‘৯৯ ভাগ মানুষ গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বিশ্বাস করছে না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাংবাদিকরা তথ্যের মহাসমুদ্রে বাস করছে মন্তব্য করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে বলেছেন, সরকার, বিরোধী দল, বিশেষ কোনো ব্যক্তি এবং অনেক সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে থাকেন। ফলে, গবেষণা অনুসারে শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব তথ্য বিশ্বাস করতে পারছেন না।

শনিবার (১১ মার্চ) রাজশাহীতে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ’র (সিজিএস) `কনফ্রন্টিং মিসইনফরমেশন ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন বাংলাদেশে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য, মিথ্যা খবর ও গুজব সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের নিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহযোগিতায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিজিএস এক সংলাপের আয়োজন করে। সংলাপে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং স্থানীয় পত্রিকাগুলোর সিনিয়র সম্পাদক ও সাংবাদিক, ফ্যাক্ট-চেকার এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা অংশগ্রহণ করেন।

ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে বলেন, আমরা বাস করছি তথ্যের মহাসমুদ্রে। এই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে তথ্যের উৎস থেকে বাদ দেয়া যাবে না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতার প্রতিকূলতা এবং তাদের নিরাপত্তা খুবই জরুরি।

ফ্যাক্ট চেকিং ইন্সটিটিউশন, ডিসমিস ল্যাবের প্রধান গবেষক মিনহাজ আমান বলেন, সংবাদ প্রতিবেদকদের উচিৎ যেকোনো সংবাদ প্রতিবেদনের পূর্বে ফ্যাক্ট চেকিং এর বিষয়গুলো মাথায় রাখা। ভুল তথ্য ছড়িয়ে পরার এই সমস্যা প্রশমিত করতে সম্পাদক, বার্তা-সম্পাদক, সহকারি সম্পাদক এবং প্রতিবেদক, সবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিৎ। কোন মূলধারার মিডিয়া কোন ধরনের ভুল তথ্য ছড়িয়েছে সেসব চিহ্নিতকরণ এবং বিভিন্ন জাল খবর খুঁজে বের করার চেষ্টা তারা করে যাচ্ছেন।

সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা শেষে উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশ নেন সাংবাদিকরা। আলোচনায় দেশে সাংবাদিকতার বিভিন্ন সমস্যার বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং এর ফলে বিভ্রান্তিমুলক তথ্য, মিথ্যা খবর ও গুজব ছড়িয়ে পড়ার দিকটিও আলোচনা করা হয়।

আলোচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে তথ্য সংগ্রহে বাঁধা দেয়া বা তথ্য না দেয়া, সরকারের স্বদিচ্ছার অভাব ও ভুল তথ্য প্রদান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভয়, রিপোর্টারদের নিয়মিত কাজের চাপ ও তার ফলে মানসম্পন্ন সংবাদের ঘাটতি, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মালিকানাধীন মিডিয়া হাউজ ও তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়ন ইত্যাদি। এছাড়াও, সংবাদ মাধ্যমে নির্ভুল তথ্য যাচাইয়ের জন্য ফ্যাক্ট-চেকারদের সাথে সমন্বয় ও কিভাবে তথ্য যাচাই করা যায় তার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সংলাপের শেষ পর্বে গণমাধ্যমকর্মীরা একটি জরিপে অংশগ্রহণ করেন এবং নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সংবাদ মাধ্যমে ভুল ও বিভ্রান্তমূলক তথ্য উপস্থাপন রোধে কার্যকরি ব্যবস্থার বিভিন্ন উপায় তুলে ধরেন।

জানা যায়, সিজিএস হলো বাংলাদেশের একটি থিংক ট্যাংক যা সুশাসন, দুর্নীতি, মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন বিষয়ক গবেষণা ও গণমাধ্যম গবেষণা পরিচালনা করে। দ্রুত পরিবর্তনশীল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কেন্দ্রের উদ্দেশ্য হলো শাসন ব্যবস্থার মান উন্নয়ন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে সহজলভ্য সম্পদের কার্যকরী ও দূরদর্শী ব্যবহারের শর্তসমূহ উন্নত করা, মানব সম্পদ উন্নয়ন, এবং গণতন্ত্রায়ন, অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অর্জন করার লক্ষ্যে একাডেমিক সম্প্রদায়, সরকার, বেসরকারি খাত এবং উন্নয়ন অংশীদার প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে সহযোগিতা সুবিধা সহজতর করা।

   

দক্ষিণখানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন তরুণের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর দক্ষিণখান থানার আশকোনা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- রবিন, জুনায়েদ ও ওমর ফারুক। এরমধ্যে একজন স্পট ডেড এবং অপর দুইজন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণখান থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে দক্ষিণখান আশকোনা আশিয়ান সিটি এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা ৩ জন মারা গেছেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় রবিউল ইসলাম নামের একজন ঘটনাস্থলে মারা যায়। জুনায়েদ মারা গেছে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। আর ওমর ফারুক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নিহত ওমর ফারুকের বাবার পরিচিত মোহাম্মদ হোসেন জানান, ওমর আশকোনার একটি মাদ্রাসায় কিতাব বিভাগের ছাত্র ছিল। তার বাবার নাম রাজন। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রুপসি। ওই মাদ্রাসায় থেকেই পড়ালেখা করতো সে।

;

র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন

র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন

  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশের এলিট ফোর্সে (র‍্যাব) কর্মরতরা পেশাগত ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এ বছর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ৪৯ জন কর্মকর্তা ও সদস্য 'বিপিএম' (বাংলাদেশ পুলিশ পদক) ও 'পিপিএম' (রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক) পদক পাচ্ছেন।

এই তালিকায় সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল হাসান, আটজন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও), পাঁচজন পরিচালকসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা আছেন। এছাড়া দুইজন মরণোত্তর পদক (বিপিএম, সাহসিকতা) পাচ্ছেন।

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে পদক পরিয়ে দিবেন। এবছর ৪০০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য পদকে ভূষিত হয়েছেন।

র‌্যাবের বিপিএম পদক পাচ্ছেন নয়জন। তারা হলেন- সাবেক এডিজি কামরুল হাসান, মরণোত্তর দুইজন হলেন- কর্পোরাল আনিচুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মোমিনুল ইসলাম, র‌্যাব-১৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, র‌্যাব-১০ অধিনায়ক ফরিদ উদ্দিন, র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, র‌্যাব-১৫ অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন ও র‌্যাব-৬ অধিনায়ক ফিরোজ কবীর।

বিপিএম সেবা পাচ্ছেন ১৪ জন। এই তালিকায় আছেন- র‌্যাব-১২ অধিনায়ক মারুফ হোসেন, লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, র‌্যাব-৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ লে. কর্নেল আবদুর রহমান, র‌্যাব-৯ অধিনায়ক উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল হক, র‌্যাব-১৩ অধিনায়ক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম, র‌্যাব-৩ মেজর জুলকার নায়েন প্রিন্স, র‌্যাব-৮ মেজর জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাব-১১ মেজর সানরিয়া চৌধুরী, মেজর রিফাত বিন আসাদ, গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ, র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান, র‌্যাব সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এইচ এম মনজুর মোর্শেদ, র‌্যাব-১৫ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও র‌্যাব-১৪ আনোয়ার হোসেন।

পিপিএম পদক পাচ্ছেন ১১ জন সদস্য। তারা হলেন- র‌্যাব-১০ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান, সদরদপ্তরের মেজর নুর এ শহীদ ফারাবী, র‌্যাব-১৩ মেজর সরফরাজ আখতার, র‌্যাব-১০ এর উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম, র‌্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার এম সারোয়ার হুসাইন, র‌্যাব-৫ এর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মারুফ হোসেন খান, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার নোমান আহমদ, র‌্যাব সদরদপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার রকিবুল হাসান, র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুল হক, র‌্যাব-১২ কনস্টেবল কৃষ্ণ চন্দ্র এবং র‌্যাব-৬ এর সৈনিক নাজমুল হোসেন।

পিপিএম সেবা পাচ্ছেন- সদরদপ্তরের পরিচালক লে. কর্নেল মীর আসাদুল আলম, পরিচালক উইং কমান্ডার মো. রোকনুজ্জামান, র‌্যাব-১ এর মেজর মাসুদ হায়দার, সদরদপ্তরের মেজর এ এইচ এম আদনান তফাদার, মেজর এ এস এম মাঈদুল ইসলাম, মেজর মো. মশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব হোসেন কাজল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল চৌধুরী, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ রানা, র‌্যাব-৭ পতেঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল, র‌্যাব-১১ এর লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসান, র‌্যাবের কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমআইএস উইংয়ের স্কোয়াড্রন লিডার জেহাদী হাসান, র‌্যাব-৭ এর স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, র‌্যাব-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার হোসেন, র‌্যাব-১২ এর এসআই উত্তম কুমার রায়।

;

ট্রাক চাপায় প্রাণ গেলো দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রাম সদরে মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাদমান সাদিক (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সাদমান সাদিক কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এসময় মোটরসাইকেলের থাকা হিমু নামের অপর আরোহী গুরুতর আহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় কুড়িগ্রাম ধরলা ব্রিজ পশ্চিম পাড় ঠ্যানারি পাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাদিক পৌর শহরের পলাশবাড়ী বানিয়া পাড়া গ্রামের ঠিকাদার ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে। সে আগামী বছর এসএসসি পরিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের ঠ্যানারি পাড়া এলাকায় ভুরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা ট্রাকের সাথে মোটরসাইকের সংঘর্ষ ঘটে। এসময় ট্রাকের ভিতরে ঢুকে পরে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ট্রাকের ভেতরে আটকে পড়া মোটরসাইকেলের দুই আরোহীকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। হাসাপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শারমিন সিদ্দিকী, ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর মোটরসাইকেল আরোহী হিমুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে ধরা পড়ল রুপালী ইলিশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে ধরা পড়েছে একটি রুপালী ইলিশ। খবর পেয়ে স্থানীয়রা মাছটি দেখতে ভিড় জমায় ও ছবি তোলে এবং ভিডিও ধারণ করে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের ভূমি মার্কেট এলাকার নাডার দোকান সংলগ্ন এনামুল হক ওরফে মিয়া মেম্বারের প্রজেক্টের পুকুরে মাছটি ধরা পড়ে।

পুকুরের মালিকের ছেলে বসুরহাট পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা আবু নাছের সজিব বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আমাদের প্রজেক্টের মসজিদের পুকুরে মাছ ধরতে সেচ মেশিন বসানো হয়। পুকুরের পানি কমলে শুক্রবার সকালে জাল টেনে কোরাল, কার্ফু, তেলাপিয়াসহ কিছু মাছ ধরা হয়। একই সময়ে একটি ইলিশও জালে ধরা পরে। ইলিশটির ওজন প্রায় ৬'শ গ্রাম হবে। তাৎক্ষণিক আমি মাছটির ঘ্রাণ রং দেখে এটি ইলিশ মাছ বলে নিশ্চিত হয়েছি। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, আমি এ ইলিশ মাছের ছবি দেখেছি। চরফিকরা ও চরএলাহী ইউনিয়ন হচ্ছে নদী বেষ্টিত এলাকা। হয়তো জোয়ারের পানিতে ইলিশ মাছ ঢুকে পড়ে এই পুকুরে বড় হয়।

;