তীর রক্ষা বাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধেক ইউনিয়ন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রামের চিলমারীর কাঁচকোল এলাকায় ব্রহ্মপু‌ত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরের দিকে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল এলাকায় প্রায় ৩০ মিটার অংশ জুড়ে এ ধস দেখা দেয়। খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পাউবো, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পাউবো জানায়, কয়েকদিনের লাগাতার পানি বৃদ্ধির কারণে ব্রহ্মপুত্র ফুঁসে উঠছে। গত কয়েক বছর প্রকল্প এলাকা থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও চলতি বছর ব্রহ্মপুত্র নদের প্রবাহ চিলমারী অংশে ডান তীরের নিকটবর্তী চলে আসে। তীরের কাছে নদের গভীরতা আকস্মিক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে কাঁচকোল এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার অংশে বৃহস্পতিবার হঠাৎ ধস দেখা দিয়েছে। খবর পাওয়ামাত্র সেখানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করা হয়েছে বলে পাউবো সূত্রে জানা গেছে।

রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বাঁধটি রক্ষা করতে না পারলে ইউনিয়নের অ‌র্ধেক এলাকা ভাঙন ঝুঁকিতে পড়বে। বসতি ও ফসলি জমি হারিয়ে বা‌সিন্দারা নিঃস্ব হয়ে যাবে।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হঠাৎ ধস দেখা দেওয়ায় ওই অংশে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বালুভর্তি প্রায় এক হাজার জিও ব্যাগ ডাস্পিং করা হয়েছে। ঝুঁকি কমাতে রাতেও ডাম্পিংয়ের কাজ চলবে। ঘটনাস্থলে পাউবোর কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, ধস ঠেকাতে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা আশে। আশা করছি ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ধস ঠেকানো না গেলে চিলমারী উপজেলার একটি বড় অংশ ভাঙন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ত‌বে আমরা আশা কর‌ছি ঝুঁ‌কিমুক্ত কর‌তে সক্ষম হ‌বো।

   

পঞ্চভাই হোটেলের ফ্রিজে পচা-বাসি খাবার, লাখ টাকা জরিমানা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রান্না ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার রাখায় নওগাঁয় পঞ্চভাই হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

বৃহষ্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় শহরের রুবির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে পঞ্চভাই হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিককে এই জরিমানা করা হয়। এ অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা।

অভিযানে রেস্টুরেন্টটির রান্না ঘরে অভিযান চালিয়ে ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার মজুত, রান্নার কাজে ব্যবহৃত পচা রসুন, রান্না করা সবজি, রান্না করা গরুর মাংস, রান্না করা মুরগির মধ্যে পশম, পোড়া তেল, মসলার মধ্যে তেলাপোকা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখাসহ নানা অপরাধে রেস্টুরেন্টটির অস্বাস্থ্যকর সব খাবার জব্দ করা হয়। পরে রেস্টুরেন্টের মালিকের উপস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

নওগাঁ জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামানিক বলেন- হোটেল ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণ ও সভা সেমিনার করে বলা হয়েছিল রান্না করা খাবারগুলো উপরে নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট রান্না করার তারিখ সময় দিয়ে রাখতে। কিন্তু এই রেস্টুরেন্টের মালিক বাজার থেকে নোংরা পলিথিন কিনে এনে সেই পলিথিনের মধ্যে খাবারগুলো রেখে দিয়েছে। তার মধ্যে কোন তারিখ নেই আবার একই ফ্রিজে রাখা। এজন্য নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও কুইন্স সুইটস এন্ড পেস্ট্রি বেকারি ও হাজির নজিপুর হোটেলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

নওগাঁতে এটিই তাদের প্রথম অভিযান উল্লেখ করে তিনি বলেন- নিরাপদ খাদ্যর যে আইন রয়েছে খুবই শক্ত এবং জরিমানার পরিমাণও বেশি। সেজন্যই গত দুই বছর ধরে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপশি রেস্টুরেন্টগুলো নিয়মিত মনিটরিং করা হয়েছে। এখন থেকে কোন রেস্টুরেন্টে এই সমস্ত অপরাধ ধরা পড়ে তাহলে আমরা তাদেরকে জরিমানার আওতায় আনব।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষেও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা বলেন- যে সকল রেস্টুরেন্ট মালিকদের প্রশিক্ষণ ও সচেতন করার পরও কথা শুনছে না তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে এই পঞ্চ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা শেষে তাদেরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানাকৃত টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে। আগামীতেও পুরো জেলায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

;

তেঁতুলিয়ায় উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি ধ্বংস করলো সেনাবাহিনী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় উদ্ধার হওয়া একটি মর্টারশেল ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিটের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলের দিকে উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের হুলাসুজোত এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেতের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রংপুর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের ৬ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের মেজর আব্দুল্লাহ আল সায়েমের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যর একটি বিশেষজ্ঞ দল মর্টালশেলটি সফলভাবে ধ্বংস করে। এসময় মর্টালশেলটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এসময় তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় মর্টালশেলটি ধ্বাংসের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সিপাইপাড়া বাজারের মের্সাস রুপা ট্রেডার্স নামে একটি ভাঙ্গারির দোকানে লোহা ভেবে মর্টালশেলটি বিক্রি করেন এক ভাঙ্গারির হকার। পরে বোম সদৃশ একটি বস্তু দেখতে পেয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ সেটিকে মর্টারশেল বলে চিহ্নিত করে। পরে ওই দোকানের ভেতরেই গর্ত করে বালির বস্তা দিয়ে চাপা দিয়ে বেষ্টনী দিয়ে নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

আরো জানা গেছে, মর্টারশেলটি ৫১ মিলিমিটার প্যাকেট বোম। তবে মরিচা ধরার কারণে এর তৈরির কোন সঠিক তারিখ পাওয়া যায়নি।

;

ইউরোপ পাঠানোর নামে প্রতারণা, জড়িত বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিমানবন্দরের বিশেষ প্রবেশের অনুমতি ব্যবহার করে কখনো ট্যুরিস্ট আবার কখনো ভুয়া ভিসায় ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশসহ সেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে লোক পাঠানোর নামে অভিনব প্রতারণা করে আসছে একটি চক্র। ১৬ থেকে ১৮ লাখ টাকায় বিদেশে পাঠানোর ফাঁদ পাতা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা। চক্রটি গত দেড় বছরে আড়াই শতাধিক মানুষকে ইউরোপ পাঠানোর নামে প্রতারণা করেছে। চক্রের দুই মূলহোতাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

চক্রের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছেন। শূন্য হাতে দেশে ফিরলেও ভাগ্য বদলের আশায় বিদেশে যাওয়া অনেকেই বিভিন্ন দেশে জেল খেটেছে, কেউ এখনো রয়েছেন জেলেই।

ডিবি পুলিশ বলছে, আদালতের নির্দেশে এক দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে গ্রেফতারদের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ৩ যাত্রী স্বীকার করেছে ১৬ থেকে ১৮ লাখ টাকা দালালদেরকে দিয়ে এই অবৈধ পথে ফ্রান্স, ইতালি এবং গ্রিসে যাচ্ছিলেন তারা।

দুই হোতার বক্তব্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশ বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কারো কারো এই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে ২ নম্বর ঢাকা টার্মিনাল-২ দিয়ে অবৈধভাবে জাল ভিসা দিয়ে তিনজনকে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছিলো চক্রের সদস্যরা। বিষয়টি টের পেয়ে বিমানবন্দর আর্ম পুলিশের (এপিবিএন)'র সদস্যরা তাদেরকে কৌশলে নজরদারিতে রেখে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) খবর দেয়। তথ্য পেয়ে এপিপিএনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথ অভিযানে চালিয়ে চক্রের দুই হোতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ও মোহাম্মদ কবির হোসেন ও চক্রের মাধ্যমে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ৩ যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। যাত্রীরা হলেন- জানে আলম, সাব্বির মিয়া, সম্রাট সওদাগর।

অভিযানে চক্রের দুই সদস্যের কাছ থেকে তিনটি পাসপোর্ট, ৩টি জাল ভিসা, ৪টি এনআইডি, বিমানবন্দরে প্রবেশের স্পেশাল পাসের কার্ড, ৪টি এটিএম কার্ড, ৫টি মোবাইল, ৩টি ই-টিকেট, ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা সংশ্লিষ্ট জাল ডকুমেন্ট, ১টি ড্রাইভিং লাইসেন্স, নগদ ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবিতে নিজ কার্যালয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে লাখ লাখ টাকা খোয়াচ্ছে সাধারণ মানুষ। আমরা অনেকবারই বলেছি। বিভিন্ন পন্থায় তারা মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে সেনজেন ভিসাভুক্ত ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে যাবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এজন্য সক্রিয় রয়েছে দালাল চক্র। এক সময় দেখা যেতো নৌ পথে লিবিয়া বা ইউরোপিয়ান দেশ ইতালিতে যাবার পথে অনেকে মারা যেতেন। অনেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হতেন। এরপর জেল খাটতেন। কেউ কেউ কাজও পেয়ে যেতেন। এখন এ পন্থায় ইউরোপ যাবার পথ কঠিন হচ্ছে।

অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, এখন দালাল চক্রের সদস্যরা নতুন কৌশল ব্যবহার কিরছে। তারা বাংলাদেশ বিমানের সিকিউরিটি ম্যান, কুয়েত এয়ারওয়েজের বুকিং সহকারী, কিছু জনশক্তি রপ্তানি প্রতিষ্ঠান ও ট্রাভেল এজেন্সিসহ দক্ষ কম্পিউটার অপারেটর মিলে শক্তিশালী একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রটি ট্যুরিস্ট ভিসার কথা বলে সেনজেন ভিসাভুক্ত দেশে কোনো রকম পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এরপর পৌঁছে গেলে আর ফেরত আসতে হবে না এই বলে কারো কারো কাছ থেকে ১৬ থেকে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

গোয়েন্দা প্রধান বলেন, চক্রটির কাজ হচ্ছে, বিমানবন্দরে কোনো রকমে ঢুকিয়ে দেওয়া। ট্রাভেল এজেন্সি টিকিট করে দেয়। ইউরোপিয়ান কোনো দেশের যাবার জন্য সে টিকিট পেয়ে বিমানবন্দরে ঢোকে। বোর্ডিং আনতে গেলে বাংলাদেশ বিমানের সিকিউরিটি ম্যান ও কুয়েত এয়ারওয়েজের বুকিং সহকারী তখন দেখে। তারা তো বায়াস্ট। তারা বলে সব ঠিক আছে। ইমিগ্রেশনেও চেক করা হয় না। বিদেশগামী ভুক্তভোগীরা কিছু না বুঝে ভুয়া বোর্ডিং কার্ড নিয়ে বিমানে উঠে চলে যায়।

হারুন বলেন, এভাবে ফাস্ট ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ থেকে তারা উড়াল দিলেও অনেক সময় তারা মধ্যবর্তী স্থানে ট্রানজিট পয়েন্টে আটক হয়, কখনো সর্বশেষ ফ্রান্স, জার্মান অথবা ইউরোপের ডেস্টিনেশনেও গিয়ে আটক হন। কারণ এসব জায়গায় চেক করতে গিয়ে দেখে ভুয়া। তখন কাউকে দেশে পাঠায়। কাউকে কাউকে জেলে পাঠায়। যারা জেলে যায় তারা পরবর্তীতে কেউ কেউ কাজও পেয়ে যায়। চক্রের সদস্যরা এই সুযোগটি নেয়। বলে মামলা করে জেল থেকে ছুটে বের হতে পারবেন।

 

;

ভাষা যদি না থাকে সংস্কৃতি বিলুপ্ত হবে: দীপংকর তালুকদার



স্টাফ কসেরপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভাষা যদি না থাকে, তবে সংস্কৃতি বিলুপ্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বন-পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম অমর একুশে বই মেলা মঞ্চে নৃ-গোষ্ঠী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপংকর তালুকদার বলেন, জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থেই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বিকাশে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দরকার বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি এ দেশের অমূল্য সম্পদ। সাংস্কৃতিক নানা উপাদান এসব জাতিগোষ্ঠীর সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। যুগ যুগ ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জাতিসত্ত্বা এবং অ-উপজাতীয় জনগণ বসবাস করছে। উপ-জাতীয়রা যেমন একদিকে সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের অধিকারী, অন্যদিকে তারা মূল জনগোষ্ঠীর অপরিহার্য অংশ।

তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়নের জন্যই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বিকাশে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দরকার। জাতীয় উন্নয়নের জন্যই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বিকাশে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দরকার। ভাষা যদি না থাকে, তবে সংস্কৃতি বিলুপ্ত হবে। তাই প্রয়োজন বাংলাদেশের অনেক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতির সঠিক লালন। সংখ্যাগুরু মানুষের উচিত সংখ্যায় কম মানুষের সংস্কৃতির বিকাশে এগিয়ে আসা।

দীপংকর আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ১৯৯৬ সাল থেকে একটি নীতিমালার আলোকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত) শীর্ষক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা শুরু করা হয় এবং কর্মসূচিটি চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের আশা-আকাক্সক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণে সর্বদা সচেষ্ট।

আলোচক কবি ও নাট্যজন শিশির দত্ত বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের রয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত নিজস্ব আচার, উৎসব ও সংস্কৃতি দারিদ্র্য ও সংখ্যাগরিষ্ঠের আগ্রাসী সংস্কৃতির চাপে আজ তা প্রায় বিপন্ন। তবুও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা ধরে রেখেছেন নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উৎসবগুলোকে। যুগে যুগে যা সমৃদ্ধ করেছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাহিত্যকে ।

মাধ্যমিককয় ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক নৃগোষ্ঠী গবেষক ড. আজাদ বুলবুলের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কবি ও নাট্যজন শিশির দত্ত, মাটিরাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ প্রশান্ত ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনন্দ চাকমা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ও মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম। পরে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের উপজাতীয় গান ও নৃত্য শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।

;