আবরার হত্যা মামলার ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড

  আবরার হত্যা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর কামরুজ্জামান আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সকাল ৯টার দিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় আসামিদের।

রায়কে কেন্দ্র করে আদালত পাড়ায় নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা। আদালত প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল (২৪), মাে. অনিক সরকার অপফে অপু (২২), মেহেদী হাসান রবিন অরফো শান্ত (২৩), ইফতি মােশাররফ সকাল (২০), মাে. মনিরুজ্জামান মনির (২১), মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (২৩), মাে. মাজেদুর রহমান অরফে মাজেদ (২০), মাে. মুজাহিদুর রহমান অরফে মুজাহিদ (২১), খন্দকার তাবাকারুল ইসলাম অরফে তানভির (২১), হােসেন মােহাম্মদ তােহা (২১), মাে. শামীম বিল্লাহ (২১), মাে. সাদাত অরফে এ.এস.এম. নাজমুস সাদাত (২১), মুনতাসির আল জেমী (২০), মাে. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (২২), এস.এম. মাহমুদ সেতু (২৪), সামসুল আরেফিন রাফাত (২১), মাে. মাের্শেদ অরফে মাের্শেদ অমর্ত্য ইসলাম (২০), এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম (২০) (পলাতক), মােহাম্মদ মাের্শেদ উজ্জামান মন্ডল প্রকাশ জিসান (২২) (পলাতক) ও মুজতবা রাফিদ (২১) (পলাতক)।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, অমিত সাহা (২১), ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না (২১), মাে. আকাশ হােসেন (২১), মুহতাসিম ফুয়াদ (২৩) ও মাে. মােয়াজ ওরফে মােয়াজ আবু হােরায়রা (২১)।

এর আগে, গত ২৮ নভেম্বর রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান রায়ের জন্য ৮ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করে বলেছিলেন, সাক্ষ্য ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে রায় ঘোষণার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর ভোরে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জানা যায়, ‘শিবির সন্দেহে’ তাকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী (পরে বহিষ্কৃত)।

এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ১৩ নভেম্বর আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান।

গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। এ মামলায় ৬০ জনের মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। গত ১৪ মার্চ কারাগারে থাকা ২২ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। অপর তিন আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেননি। এরপর কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন।

গত ৭ সেপ্টেম্বর মামলায় কিছু ত্রুটি থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ পুনরায় অভিযোগ গঠনের আবেদন করে। ৮ সেপ্টেম্বর আদালত ২৫ আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন করে। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে গ্রেপ্তার সব আসামি আবারও নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

মামলার আট আসামি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তারা হলেন ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মো. অনিক সরকার, মো. মুজাহিদুর রহমান, মো. মেহেদী হাসান রবিন, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মনিরুজ্জামান মনির ও এ এস এম নাজমুস সাদাত।

  আবরার হত্যা

ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিকের স্বীকারোক্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
মিথুন ওরফে আকাশ

মিথুন ওরফে আকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রুহির (১৯) মৃত্যুর ঘটনায় প্রেমিক মিথুন ওরফে আকাশ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করা হলে বিচারক রাজু আহমেদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এদিন দুপুরে আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আল-আমিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানবন্দি রেবর্ড করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল-আমিন।

আদালত সূত্র বলছে, রুহির সঙ্গে পরিচয়ের কথা স্বীকার করেছেন মিথুন। তবে রুহি তাকে প্রথম থেকে ভালোবাসার কথা বললেও তিনি রাজি ছিলেন না। তার মোবাইল নম্বর একাধিকবার ব্লক লিস্টে রেখেছিলেন। এক পেশে ভালোবাসার কারণে তিনি ফোন বন্ধ রেখেছিলেন। রুহির সঙ্গে পরিচয়ের পর যা যা ঘটেছিল, তা সবিস্তারে আদালতকে জানিয়েছেন মিথুন।

এর আগে, সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে গঙ্গাচড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আটক মিথুন গঙ্গাচড়া উপজেলার ধামুর গ্রামের ইবাদত আলীর ছেলে। সে প্রেমিকা রুহিকে নিজের ভুয়া নাম ও ঠিকানা দিয়েছিল।

গত রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের ভেতর থেকে রুহির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রুহি ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ড থানার হরিয়ারঘাট গ্রামের সেকেন্দার আলীর মেয়ে।

মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আল-আমিন জানান, মিথুন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

  আবরার হত্যা

;

অবৈধ সম্পদের মামলায় জি কে শামীমের মা কারাগারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তার আত্মসমর্পণ করার পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ জানয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তিনি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ এনে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ মামলাটি করেন। এরপর তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর দুদক জি কে শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জি কে শামীম ২০১৮-১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এরমধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

এছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধারকৃত নগদ এক কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও সাত লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরও ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

অনুসন্ধানে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তারের কোনো বৈধ আয়ের উৎসও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জি কে শামীমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় তার অফিস থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার ও সহযোগিদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

  আবরার হত্যা

;

মামুনুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় তৃতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন যুবলীগ নেতাসহ রয়েল রিসোর্টের ২ জন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষগ্রহণ শুরু হয়।

এর আগে, সকাল ৯টায় কঠোর নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় তাকে। পরে ২টায় আবার তাকে কঠোর নিরাপত্তায় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

গত ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় মামুনুলের বিরুদ্ধে রয়েল রিসোর্টের সুপারভাইজার আব্দুল আজিজ, রিসিপশন অফিসার নাজমুল ইসলাম অনিক ও আনসার গার্ড রতন বড়াল সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। একই আদালতে ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় বিচার কাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, মামুনুল হক গত বছরের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে ওই রিসোর্টে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে ব্যাপক ভাঙচুর করে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে ৩০ এপ্রিল সকালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নারী। যাকে মামুনুল হক তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেছিল।

  আবরার হত্যা

;

ডা. ইকবালসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফের মামলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
১৬ বছর পর ডা. ইকবালসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফের মামলা

১৬ বছর পর ডা. ইকবালসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফের মামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

১৬ বছর পর প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. এইচ বি এম ইকবাল, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএমবিএর সভাপতি ছায়েদুর রহমান ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সাইফুল ইসলামসহ সাত ব্যক্তি এবং দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে ফের মামলা হয়েছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, গত নভেম্বরে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নতুন করে এ মামলা দায়ের করেছে। মামলা আমলে নিয়ে গত ১৭ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

তাদের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া বা আইপিওতে কারসাজির উদ্দেশ্যে ২৬ হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে ২০০৫ সালে মামলা হয়েছিল। তবে নথি গায়েব হওয়ার কারণে এতদিন মামলাটির কার্যক্রম চলেনি।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডা. ইকবাল ছাড়াও মামলার অপর আসামিরা হলেন- প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক পরিচালক (অপসারিত) কাজী আবদুল মজিদ, ব্যাংকের বনানী শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক সৈয়দ নওশের আলী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল আলম চৌধুরী, সাবেক ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার মোখলেছুর রহমান এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক ও ইক্যুইটি পার্টনার্স সিকিউরিটিজ (বর্তমান নাম ব্র্যাক-ইপিএল ব্রোকারেজ)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৫ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের আইপিওর উল্লেখযোগ্য শেয়ার অবৈধ প্রক্রিয়ায় হাতিয়ে নিতে পারস্পরিক যোগসাজশে ২৬ হাজার ভুয়া বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন আসামিরা, যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ঘটনাটি ফাঁস হলে বিএসইসি তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা ফরহাদ আহমেদকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি করে। তদন্ত কমিটি জানতে পারে, প্রিমিয়ার ব্যাংক ডিপি ও ইক্যুয়িটি পার্টনার্স সিকিউরিটিজ নামে ব্রোকারেজ হাউজ থেকে ভুয়া বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক বিধায় আসামিরা প্রিমিয়ার ব্যাংকেরই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারের বিভিন্ন শাখায় ২৬ হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলেন।

এজাহারে বলা হয়, এ ঘটনার মূল হোতা ছিলেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ডা. এইচ বি এম ইকবাল। তদন্ত শুরু হলে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ডিপি থেকে খোলা ভুয়া বিও অ্যাকাউন্টগুলো প্রিমিয়ার ব্যাংক নিজেই বন্ধ করে দেয়। এ থেকে প্রিমিয়ার ব্যাংকের নিজের এবং চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায় প্রমাণ হয়।

  আবরার হত্যা

;