জনসভা মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) বেলা তিনটার দিকে জনসভায় যোগ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে লোকারণ্য হয়ে গেছে রাজশাহীর মাদরাসা মাঠ। নেতাকর্মীতে ভরে গেছে পুরো রাজশাহী। এখন কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের পর বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে বেলা ১২টার দিকে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়। রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এই জনসভার আয়োজন করেছে।

জনসভা সফল করতে সকাল থেকেই দলীটির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে আসেন। স্থানীয় নেতাদের দেওয়া নানা রঙের টি-শার্ট ও ক্যাপ পরে তারা জনসভা মাঠে ঢোকেন। বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে মাঠ ভরে যায়। নেতাকর্মীরা বাস, ট্রেন, ট্রাক, লেগুনা, মোটরসাইকেলসহ নানাভাবে আসছেন।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে জনসভা সঞ্চালনা করছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা। জনসভা শেষে আজই ঢাকায় ফেরার কথা আছে শেখ হাসিনার।

 

   

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও পিএইচএ’র মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন (আইবিএফ) এবং প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ)-এর মধ্যে স্বাস্থ্যশিক্ষা বিষয়ক এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পিএইচএ-এর চেয়ারপারসন ড. তাসবিরুল ইসলাম এবং আইবিএফ-এর নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে পক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। আইবিএফ দেশের বৃহত্তম বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান যা ২১টি হাসপাতালের মাধ্যমে জনসাধারণকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছে।

এছাড়া আইবিএফ-এর ১টি মেডিকেল কলেজ, ১টি নার্সিং কলেজ, ১টি নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং ১টি স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আইবিএফ এ পর্যন্ত ২০ মিলিয়নেরও বেশি লোককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। এ প্রতিষ্ঠান ১,১০৭ জন ডাক্তার, ১,৪৫৫ জন নার্স এবং ৭৯৩ জন স্বাস্থ্য প্রযুক্তিবিদ তৈরি করেছে। পিএইচএ হলো প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশি চিকিৎসক, গবেষক এবং শিক্ষাবিদদের দ্বারা গঠিত বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা। এই চুক্তির ফলে পিএইচএ ও আইবিএফ পারস্পরিক সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তরুণ চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের প্রশিক্ষিত করার জন্য একটি সুযোগ তৈরি হবে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম বিনিময় ও গবেষণা প্রস্তাবনা তৈরি এবং যৌথ উদ্যোগে কাজের সুযোগ তৈরি হবে। পিএইচএ ও আইবিএফ দুটি জনহিতকর প্রতিষ্ঠান যারা একই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে পিএইচএ-এর ট্রাস্টি ড. চৌধুরী এইচ. আহসান, ড. নাসের খান, ড. মোঃ জাকের উল্লাহ এবং ওমর শরীফ এবং আইবিএফ-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. কাজী শহীদুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ জহুর, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ডা. তানভীর আহমেদ, হাসপাতাল কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল হাসান, শিক্ষা ও সমাজকর্ম কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ ফসিউল আলম, আইবিএফ-এর সদস্য সৈয়দ আবু আসাদ, শওকত হোসেন, এফসিএ ও ব্যারিস্টার আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাশেম উপস্থিত ছিলেন।

;

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া চিঠিতে মোদির শোক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া চিঠিতে মোদির শোক

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া চিঠিতে মোদির শোক

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে গত বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২ মার্চ) ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

হাইকমিশন জানায়, প্রধানমন্ত্রীকে সম্বোধন করে চিঠিতে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার গ্রিন কোজি কটেজ শপিংমলে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

চিঠিতে মোদি নিশ্চিত করেছেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে ভারত। সেই সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ চিন্তাভাবনা ও প্রার্থনা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে থাকবে।

প্রসঙ্গত, বেইলি রোড ট্র্যাজেডিতে ৪৬ জন প্রাণ হারান। এদের মধ্যে ৪৩ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ১১ জন ভর্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে ৬ জনকে চিকিৎসকরা ছাড়পত্র দিয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো। এছাড়া আশঙ্কাজনক বাকি ৫ জনকে ভর্তি রাখা হয়েছে। আর ভর্তি রোগীদের জন্য ১৭ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

;

সিরাজগঞ্জে বিএনপির কারামুক্ত ৬৫০ নেতাকর্মীকে সংবর্ধনা 



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের ১৮টি ইউনিটের কারাগার থেকে মুক্ত হওয়া ৬৫০ নেতাকর্মীকে গণসংবর্ধনা দিয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি। শনিবার (২ মার্চ) সকাল ১১ টায় শহরের পৌর ভাসানী মিলনায়তনে ব্যতিক্রমী এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। 

জেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকায় মহাসমাবেশের পর এসব নেতাকর্মী কারাবন্দি হয়েছিলেন। তাদের সম্মানিত করতেই এ আয়োজন। এদিকে সংবর্ধিত হওয়া সিনিয়র নেতারা বলছেন, এ আয়োজন আগামীর আন্দোলনকে আরও বেশি গতিশীল করবে। 

জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যানি বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে। এতে নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সরকার পতনের আন্দোলনে আগামীতেও রাজপথে থাকার উৎসাহ পাবে। 

প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, আমরা যারা কারাবন্দি ছিলাম, আগামীতে এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে পতনের জন্য কারাগারকে আলিঙ্গন করতে আর ভয় পাবো না। এই সংবর্ধনা তাদের কর্মীদের আন্দোলন সংগ্রামের দিকে আরও উৎসাহিত করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

এদিকে সংবর্ধিত হয়ে খুশি কারামুক্ত নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি এ আয়োজন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে আরও বেগবান এবং উজ্জীবিত করবে। 

এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, রকিবুল হাসান রতন, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম খান, রাশেদুল হাসান রঞ্জন, নুর কায়েম সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর আলম, মির্জা মোস্তফা জামান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মিলন হক রঞ্জু, শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন ছানু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম সেরাজসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;

১ টাকায় মাছ-তেল ক্রয়ে খুশি সিলেটের নিম্ন আয়ের মানুষ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সিলেটে মাত্র ১ টাকায় মাছ-তেল ক্রয় করে খুশি নিম্ন আয়ের দেড়শতাধিক মানুষ। ১০ টাকার একটি টোকেন দিয়ে এক থেকে দেড় হাজার টাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী সংগ্রহ করেন সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্ন আয়ের মানুষরা।

শনিবার (২ মার্চ) আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর তেমুখীস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মধ্যে ছিলো চাল, ডাল, তেল, ছোলা, আটা, নুডলস, লবণ, চিনি, মাছ, মুরগি, খাতা-কলমসহ নির্দিষ্ট ১৫টি পণ্যের মধ্যে ১০টি পণ্য ক্রয় করেন সুবিধাবঞ্চিত লোকজন। এরমধ্যে প্রতিটি পণ্যের মূল ধরা হয়েছে ১টাকা। তাই ১০টাকায় ১০টি পণ্য দুস্থ ও অসহায় মানুষরা চাহিদা মতো বাজার করে মহাখুশি।

বর্তমান বাজারে যখন এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৮০ টাকা এখানে মাত্র ১ টাকায় তেলে বিক্রি করা হয়। এক ডজন ডিম, বড় একটি নুডলস পাওয়া যায় মাত্র ১ টাকা করে। এছাড়াও ২৫০ টাকার ব্রয়লার মুরগি এখানে পাওয়া যায় পাঁচ টাকায়। মূলত দুস্থদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে সারা বছর জুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই ধরনের বাজারের আয়োজন করা হয়। এবছর ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে এসব পণ্যসামগ্রী ১০টাকার বিনিময়ে বিতরণ করা হবে।

বাজার করতে আসা রহিমা বেগম নামে একজন বলেন, ১০ টাকার বাজারে এসে খুব ভালো লাগছে। এত কম দাম জিনিস পাওয়ার কথা চিন্তা করতে পারি নাই। এই বাজারের ব্যবস্থা করায় সত্যি খুব খুশি হয়েছি। কেনাকাটা করে মন ভরে খেতে পারবো। এবারের রমজানে এই বাজার খুব কাজে দিব।

টুকেরবাজার এলাকার বৃদ্ধ মহিলা আমেনা খাতুন বলেন, পাইছিরে বাবা আল্লাহ তোমরারে হায়াত দেউক্কা।আল্লাহ গেছে দোয়া করি। ১০ টাকায় চাল, তেল, মাছ, ডিম, ছোলা কিনতে পেরে।’

এসময় তিনি অশ্রুশিক্ত হয়ে আল্লাহ কাছে দোয়া করেন এবং স্বেচ্ছাসেবকে জড়িয়ে ধরে দোয়া করেন।

আব্দুল হামিদ নামে আরেকজন বলেন, সামনে রমজান মাস। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। যাদের সামর্থ্য আছে শুধু তারা বাজার করছে। আসলে খুব আনন্দিত আমরা। আল্লাহ কাছে দোয়া করবো।

এবিষয়ে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক রানা আহমেদ বলেন, সিলেটে ১৬০টি পরিবার মাত্র ১০ টাকায় যে পণ্যগুলো কিনেছেন তার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পণ্য বাছাই করে নিজের ক্রয় করার স্বাধীনতা তৈরি করতে এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। আর তারা যেন কোনোভাবেই মনে না করেন যে এটি কোনও দান, এজন্য নামমাত্র মূল্য নেওয়া হয়েছে।

;