষয়টি। সবার প্রশ্ন বাইডেনের মতো একজন ভদ্রলোকের মুখ থেকে কিভাবে এমন কথা বের হল।

ডুসি সোমবার সন্ধ্যায় ফক্সে বলেছিলেন যে বিডেন তার মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে তাদের বিনিময়ের পরেই তার ফোনে কল করেছিলেন। "সেই এক্সচেঞ্জের প্রায় এক ঘন্টার মধ্যে, তিনি আমার সেল ফোনে কল করেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, 'এটা ব্যক্তিগত কিছু নয়, বন্ধু,'" ডুসি বলেছিলেন।

ডুসি সোমবার সন্ধ্যায় ফক্সে বলেছিলেন যে, ঘটনার পরপরই প্রেসিডেন্ট তার তার ফোনে কল করে উক্ত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক হিসেবে তিনি তার পেশার কাছে দায়বদ্ধ। সেই দায়বদ্ধতা থেকে তিনি প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করেছিলেন। উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে তিনি যদি গালি দিয়ে থাকেন সেটা একান্তই প্রেসিডেন্টের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি।

ভিডিও

;

ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া



Shutapa Bhabna Mazumder
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ করে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করল উত্তর কোরিয়া। এই ঘটনায় কোরিয়ার উপদ্বীপে সংঘাতের আশঙ্কা আরও তীব্র হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এএনআই এর প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে।

মঙ্গলবার(২৫ জানুয়ারি) সিওলের রাডারে ধরা পড়েছে যে, পূর্ব সাগরে (সি অফ জাপান) দুটি ক্রুজ মিসাইল ছোঁড়ে কোরিয়ান সেনাবাহিনী।

উত্তর কোরিয়ার এক নায়ক কিম জং উনকে বশে চেষ্টা করছে আমেরিকা। কিন্তু কিমের পাশে দাঁড়িয়ে সেই সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে দিচ্ছে চীন ও রাশিয়া। সম্প্রতি মিসাইল উৎক্ষেপণ নিয়ে জাতিসংঘে পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব আনে আমেরিকা। কিন্তু মস্কো ও বেজিংয়ের আপত্তিতে চাপে রয়েছে সেই প্রস্তাব।

চলতি মাসেই একের পর এক ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়ে শক্তি প্রদর্শন করে কিমের সৈন্য। পিয়ংইয়ংয়ের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণের খবর নিশ্চিত করে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। উত্তর কোরিয়ার এই পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করে দুই প্রতিবেশী দেশ। তারপরই বিষয়টি নিয়ে আবার গোপন বৈঠকে বসতে চলেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার বৈঠকের আগে উত্তর কোরিয়ার এমন আগ্রাসী পদক্ষেপের নিন্দা করার দাবি জানান জাতিসংঘের আমেরিকার দূত লিন্ডা থমাস। তিনি জানান যে আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জাপান-সহ একাধিক দেশ কিমের এই ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণের নিন্দা করেছে।

সূত্রের খবর, জাতিসংঘে পিয়ংইয়ংয়ের উপর আরও কড়া আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তাব দেয় আমেরিকা। কিন্তু সেই প্রস্তাবে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের দুই স্থায়ী সদস্য চীন এবং রাশিয়া।

উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষার ক্ষেত্রে তেমন কোনও বিধিনিষেধ নেই। ফলে এক্ষেত্রে পিয়ংইয়ং জাতিসংঘের নিয়মকে অমান্য করেছে  তা বলা যায় না।

;

ক্যামেরুনে স্টেডিয়ামে পদদলিত হয়ে শিশুসহ ৮ জনের মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউন্ডেতে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফুটবল ম্যাচ শুরুর আগে জোরজবরদস্তি করে ঢুকতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছে কমপক্ষে ৫০ জন। মৃতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ জানুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের এক নার্স। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিবিসির খবর অনুযায়ী, পল বিয়া স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ৬০ হাজার হলেও করোনার কারণে সীমিত সংখ্যক দর্শককে মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আর মাঠের বাইরে সেই সময় হাজির ছিলেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। তারা দরজা ভেঙে মাঠের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে। কে কার আগে ঢুকবে, তা নিয়ে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। আর তাতেই পদদলিত হন আট জন দর্শক।

বিবিসির তরফ থেকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন লিওক্যাডিয়া বংবেন। তার বয়ান অনুযায়ী, ‘খেলা শুরু হওয়ার আগে থেকে স্টেডিয়ামের বাইরে ছিলেন কয়েক হাজার দর্শক। রেফারি খেলা শুরুর নির্দেশ দিতেই মাঠের বাইরে কয়েক হাজার দর্শক। তারা স্টেডিয়ামের দরজা ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। সেই ধাক্কাধাক্কিতে পায়ের নিচে চাপা পড়েন শিশু-সহ কয়েকজন।

সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে পড়েছে ওই ঘটনার ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায়, এখানে-ওখানে ছড়িয়ে রয়েছে স্যান্ডেল, জামা, হাতঘড়ি।

কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল সিএএফ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

সূত্র-এফপি

;