পরমাণু অস্ত্রের মজুদ বাড়াচ্ছে চীন, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চীন পরমাণু অস্ত্রের মজুদ বাড়াচ্ছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (৩০ নভেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা একটি রিপোর্টে এমনই দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা দফতর।

পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি, গত বছর থেকে চীন নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নিয়েছে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির দখলে আপাতত চারশোর বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। নিজেদের পরমাণু অস্ত্রের ভান্ডার এভাবে বাড়াতে থাকলে ২০৩৫ সালের মধ্যে চীনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অন্তত দেড় হাজার পরমাণু অস্ত্র থাকবে। যা বর্তমান সংখ্যার প্রায় তিন গুণ।

ওই একই রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র যাতে নাক না গলায় তা নিয়ে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল বেইজিং।

প্রতি বছরই মার্কিন কংগ্রেসে চীনের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করে পেন্টাগন। সেখানেই বলা হয়েছে, ২০২০ সালেই নিজেদের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং। সেই মতো গত বছর থেকে তাদের অস্ত্র কর্মসূচির ছবিটা পাল্টে যায়।

পেন্টাগনের দাবি, বর্তমান দক্ষিণ চীন সাগরে পিপলস লিবারেশন আর্মি যে ধরনের ডুবোজাহাজ ব্যবহার করেছে, তা দেখেই তাদের এই ধারণা আরও দৃঢ় হয়েছে। সেই সঙ্গেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেন্টাগনের এক শীর্ষ কর্মকর্তার দাবি, চীনের এই সিদ্ধান্তের পিছনে একটা বড় কারণ হল, তাদের তাইওয়ানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন নীতি।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, বেইজিং বরাবরই গোটা বিশ্বকে বলে এসেছে যে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার বেশি পরমাণু অস্ত্র তারা বানাবে না। অথচ গত বছর থেকে তাদের অস্ত্র ভান্ডারে বিপুল সংখ্যক পরমাণু অস্ত্র যোগ হতে শুরু করেছে। পেন্টাগনের দাবি, এই সংখ্যাটা আদৌ চমকে দেওয়ার মতো নয়। কারণ গত বছরই তাদের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে, আগামী ১০-১২ বছরের মধ্যে চীন অন্তত এক হাজার পরমাণু অস্ত্র নিজেদের দখলে রাখতে চলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্ট নিয়ে চীনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি অবশ্য। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট রাইডারের বক্তব্য, গোটা বিষয়টি নিয়ে চীনের অস্বচ্ছতাই তাদের উদ্বেগের মূল কারণ। তার কথায়, চিন্তার বিষয় হল, চীন যত বেশি পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার ঘটাবে, দক্ষিণ চীন সাগরের মতো অতি স্পর্শকাতর এলাকায় স্থিতিশীলতা তত কমবে। এ নিয়ে অস্বচ্ছ তথ্যও আমাদের উদ্বেগের বড় কারণ।

পুলিশের গুলিতে আহত ওডিশার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তার গুলিতে আহত ভারতের ওড়িশা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব কিশোর দাস (৫৭) মারা গেছেন।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সকালে রাজ্যের ঝাড়সুগুদা জেলার ব্রজরাজনগরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) গোপাল দাস ওড়িশা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এরমধ্যে দুটি গুলি তার বুকে লাগে। অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় আহত মন্ত্রীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ভুবেনেশ্বরে নেয়া হয়।

ব্রজরাজনগর পুলিশের কর্মকর্তা গুপ্তেশ্বর ভৈ সাংবাদিকদের বলেন, গোপালকে স্থানীয়রা ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। হামলার কারণ এখনও জানা যায়নি।

;

পাকিস্তানে বাস গিরিখাতে পড়ে নিহত ৩৯



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে একটি বাস গিরিখাতে পড়ে অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে বেলুচিস্তানের লাসবেলা অঞ্চলে বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

লাসবেলার সহকারী কমিশনার হামজা আঞ্জুম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হামজা আঞ্জুম বলেন, গাড়িটি প্রায় ৪৮ জন যাত্রী নিয়ে কোয়েটা থেকে করাচি যাচ্ছিল।

তিনি বলেন, দ্রুতগতির কারণে লাসবেলার কাছে ইউ-টার্ন নেয়ার সময় বাসটি একটি সেতুর পিলারের সাথে ধাক্কা খায়। পরে বাসটি একটি গিরিখাতের মধ্যে পড়ে এবং তারপরে আগুন ধরে যায়।

তিনি জানিয়েছেন, নিহত ও হতাহতদের বাসটির ধ্বংসাবশেষ থেকে বের করে আনা হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা শেষে আহতদের চিকিৎসার জন্য লাসবেলা সিভিল হাসপাতালে এবং নিহতদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমান অনুযায়ী, ২০১৮ সালে পাকিস্তানের রাস্তায় ২৭ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

;

ইরানে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৬



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের উত্তর-পশ্চিম অংশে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পে কমপক্ষে ছয়জন নিহত এবং ৩০০ জনেরও বেশি লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভি জানিয়েছে, শনিবার ভোরে ইরানের খোয়সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি শহরে কম্পন অনুভূত হয়। ইউএসজিএস জানিয়েছে, ইরানের খোয়-এর ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি।

খোয় ইরানের পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশের খোয় কাউন্টির একটি শহর ও রাজধানী।

ইরানের বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি বেশ শক্তিশালী ছিল এবং ইরানের পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশের অনেক এলাকায় অনুভূত হয়।

স্থানীয় এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক লোক আতঙ্কে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৪০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

;

নব্য-নাৎসিদের ধ্বংস করতে এই যুদ্ধ: পুতিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনে সেনা আগ্রাসনের শুরু থেকেই থেকেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, নব্য-নাৎসিদের ধ্বংস করতে এই যুদ্ধ। ‘হলোকস্ট রেমেমব্রান্স ডে’-তে ফের সে কথাই বললেন পুতিন।

আজ (২৮ জানুয়ারি) থেকে ঠিক ৭৮ বছর আগে পোল্যান্ডে নাৎসি জার্মানির তৈরি করা আউশভিৎস-বির্কেনাউ কনসেনট্রেশন ক্যাম্প স্বাধীনতা পেয়েছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রেড আর্মির হাত ধরে। ২৭ জানুয়ারিতে তাই ‘হলোকস্ট রেমেমব্রান্স ডে’ পালন করা হয়।

হিটলারের ইহুদি বিদ্বেষের প্রসঙ্গ টেনে পুতিন বলেন, ইতিহাস ভুলে যাওয়ার জন্যই এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। ইউক্রেনে নব্য-নাৎসিরা সাধারণ মানুষের উপরে অত্যাচার চালাচ্ছে, জাতিগত ভাবে দেশবাসীর একাংশকে নির্মূল করছে, শাস্তিযোগ্য কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সেনাবাহিনী দুষ্টের দমনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে, রাশিয়ার এই দাবি মানতে নারাজ ইউক্রেন এবং দেশটির ইহুদি সম্প্রদায়।

হিটলারের সেনাবাহিনীকে হারিয়ে দিয়েছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। পুতিন জানান, হিটলারের বিরুদ্ধে সেই মহান বিজয় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে। নাৎসিদের অপরাধ ও তাদের আদর্শ যাতে ফের সক্রিয় হয়ে না ওঠে, তারই চেষ্টা।

আউশভিৎস মিউজ়িয়াম অবশ্য এ বছর ‘হলোকস্ট রিমেমব্রান্স ডে’-তে রুশ প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়নি। ইউক্রেনে আগ্রাসনের প্রতিবাদেই এই সিদ্ধান্ত।

নাৎসি ক্যাম্পগুলোতে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের রেড আর্মি। সে জন্য এই দিনটিতে প্রতি বছর রুশ প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

মিউজিয়ামের মুখপাত্র পিয়ত্র সইকি বলেন, এই যুদ্ধের পরে সভ্য সমাজে ফিরতে রাশিয়ার দীর্ঘ সময় লাগবে। ওদের গভীর আত্ম-সমীক্ষা করা উচিত।

ইউক্রেনে আজও রুশ হামলা অব্যাহত রয়েছে। ‍

শুক্রবার জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণ দল জানিয়েছে, ইউক্রেনের জাপোরিজিয়ার পরমাণু কেন্দ্রের কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ-র প্রধান রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, পরমাণু চুল্লির কাছাকাছি অঞ্চলে নিয়মিত বিস্ফোরণ ঘটে চলেছে।

;