বিষমুক্ত সবজির গ্রাম পোটকরা



আবদুর রহমান, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
নিরাপদ সবজির গ্রাম পোটকরা/ছবি: বার্তা২৪.কম

নিরাপদ সবজির গ্রাম পোটকরা/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের গ্রাম পোটকরা। গোটা উপজেলাব্যাপী গ্রামটির আছে একটি ভিন্ন পরিচিতি। সকলের কাছেই পোটকরা এখন বিষমুক্ত নিরাপদ সবজির গ্রাম হিসেবে পরিচিত।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পোটকরা এখন নিরাপদ সবজি উৎপাদনের জন্য একটি আদর্শ গ্রামে রূপ নিয়েছে। পরিবেশ বান্ধব কৌশল এবং জৈব কৃষি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পোকা দমন করছেন কৃষকরা। কীটনাশক ব্যবহার না করেই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে সবজি উৎপাদন করে বাজারজাত করছেন।


কৃষকেরা জানান, পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে কীটনাশকের থেকে কম খরচ পড়ছে। এ পদ্ধতিতে তারা ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বরবটি, বেগুন, করলা, মিষ্টি কুমড়া, চালকুমড়া (ঝালি), লাউসহ বিভিন্ন সবজি উৎপাদন করছেন।

বিষমুক্ত সবজি

ফলন ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। এছাড়া বাজারেও বিষমুক্ত সবজির ব্যাপক চাহিদা থাকায় অন্যান্য এলাকার কৃষকরাও এই পদ্ধতি ব্যাবহারে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

কৃষকরা বলেন, এই পদ্ধতিতে একটি পাত্রে পুরুষ পোকার শুক্রাণু দিয়ে একটি ফাঁদ পাতা হলে স্ত্রী পোকারা ওই ফাঁদে পড়ে মরে যায়। এতে পরিবেশেরও কোন ক্ষতি হয়না। এছাড়া কৃষকদের খরচও অনেকটাই কম হয়।

পোটকরা পূর্বপাড়া গ্রামে আইপিএম কৃষক মাঠ স্কুলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা সপ্তাহের প্রতি বুধবার এসে কৃষকদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। এতে করে খুব সহজেই কৃষকরা নিরাপদ সবজি উৎপাদন করতে পারছেন।

ফলল ভালো হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক

গ্রামের কৃষক মো.আব্দুস ছাত্তার বলেন, আমাদের গ্রাম হলো নিরাপদ সবজির গ্রাম। আমরা সারা বছরই এখানে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করছি। চলতি মৌসুমে এখন বেগুন, বরবটি, করলা, চালকুমড়া, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন সবজি উৎপাদন হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে সবজি চাষ কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভবিষ্যতেও এ প্রক্রিয়ায় আরো ব্যাপকভাবে সবজি চাষ করব আমরা।

ওই গ্রামের আরেক কৃষক মোহাম্মদ মোজাম্মেল জানান, আমরা কৃষি অফিসারদের পরামর্শে সহজেই বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি উৎপাদন করছি। আমি দুই শতক জমিতে বেগুন লাগিয়েছি। এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় দুই হাজার টাকা। আমি এ পর্যন্ত ১০ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছি। আশা করছি আরো ২০ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করতে পারবো।

একই গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন জানান, সম্প্রতি ৩০ শতক জমির ফুলকপি বিক্রি করেছি ১ লাখ ৭ হাজার টাকায়। এতে আমি অনেক লাভবান হয়েছি। এখন ১২ শতক জমিতে বরবটি লাগিয়েছি। আশাকরি এখান থেকেও ব্যাপক লাভবান হব।

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পোকা দমন

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আবদুল্লাহ আল মামুন বার্তা২৪.কমকে জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সারাদেশে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চৌদ্দগ্রামের পোটকরা গ্রামের কৃষকরা আমাদের পরামর্শে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, এই গ্রামের প্রায় সকল কৃষকই বারো মাস নিরাপদ সবজি উৎপাদন করছেন। পুরো গ্রামের অন্তত ১৫ একর জমিতে কৃষকরা ফেরোমন ফাঁদ এবং জৈব সার ব্যবহার করে খুব সহজেই বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি উৎপাদন করতে পারছেন। আমাদের কৃষি বিভাগ থেকে প্রতিনিয়ত কৃষি কর্মকর্তারা গিয়ে তাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছেন এবং খোঁজ-খবর রাখছেন

করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা করার সুপারিশ সিপিডির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার টাকা বৃদ্ধি করে সাড়ে তিন লাখ টাকা করা এবং সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কর্মরত নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ‘বিশেষ ইনক্রিমেন্ট’ চালুর প্রস্তাব করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের জন্য সুপারিশমালা উপস্থাপন করে। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন লিখিত সুপারিশমালা তুলে ধরেন।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। তাই মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে আগামী বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা করার সুপারিশ করছি।এ ছাড়া নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারের খাদ্য সহায়তা বাড়াতে খোলা বাজারে বিক্রি (ওএমএস) কর্মসূচি সম্প্রসারণের সুপারিশ করেন তিনি।

সংস্থার গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মূল্যস্ফীতি বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কর্মরত নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ‘বিশেষ ইনক্রিমেন্ট’ চালু করার প্রয়োজন। তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের ইনক্রিমেন্ট দরকার। সেটা ঈদকে সামনে রেখে হতে পারে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, রাজস্ব কাঠামোয় প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় প্রত্যাশিত রাজস্ব আহরণ করা যাচ্ছে না। রাজস্ব আয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জিত হচ্ছে না। ফলে সরকারকে অনেক ব্যয়ের ক্ষেত্রে কাটছাট করতে হচ্ছে। তিনি রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রাজস্ব নীতি ও মুদ্রানীতির মধ্যে সমন্বয় খুব জরুরি। আগামী বাজেটে আশা করি আমরা সেটা দেখতে পাবো।

তিনি আরও বলেন, আগামী বাজেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আগামীবছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই ভর্তুকি ও সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনা যেন যৌক্তিকভাবে করা হয়।

ফাহমিদা খাতুন ব্যাংকিং খাতে তারল্যের সংকট রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, তারল্য সরবরাহ বাড়াতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, বৈশ্বিক পর্যায়ে অনেক পণ্যের দাম কমলেও দেশের অভ্যন্তরে এর প্রভাব নেই। সরকারকে এ বিষয়ে আরও নজর দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

;

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিকেলে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আট দিনের সফরে মঙ্গলবার সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন।

রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি বিমান (ফ্লাইট নং বিজি-৫৮৪) মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করবে।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বাসসকে একথা জানান।

সিঙ্গাপুরে আবদুল হামিদের আটদিনের সফরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল আই সেন্টারে চোখের চিকিৎসা করার কথা রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি ৫ এপ্রিল দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

;

মাওয়া-ভাঙ্গা রেলপথে বিশেষ ট্রেন চলবে আগামী সপ্তাহে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মাওয়া-ভাঙ্গা রেলপথে বিশেষ ট্রেন চলবে আগামী সপ্তাহে

মাওয়া-ভাঙ্গা রেলপথে বিশেষ ট্রেন চলবে আগামী সপ্তাহে

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ রেলওয়ে আগামী সপ্তাহে পদ্মা সেতুর মাওয়া-ভাঙ্গা সংযোগ রেলপথে একটি বিশেষ ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর পরিকল্পনা করছে।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহে পদ্মা বহুমুখী সেতু হয়ে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে।

তিনি বলেন, এর আগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু সংযোগ রেলপথে একটি ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছিল।

আফজাল বলেন, প্রকল্পটি জুন, ২০২৪ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। আমরা ইতিমধ্যে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৯৯ শতাংশ কাজ শেষ করেছি। রেল সংযোগ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

তিনি আরও বলেন, ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় ১৬৯ কিলোমিটার রেললাইন দিয়ে যশোরের সঙ্গে রাজধানীর সংযোগ স্থাপনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, চীনের এক্সিম ব্যাংক ২১ হাজার ৩৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঋণ দেবে। চীন সরকার মনোনীত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড চায়না জিটুজি সিস্টেমের আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি সম্পন্ন করার পর, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেশের মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা এবং পদ্মা সেতুর মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও নড়াইল জেলার নতুন এলাকাজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ঢাকা-যশোর-খুলনার মধ্যে ২১২.০৫ কিলোমিটার সংক্ষিপ্ত রুট এবং উন্নত পরিচালন সুবিধার বিকল্প রেলপথ সংযোগ স্থাপিত হবে। এটি বাংলাদেশে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আরেকটি সাব-রুট স্থাপন এবং জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মালবাহী এবং বিজি কন্টেননার ট্রেন পরিষেবা চালু করবে। এই রুটটি কন্টেইনার পরিবহনের ক্ষেত্রে গতি এবং লোড সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হবে।

সরকার ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের অনুমোদন দেয় এবং এটি একটি ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়।

;

স্বার্থহানির আশঙ্কায় নতুন কারিকুলামের বিরোধিতা: শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

নিজেদের স্বার্থহানির আশঙ্কায় কেউ কেউ নতুন কারিকুলামের বিরোধিতা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, কেউ কেউ বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করছে। এর মধ্যে বিরোধী রাজনৈতিক দল, কিছু ধর্মীয় দল, কোচিং ব্যবসায় জড়িতসহ নোট ও গাইড বই ব্যবসায় জড়িতরা নিজেদের স্বার্থহানির আশঙ্কায় এই কারিকুলামের বিরোধিতা করছে।

সোমবার (২৭ মার্চ) আশুলিয়ার ব্রাক সিডিএম সেন্টারে নতুন শিক্ষাক্রমের ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনে লেখকদের নিয়ে ৫ দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দুই'শ বছর ধরে আমরা প্রশ্ন ও উত্তর প্রদান নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থায় অভ্যস্ত হয়েছিলাম, যার ফলে মুখস্ত বিদ্যার প্রচলন হয়েছে। মুখস্ত বিদ্যা মনে থাকে না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষাকে অনন্দময় করা এবং শিক্ষার্থীদের ভাবতে শিখানো ,বিশ্লেষণ করতে শিখানো, সবাই মিলে করা এই সমস্ত কিছু নতুন শিক্ষা ক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখানো হবে। শিক্ষার্থীরা এই ব্যবস্থায় খুশি। শিক্ষকদের একটা বড় অংশ খুশি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ফাহাদুল ইসলাম, ডক্টর জাফর ইকবাল, আবুল মোমেন,ডক্টর স্বরোচিষ সরকার, ডক্টর নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট লেখক বৃন্দ।

;