লালমনিরহাটে গল্পকথার বইমেলা শুরু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটে সাহিত্য সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে ব্যতিক্রমী এক বইমেলার আয়োজন করেছে ঐতিহ্যবাহী গল্পকথা পরিবার।

শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল ১১টায় লালমনিরহাট ভকেশনাল রোডের মৃধা বাড়িতে ১০ দিনব্যাপী এ বই মেলার উদ্বোধন করা হয়। প্রতিদিন সকাল ১১ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

জানা গেছে, আগামী প্রজন্মকে মোবাইল গেম আসক্তি থেকে সরিয়ে বই ও ঐতিহ্যকে লালন করতে ব্যতিক্রমী এক আড্ডার ব্যবস্থা করেছে গল্পকথা পরিবার। সেখানে গ্রামীণ ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো মৃধাবাড়ি। সেখানে আগন্তুকরা ইট পাথরের শহরের মাঝে ফিরে পাবেন এক গ্রামীণ শান্ত পরিবেশ। বিগত দিনের হারাতে বসা গ্রামীণ সব আসবাব পত্রে সাজানো এই আড্ডা স্থলে প্রবেশ করতে কোন ফিস গুণতে হচ্ছে না।

আড্ডা দিতে আসা আগন্তুকদের খাবারের জন্য একটি রেস্টুরেন্টও রয়েছে। এখানে রেস্টুরেন্ট মূলত আড্ডার ফাঁকে খাবারের জন্য এবং গল্পকথার সাপোর্ট স্টাফদের পারিশ্রমিক বাবদ ব্যয় হয় এই রেস্টুরেন্টের অর্থ। এ রেস্টুরেন্টে আগাম মূল্য পরিশোধ করে পছন্দের স্থানে বসে খাবারের সু ব্যবস্থা আছে। খাবার রান্নায় পারদর্শী গ্রামীণ নারীরা তাদের খাবার রান্না করে এখানে প্রদর্শন করে বিক্রি করতে পারেন। গ্রামীণ নারীদের রান্নার কাজকে উৎসাহিত করতে নারী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে এ সুযোগ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এ রেস্টুরেন্টে পার্টাইম কাজের সুযোগও রয়েছে। স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত দামে প্রতি ঘণ্টা হিসেবে কাজ করে মজুরি নিতে পারেন।


পুড়ো মৃধাবাড়িকে গ্রামীণ পরিবেশে সাজানো হয়েছে। হারাতে বসা গ্রামীণ সেই টং ও কুঁড়েঘর। রয়েছে বাঁশ বেতের তৈরি বেড়া। আপ্যায়ন করা হয় মাটির তৈরি সব তৈজসপত্রে। এখানে রয়েছে আঞ্চলিক ভাষা চর্চার ব্যবস্থা ও শান্ত পরিবেশে পছন্দের বই পড়ার সুযোগ। বই পড়ার জন্য লাইব্রেরিও রয়েছে এখানে। রয়েছে কবিতা আবৃতি ও আঞ্চলিক গান-গজল পরিবেশনার ব্যবস্থাও। এসব পরিবেশনে কারও কোন অনুমতির প্রয়োজন নেই। ইচ্ছে হলেই ডায়াসের সামনে গিয়ে যে কেউ পরিবেশন করতে পারবেন। তবে তা হতে হতে পরিচ্ছন্ন অঞ্চলিকতা ও ঐতিহ্যকে ঠিক রেখে। সব মিলে গ্রামীণ এক মনোরম পরিবেশ গল্পকথায়। এখানে বসে মোবাইলে গেম খেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

স্থানীয় আঞ্চলিক ও বরেণ্য কবি সাহিত্যিকদের পরিচিত করতে তাদের বই আগামী প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে ১০ দিনব্যাপী বই মেলার আয়োজন করেছে গল্পকথা পরিবার। আর এ বই মেলা উদ্বোধন করতেও ব্যতিক্রম আয়োজন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোন অতিথি নেই। পাঠক দর্শনার্থী আর মেলায় আগন্তুকরাই উদ্বোধক। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল ১১টায় উদ্বোধন হয়েছে বই মেলা।

বই মেলায় স্থানীয় আঞ্চলিক ও বরেণ্য কবি সাহিত্যিকদের লেখা প্রায় ৩ হাজার বই স্থান পেয়েছে মেলায়। উদ্বোধনী দিনে দর্শনার্থী কম থাকলেও আগামীতে বাড়বে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। এ আয়োজন শুধু ১০ দিনেই নয়। বিশেষ বিশেষ দিনগুলিতে থাকবে বই মেলার আয়োজন।

স্থানীয় কবি সাহিত্যিক মমিনুল আলম রাসেল বলেন, বই পড়ে বা কিনে কেউ বিপথে যায়নি বরং আধুনিকতার নামে আমাদের প্রজন্ম খারাপ কাজে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিপথগামী হচ্ছে। মোবাইল গেম যার অন্যতম। তাই আগামী প্রজন্মকে মোবাইল গেম থেকে সরিয়ে বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গল্পকথা বই মেলা অন্যতম ভূমিকা রাখবে। বর্তমান প্রজন্ম হারানোর দিনের অনেক ঐতিহ্য ভুলতে বসেছে। তাদের কাছে সেই ঐতিহ্যকে পরিচয় করিয়ে দিবে গল্পকথা পরিবার। গ্রামীণ পরিবেশে আড্ডার সঙ্গে বই পড়ার সুযোগ থাকায় সপরিবারে বই মেলায় মানুষ আসবে এমনটাই দাবি তার।


গল্পকথা পরিবারের মূল আয়োজনক সংস্কৃতিকর্মী মুনিম হোসেন পথিক বলেন, আগামী প্রজন্মকে মোবাইল গেমিং আসক্তি থেকে সড়িয়ে বইয়ের প্রতি আগ্রহী করতে গল্পকথা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জার্মান প্রবাসী বন্ধু মইনুল হক মৃধা ওরফে মৃধা হকের পরিত্যাক্ত পৈত্রিক মৃধাবাড়িটি নিয়ে গল্পকথা গড়ে তোলা হয়। হারাতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্যের সাথে নতুন তথা আগামী প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে গ্রামীণ পরিবেশে এটি গড়ে তোলা। এখানে আমাদের ছেলে মেয়েরা এসে গ্রামীণ ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত হতে পারবে। আড্ডার সাথে লাইব্রেরির বইও পড়তে পারবে।

রেস্টুরেন্ট রয়েছে মূলত আগন্তুকদের গ্রামীণ খাবার দিতে এবং সাপোর্ট স্টাফদের পারিশ্রমিক দিতে। গ্রামীণ নারীরা তাদের রান্না করা খাবার বা উৎপাদিত পণ্য এখানে প্রদর্শন ও বিক্রি করতে পারবেন। যার মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তা তৈরি হবে। রেস্টুরেন্টে প্রতিঘণ্টা মজুরি হিসেবে পারিশ্রমিক নিতে পারবেন স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। আপাতত স্থানীয় লেখক কবি ও সাহিত্যিকদের পরিচিত করতে ও তাদের লেখা বই পাঠকদের হাতে তুলে দিতে বই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

বই মেলা প্রতিটি বিশেষ দিনে করা হবে। মূলত সন্তানদের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং বই পড়ায় আগ্রহ বাড়াতে অভিভাবকরা গল্পকথা নিয়ে আসবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন আয়োজক মুনিম হোসেন পথিক।

   

মুজিবনগরে ব্যাংক কর্মচারীকে অজ্ঞান করে টাকা লুট!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার শিবপুরে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংক থেকে টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ব্যাংক কর্মচারী সাগর শেখকে (২৭) অজ্ঞান করে টাকা লুট করে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত দুই জন। অসুস্থ অবস্থায় সাগর শেখকে মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ডাচ বাংলা ব্যাংকের শিবপুর গলাকাটা বাজারে বিপ্লব হোসেন এজন্টে হিসেবে ব্যাংক পরিচালনা করে আসছেন।

সোমবার দুপুরে ব্যাংক কর্মচারী সাগর শেখ কাজ করছিলেন। এসময় অজ্ঞাতরা ব্যাংকে প্রবেশ করে তাকে অজ্ঞান করে। আশেপাশের লোকজন টের পাওয়ার আগেই তারা ব্যাংক থেকে টাকা লুটে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার আগে তারা ব্যাংকে অজ্ঞাত দুজনকে প্রবেশ করতে দেখেছিলেন। তবে তারাই যে এ ঘটনার সাথে জড়িত তা নিশ্চিত নন কেউ। তাদের প্রবেশের কিছুক্ষণ পরে সাগরকে অজ্ঞান দেখেন স্থানীয়রা।

ব্যাংক এজেন্ট বিপ্লব হোসেন জানান, স্থানীয়রা সাগরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ব্যাংকের সিসিটিভি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগ বিছিন্ন পেয়েছেন তিনি। অজ্ঞাত ডাকাতরা এ সংযোগগুলো বিছিন্ন করে ডাকাতি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কত টাকা লুট হয়েছে জানতে বিপ্লব হোসেন বলেন, প্রতিদিন ব্যাংকে অনেক টাকা থাকে। এর সাথে প্রতিদিনের লেনদেনের আরও টাকা থাকে। তাই টাকার অংকের সঠিক হিসেবে দিতে পারেননি তিনি।

মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আসাদুজ্জামান জানান, ব্যাংক কর্মচারীর শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। চোখ খুলে তাকাচ্ছে কিন্তু তার চেতনা ফেরেনি। তাকে কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করা হয়েছে না চোখে চেতনানাশক স্প্রে করা হয়েছে তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে।

মুজিবনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজ্জল দত্ত জানান, খরব পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হাসপাতালে ভর্তি কর্মচারী সুস্থ হলে তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। তবে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে।

;

স্কুল শিক্ষককে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: গ্রেফতার ৩



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
স্কুল শিক্ষককে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: গ্রেফতার ৩

স্কুল শিক্ষককে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: গ্রেফতার ৩

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে চোর অপবাদ দিয়ে স্কুল শিক্ষক আক্তার হোসেন বাবুকে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে পেটানোর ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে তাদেরকে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠায় পুলিশ। তারা হলেন শহীদ আলম, সাইমন হোসেন ও তার ভাই শ্রাবন।

গ্রেফতার শহীদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল মান্নানের ছেলে, সাইমন ও শ্রাবন একই এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রোববার (১৪ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী আক্তারের ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ বাদী হয়ে সুমন ওরফে প্যাঁচা সুমনসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই পৌর শহরের সমসেরাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলীর পুল এলাকায় শিক্ষক আক্তারের ওপর বর্বর এ নির্যাতন চালানো হয়েছে। তিনি সদর হাসপাতালে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আক্তার লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের লাহারকান্দি এলাকার মৃত লকিয়ত উল্যাহর ছেলে ও ঢাকার ক্যামব্রিজ স্কলারর্স স্কুলের শিক্ষক।

আক্তারের পরিবার সূত্র জানায়, ঈদের ছুটিতে আক্তার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর আইয়ুব আলীর পুল এলাকায় তিনি ছোট ভাই মাসুদের বাড়িতে দাওয়াতে যান। সেখান থেকে আসার পথে পেঁচা সুমন, সাইমন হোসেন, অটোরিকশা চালক আলাউদ্দিন আলো, মমিন উল্যাহ ও শ্রাবনসহ কয়েকজন তাকে মলম পার্টি অপবাদ দিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ফেলে। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইলফোন নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে তাকে জনসম্মুখে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তারা।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, শিক্ষককে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।

;

উপজেলা নির্বাচন: ফুলগাজী ও পরশুরামে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২১ জন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরামে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে বিভিন্ন পদে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে ফুলগাজী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একইভাবে পরশুরাম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্র জানায়, ফুলগাজী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল আলিম মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন মজুমদার, জাফর উল্ল্যাহ মজুমদার।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মাহাবুবুল হক কালা, পরিমল চন্দ্র রায়, অনিল বনিক, আবদুর রহিম পাটোয়ারী, সাইফুদ্দিন মজুমদার। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মঞ্জুরা আজিজ, সাজেদা আক্তার এবং মাহাফুজা আক্তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পরশুরাম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মজুমদার, বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন মজুমদার এবং বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হাশেম চৌধুরী।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম সফিকুল হোসেন মহিম, ইকরামুল করিম মজুমদার, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদুর রসুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নজরুল ইসলাম রিটু। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সামছুন নাহার পাপিয়া, নিলুফা ইয়াসমিন মজুমদার।

রিটানিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, উভয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৭ এপ্রিল, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে, আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ হবে এবং ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৮ মে।

;

উপজেলা নির্বাচন: হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে চেয়ারম্যান পদে ৮ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে লালমনিরহাটের দুই উপজেলা হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামে চেয়ারম্যান পদে ৮ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন।

হাতীবান্ধা উপজেলায় আলোচিত জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান সাতাসহ মোট ৫ জন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আর পাটগ্রাম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়পত্র দাখিল করেছেন ৩ জন।

হাতীবান্ধায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, বর্তমান চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন, জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান সাতা, মজিবুল আলম সাদাত ও তার স্ত্রী শাহানা ফেরদৌস সীমা।

এদিকে হাতীবান্ধা উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা শামসুজ্জামান সেলিমসহ মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা দলের আহবায়ক মাকতুফা রহমান বেলিসহ মোট ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

পাটগ্রাম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল, ওয়াজেদুল ইসলাম শাহীন ও রেজাউল করিম রাজ্জাক মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

পাটগ্রাম উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পৌর বিএনপির সাবেক সভানেত্রী লতিফা আক্তারসহ মোট ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে।

;