যাত্রাবাড়ীতে দম্পতি হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মোমেনবাগ এলাকায় স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় থানা মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিহতদের একমাত্র ছেলে ও পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জুন) রাতে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।

তিনি বলেন, সব দিক বিবেচনায় রেখে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করছি। এখন পর্যন্ত বলার মতো কোনো আপডেট নেই।

এ দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা ওয়ারি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জনতা ব্যাংকের সাবেক গাড়ি চালক শফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যা মিশনে অন্তত ৩ থেকে ৪ জন অংশ নেয়। অস্ত্রধারী ঘাতকরা দীর্ঘ সময় রেকি শেষে হত্যার ঘটনা ঘটায়। এমন কি হত্যার আগে পাশের নির্মাণাধীন বাড়ির দেয়াল টপকে ভবনে ভেতরে ঢুকে গ্যারেজে ঘাপটি মেরে থাকে। ভোর রাতে শফিকুলের নামাজ পড়তে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

এমন কি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা হত্যা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নিহতদের চেনা কেউ অংশ নিয়েছে। নিহতদের চার তলা ভবনের সব কিছুই ঘাতকদের চেনা।

নিহতদের ছেলে পুলিশের এসআই মামুনের দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেছেন, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে এর মধ্যে যে কোন সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিত ভাবে অজ্ঞাতনামা ঘাতকরা তার পিতা শফিকুর রহমানকে মুখমন্ডল এবং মাথার ডান পাশের ঘাড় বরারব এবং তার মা ফরিদাকে মুখমন্ডলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যায় কতজন অংশ নিয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি হাসান বলেন, মামলাটি একদমই আনপ্রেডিক্টেবল। হামলাকারীর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না। তবে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সব কিছু বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। আশা করছি শীগ্রই আপনাদের আপডেট জানাতে পারবো।

৪ দফা দাবিতে হরিজন সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪, ৪ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন

ছবি: বার্তা২৪, ৪ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকার বংশাল থানার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের মিরনজিল্লা হরিজন কলোনিবাসীদের উচ্ছেদ করে কলোনির জমিতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

কলোনিবাসী অনেকদিন ধরেই এমনই গুঞ্জন থেকেই শুনে এসেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০ জুলাই বিনা নোটিশে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। এতে করে কলোনির ৫০টি পরিবার বাস্তুহারা হয়ে যায়।

এ উচ্ছেদ অভিযানের সময় স্থানীয় কাউন্সিল আউয়াল হোসেনের নেতৃত্বে হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর এলাকার মানুষদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। এরই প্রতিবাদে ৪ দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন।

শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করেন তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন অভিযোগ করেন, মিরনজিল্লার ইতিহাস প্রায় ৪শ বছরেরও বেশি পুরনো। যে মানুষগুলির অমানবিক পরিশ্রমে ফলে এই নগর তৈরি হয়ে আজকের ‘তিলোত্তমা’ ঢাকায় পরিণত হয়েছে, তারাই আজ এই নগরে বহিরাগত-অস্থায়ী বাসিন্দার তকমা পাচ্ছেন।

তারা জানান, তাদের এই দুর্যোগের সময় জনস্বার্থে উচ্চ আদালতে মামলা করে পাশে দাঁড়িয়েছেন কিছু সুহৃদ আইনজীবী। এর ফলে উচ্চ আদালত প্রথম দফায় গত ১০ জুন এই উচ্ছেদ কার্যক্রমে এক মাসের স্থিতিবস্থার আদেশ প্রদান করেন।

হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন অভিযোগ করে বলেন, এই এক মাসের স্থিতি আদেশ পূর্ণ না হতেই ৯ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ আবার উচ্ছেদ, অভিযানের নোটিশ দেয়। আর ১০ জুলাই কর্পোরেশনের সম্পত্তি বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান উচ্ছেদ পরিচালনার লক্ষ্যে স্থানীয় কাউন্সিলরের নেতৃত্বে দুইশতাধিক ক্যাডার বাহিনী কলোনিতে ঢুকে এক চরম আতঙ্ক ছড়ায়। কলোনির মানুষদের কিছু বুঝে ওঠার আগেই কাউন্সিলরের ক্যাডার বাহিনী কলোনির মানুষদের ওপর দেশীয় অস্ত্র ইট, লোহার রড, চাপাতি ইত্যাদি নিয়ে হামলা চালায়।

কলোনিবাসীর অভিযোগ, এর আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘কলোনিতে মাদক ব্যবসা চলে। এরা আমার কর্মচারীদের জিম্মি করে রেখেছে। এরা বহিরাগত’ ইত্যাদি ইত্যাদি। সেইসঙ্গে কলোনির ছাত্র-যুবককে ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘কিশোর গ্যাং’ আখ্যায়িত করে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেন।

তারা বলেন, এই সন্ত্রাসী হামলা ও মেয়রের ষড়যন্ত্র এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে মিরনজিল্লা ছাত্র-যুব ঐক্য আজ রাজপথে নেমেছি।

এদিকে, বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন থেকে হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন ৪ দফা দাবি জানিয়েছেন। সেগুলি হচ্ছে-

১. হামলার সঙ্গে জড়িত সব সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে। হরিজনদের বিরুদ্ধে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল আউয়াল হোসেনের দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা তুলে নিতে হবে।

২. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রের এই ষড়যন্ত্র এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে।

৩. ৪শ বছরের পুরনো বসতি কোনোক্রমেই অবৈধ নয়। সে কারণে সব ধরনের উচ্ছেদ পরিকল্পনা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।
এবং

৪. মিরনাজল্লার ভূমি মিরনজিল্লা বাসিদেরই। এই জমির মালিকানা মিরনজিল্লার বাসিন্দাদের নামে দলিল তুলে দিতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনে হরিজন সম্প্রদায়ের প্রায় দুই শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।

;

‘বাজেট বাস্তবায়নের জন্য দেশে টাকাও নেই, ডলারও নেই’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর

  • Font increase
  • Font Decrease

বাজেট বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজানীয় টাকাও নেই, ডলারও নেই বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

শনিবার (১৩ জুলাই) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে দুরাবস্থার কারণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের ব্যাংক খাত ব্যাপক দুরবস্থার মধ্যে রয়েছে। যার কারণে দিন দিন বাংলাদেশ ঋণ নির্ভর হয়ে পড়ছে। এমনকি ধীরে ধীরে ঋণ পাওয়ার সক্ষমতাও কমছে। অন্যদিকে বাজেট বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত রাজস্ব আদায় করতে পারছে না সরকার। এখন বাজেট বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজানীয় টাকাও নেই ডলারও নেই।

ব্যবসায়ীরা বেশি সুদ দিয়েও ঋণ পাচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের সামর্থ্য সরকার নিজেই হারিয়ে ফেলেছে। ধার করার সক্ষমতাও নেই। ব্যাংক খাতে টাকা নেই। পাশাপাশি ডলারও নেই।

দেশের আর্থিক খাতের তথ্য লুকানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, অথচ এই খাতের তথ্য বেশি প্রকাশ্যে রাখা উচিত ছিলো। ব্যাংক খাত না পারছে সরকারকে কিছু দিতে, আর না পারছে নিজেকে রক্ষা করতে। অর্থাৎ আমানতকারীদের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।

তিনি বলেন, ৮০’র দশকে ব্যক্তি খাতের ব্যাংকগুলোর আবির্ভাব ঘটে। তখনো খেলাপি ঋণ ছিলো। এরপর ৯০ দশকের শুরুতে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরে বেশ কিছু রিফর্ম করা হলো। আইএমএফ’র অধীনে এ প্রোগ্রামটি বেশ সফলতা পেয়েছিলো।

এরপর দ্বিতীয় ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরের রিফর্ম হয় ২০০১ সালে। তখনও ভালো সফলতা পাওয়া যায়। তখন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমে আসছিলো। যার ধারাবাহিকতা ২০০৯-১০ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিলো বলেও জানান আহসান এইচ মনসুর।

তিনি জানান, আর্থিক খাত উর্ধ্বমুখী করার ব্যাপারে আমরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছি। ভারতের স্টক মার্কেট কোথায়, আর আমরা কোথায়?

;

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ৪ ভারতীয়ের ৯ বছর পর ঘরে ফেরা!



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ভারতের দিঘা সমুদ্র পথসহ ছাড়াও কয়েকটি সীমান্ত পথে এরা বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ করেছিল।

অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ৩ জন মৎস্যজীবী ও এক জন সাধারণ ভারতীয় নাগরিক রয়েছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুর ২টায় বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার পুলিশ তাদের ভারতের পেট্রাপোল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় সেখানে বিজিবি, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বিএসএফ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা হলেন, বিহারের বিষনোপদ দিলদার, সুধির বাবু, মেদিনীপুরের শেখ জাহাঙ্গীর ও হুগলির ভানু চরন জানা।
এদের মধ্যে বিষনোপদ দিলদার, সুধির বাবু ও শেখ জাহাঙ্গীর ৩ বছর এবং ভানু চরন ৯ বছর কারাভোগ করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন পর স্বজনদের কাছে ফিরতে পারায় খুশি এসব ভারতীয়রা। আইনি জটিলতায় তাদের দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে স্বজনদের ছেড়ে জেলে দিন পার করতে হয়েছে।

ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরিকরা জানান, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে তারা আটক হয়। এখন বাড়িতে ফিরতে পেরে ভাল লাগছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মনির হক আল মামুন জানান, ৪ ভারতীয়কে স্বদেশ প্রত্যাবাসন আইনে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল।

;

কোটা আন্দোলনে কেউ ইন্ধন দিতে পারে: ডিবি প্রধান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, কোটা শুধু বাংলাদেশে নয় অনেক দেশেই প্রচলন রয়েছে। কোটার বিরোধীতা করে কিছু লোক, কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সাবার মেনে চলা উচিত।

তিনি আরও বলেন, রায়ের পরও কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে না গিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে। কেউ যদি মনে করে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না; তাহলে আমাদের করার কি আছে? আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো। কারণ আন্দোলনরতরা যদি জান-মালের ক্ষতি করে, সড়ক অবরোধ করে এবং মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি করে তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে। 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কি-না, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কি-না এসব নিয়ে ডিবির টিম ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে। 

;