নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি প্রয়োগে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ও মহাপরিচালক ফ্রান্সেসকো লা ক্যামেরা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ও মহাপরিচালক ফ্রান্সেসকো লা ক্যামেরা

  • Font increase
  • Font Decrease

নবায়নযোগ্য প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং সাশ্রয়ী মূল্যে তার প্রয়োগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আবুধাবিতে ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সির (আইআরইএনএ) মহাপরিচালক ফ্রান্সেসকো লা ক্যামেরার সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি এজেন্ডাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মহাপরিচালকের নেতৃত্বে আইআরইএনএ দ্বারা করা উল্লেখযোগ্য কাজের প্রশংসা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত আইআরইএনএ'র অ্যাসেম্বলির দ্বাদশ অধিবেশনে বাংলাদেশ একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে এবং পরবর্তী আইআরইএনএ'র কাউন্সিল ২০২৩-২৪ এর জন্য কাউন্সিল সদস্যদের নির্বাচন/মনোনয়নের সহায়ক হিসেবেও কাজ করছে। বাংলাদেশ গত পরপর দুটি অ্যাসেম্বলিতে ক্রেডেনশিয়াল কমিটিতেও কাজ করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জনগুলি তুলে ধরেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্ভাবনার সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন এবং ম্যাপিং করার জন্য আইআরইএনএ'র কাছে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা কামনা করেন। তিনি বাংলাদেশের ভাসানচর দ্বীপে সোলার-উইন্ড-স্টোরেজ হাইব্রিড পাওয়ার সিস্টেমের বিশদ সম্ভাব্যতা অধ্যয়ন এবং পাইলট প্রকল্পের সাথে অফশোর উইন্ড রিসোর্স অ্যাসেসমেন্টের কথাও উল্লেখ করেন। সেখানে বিপুল সংখ্যক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের জন্য গ্রিড মডার্নাইজেশন স্ট্র্যাটেজি এবং স্টোরেজ রোডম্যাপের কথাও উল্লেখ করেন যাতে বড় আকারের পরিবর্তনশীল নবায়নযোগ্য শক্তিকে একীভূত করা যায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইআরইএনএ সচিবালয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পদে কর্মসংস্থানের সুযোগ সুবিধার জন্য এর মহাপরিচালককে অনুরোধ করেন।

অত্যন্ত গঠনমূলক বৈঠকে উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী মাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে অংশগ্রহণের জন্য মহাপরিচালককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

   

আয় কমলেও ৫ বছরে লিপটনের সম্পদ বেড়েছে দ্বিগুণ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন। ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথমবার সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। পরপর দুই নির্বাচনী হলফনামা থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ৫ বছরে তার আয় আগের তুলনায় প্রায় ৪ গুণ কমলেও সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

হলফনামায় উল্লেখিত তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৯ সালে তার মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছিল ৪ কোটি ৭৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮৬ টাকা। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৩৯ লাখ ২৪ হাজার ৬৯২ টাকায়। সে হিসেবে ৫ বছরের ব্যবধানে জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটনের মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ২ দশমিক ১৯ গুণ।

২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৬৪ লাখ ৩৬ হাজার ১২১ টাকা উল্লেখ করেছিলেন। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হলফনামায় বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭৩ টাকা দেখানো হয়েছে। যা আগের আয়ের ৪ ভাগের ১ ভাগ প্রায়।

২০১৯ সালের হলফনামায় শেয়ার-সঞ্চয়পত্র থেকে কোনো আয় ছিল না লিপটনের। নিজের একমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবসা থেকে ওই টাকা বার্ষিক আয় হিসেবে দেখিয়েছিলেন তিনি।

এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দাখিলকৃত হলফনামায় তার বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭৩ টাকা দেখানো হয়েছে। আয়ের খাত হিসেবে কৃষি খাতে বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা, ব্যবসা থেকে ৩৩ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭৩ টাকা ও অন্যান্য খাত থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় দেখানো হয়েছে। একই হলফনামায় প্রার্থীর ওপর নির্ভরশীলদের আয় হিসেবে শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭০ টাকা ও চাকরি থেকে ১২ লাখ ২০ হাজার ৫৭২ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১৯ সালের হলফনামায় লিপটন দেখিয়েছিলেন স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি জমির (অর্জনকালীন মূল্য) মূল্য ১ কোটি ৮২ লাখ ৮ হাজার ৪০০ টাকা, অকৃষি জমি ৮ লাখ ২৪৯ টাকা ও যৌথ মালিকানাধীন ১ কোটি ৫০ টাকার দালান।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হলফনামা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পদের মধ্যে জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটনের (অর্জনকালীন সময়ের আর্থিক মূল্য) কৃষিজমির মূল্য ২ কোটি ৮৮ লাখ ৮৮ হাজার ৯০০ টাকা, অকৃষি জমির মূল্য ১ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ৫৪৯ টাকা, পৈত্রিক সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ৪৩ শতকের দালান ও দৃষ্টি পুল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের ফ্যাক্টরির ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮ হাজার ৩৯৪ টাকা।

এবারের হলফনামা অনুযায়ী, লিপটনের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ রয়েছে ৩ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৪৩ লাখ ৩৪ হাজার ৮৪৯ টাকা, শেয়ার, বন্ড ও ঋণপত্রে ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান ধাতু ২১ লাখ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র ৮৫ হাজার টাকার দেখানো হয়েছে। একই হলফনামায় তার স্ত্রীর নামে নগদ, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, স্বর্ণালংকার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র বাবদ ২৭ লাখ ৫৯ হাজার ৩১৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছে।

২০১৯ সালে দাখিলকৃত হলফনামায় দেখা গেছে, লিপটন অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ ২ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৩৫ হাজার ২৩৭ টাকা, বন্ড, শেয়ার ও ঋণপত্র ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৮৫ হাজার টাকা, একটি করে পাজেরো ও কার ৪০ লাখ টাকা, আসবাবপত্র ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেখানো হয়েছিল। এছাড়া ২১ লাখ টাকার ৪৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও স্ত্রীর নামে ৩ লাখ টাকার সাড়ে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার দেখানো হয়েছিল। একই হলফনামায় স্ত্রীর নামে কোনো স্থাবর সম্পদ না থাকলেও ২৭ লাখ ৫৯ হাজার ৩১৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছিল।

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে আওয়ামী রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

লিপটন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন। মনোনয়ন বোর্ডেও পছন্দের প্রার্থী ছিলেন তিনি। কিন্তু মহাজোটকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি।

পরে ২০১৯ সালে সোনাগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান হন লিপটন। বর্তমানে তিনি ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

;

কুমিল্লায় সাদেক হত্যা মামলায় সাত জনের মৃত্যুদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার হোমনায় ব্যবসায়ী সাদেক মিয়া হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে কুমিল্লার আদালত। এছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেয়া হয়েছে।

রবিবার (১৯ মে) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এই রায় দেন।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী কামরুজ্জামান বাবুল জানান, টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালের ২৮ জুলাই খুন হয় হোমনা উপজেলার ছোট গানিয়ারচর এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ সাদেক মিয়া। ওই দিন দুপুরে বাড়ি থেকে ফোনে ডেকে নিয়ে সাদেক মিয়ার হাত পা কেটে ফেলে রাখা হয় ধনিয়া ক্ষেতে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকাল আটটায় মৃত্যুবরণ করে সাদেক মিয়া।

এই ঘটনায় সাদেক মিয়ার স্ত্রী রেখা আক্তার ১৮ জনের বিরুদ্ধে হোমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। বিশ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দীর্ঘ শুনানির পর আদালত সাদেক মিয়া হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও একজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

আইনজীবী কামরুজ্জামান আরো জানান, নিহত সাদেক মিয়া মৃত্যুর আগে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনায় জড়িতদের নাম উল্লেখ করে জবানবন্দি প্রদান করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামী ও খালাস প্রাপ্ত একজন উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বাদী রেখা আক্তার জানান, আসামিরা সবাই সাদেক মিয়ার পূর্ব পরিচিত। তাদের কাছে সাদেক মিয়া যেসব টাকা পায় সেগুলো যেন না দিতে হয় সেজন্য পরিকল্পনা করে তাকে হত্যা করা হয়। তিনি পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় এনে আদালতের রায় কার্য করার দাবি জানান।

;

প্রবাসীর ১৬ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার সময় এসআই আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস এলাকায় এক প্রবাসীর ১৬ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের উপ-পরিদর্শককে (এসআই) আটক করা হয়েছে। এসময় ওই এসআইয়ের এক সোর্সকেও পুলিশ আটক করে।

রোববার (১৯ মে) দুপুর সোয়া ২টার দিকে নগরীর আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের দুই নম্বর গেট অংশ থেকে দুজনকে আটক করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ।

আটক উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খুলশী থানায় কর্মরত আছেন। আর মো. জাহেদ পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নগরীর টাইগারপাস এলাকায় এক ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ধাওয়া দেন। ধাওয়া খেয়ে তারা আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ওপরে উঠে যান। পরে খবর পেয়ে ফ্লাইওভারের ওপরে দুই নম্বর গেট অংশ থেকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ দুজনকে স্বর্ণসহ আটক করে। এরপর তাদের খুলশী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমান চাকমা। তিনি বলেন, আমরা ওই এসআইকে তার এক সোর্সসহ আখতারুজ্জামান ফাইওভারের ওপর দুই নম্বর গেট অংশ থেকে আটক করেছি। ঘটনাস্থল যেহেতু খুলশী থানা এলাকায়, তাই দুজনকে খুলশী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. মোখলেসুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, পুলিশের এক এসআইসহ দুইজন খুলশী থানায় আটক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহর মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

;

রাজধানীতে ৬ কোটি টাকার বিদেশি মদসহ আটক ৩



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
৬ কোটি টাকার বিদেশি মদসহ আটক ৩

৬ কোটি টাকার বিদেশি মদসহ আটক ৩

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ডেমরা এলাকা হতে আনুমানিক ৬ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ৮ হাজার ৬০০ লিটার বিদেশি মদসহ ৩ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)।

রোববার (১৯ মে) র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০) অধিনায়ক অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

আটককৃতরা হলো, মো. দ্বীন ইসলাম (৪৮), মো. আনিসুর রহমান রিপন (৫১), এবং আব্দুল হাদী (২০)।

ডিআইজি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, শনিবার (১৮ মে) র‌্যাব-১০, সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকার একটি কেমিক্যাল ফ্যাক্টরিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আনুমানিক ৬ কোটি ২ লাখ টাকা সমমূল্যের ৩৪৪টি নীল রঙের জারিকেন ২৫ লিটার করে মোট ৮ হাজার ৬০০ লিটার বিদেশি মদ ও মাদক কারবারি চক্রের অন্যতম মূলহোতাসহ তিন জনকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আটককৃত দ্বীন ইসলাম চীন থেকে পলি অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড নামক পানি পরিষ্কার করার কেমিক্যাল আমদানি করে রাজধানী ঢাকার ডেমরা থানাধীন আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকার একটি গোডাউন মজুদ করে রাখত। পরবর্তীতে সেগুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করত।

এই ব্যবসার আড়ালে দ্বীন ইসলাম ও তার প্রধান সহযোগী মো. আনিসুর রহমান রিপনসহ ৪-৫ জন মিলে স্বল্প সময়ে অধিক অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে একটি মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। যার অংশ হিসেবে দ্বীন ইসলাম চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে উল্লিখিত ক্যামিকেলের সাথে ক্যামিকেলের জারিকেনে করে কৌশলে বিদেশি বিভিন্ন ব্রান্ডের মদ দেশে নিয়ে আসত। তারপর মদ ডেমরা এলাকায় তাদের গোডাউনে মজুদ করে রাখত।

পরবর্তীতে বিদেশি মদ দ্বীন ইসলামের সহযোগী মো. আনিসুর রহমান রিপন ও আব্দুল হাদী পলাতক মনু ও ফিরোজদের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক কারবারি ও মাদক সেবনকারীদের নিকট সরবরাহ করত। প্রতিটি জারিকেনে ২৫ লিটার করে বিদেশি মদ থাকে এবং প্রতিটি জারিকেন ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বিনিময়ে তারা বিক্রি করত বলে জানায়।

তারা আরও জানান, দ্বীন ইসলামের নেতৃত্বে চক্রটি কেমিক্যাল ব্যবসার আড়ালে প্রায় দেড় বছর যাবৎ এই মাদক কারবারি পরিচালনা করে আসছিল। এছাড়া আটককৃত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অর্থ জালিয়াতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।

আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

;