‘বাংলা বন্ড চালুর মাধ্যমে প্রবাসী বিনিয়োগ সহজতর হবে’

নিউজ ডেস্ক, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলা বন্ড চালু বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় পদক্ষেপ। আজকে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এই বন্ড চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবাসী বিনিয়োগ সহজতর হবে।

তিনি বলেন, বাংলা বন্ড চালুর পেছনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান, এমনকি এর নামকরণটিও তার দেওয়া। আইএফসি ও লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আজকের দিনকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে উৎসর্গ করেন।

সোমবার (১১ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫৫মিনিটে লন্ডন স্টক মার্কেটে বাংলা টাকা বন্ডকে লিস্টিং করার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়ার জন্য লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে চালু হয়েছে ‘বাংলা টাকা বন্ড’। এটি হবে একটি টাকা বন্ড। এই বন্ডের আকার হবে ১০০ কোটি ডলার। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বাজার থেকে তোলা হবে ১ কোটি মার্কিন ডলার বা ৮৪ কোটি টাকা। প্রবাসীরা ডলারে এই বন্ড কিনলেও প্রথমবারের মতো তা টাকায় রূপান্তর করে দেশের বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে। বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) হবে এই বন্ডের ইস্যু ম্যানেজার।

এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, এটির মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী অর্থায়নের সম্ভাবনার পথ চলার একটি ধাপ শুরু হলো। এটি আমাদেরকে ২০৪১ এর স্বপ্ন ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে সহায়তা করবে। এই প্রথম বাংলাদেশের টাকা কোনো আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটের সঙ্গে সংযুক্ত হতে যাচ্ছে। টাকা লন্ডন স্টক মার্কেটে লেনদেন হবে। যে কেউ এই বন্ড কিনতে পারবে। ডলার দিয়ে এই বন্ড কিনতে হবে। সেই ডলার টাকায় কনভার্ট হয়ে তা বিনিয়োগ করা হবে। আইএফসি বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করেছে। এই ১ বিলিয়ন ডলার ‘টাকা বন্ড’ ছাড়ার মাধ্যমে তাদের বিনিয়োগ আরও বাড়বে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আইএফসির এশিয়া এবং প্যাসিফিক অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নেনা ষ্টেলকোভিক, ব্রিটেনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনীম, বিডার চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ এবং আইএফসি ডিরেক্টরবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন :