রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় উদ্বিগ্ন মোদি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট রাইসির আজকের হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার খবরে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা এই সঙ্কটের সময়ে ইরানি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছি এবং প্রেসিডেন্ট ও তার সফর সঙ্গীদের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।’

আর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘মাননীয় প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার সম্পর্কে ইরান থেকে দুঃখজনক সংবাদ শুনেছি। প্রচণ্ড উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছি সুসংবাদের জন্য, যে সব ঠিক আছে। আমাদের প্রার্থনা এবং শুভকামনা মাননীয় প্রেসিডেন্ট রাইসি এবং সমগ্র ইরানী জাতির সঙ্গে রয়েছে।’

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেছেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধস্ত হওয়ার প্রতিবেদনগুলো যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষণ করছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও নিখোঁজ হেলিকপ্টারটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা আশা করি, আল্লাহ মহামান্য প্রেসিডেন্ট ও তার সঙ্গীদের জাতির কাছে ফিরিয়ে দেবেন। সকলকে তাদের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করতে হবে। ইরানি জাতির উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়।’

এ সময় সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশাসনে বিঘ্ন না ঘটানোর আহ্বান জানান খামেনি।

   

এবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো আর্মেনিয়া



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এবার ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউরোপের আরেক দেশ আর্মেনিয়া। সেইসঙ্গে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে চলা ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলা ও গণহত্যার তীব্র নিন্দাও জানিয়েছে দেশটি।

শুক্রবার (২১ জুন) পূর্ব ইউরোপীয় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দিয়েছে বলে নিজেদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে আরব নিউজ।

ঘোষণায় গাজাসহ পুরো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সহিংসতার অবসান দাবি করেছে আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে পূর্ব ইউরোপের দেশটি ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে তাদের বৈধ অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে।

এর আগে, গত ৩০ মে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে স্লোভেনিয়া সরকার। গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ এবং সব ইসরায়েলি বন্দির মুক্তিও দাবি করেছেন স্লোভেনীয় প্রধানমন্ত্রী।

২৮ মে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় ইউরোপীয় দেশ স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড। দেশগুলোর নেতারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য তাদের দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।

এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের প্রায় ১৪৫টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। 

প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে প্রায় আট মাস ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচার গণহত্যা ও বর্বর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইতোমধ্যে ইসরায়েলি হামলায় ৩৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৮৮ হাজারেরও বেশি মানুষ।

;

রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান গভীর সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে পেন্টাগন মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার বলেন, ‘এখানে আশ্চর্যের কিছু নেই যে, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া এই সম্পর্কের বিকাশ ও লালন করছে। তবে একে আমরা গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি এবং পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছি।’

আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে রাইডার বলেন, ‘যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে ফোকাস করে, তখন সমগ্র বিশ্বের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে সমমনা দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ চালিয়ে যায়, তার মধ্যে এই অঞ্চলকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’

সম্প্রতি রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে হওয়া চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে তারা তৃতীয় কোনো দেশের দ্বারা আক্রমণের শিকার হলে বিলম্ব না করে একে অপরকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে আমরা তাদের এসব চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাচ্ছি না।’

পেন্টাগন মুখপাত্র বলেন, ‘আপনারা অতীতে যেমনটা দেখেছেন যে, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার অবৈধ যুদ্ধকে সমর্থন করছে। দেশটি রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে, যা দিয়ে নিরীহ ইউক্রেনীয়দের হত্যা করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাই আবারও বলছি, তাদের এই চুক্তি অবশ্যই সেইসব জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ, যারা সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে, আইনের শাসনকে সম্মান করে।’

ইউক্রেনকে বশে আনতে গিয়ে রাশিয়া নিঃস্ব হয়ে গেছে দাবি করে রাইডার বলেন, ‘রাশিয়াকে এখন অস্ত্র সংগ্রহের জন্য উত্তর কোরিয়ার মতো একটি দেশে যেতে হয়েছে। এটাই প্রমাণ করে যে রাশিয়া এখন কতটা বিচ্ছিন্ন ও নিঃস্ব।’

;

রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান গভীর সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে পেন্টাগন মুখপাত্র মেজর জেনারেল প্যাট রাইডার বলেন, ‘এখানে আশ্চর্যের কিছু নেই যে, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া এই সম্পর্কের বিকাশ ও লালন করছে। তবে একে আমরা গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি এবং পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছি।’

আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে রাইডার বলেন, ‘যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে ফোকাস করে, তখন সমগ্র বিশ্বের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে সমমনা দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ চালিয়ে যায়, তার মধ্যে এই অঞ্চলকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’

সম্প্রতি রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে হওয়া চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে তারা তৃতীয় কোনো দেশের দ্বারা আক্রমণের শিকার হলে বিলম্ব না করে একে অপরকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে আমরা তাদের এসব চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাচ্ছি না।’

পেন্টাগন মুখপাত্র বলেন, ‘আপনারা অতীতে যেমনটা দেখেছেন যে, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার অবৈধ যুদ্ধকে সমর্থন করছে। দেশটি রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে, যা দিয়ে নিরীহ ইউক্রেনীয়দের হত্যা করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাই আবারও বলছি, তাদের এই চুক্তি অবশ্যই সেইসব জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ, যারা সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে, আইনের শাসনকে সম্মান করে।’

ইউক্রেনকে বশে আনতে গিয়ে রাশিয়া নিঃস্ব হয়ে গেছে দাবি করে রাইডার বলেন, ‘রাশিয়াকে এখন অস্ত্র সংগ্রহের জন্য উত্তর কোরিয়ার মতো একটি দেশে যেতে হয়েছে। এটাই প্রমাণ করে যে রাশিয়া এখন কতটা বিচ্ছিন্ন ও নিঃস্ব।’

;

ইউক্রেনকে অস্ত্র দিলে বড় ভুল করবে দক্ষিণ কোরিয়া : পুতিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিলে দক্ষিণ কোরিয়া বড় ধরনের ভুল করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন।

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নতুন চুক্তির প্রতিক্রিয়ায় সিউল এ ধরনের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে বলে জানানোর পর তিনি এ মন্তব্য করলেন।

বিবিসি জানিয়েছে, পুতিন বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বলেছেন, সিউল যদি কিয়েভকে অস্ত্র সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মস্কো এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে তা দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান নেতৃত্বের জন্য বড় ধরণের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পিয়ংইয়ং ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা পরই দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা চ্যাং হো-জিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার পরিকল্পনা করছি।’

এদিকে, পুতিনের সফরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে, যার সমালোচনা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

চ্যাং হো-জিন বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে শক্তিশালী করে, এ ধরনের যেকোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন। অথচ রাশিয়া নিজেই ওই প্রস্তাবের পক্ষে ছিল। তাই এই প্রতিরক্ষা চুক্তি করে স্বয়ং মস্কো তা লঙ্ঘন করেছে। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়াকে সহায়তা দিলে তা দক্ষিণ কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্পর্কে নিঃসন্দেহে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলবে।”

দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনকে মানবিক সহায়তা ও সামরিক সরঞ্জাম দিলেও এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ করতে রাজি হয়নি। কারণ, যুদ্ধরত কোনো পক্ষের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার নীতি দীর্ঘদিন ধরেই মেনে চলছে সিউল।

তাই রুশ হামলার শুরুর পর ওয়াশিংটন ও কিয়েভের অনুরোধের পরও ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রি করতে রাজি হয়নি দেশটি।

ইউক্রেনের কেউ কেউ আশা করছেন যে, মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে গভীর সামরিক সহযোগিতা সিউলকে তার দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করবে।

পুতিনের সফরের উত্তর কোরিয়ার নেতা ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

রাশিয়াও এরই মধ্যে ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়া থেকে পাওয়া ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে শুরু করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে মস্কো-পিয়ংইয়ংয়ের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অবাক হওয়ার কিছু নেই উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি। এই চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে জাপানও।

;