পদ্মায় নৌকাডুবির ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
বর-কনেসহ যাত্রীবাহী দু’টি নৌকাকে গ্রাস করে পদ্মা

বর-কনেসহ যাত্রীবাহী দু’টি নৌকাকে গ্রাস করে পদ্মা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুরে পদ্মা নদীতে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ইঞ্জিনচালিত দুটি নৌকাডুবির ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটিকে আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আবু আসলামকে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিআইডব্লিউটি, পুলিশ, নৌ-পুলিশের একজন করে প্রতিনিধি।

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেলে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তারপর কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক আরও জানান, দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, শনিবার (৭ মার্চ) সকালে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে চারঘাটের ইউসুফপুর সীমান্ত এলাকা থেকে মনি বেগম (৪২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বিজিবির টহল দল। তিনি নিখোঁজ নববধূ সুইটি খাতুন পূর্ণির চাচি। এছাড়া দুপুরের দিকে একলাস (২২) নামে আরেক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পদ্মার ওপারে পবা উপজেলার চরখিদিরপুর গ্রামের রুমন আলীর (২৬) সঙ্গে এপারের ডাঙেরহাট গ্রামের সুইটি খাতুন পূর্ণির (২০) বিয়ে হয়। বিয়ের পর সুইটি শ্বশুর বাড়িতে ছিলেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) কনেপক্ষ বরের বাড়ি থেকে নবদম্পতিকে আনতে যায়। সন্ধ্যার কিছুসময় আগে তারা বরের বাড়ি থেকে বের হয়ে দুটি নৌকায় করে কনের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নগরীর শ্রীরামপুরের বিপরীতে নদীর মাঝামাঝি স্থানে নৌকা দুটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় মোট ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ৯ জন।

আরও পড়ুন: পদ্মায় নৌকাডুবি: নববধূসহ নিখোঁজ ১৭, ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

 

আপনার মতামত লিখুন :