কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে ৪ সপ্তাহের স্থিতাবস্থা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আদালত/ছবি: সংগৃহীত

আদালত/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা সুবিধা পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টায় প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

আইনজীবীরা বলছেন, হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে।

রায় ঘোষণা শেষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

প্রধান বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল আবেদনের শুনানির সময় আমরা সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের আইনজীবীদের মাধ্যমে যুক্তি শুনব।তিনি বলেন, অনেক হয়েছে, রাস্তা থেকে ক্লাসে যান।

এর আগে, মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। শুধু এই মামলার শুনানির দিন ধার্যের জন্য চেম্বার বিচারপতির আদালত বসেছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীও হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানিও একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।

গত ৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন। এদিন দুপুরে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম আজকে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।

কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের পর থেকে কোটাবিরোধী আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। সরকারি চাকরিতে কোটা-ব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিতে গত সপ্তাহ থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক-মহাসড়ক-রেলপথ অবরোধ করছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার থেকে শুরু করেছেন ‘বাংলা ব্লকেড’। এতে দিনে কয়েক ঘণ্টার জন্য রাজধানীর অনেক প্রধান সড়ক বন্ধ থাকছে। একই অবস্থা বিভিন্ন মহাসড়ক ও রেলপথে। এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মানুষ। এ ছাড়া সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয় স্কিম’ বাতিলের দাবিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

পিএসসির উপ-পরিচালকসহ ৬ আসামির রিমান্ড শুনানি ১৬ জুলাই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পিএসসির উপ-পরিচালকসহ ৬ আসামির রিমান্ড শুনানি ১৬ জুলাই

পিএসসির উপ-পরিচালকসহ ৬ আসামির রিমান্ড শুনানি ১৬ জুলাই

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ক্যাডার, নন-ক্যাডার পরীক্ষাসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় পিএসসির উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমসহ ছয় আসামির রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।

অপর পাঁচ আসামি হলেন- পিএসসির সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবির, ডিডি আবু জাফর, প্রতিরক্ষা ও অর্থ বিভাগ এসিসিডিএফের (বিওএফ) অডিটর প্রিয়নাথ রায়, মিরপুরের পোশাক কারখানার ব্যবসায়ী নোমান সিদ্দিকী ও ব্যবসায়ী জাহেদুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা আসামিদের ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার জন্য ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেছিলেন।

গত ৯ জুলাই পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ ১০ জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। আসামিদের মধ্যে আবেদ আলীসহ ৭ জন দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

অপর ছয় আসামি হলেন- অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান, অফিস সহায়ক (ডিসপাস) সাজেদুল ইসলাম, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলায়মান মো. সোহেল, ব্যবসায়ী সহোদর সাখাওয়াত হোসেন ও সায়েম হোসেন এবং লিটন সরকার (বেকার)।

ওইদিন ৭ আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করে অপর ১০ আসামি জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠায় আদালত।

বৃহস্পতিবার কারাগারে আটক ১০ আসামির মধ্যে ৬ জনকে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। বাকী ৪ জনের বিরুদ্ধে কোনো আবেদন না থাকায় আপাতত তাদের কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

৭ জুলাই রাতে বিসিএসের প্রশ্নফাঁস নিয়ে পিএসসির বিরুদ্ধে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর ফেসবুকে সৈয়দ আবেদ আলীর পোস্টগুলো ভাইরাল হতে থাকে। এ ঘটনায় ৮ জুলাই রাতে পুলিশ বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করে।

;

মতিউর ও তার পরিবারের ৭১ বিঘা জমি, ৪টি ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত, এনবিআর-এর সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তান

ছবি: সংগৃহীত, এনবিআর-এর সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তান

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা আরো ৭১ বিঘা জমি ও চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এ ছাড়াও মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে ১শ ১৬টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১৩ কোটি ৪৪ টাকা ও ২৩টি বিও হিসাব ফ্রিজ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৪ জুলাই বেনজীর ও পরিপারের সদস্যদের নামে থাকা আরো ৮শ ৬৬ শতক জমি ও ঢাকার চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছিলেন একই আদালত।

কোরবানির ঈদে মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে মুশফিকুর রহমান ১৫ লাখ টাকার ছাগল কিনতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। ছাগলের সূত্র ধরেই মতিউর ও তার পরিবারের বিপুল অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুদক।

;

কুমিল্লায় ব্যবসায়ীকে হত্যা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের বাসিন্দা কাপড় ব্যবসায়ী ফারুক আহমেদ রাজু (২২)কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের রফিক মিয়া, পার্শ্ববর্তী মির্জানগর গ্রামের সুমন মিয়া, আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামের নাজমুল শিকদার। আদালতে রায়ের সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

মামলার এজহারসূত্রে জানা যায়, পাওনা টাকার জের ধরে ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় ফারুক আহমেদ রাজুকে। পরে আসামিরা তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে সেফটি ট্যাংকে ফেলে দেয় এবং দেহটি মাটি চাপা দিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মোস্তফা বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় ৪ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

;

৪৪ জনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিতে হাইকোর্টের রায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
৪৪ জনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিতে হাইকোর্টের রায়

৪৪ জনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিতে হাইকোর্টের রায়

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন এলাকায় জাতীয়করণকৃত কলেজের ৪৪ জন প্রভাষককে ষষ্ঠ গ্রেডে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

রায়ের কপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে বলে জানান এডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।

এ আইনজীবী বলেন, সারাদেশে ২০১৮ সালের পরে বিভিন্ন কলেজকে সরকারিকরণ করা হয়। একইভাবে ওইসব কলেজে ওই সময়ে কর্মরত প্রভাষকদেরকে আত্তীকরণ বিধিমালার আলোকে আত্তীকরণ করা হয়। কিন্তু আত্মীকরণের পরে দেখা যায়, যেসব প্রভাষক জাতীয়করণের আগে সপ্তম গ্রেডে বেতন ভাতা পেতেন তাদেরকে নবম গ্রেড দেয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে তাদের কাছ থেকে অতীতে গ্রহণকৃত বাড়তি বেতন ফেরত চাওয়া হয়েছে। এই আদেশটি অত্যন্ত বৈষম্যমূলক ছিল। তাই তারা বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।

;