পর্যটকদের বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল 
পর্যটকদের বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ

পর্যটকদের বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

পর্যটকদের ফেলে রাখা বর্জ্যে বরগুনার তালতলী উপজেলার শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা না নিলে শুভসন্ধ্যা হারাবে সৌন্দর্য ও পর্যটক কমবে বলে আশাঙ্কা করছেন সচেতন মহল। তবে প্রশাসন বলছে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে।

জানা গেছে, জেলার একমাত্র পর্যটন খ্যাত উপজেলা হচ্ছে তালতলী। এ উপজেলায় বিশাল বনভূমি ও বালুচর নিয়ে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত পর্যটনকেন্দ্র। যা হয়ে উঠেছে পর্যটকদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। প্রতিদিন সমুদ্রসৈকতে শত শত পর্যটক আসেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয় এখানে। 

প্রতিদিন বিকেলে সৈকতের মুগ্ধ করা রূপ ও বালুচরে মানুষের ভিড় হয় সবচেয়ে বেশি। আর এই পর্যটকদের সুবিধার্থে এখানে গড়ে উঠেছে ৭/৮টা খাবারের দোকান। সময় কাটাতে এসব দোকান থেকে পর্যটকেরা নানা রকম খাবার কিনলেও এর বর্জ্য সংগ্রহের জন্য সমুদ্রসৈকতে সী বিচে নেই কোনো ডাস্টবিন। তাই পর্যটকেরা খাবারের উচ্ছিষ্ট, প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেট ও পলিথিন সৈকতেই ফেলছেন। এতে দূষিত হচ্ছে সৈকতের বালুচর ও প্রাকৃতিক পরিবেশ।

পর্যটকদের বর্জ্যে নষ্ট হচ্ছে সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ

সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটক মো.আবদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমি প্রায় মাসেই এই শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসি। সমুদ্র সৈকতের পাশেই পর্যটকদের বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছে। যার কারণে সৈকতের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এতে শুভসন্ধ্যা তার সৌন্দর্য হারাবে, কমবে পর্যটক। দ্রুত এখানে ডাস্টবিনের ব্যবস্থার করার দাবি করছি।’ 

শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিয়ে ব্র্যান্ডিং বিষয়ে কাজ করা ফটো সাংবাদিক আরিফ রহমান বলেন, ‘প্রতিদিন এখানে যে সকল পর্যটক আসে তাদের ব্যবহৃত প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। সৈকত ও বনভূমিকে দূষণ থেকে বাঁচাতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে চরম ক্ষতির মুখে পড়বে সৈকতের পরিবেশ ও নদী।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ‘সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পরবর্তী কোনো বরাদ্দ দিয়ে ওখানে স্থায়ীভাবে ডাস্টবিন বসানো হবে।

   

৫ লাখ শিশুকে সাঁতার শেখানো হয়েছে: সংসদে প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জীবন বাঁচাতে সারাদেশে ৫ লাখ ৯ হাজার ৮৭০ জন শিশুকে সাঁতারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি।

সোমবার (৪ মার্চ) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে মো. মামুনুর রশীদ কিরনের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জীবন বাঁচাতে সাঁতার প্রশিক্ষণ শীর্ষক কর্মসূচি, শিশুর জীবন সুরক্ষায় সাঁতার প্রশিক্ষণ, শিশুর জীবন সুরক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সাঁতার প্রশিক্ষণ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ৫ লাখ ৯ হাজার ৮৭০ জন শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘সমাজভিত্তিক সমন্বিত শিশুযত্ব কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের প্রারভিক বিকাশ ও সুরক্ষা এবং শিশুর সাঁতার সুবিধা প্রদান’ শীর্ষক প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২২- ডিসেম্বর ২০২৪ মেয়াদে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় আট বিভাগের ১৬টি জেলার ৪৫টি উপজেলায় ১-৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ৮ হাজারটি শিশু যত্ন কেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনা এবং ৬-১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রদানসহ অভিভাবকদের জন্য প্যারেন্টিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে দুইটি জেলায় (পটুয়াখালী ও বরগুনা) ১ হাজার জন শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

;

ওয়ারিতে রেস্তোরাঁয় পুলিশের অভিযান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের ওয়ারী বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন আবাসিক ভবনে থাকা রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওয়ারি বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইকবাল হোসাইন।

তিনি জানান, অবহেলা, বেপরোয়া, তাচ্ছিল্যপূর্ণ বিপদজনকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে যারা আবাসিক ভবনে রেস্টুরেন্ট করেছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।

তিনি জানান, অভিযানের শুরুতে তারা র‌্যাংকিং স্ট্রিটের 'আই লাভ মেজ্জান' রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে রেস্টুরেন্টের কিচেনের পাশে এক্সিট পথ থাকলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে এবং সেই পথে বিভিন্ন মালামাল রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে রেস্টুরেন্টটিতে।

উল্লেখ, রাজধানীর বেইলি রোডে রেস্টুরেন্ট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৬ জনের প্রাণহানির পরে নড়চড়ে বসে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর। তারই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, রাজউক ও ঢাকা মহানগর পুলিশের একাধিক টিম।

;

রাজধানীজুড়ে রেস্তোরাঁয় নজর রাখা হচ্ছে: ডিবি হারুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানর গোয়েন্দা পুলিশর (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, ‘একটা ঘটনা ঘটার পরে আমরা শোক করি, জ্ঞান দেই। কিন্তু দায়িত্বরত সকল সংস্থা নিজেদের কাজ করলে বেইলিি রোডসহ অতীতে আগুনে যে সকল প্রাণহানি ঘটেছে সেগুলো দেখতে হতো না। তাই এবার ডিএমপির থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় নজর রাখছে এবং যথাযথ অগ্নি নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা ঘটলে জরুরিভাবে বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না দেখছে।’

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বেইলি রোডের ঘটনা উল্লেখ করে অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, ‘বেইলি রোডের গ্রিণ কোজি কটেজে আগুনের ঘটনায় আমাদের একজন পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে যিনি বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন, সে সহ ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এই এক আগুনে কত মায়ের কোল খালি হয়েছে! আসলে যার সন্তান মারা যায় সে শোক বোঝে। আসলে আমরা মারা যাওয়ার পরে শোক করি, কান্না করি, জ্ঞান দেই। আমাদের প্রতিটি সংস্থার যে দায়িত্ব আছে সেগুলো আমরা যদি পালন করতাম তাহলে আমার মনে হয় এমন ঘটনা আর ঘটতো না। তাই এখন আমরা প্রতিটি রেস্তোরায় খোঁজ খবর নিচ্ছি। ঢাকা শহরে এমন কোনো রেস্তোরাঁ আছে কি না যেগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা মানা হচ্ছে না; দ্রুত বের হওয়ার রাস্তা আছে কি না; বাতাল চলাচলের রাস্তা আছে কি না আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। কোনো অনিয়ম পেলে আমরা যথাযথ কতৃপক্ষকে অবহিত করবো।’   

হারুন বলেন, ‘এমন দুর্ঘটনার পেছনে তো গাফিলতি থাকেই। তবে কোনো ঘটনা ঘটার পরে আমরা সেটা (গাফিলতি) খুঁজি। নিয়মকানুন না মেনে যত্রতত্রভাবে ভবন বানানো হচ্ছে। এই সকল ভবনের খোঁজ খবর যদি আগে থেকে নিয়ে রাখা হতো তাহলে এমন ঘটনা ঘটতো না। বঙ্গবাজার, নীমতলি, বনানীর এফ আর টাওয়ারে মতো এমন ঘটনা বারবার ঘটতো না।’

কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর বিষয়ে ডিবি প্রধান বলেন, ‘বেইলি রোডে  এই ভবনে এতোগুলো রেস্তোরা চালানোর অনুমোদন ছিলো কি না। যে দোকনটিতে ২০ জন মানুষ বসার সুযোগ নেই অথচ সেখানে ৫০ জনকে ২০ শতাংশ ছাড় দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে। এখানে কোনো দূর্ঘটনা ঘটলে মানুষগুলো কি ভাবে বের হবে। সিঁড়িতে রাখা হতো গ্যাস সিলিন্ডার রাখা ছিল। এই সকল রেস্তোরাঁর অনুমোদন ছিল কি না, ফায়ার সার্ভিস ঠিক মতো তদারকি করেছে কি না আমার জানা নেই। আর রুমগুলো এমন ভাবে সাজিয়েছে যে বাতাস যাওয়ার সুযোগ ছিল না। বাতাস চলাচলের রাস্তা থাকলে এতো প্রাণহানি হয়তো হতো না। এমন কি দুর্ঘটনা ঘটলে ছাদে গিয়ে মানুষ বাঁচবে সেখানেও যাওয়ার রাস্তা নেই রেস্তোরা বানিয়ে রেখেছে। এমন ভবন তো ঢাকা শহরে আরও আছে। এসব দেখার জন্য ঢাকা শহরে আরও অনেক সংস্থা আছে, ভবন ম্যানেজার আছেন। তারা কি খোঁজ খবর রাখছেন সেটাও আমরা জানি না।’ 

;

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ব গুড়া
বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

  • Font increase
  • Font Decrease

বাড়ির সংস্কার কাজ করার সময় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এসেছে মুক্তিযুদ্ধকালের তিনটি গ্রেনেড। তবে সেগুলো অবিস্ফোরিত৷

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উদ্ধার করা গ্রেনেডগুলো পানিতে ভিজিয়ে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হয়েছে।

বগুড়া শহরের স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন জিলাদারপাড়া এলাকার একটি বাড়ির আঙিনা থেকে গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটনাস্থলে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল বলে দাবি করেছেন ওই বাড়ির মালিক। গ্রেনেডগুলো মুক্তিযুদ্ধকালের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাড়ির মালিক মোস্তাফিজুর রহমান স্বাধীন জানান, কয়েকদিন ধরে তার বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে। বাড়ির পাশে কিছু মাটি নেওয়ার জন্য মাটি খুঁড়তেই একসঙ্গে তিনটা গ্রেনেড পাওয়া যায়। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেখানে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল। এ গ্রেনেডগুলো সেই সময়কার।

বগুড়া সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, তিনটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। দেখে মনে হচ্ছে এগুলো অনেক পুরাতন। ঢাকায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে এগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।

;