সন্দেহভাজন বন্দুকধারী নিজের দাদিকেও গুলি করে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলিতে ১৯ শিক্ষার্থীসহ ২১ জন নিহত হয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারী স্কুলে ঢোকার আগে নিজের দাদিকেও গুলি করে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ মে) টেক্সাসের ইউভালদে শহরের রব এলিমেন্টারি স্কুলে এই গুলির ঘটনা ঘটে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তিনটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, সন্দেহভাজন খুনির গুলিবিদ্ধ দাদিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

টেক্সাস ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটির সার্জেন্ট এরিক এস্ট্রাডা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, বর্তমানে হাসপাতালে থাকা খুনির দাদির অবস্থা সংকটাপন্ন।

সন্দেহভাজন সালভাদর রামোসের একজন সাবেক সহপাঠী জানান, হামলার কয়েকদিন আগে বন্দুকধারী তাকে তার কাছে থাকা একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ ভর্তি একটি ব্যাগের ছবি পাঠায়।

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শ্রীলঙ্কা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। দেশটিতে ব্যাপক সংকট জ্বালানি তেলেরও। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল শ্রীলঙ্কা সরকার।

শুধু আপৎকালীন পরিষেবায় যুক্ত গাড়িগুলো পেট্রল, ডিজেল পাবে। সে কারণেই সমস্ত বেসরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

দেশটির সরকার বলেছে, আজ মঙ্গলবার (২৮ জুন) থেকে আগামী দুই সপ্তাহের জন্য শুধুমাত্র বাস, ট্রেন, চিকিৎসা সেবা এবং খাদ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত যানবাহনে জ্বালানি ভরতে দেওয়া হবে। এই নির্দেশ আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

এদিকে গত সপ্তাহেই সমস্ত সরকারি স্কুল বন্ধের নির্দেশ জারি করা হয়েছে। কিছু অফিস স্বল্প সংখ্যক কর্মী দিয়ে চলছে। এদিকে রোববারই সরকার জানিয়েছিল জ্বালানি তেল চাইলেই পাওয়া যাবে না। তবে এবার একেবারে তেল দেওয়াই বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার।

সরকারি মুখপাত্র বান্দুলা গুনাওয়ারদানা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে এত বড় অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি এর আগে আর কখনও হয়নি।

এদিকে বিভিন্ন পেট্রল পাম্পের সামনে ইতিমধ্যেই গাড়ির লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। মারাত্মক দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছেন বাসিন্দারা। জাতিসংঘ ইতিমধ্যেই জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে। পাঁচজনের মধ্যে চারজন একবেলা খেয়ে থাকছেন। একেবারে মানবিক সংকট শুরু হয়ে গিয়েছে।

এবার তার সঙ্গে যুক্ত হল জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকট। সেক্ষেত্রে কাল থেকে কার্যত রাস্তা গাড়ি শূন্য হয়ে যেতে পারে।

দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দিনে প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলোতে জ্বালানি দেওয়ার জন্য দেশে মাত্র ৯ হাজার টন ডিজেল ও ৬ হাজার টন পেট্রোল রয়েছে। যা দিয়ে এক সপ্তাহেরও কম সময় চলবে।

শ্রীলঙ্কার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী কাঞ্চনা উইজেসেকেরা বলেছেন, আমরা জ্বালানি তেলের মজুত বাড়ানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তবে, বলতে পারছি না কবে নাগাদ মজুত বাড়ানো সম্ভব হবে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ অ্যালেক্স হোমস বিবিসিকে বলেছেন, রাশিয়ার জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা শ্রীলঙ্কার ক্রমবর্ধমান সংকটের আরেকটি ছোট লক্ষণ।

;

জর্ডানের বন্দরে গ্যাস লিক হয়ে নিহত ১৩, আহত আড়াই শতাধিক



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী আকাবায় বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস লিক হয়ে ছড়িয়ে পড়ায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও আড়াই শতাধিক মানুষ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্রেনের ত্রুটির কারণে একটি রাসায়নিক স্টোরেজ কন্টেইনার নিচে পড়ে গেলে বিষাক্ত রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে করে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, কন্টেইনারটি ক্রেনের মাধ্যমে ওপরের দিকে উঠানো হচ্ছে। তারপর হঠাৎ করে এটি জাহাজের ওপরে পড়ে এবং বিস্ফোরিত হয়। এর পরপরই উজ্জ্বল হলুদ এই গ্যাসের বিপুল অংশ সেখানে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায় এবং এর ফলে ঘটনাস্থলে থাকা মানুষকে নিরাপত্তার জন্য দৌড়াতে দেখা যায়।

জর্ডানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ার কারণে আহতদের মধ্যে ১৯৯ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ক্লোরিন হল একটি রাসায়নিক যা শিল্প এবং গৃহস্থালী জিনিসপত্র পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রা এবং চাপে এটি মূলত হলুদ-সবুজ একটি গ্যাস, তবে সংরক্ষণ ও অন্যস্থানে পরিবহনের জন্য এটিকে চাপ দিয়ে ঠান্ডা করা হয়।

;

ইউক্রেনে শপিং সেন্টারে হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বললেন জি-৭ নেতারা

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের পোলটাভা অঞ্চলের ক্রেমেনচুক শহরের একটি শপিং সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর বিবিসির।

ইউক্রেনে শপিং সেন্টারে হামলাকে জি-৭ নেতারা জঘন্য বলে নিন্দা করেছেন। তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের ওপর নির্বিচারে হামলা একটি যুদ্ধাপরাধ।হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেন তারা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রেমেনচুকের একটি জনাকীর্ণ শপিং সেন্টারে ওই হামলার সময় ভেতরে এক হাজারের বেশি মানুষ ছিল। সেখানে ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বেসামরিক স্থাপনার ওপর এমন হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। 

পোলটাভা অঞ্চলের গভর্নর দিমিত্রো লুনিন এই হামলাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি একে যুদ্ধাপরাধ বলেও অভিহিত করেছেন।

;

যুক্তরাষ্ট্রে লরি থেকে ৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের উপকণ্ঠে একটি লরি থেকে অন্তত ৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।মৃতরা অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, লরি থেকে অন্তত ১৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ছবিগুলোতে দেখা গেছে, লরির চারপাশে অনেকগুলো অ্যাম্বুলেন্সে দাঁড়িয়ে আছে।

কেএসএটি-টিভি চ্যানেল জানিয়েছে, লরিটি সান আন্তোনিওর দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে রেল লাইনের পাশে পাওয়া গেছে।

সান আন্তোনিও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা লরিটির চালককে খুঁজছিলেন।

টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরটি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এই মৃত্যুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন এবং এগুলোকে তার (বাইডেন) উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল বলে বর্ণনা করেছেন।

মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কীভাবে এতোগুলো মানুষ মারা গেল তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ এখনও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

;