কম বয়সে দাঁতের ক্ষয় রোধে করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনিয়মিত জীবনযাপন, বিভিন্ন রোগ, জিহ্বার অযত্ন এসব কারণে বয়স বাড়ার আগেই দাঁত ক্ষয় হতে শুরু করে। শুধু বড়দেরই নয়, শিশুদেরও দাঁত ক্ষয় হয় কিংবা ছিদ্র দেখা দেয়।

দ্রুত দাঁত ক্ষয় হতে শুরু করে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এ সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে ঘরোয়া কয়েকটি উপায় অনুসরণ করতে পারেন।

barta24

দাঁতের ক্ষয় ঠেকাতে জেনে নিন করণীয়—

পেঁয়াজ
খাওয়ার সময় কাঁচা পেঁয়াজ পাতে নিয়ে বসার অভ্যাস অনেকেরই আছে। জানেন কি, নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে দাঁতের নানা সমস্যা দূর হয়। দাঁত ক্ষয় যেতে শুরু করলে ওই দাঁতে এক টুকরো পেঁয়াজ চেপে ধরে রাখুন। ফলে দাঁত ক্ষয় হয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী জীবাণু ধ্বংস হবে। ফলে দাঁতের ক্ষয়ও রোধ হবে।

হলুদ
দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যায় হলুদ দুর্দান্ত কার্যকরী এক উপাদান। হলুদে থাকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমূহ যা বিভিন্ন জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। দাঁতের ক্ষয় রোধে হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত দাঁতে ও এর গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন।

barta24

গরম পানি ও লবণ
দাঁতের ক্ষয় রোধে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল করুন। এ সময় মুখে লবণ পানি এক মিনিট রেখে দিন। তারপর কুলকুচি করে ফেলে দিন। এতেও দাঁতের ক্ষয় কমবে।

চিনি-মিষ্টি এড়িয়ে চলুন
চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করুন। বেশিরভাগ শিশুদের দাঁত ক্ষয় হয়ে যাওয়ার কারণ এটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দাঁত ক্ষয়ে যাওয়ার মূল কারণেই হলো মিষ্টিজাতীয় খাবার অতিরিক্ত খাওয়া। তারা পরামর্শ দেয়, প্রতিদিনের খাবারের মোট ক্যালোরির ১০ শতাংশেরও কম চিনি গ্রহণ করা উচিত।

barta24

টক দই
ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করুন। এ ভিটামিন দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ভিটামিন ‘ডি’ ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন- টকদই দাঁতের জন্য উপকারী।

নানা কারণে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে। তবে নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখলে দাঁতের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে। প্রতিদিন অন্তত ২-৩ বার দাঁত মাজুন ও জিহ্বা পরিষ্কার রাখুন। পাশাপাশি এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে দাঁতের ক্ষয় রোধ হবে দ্রুত।

সূত্র: হেলথলাইন

ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছড়াতে পারে মারাত্মক ফ্লু, সতর্ক বার্তা চিকিৎসকদের!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছড়াতে পারে মারাত্মক ফ্লু, সতর্ক বার্তা চিকিৎসকদের!

ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছড়াতে পারে মারাত্মক ফ্লু, সতর্ক বার্তা চিকিৎসকদের!

  • Font increase
  • Font Decrease

ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে সতর্কতার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বকাপের মঞ্চ কাতার থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রামক ‘ক্যামেল ফ্লু’। দ্রুত এ বিষয়ে সাবধান না হলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ হতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি।

আগামী দিনে ‘ক্যামেল ফ্লু’ মারাত্মক আকার নিতে পারে বলে অনেক দিন ধরেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনাভাইরাস, মাঙ্কিপক্সের পরে এ ক্যামেল ফ্লু বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্যামেল ফ্লু কী?

সাধারণত পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে Middle East respiratory syndrome (MERS) নামেও ডাকা হয়। মূলত উট থেকে ছড়ায় এই রোগ।

বিশ্বকাপের মঞ্চে কাদের বিপদের আশঙ্কা বেশি?

সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ১২ লাখ মানুষ বর্তমানে কাতারে রয়েছেন বিশ্বকাপ দেখতে। ফুটবলের দলের সদস্য, অনুরাগীরা তো বটেই, এই ভিড়ের কারণে স্থানীয়রা এবং পরবর্তীকালে প্রতিটি দেশের মানুষের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই রোগ। এর ফলে আবার একটি অতিমারি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মনে করছেন তারা।

কতটা প্রস্তুত আছে কাতার?

এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুত রয়েছে আয়োজক দেশ কাতার। এমনই বলা হয়েছে। নিয়মিত পরীক্ষা এবং হাসপাতালগুলিকে প্রস্তুত রাখার কাজ চলছে। এর বাইরে রুটিন টিকাকরণের কাজও চালু আছে বলেও জানানো হয়েছে।

সতর্কতা

এই রোগের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য বিশেষজ্ঞরা উট থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। উটকে স্পর্শ করতে বারণ করছেন।কোনও সমস্যা দেখা দিলে (বিশেষ করে জ্বর) দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে।

;

বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ‘মাউথওয়াশ’



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মুখের দুর্গন্ধের কারণে প্রিয়জনের সামনে প্রাণ খুলে হাসতে পারেন না। আবার দুর্গন্ধ দূর করতে বাজার থেকে কিনে মাউথওয়াশ ব্যবহার করাও সবার পক্ষে সম্ভব নয়। তা ছাড়া কেবল অর্থনৈতিক কারণেই নয়, বহু মানুষ ব্যক্তিগতভাবে এখন ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক উপাদান কাজে লাগাতে বেশি পছন্দ করেন। যারা বাজারজাত মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে চান না, তারা বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ।

কী ভাবে বানাবেন?

উপকরণ: লবঙ্গ: ৪-৫টি, গোলমরিচ: ৪-৫টি, পানি: ২ কাপ

প্রণালী: একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে গোলমরিচ ও লবঙ্গ দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ভাল করে এক বার ফুটলে পাত্র নামিয়ে নিন। মিনিট পাঁচেক নাড়িয়ে ঠান্ডা করে নিন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো মাউথওয়াশ। মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করাই হোক, বা দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ভাল রাখা— মুখ গহ্বর ভাল রাখতে এই প্রাকৃতিক মাউথওয়াশের জুড়ি মেলা ভার।

কী ভাবে ব্যবহার করবেন?

দাঁত মাজার পর দ্রবণটি মুখে নিয়ে ভাল করে কুলকুচি করে ফেলে দিতে হবে। এভাবে দিনে দু’বার মুখ পরিষ্কার করতে হবে। বাড়িতে তৈরি মুখ পরিষ্কার করার এই দ্রবণে কোনও কৃত্রিম রাসায়নিক যেমন থাকে না, তেমনই থাকে না অ্যালকোহল। ফলে যাদের মুখ স্পর্শকাতর, তাদের ক্ষেত্রেও এই মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকরী। কৃত্রিম মাউথওয়াশে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ অনেক সময়ে মুখের লালা গ্রন্থির ক্ষরণ কমে যায়। একে বিজ্ঞানের ভাষায় জেরোস্টোমিয়া বলে। বাড়িতে তৈরি এই মাউথওয়াশে এই ধরনের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না।

;

রাজশাহীতে সারা’র নতুন আউটলেট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রাজশাহীতে সারা’র নতুন আউটলেট

রাজশাহীতে সারা’র নতুন আউটলেট

  • Font increase
  • Font Decrease

স্নোটেক্স গ্রুপ এর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘‘সারা’’ এর নবম আউটলেটের শুভ উদ্বোধন হলো রাজশাহী নগরীর প্রাণকেন্দ্র রানীবাজার মোড়ে। হাউজ নং- ৫৩ ও ৫৪, ইউনাইটেড টাওয়ার, রানীবাজার মোড়, রাজশাহী- এই ঠিকানায় এখন থেকে পাওয়া যাবে সারা’র পোশাকের সকল সংগ্রহ।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত “সারা”র নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জনাব এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, স্নোটেক্স গ্রুপ ও ‘সারা’ লাইফস্টাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এসএম খালেদ, পরিচালক শরীফুন রেবা, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট সহ আরও অনেকেই।

শার্ট, এথনিক কুর্তি, এক্সক্লুসিভ পার্টি টপস, শাড়ি, নিট টি শার্ট, লেগিংস, ডেনিম, লন, শ্রাগস, পালাজো ফর লেডিস এন্ড গার্লস, জিন্স ফর মেনজ এন্ড বয়েজ, পোলো টি শার্ট, পাঞ্জাবি, কিডস আইটেম সহ আরও নানা পোশাকের সমাগমে সজ্জিত থাকছে ‘‘সারা’’। এছাড়াও আসন্ন শীতকালকে লক্ষ্য রেখে ‘‘সারা’’ নিয়ে এসেছে ‘‘সারা’’ লাইফস্টাইল এর নতুন এই আউটলেটে শিশু, নারী, পুরুষ সবার জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় সব পোশাক।

‘সারা’ লাইফস্টাইলের এই বছরের শীতকালীন কালেকশনে থাকছে সকল বয়সী ক্রেতাদের জন্য জ্যাকেট ও শীতকালীন পোশাকের বিশেষ আয়োজন। বরাবরের মতই ‘সারা’ এবারও নিয়ে এসেছে সাশ্রয়ী মূল্যে শতাধিক ডিজাইনের শীতকালীন পোশাক সামগ্রী। এছাড়াও প্রায় অর্ধ শতাধিক কালার এর ভিন্নতা থাকছে এই শীতকালীন পোশাকের আয়োজনে।

‘‘সারা’’ বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত স্নোটেক্স গ্রুপ এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। সামর্থ্যের মধ্যে গুণগত মানের পোশাক ক্রেতার হাতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ‘‘সারা’’ কাজ শুরু করেছে ২০১৮ সালের মে মাস থেকে। ঢাকার মিরপুর-৬ এ অবস্থিত ‘সারা’র প্রথম আউটলেট নিয়ে কাজ শুরুর পর বসুন্ধরা সিটির লেভেল ১, ব্লক এ এর ৪০ এবং ৫৪ নং শপটি ছিলো সারা’র ২য় আউটলেট। আর ৩য় আউটলেটটি হলো বাড়ি- ১৯ বি/৪সি ও বি/৪ ডি, ব্লক-এফ, রিং রোড, মোহাম্মাদপুর এই ঠিকানায়। উত্তরায় ‘সারা’র ৪র্থ আউটলেটটির ঠিকানা হাউজ নম্বর-২২, সোনারগাঁ জনপদ, সেক্টর-৯, উত্তরা, ঢাকা। বারিধারা জে ব্লকে আছে ‘সারা’র আরেকটি আউটলেট। বনশ্রী ই ব্লকের ১ নম্বর রোডের ৪৮ নম্বর বাড়িতে রয়েছে ‘সারা’র ষষ্ঠ আউটলেট। ঢাকার বাইরে ‘সারা’র প্রথম আউটলেট রংপুরে জাহাজ কোম্পানির মোড়ে। রাজধানী ঢাকার ওয়ারীতে (বাড়ি ৩৬/১ নম্বর, র্যাং কিন স্ট্রিট, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩) রয়েছে ‘সারা’র অষ্টম আউটলেট। রাজধানী ঢাকার বাসাবোতে (বাড়ি- ৯৬/২, পূর্ব বাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪) রয়েছে সারা’র আরও একটি আউটলেট।

আউটলেটের পাশাপাশি ‘সারা’র নিজস্ব ওয়েবসাইট (www.saralifestyle.com.bd), ফেসবুক পেজ (https://www.facebook.com/saralifestyle.bd) এবং ইন্সটাগ্রাম (https://www.instagram.com/saralifestyle.bd/) থেকে ক্রেতারা ঢাকার ভেতরে অর্ডার করে হোম ডেলিভারি পেতে পারেন। এছাড়া ঢাকার বাইরে সারা দেশে কুরিয়ারের মাধ্যমেও আপনার অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারি পাবেন।

উল্লেখ্য, ‘স্নোটেক্স’ ২০০০ সালে বায়িং হাউজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।  ২০০৫ সালে নিজেদের প্রথম কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে ‘স্নোটেক্স অ্যাপারেলস’। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে ‘কাট অ্যান্ড সিউ’ এবং ২০১৪ সালে ‘স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সর্বশেষ ২০২০ সালে ‘স্নোটেক্স স্পোর্টসওয়্যার লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। আজকের ‘স্নোটেক্স’ হয়ে উঠেছে পাঁচটি বড় কারখানার একটি প্রতিষ্ঠান রূপে। স্নোটেক্স আউটারওয়্যার গ্রীন ফ্যাক্টরি হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে ইউএসজিবিসির লিড গোল্ড সার্টিফিকেটে। এছাড়াও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে “হেলথ এন্ড সেফটি” অ্যাওয়ার্ড, “গ্রিন ফ্যাক্টরি” অ্যাওয়ার্ড ও বিজিএমইএ-এর ‘মেড ইন বাংলাদেশ সপ্তাহ ২০২২’-এ পণ্য উন্নয়ন ও শিল্প প্রকোশলে অবদান রাখায় স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে স্নোটেক্স।  প্রতিষ্ঠানটি এখন ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান করে যাচ্ছে।

;

মধুর গুণ



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শীত পড়তেই শুরু হয় নানারকম রোগের প্রকোপ। এর মধ্যে সর্দি কাশি, বুকে কফ জমা খুবই স্বাভাবিক। জটিল আকার না নিলে ঘরোয়া উপায়েই এই রোগগুলো থেকে আরাগ্য লাভ করি। রোগ সারাতে বিভিন্ন টোটকায় থাকে আমাদের পরিচিত কিছু উপকরণ। এগুলো সারা বছরই বাড়িতে থাকে। এর মধ্যে একটি অন্যতম হলো মধু।

মধুর গুণ প্রায়ই সবারই জানা। নিয়মিত মধু খেলে ঋতু পরিবর্তনের সময় জীবাণু সংক্রান্ত রোগ সহজে কাবু করতে পারে না। একাধিক গুণের কারণে এটি আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বেশ কিছু রোগের পথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। শুধু রোগ সারাতে নয়, রান্নার স্বাদ বাড়াতে বেশ কিছু পদ মধু দিয়ে গার্নিশ করা হয়। এতে স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনই বেড়ে যায় পুষ্টিগুণ।

আসুন দেখে নেই মধুর গুণ

গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে: ঠান্ডায় প্রায়ই গলা ব্যথা, সর্দি ও কাশি হয়। মধু এই সমস্যাগুলো সহজে দূর করে। এর সঙ্গে ফুসফুসের বেশ কিছু সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে। শীতের সকালে মধু দিয়ে এক কাপ গরম চা বা হালকা গরম জল খাওয়া শরীরের জন্য ভালো অভ্যাস।

ডায়াবিটিস ত্বকের বার্ধক্য রোধ করে: ডায়াবিটিস ও ত্বকে বলিরেখা ফুটে ওঠার প্রধান কারণ হল শরীরের বেশি পরিমাণে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি হওয়া। এই স্ট্রেস শরীরের জন্য মোটেই ভালো নয়। মধুর মধ্যে ফেনোলিক অ্যাসিড ও ফ্ল্যাভনয়েড নামের দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই দুটি শরীরের অতিরিক্ত স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে টাইপ টু ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়াও প্রিম্যাচিউর বলিরেখার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়।

হৃদযন্ত্র ভালো রাখে: চল্লিশ বছরের বেশি বয়স এমন ৪৫০০ মহিলার উপর একটি সমীক্ষা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। দেখা গেছে, নিয়মিত মধু খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা অনেকটাই কমেছে। এ ছাড়া রক্তে কোলেস্টেরল না বাড়ার কারণে হৃদযন্ত্রও ভালো ছিল।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: মধু নিয়মিত খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মধুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রপলিস শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

;