ভিজে বন্য হওয়ার ‘সংক্রান’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, সাউথ-ইস্ট এশিয়া ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় স্থানগুলোতে পথে হাঁটতে গেলে আপনাকে এখন ভিজতে হবেই। শুধু হাঁটা নয়, টুকটুক বা বাইকে করে যদি ঘুরতে বের হন, এমনকি ট্যাক্সিতে জানালা খোলা থাকলেও ভেজার সম্ভাবনা বেশি।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে আমরা যাই ব্যাংককের সানাম লুয়াং রয়েল প্যালেস এলাকায়। এখানে প্যালেসের সামনে মাঠে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় ফুটবল মাঠের সমান এক ওয়াটার পুল। সেখানে নানা বয়সী, বিশেষত শিশুরা মেতে উঠেছে উৎসবে। আর সড়কগুলো রয়েছে ভিজে। স্থানীয় আর পর্যটকদের হাতে নানা আকার ও নানা ধরনের ওয়াটার গান। পানি ছুড়ছেন একে অপরকে। এই পানি খেলা শুধু বন্ধুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, যে কেউ যে কাউকে পানি ছুড়তে পারবে। সেখানে রাগ বা অভিমান নেই। রয়েছে শুধুই উচ্ছাস।


ব্যাংককের পথে পথে দেখা মিলবে পিকআপে করে পানি ছোড়ার কর্ম। পিকআপ ভ্যানের পেছনে আস্ত পানির ট্যাঙ্কি নিয়ে উঠেছে কিশোর-কিশোরীর দল। সেখান থেকে পাইপে, মগ বা বালতিতে করে ছোড়া হচ্ছে পানি। পুরো গোসল করিয়ে দেয়া হচ্ছে পথচারীদের।

সানাম লুয়াং, সিয়াম সেন্টার, খাওসান রোড, সুকুমভিতসহ সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছে পানি খেলার এই আয়োজন। শুধু পানি ছোড়ার খেলা নয়, সঙ্গে রয়েছে কনসার্ট আর নানা ধরনের প্রদর্শনী। যা উৎসবকে করেছে রঙিন।

শুধু থাইল্যান্ড নয়, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়ার মানুষ উদযাপন করছে নতুন বর্ষের এই উৎসব। ২০২৩ সালে থাইল্যান্ডের এই নববর্ষ উৎসব, ‘সংক্রান’কে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো। তাই চলতি বছর এই উৎসবের রংয়ে লেগেছে নতুন মাত্রা।


সংক্রানকে ঘিরে নিজ নিজ দেশের পর্যটনকে বিকশিত করার নানা উদ্যোগ নিয়েছে দেশগুলো। লাওস এরই মধ্যে ভিয়েনতিয়েনে সংক্রানের জল উৎসবের জায়গা নির্ধারণ করেছে। কম্বোডিয়া সরকার আশা করছে এই সংক্রানকে ঘিরে অন্তত ৫০ হাজার থেকে লাখ বিদেশি পর্যটকের সমাবেশ ঘটাতে পারবে দেশটি।

থাইল্যান্ড এক্ষেত্রে অবশ্যই এগিয়ে আছে। থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে অন্তত সাড়ে ৫ লাখ পর্যটক এরই মধ্যে প্রবেশ করেছে সংক্রান উৎসবে যোগ দিতে।

থাইল্যান্ডের প্রতিটি প্রাদেশিক শহরেই স্থানীয়ভাবে আয়োজন করা হয়েছে সংক্রানের। স্থানীয়রা অনেকেই তাদের বাসার সামনে বসেছেন ওয়াটার পুল নিয়ে। সেখানে যেমন শিশুরা খেলছে আবার পানি ছুড়ছে পথচারীদের।


সংক্রানে পানি ছোড়ার সঙ্গেই আরেকটি বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। সেটা হচ্ছে পাউডার গলিয়ে শরীরে লাগিয়ে দেয়া। এটাও যে কেউ, যে কাউকে দিতে পারবে। বিশেষত গালে লাগিয়ে দেয়া হয়। 

   

সৌদি আরবে বিকিনি পরেই হাঁটলেন মডেলরা!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রক্ষণশীলতার বেড়াজাল থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে সৌদি আরব। দেশটিতে নারীদের পোশাক-পরিচ্ছদ নিয়ে বিধি-নিষেধও উঠছে ধাপে ধাপে।

এ বছর প্রথম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায়ও সৌদির এক মডেলকে দেখা গেছে। বোরখা খুলে বিকিনি পরেই র‌্যাম্পে হেঁটেছিলেন ২৭ বছরের রুমি আলকাহতানি।

মিন্ট জানিয়েছে, এবার এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছে পুরো বিশ্ব। সেটা হলো, এই প্রথম সেই দেশে বিকিনি পরেই ফ্যাশন শো’তে হাঁটেছেন মডেলরা।

সৌদিতে শুক্রবার (১৭ মে) রেড সি ফ্যাশন উইকের দ্বিতীয় দিন ছিল। আর সেখানেই এই বিপ্লব ঘটেছে বলে জানা গেছে। সেন্ট রেজিস রেড সি রিসর্টের সুইমিং পুলের পাশেই আয়োজন করা হয়েছিল সেই ফ্যাশন শো’র।

ওই ফ্যাশন শো’র ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মরক্কোর পোশাক ডিজাইনার ইয়াসমিনা কাঞ্জলের তৈরি রং-বেরঙের বিকিনিতে একে একে হেঁটে চলছেন সুন্দরী মডেলরা।

মডেলদের কারও কাঁধ ছিল উন্মুক্ত, কারও বক্ষখাঁজ স্পষ্ট। তবে, বিকিনি পোশাক পরলেও অনেক মডেলই ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন মাথা ঢেকে। খানিকটা হিজাবের মতো করেই মাথায় স্কার্ফ বাঁধতে দেখা গেছে তাদের।

সৌদির মাটিতে প্রথমবার বিকিনি পরিয়ে মডেলদের হাঁটানো নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ইয়াসমিনাও। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “সৌদি আরব নিঃসন্দে অত্যন্ত রক্ষণশীল একটি দেশ। এই দেশে পা রেখেই বুঝেছিলাম বিকিনি ফ্যাশন শো’র দিনটি এই দেশের ইতিহাসে লেখা হবে। রক্ষণশীল সংস্কৃতির কথা মাথায় রেখেই আমরা রুচিশীল বিকিনিগুলোর নকশা করেছি। এই ফ্যাশন শো’তে অংশ নিতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’’

;

ব্রাজিলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৪



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাজিলের দক্ষিণের রিও গ্রান্ডে ডো সুল রাজ্যে ঝড় ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা শুক্রবার (১৭ ) জানিয়েছে, গত ২৯ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা প্রায় প্রতিদিনই বেড়েছে।

সংস্থাটির মতে, রিও গ্র্যান্ডে ডো সুলের অন্তত ৪৬১টি পৌরসভায় প্রায় ২.৩ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মোট ৬ লাখ ২০ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ১৯ দিনের জরুরি অবস্থার মধ্যে ৮২ হাজারেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নজিরবিহীন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে রাজ্যটিতে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ ব্রাজিলের ভয়াবহ বন্যা ও ঝড়ের সৃষ্টি হয়।

রাজ্যেটির রাজধানী পোর্তো আলেগ্রের সালগাদো ফিলহো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি প্লাবিত হওয়ায় সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, দেশে ভয়াবহ বন্যার কারণে চিলিতে তার রাষ্ট্রীয় সফর স্থগিত করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও দা সিলভা।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে গত সোমবার (১৪ মে) জানিয়েছিল যে, বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কারণে আগামী ১৭ ও ১৮ মে প্রেসিডেন্টের চিলি সফর হচ্ছে না।

ব্রাজিলের সরকারি হিসেবে বলা হয়েছে, বন্যার ফলে এখনও ১২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

;

বসুন্ধরায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করছে জেসিএক্স



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বসুন্ধরায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করছে জেসিএক্স

বসুন্ধরায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করছে জেসিএক্স

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবনের ’’জেসিএক্স আইকন-১০০’’ অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে।

জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড ৩৮ দশমিক ৬০ কাঠা জমির উপর এই ভবন নির্মাণ করছে। ৩টি বেইজমেন্ট ও ১টি গ্রাউন্ড ফ্লোর ছাড়াও ভবনটিতে ৬ হাজার ৯০০ বর্গফুট থেকে শুরু করে ১৫ হাজার ৩০০ বর্গফুট পর্যন্ত আয়তনের ২১টি ফ্লোর রয়েছে।

বসুন্ধরা আই এক্সটেনশনের মাদানী এভিনিউ সংলগ্ন নর্থ-সাউথ এভিনিউ ১৩০ ফুট ও ৫০ ফুট রাস্তা সংলগ্ন আইকন-১০০ ভবনের খুব কাছেই গলফ ক্লাব, বসুন্ধরা টগি ফান ওয়ার্ল্ড রয়েছে। প্রকল্পটি আমেরিকান এ্যাম্বাসি (মাদানী এভিনিউ) থেকে মাত্র ৫ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। এখানে সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সত্যিকার অর্থেই নতুন দিগন্ত সূচনা করবে বলে আশা জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের।

প্রকল্পটিতে রয়েছে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি। ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য রয়েছে হ্যালিপ্যাড। এছাড়াও প্রকল্পটিতে রয়েছে পরিবেশ বান্ধব সর্বাধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। লিফট হিসাবে বিল্ডিংটিতে থাকছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির লিফট। সার্বক্ষণিক জেনারেটর ব্যাক-আপ।

এ প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে কাজ করছে সুদক্ষ দেশি-বিদেশী জনবল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জেসিএক্স বসুন্ধরা বাসীকে উপহার দিতে যাচ্ছে একটি পরিপূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের বিজনেস হাবর

আজ শনিবার (১৮ মে) প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত গ্রাউন্ড ব্রেকিং সিরিমনিতে যোগ দেন জেসিএক্স ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইকবাল হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের একক প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে দেশের সব চেয়ে অভিজাত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। আমরা সব সময় চেষ্টা করি গ্রাহকের আস্থা ও গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প হস্তান্তর করার। তারই ধারাবাহিকতায় আইকন ১০০ প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই প্রকল্পে প্রায় ৩৩ শতাংশ স্পেস বুকিং হয়েছে।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন, জাপানের ক্রিড সিএফও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাসানোবু কামিয়ামা, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর এম মুহিত হাসান, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের পার্টনার ডিরেক্টর সিদ্দিকুর রহমান, ডিরেক্টর আসিফ মাহমুদ চৌধুরী ও সাপ্লাইচেইন ডিরেক্টর মির্জা গোলাম রহমান। উপস্থিত ছিলেন এ প্রকল্পের সম্মানিত ক্রেতাগন, বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ এবং শুভাকাঙ্খীগণ। 

;

জাবালিয়া শিবিরে ইসরায়েলের হামলায় নিহত ১৫



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বাড়ি ফেরার পথে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলায় ১৫ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সিনহুয়া।

শনিবারের (১৮ মে) এই হামলা এবং হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনি সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা।

ফিলিস্তিনের নিরাপত্তা সূত্র সিনহুয়াকে জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান গাজার ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য নির্মিত জাবালিয়া শিবিরে আবাসিক বাড়ি এবং একটি আশ্রয় কেন্দ্রেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে জাবালিয়া শিবিরে বড় বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানা গেছে। হামলার পর সেখানে অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা সেখানে পৌঁছেছেন।

উল্লেখ্য, এই জাবালিয়া শিবিরে বেশ কয়েক দিন ধরেই সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল।

এদিকে, গাজার রাফাহতে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যৌথ চিঠি পাঠিয়েছে ১৩টি মিত্র দেশ। দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পাঁচ পাতার একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে তা ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের হাতে তুলে দেন এবং একই সঙ্গে সে চিঠি জনসম্মুখেও প্রকাশ করেন।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, আমরা রাফাহতে পূর্ণ মাত্রার সামরিক অভিযানের বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করছি, যা বেসামরিক জনগণের ওপর বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্যদেশ ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন।

;