করোনা প্রতিরোধে ময়মনসিংহে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ



উবায়দুল হক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
করোনা প্রতিরোধে ময়মনসিংহে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ ছবি: বার্তা২৪.কম

করোনা প্রতিরোধে ময়মনসিংহে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে করোনা প্রতিরোধে ময়মনসিংহে নানা কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। করোনা মোকাবিলায় সেনা সদস্যরাও টহল দিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সতর্ক করছেন। জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও মাঠে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছেন। র‌্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার সদস্যরাও সারাদিন ব্যস্ত সময় পার করেছেন। সর্বমহলের এমন ব্যাপক তৎপরতায় ইতিবাচক সাড়া পড়েছে জনজীবনে।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সময় থেকেই সরকারি সকল অফিসের সামনে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা চালু করে প্রশাসন। একইসাথে পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, বনবিভাগসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে পানির ড্রাম ও বেসিন বসিয়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ায় উদ্বুদ্ধ করে সাধারণ মানুষদের। তথ্য অফিস নগরজুড়ে চালায় প্রচারণা কার্যক্রম।

সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ নগরের চরপাড়া, গাঙ্গিনারপার, টাউনহলসহ দুই শতাধিক পয়েন্টে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করে। প্যাডেল ও মটরচালিত রিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও, ২০টি স্থানে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন, ৫০টি স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে জনসমাগম বেশি হয় এমন স্থানে জীবাণুনাশক স্প্রে ও ৪টি গাড়ির মাধ্যমে নগরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা-ঘাট জীবাণুনাশক দিয়ে নিয়মিত ধৌতকরণ এবং ৭০টি স্থানে মাইকিং এর মধ্যমে করোনাভাইরাস নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে মসিক। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মেয়র ইকরামুল হক টিটু ঘুরে ঘুরে সকল কাজ তদারক করছেন।

করোনা প্রতিরোধে ময়মনসিংহে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ 

বাজারের দরদাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করায় জরিমানা করা হয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠানকে। র‌্যাব, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে গিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও র‌্যাব, গোয়েন্দা পুলিশ ও জেলা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা চোখে পড়ার মত।

ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিও তাদেরকে সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছে। বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখতে টিসিবি কর্তৃক খোলা বাজারে পিঁয়াজ, তেল, ডাল, চিনি বিক্রি করা হচ্ছে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে। নিন্ম আয়ের মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে খাদ্য অধিদপ্তর স্বল্প মূল্যে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রি করছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ে করোনা সম্পর্কিত একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। তারা তাদের সমস্ত ছুটি বাতিল করে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা জারি করেছে। যেকোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে অগ্নিনির্বাপণকারী সদস্যরা।

জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র‌্যাব অধিনায়ক, সিটি মেয়রসহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিগণ তারা প্রতিনিয়ত করোনা মোকাবিলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য বিভাগও করোনা মোকাবিলায় তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। দুটি হাসপাতালে ৬০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট চালু করেছেন এবং বিদেশফেরত প্রবাসীদের বাড়িতে সঙ্গরোধ নিশ্চিতকরণে প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন।

এছাড়াও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা সাধারণ মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি কর্মহীন মানুষদের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন।

করোনা প্রতিরোধ নিয়ে মসিক মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়া যাবেনা, গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে। মসিক যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে, তবুও সকলের চেষ্টায় এ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মানুষের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধিও পাশাপাশি সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসন সবসময়ই তৎপরতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে।

আর জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস যেন ছড়াতে না পারে সেজন্য সকল মহলকে সম্পৃক্ত করে কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন। এজন্য সাধারণ নাগরিকদের সচেতন থেকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষক উৎপল হত্যা: জিতুকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষক উৎপল হত্যা: জিতুকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার

শিক্ষক উৎপল হত্যা: জিতুকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার

  • Font increase
  • Font Decrease

সাভারের আশুলিয়ায় শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আশরাফুল ইসলাম জিতুকে স্কুল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ জুলাই) সকালে হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘জিতুকে স্কুল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি, যাতে কখনও কোনও শিক্ষকের ওপর এই ধরনের হামলা করার সাহস কেউ না পায়।’

এদিকে শিক্ষক উৎপল কুমার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বন্ধ থাকা হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে পুলিশ পাহারায় শনিবার (২ জুলাই) থেকে ক্লাস শুরু হচ্ছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় আশুলিয়ার চিত্রশাইলে হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার।

সভায় শিক্ষক উৎপল কুমারের হত্যাকারী জিতুকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিহতের পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি করে তারা।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুন দুপুরে হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে শিক্ষক উৎপলকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায় দশম শ্রেণির ছাত্র জিতু। পরে আহত শিক্ষককে দ্রুত উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে এনাম মেডিক্যালে আইসিইউতে রাখা হয় তাকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই নিহত শিক্ষকের ভাই অসীম কুমার বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় স্কুলছাত্রকে প্রধান আসামি ও আরও তিন-চার জনকে অজ্ঞাত করে একটি মামলা করেন।

প্রধান আসামি জিতুকে গত বুধবার গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার তাকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায়। আদালত তার পাঁচ দিনের  রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই মামলায় গ্রেফতার জিতুর বাবাও পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছে।

;

লক্ষ্মীপুরে ভেজাল বীজে সর্বস্বান্ত কৃষক, প্রতিবাদে মানববন্ধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছেন কৃষকরা

বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছেন কৃষকরা

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরে উচ্চমূল্যে ভেজাল বীজ কিনে সবজি বপন করে সর্বস্বান্ত হয়েছে চাষিরা। এর প্রতিবাদে বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন তারা।

শনিবার (২ জুলাই) দুপুুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সদর উপজেলার কালির চর এলাকার শতাধিক চাষি অংশগ্রহণ করেন। এসময় অসাধু বীজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।

মানববন্ধনে চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, বাজারের দোকানীরা নিম্মমানের বীজ দামি প্যাকেটজাত করে উচ্চমূল্যে বিক্রি করে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। শহরের ভক্তের গলির মাসুদ বীজ ভান্ডার থেকে এসব বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন চাষিরা। এসব বীজের প্যাকেটের গায়ে আদনান সীড নামের সীল রয়েছে।

এতে করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মাঠের পর মাঠ ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অথচ এসব প্যাকেটের গায়ে ভাইরাস মুক্ত লিখে চাষিদের প্রলুব্ধ করা হয়। আশেপাশের বরবটি-করলা ও শষা ক্ষেতসহ অন্যান্য ফসলের মাঠেও এর প্রভাব পড়ছে। তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এসব চাষিরা প্রতারক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ সরকারের সহায়তা দাবি করেন।

মানববন্ধনে প্রতারিত চাষিদের মধ্যে বাবুল, ইউসুফ, সাইফুল, জিসান, শিপন, মাহবুব, আবুল বাশারসহ অর্ধশতাধিক চাষি অংশগ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে বীজ ভান্ডারের মালিক মাসুদ দাবি করেন আবহাওয়া জনিত কারণে এমনটি হয়েছে। বীজে কোন প্রতারণা করা হয়নি। তার বীজ প্রক্রিয়াজাত করনের লাইসেন্স রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নাহার জানান, কৃষকরা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। মাঠ পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতারাণার বিষয়টি জানানো হবে।

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ড. জাকির হোসেন বলেন, ঢেঁড়স, পেঁপেসহ এ জাতীয় সবজি চাষ করার সময় ভাল জাত এবং ভাল উৎস দেখে ক্রয় করতে হবে। ঢেঁড়সের মাধ্যমে এ ভাইরাসটি ছড়ায়। তাছাড়া ছোট ছোট পোকার মাধ্যমে এক গাছ থেকে অন্য গাছে দ্রুত বিস্তার ঘটায়। এটি যদি ক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে তা হলে পুরো খেতের ফসল নষ্ট করে ফেলে। বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন এ কর্মকর্তা।

;

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও টিএমএল রেমিট্যান্সের মধ্যে চুক্তি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও টিএমএল রেমিট্যান্সের মধ্যে চুক্তি

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও টিএমএল রেমিট্যান্সের মধ্যে চুক্তি

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ায় টিএমএল রেমিট্যান্স কোম্পানির কার্যালয়ে সম্প্রতি সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ও টিএমএল রেমিট্যান্স এর মধ্যে ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স সেবা সংক্রান্ত বিষয়ে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম- এর উপস্থিতিতে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান মোঃ আকমল হোসেন ও টিএমএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলবার্ট লিম পো বোন।

 এছাড়াও মালয়েশিয়া সফরকালে ব্যাংকের  ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম প্লাসিড এক্সপ্রেস, মার্চেন্ট ট্রেড এশিয়া এবং আরএইচবি ব্যাংক- এর সাথে বিজনেস মিটিং করেন।

;

পোশাক শ্রমিকদের জন্য চালু হবে বিশেষ ট্রেন



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পোশাক শ্রমিকদের জন্য চালু হবে বিশেষ ট্রেন

পোশাক শ্রমিকদের জন্য চালু হবে বিশেষ ট্রেন

  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েকদিন পর ঈদুল আজহা, যাত্রীদের প্রধান চাহিদা এখন ট্রেন। এবার পোশাক কারখানার শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ট্রেন থাকছে। জয়দেবপুর থেকে ওই ট্রেনের টিকিট নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

শনিবার (২ জুলাই) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ট্রলি সরবরাহ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

চীন থেকে আমদানি করা উন্নতমানের ৫০টি ট্রলি হস্তান্তর করে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।

মন্ত্রী বলেন, ঈদুল ফিতরের সময় অনলাইনে টিকিট কাটতে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। তবে এবার এখন পর্যন্ত সে ধরনের অভিযোগ পাইনি। গণমাধ্যমে দেখলাম অনেকেই অনলাইন মাধ্যমে টিকিট কাটতে পেরেছেন। এরপরও এবার অনলাইন টিকিটে ফাঁকফোকর পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলমন্ত্রী বলেন, এক সময়ে স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের মালামাল আনা-নেওয়া করতেন কুলিরা। এখন সেটা নেই। স্টেশনে লাগেজ-ব্যাগ আনা-নেওয়ায় অত্যন্ত উন্নতমানের ট্রলি উপহার দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। প্রধানমন্ত্রী রেল মন্ত্রণালয়কে ঢেলে সাজাতে চান। রেল মন্ত্রণালয়ে এবার ১৯ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে কক্সবাজার যাবো (রেললাইন সম্পন্ন হবে), ঢাকা থেকে ভাঙ্গা যেতে পারবো।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের ডুয়েলগেজ ৬০টি কোচ আসছে। আরও ১০০টি পাইপলাইনে আছে। ডাবল লাইন এবং পদ্মা সেতু হয়ে গেলে আমাদের সক্ষমতা আরও বেড়ে যাবে। তখন নিরাপদে সব যাত্রী ট্রেনের মাধ্যমে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনিরুল মওলা বলেন, ৪০ বছরের ব্যবধানে ব্যাংকিং সেক্টরে আমরা নাম্বার ওয়ান। সারাদেশ একটি মেডিকেল কলেজ, ৫টি নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ ১৯টি হাসপাতাল আছে। জাতির প্রয়োজনে সব সেক্টরে সহযোগিতা করবে ইসলামী ব্যাংক। আজকে তারই ধারাবাহিতায় রেলওয়ের যাত্রীদের জন্য ট্রলি উপহার দিচ্ছি।

এসময় রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার মিজানুর রহমান ভূঁইয়াসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

;