দক্ষিণ আফ্রিকায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪৫



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় লিম্পোপো প্রদেশে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ৪৫ জন মানুষ নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাজধানী জোহানেসবার্গ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরের লিম্পোপো রাজ্যের মামটলাকালা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের বরাতে বিবিসি এতথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যাত্রীবাহী বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি একটি সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে যায়। এরপর বাসটিতে আগুন ধরে যায় বলে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়।

বাসটি প্রতিবেশী দেশ বতসোয়ানা থেকে যাত্রী নিয়ে লিম্পোপোর শহর মোরিয়া যাচ্ছিল।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছিলেন উদ্ধার কর্মীরা। ঘটনাস্থলে অনেকের আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের চিহ্নিত করা দুষ্কর। বাকিরা বাসের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে এবং অন্যরা ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বলে লিম্পোপোর পরিবহন বিভাগের পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবহণ মন্ত্রী সিন্দিসিওয়ে চিকুঙ্গা, দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মর্মান্তিক এই বাস দুর্ঘটনায় হতাহত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তদন্ত করবে।

   

তিন দেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইরান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাজ্য, জার্মান ও ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির পশ্চিম ইউরোপ বিভাগের মহাপরিচালক তাদেরকে তলব করেন।

রোববার (১৪ এপ্রিল) ইরানের সংবাদ সংস্থা ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পশ্চিম ইউরোপ বিভাগের মহাপরিচালক রোববার ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত সাইমন শেরক্লিফ, জার্মান রাষ্ট্রদূত হ্যান্স-উডো মুজেল এবং ফরাসি রাষ্ট্রদূত নিকোলাস রোচেকে জাতিসংঘের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি জানান।

মহাপরিচালক সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং তিনটি দেশের ‘দ্বিমুখী আচরণের’ সমালোচনা করেন।

তিনি আরো বলেন, ইরান তাদের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সবসময় যেকোন শক্তির বিরুদ্ধে প্রস্তুত রয়েছে।

যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতেরা বলেছেন, শিগগিরই তাঁরা নিজ দেশের রাজধানীতে এই বার্তা পৌঁছে দেবেন।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এর জবাবে গতকাল শনিবার ইসরায়েলের ভূখণ্ডে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় ইরান।

;

বাংলাদেশি জাহাজ ছিনতাই: উপকূল থেকে ৮ জলদস্যু গ্রেপ্তার  



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ৮ জলদস্যুকে সোমালিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য প্যান্টল্যান্ডের উপকূল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে তাদের গ্রেফতারের খবর জানিয়েছে সোমালিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘গারোই অনলাইন’। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, জাহাজটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পুন্টল্যান্ডের পূর্ব উপকূল থেকে দস্যুদের গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাতে জাহাজ ও এতে থাকা ২৩ নাবিককে মুক্তি দেয় দস্যুরা।

পুন্টল্যান্ডের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশি জাহাজ ও নাবিকদের জিম্মির সঙ্গে জড়িত এই ৮ দস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণের কোনো অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না সে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি তিনি।

এদিকে, ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দুই দস্যু জানিয়েছে, দুই দিন আগে মুক্তিপণ হিসেবে তাদের ৫০ লাখ ডলার দেওয়া হয়। এই অর্থগুলো নকল কি না পরবর্তীতে সেটি যাচাই-বাছাই করে তারা। এরপর নিজেদের মধ্যে অর্থগুলো ভাগ করে তারা জাহাজ থেকে চলে যায়।

হাজটির মালিকপক্ষ করিম স্টিল রি-রোলিং মিলসের (কেএসআরএম) মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রাত ১২টায় মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর দস্যুরা জাহাজ থেকে নেমে যায়। রাত ১২টায় জাহাজটি মুক্ত হওয়ার পর দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

গত ১২ মার্চ কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের দিকে যাওয়ার সময় ভারত মহাসাগরে ওই জলদস‍্যুদের কবলে পড়ে ‘এমভি আবদুল্লাহ’। ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজটিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় দস্যুরা। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মোজাম্বিকের কাছাকাছি অবস্থান করছিল জাহাজটি।

;

ইরানের হামলার পর আকাশসীমা খুলল জর্ডান, ইরাক ও লেবানন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বন্ধ হওয়া আকাশসীমা আবারও খুলে দিয়েছে জর্ডান, ইরাক এবং লেবানন।

এর আগে শনিবার (১৩ এপ্রিল) গভীর রাতে এসব দেশ তিনটি আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

জর্ডানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে, দেশটিতে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টারও আগে আকাশসীমা খুলে দেয় জর্ডান।

এছাড়া ইরাকের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি কাটিয়ে উঠেছে তারা। লেবাননের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, রাতভর বন্ধ থাকার পর দেশটিতে পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানবন্দর।

দুটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যবর্তী জর্ডান তার ভূখণ্ড লঙ্ঘনকারী যে কোনো ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রস্তুত রেখেছে।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ায় তেহরানের কনস্যুলেটে হামলার পর ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে। ইরান হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে। হামলায় একাধিক ইরানি কমান্ডার নিহত হন। সেই হামলার জবাবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ল ইরান।

;

ইসরায়েলের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের নজিরবিহিন ক্ষোপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর ‘হার্ট অ্যালার্ট’ জারি করেছে ইসরায়েল। ইরানের হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সব পাঠ্যক্রম বহির্ভূত শিক্ষা কার্যক্রম বাতিল করেছে। খবর: জেরুজালেম পোস্ট

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান থেকে আক্রমণের জন্য উচ্চ সতর্কতার অংশ হিসেবে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে হামলা প্রতিহত করতে কয়েক ডজন বিমান প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা ইরান সমর্থিতদের দ্বারা পাঠানো বিভিন্ন হুমকির সম্মুখীন হয়েছি। সেই অনুযায়ী আমাদের প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ ব্যবস্থাকে প্রস্তুত রেখেছি।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে তেহরানের কনস্যুলেটে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৭ ইরানি জেনারেল নিহত হয়। ওই ঘটনার জেরে ইসরায়েলে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দেয় পারস্য অঞ্চলের দেশটি। যেকোনো সময় ইসরায়েলের যেকোনো স্থাপনায় হামলা চালানো হবে বলে সে সময় হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

 

;