কামরানের মৃত্যুতে ডিএসসিসি মেয়র তাপসের শোক



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

সোমবার (১৫ জুন) ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহ আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় ডিএসসিসি মেয়র তাপস বলেন, সিলেটের পবিত্র ভূমিতে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আদর্শিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে আজীবন নিবেদিত ছিলেন। তার এই ভূমিকা এদেশের নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষকে প্রেরণা যোগাবে।

ডিএসসিসি মেয়র শোকবার্তায় আরো বলেন, সদালাপী এই মেয়র জনগণের পাশে থেকে সব সময় জনমানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাই, দেশবাসী জাতির এই সূর্যসন্তানকে তাদের হৃদয়ে আজীবন ধারণ করবে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করা বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র। তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মাদক সেবন ও সংরক্ষণের দায়ে তিন ব্যক্তির কারাদণ্ড



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
মাদক সেবন ও সংরক্ষণের দায়ে তিন ব্যক্তির কারাদণ্ড

মাদক সেবন ও সংরক্ষণের দায়ে তিন ব্যক্তির কারাদণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

মাদক সেবন ও সংরক্ষণের দায়ে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তিন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (০৬ জুলাই) সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ।

এর আগে, ময়মনসিংহ বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের পরিদর্শক খন্দকার নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম গৌরীপুর অভিযান চালায়। অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ০.৫ গ্রাম হেরোইনসহ তিন ব্যক্তিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ডৌহাখলা ইউনিয়নের তাঁতকুড়া গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে জুয়েল মিয়াকে (৩৫) ১৮ মাস কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা, চুড়ালি গ্রামের মোচন মিয়ার ছেলে মো. সোহাগকে (৪০) ৩ মাস কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং নন্দীগ্রামের হারুন অর রশীদের ছেলে মো. সুমনকে (২৫) ৩ মাস কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ বলেন, দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

;

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ১



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ১

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ১

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালী সদর উপজেলায় এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে (২৬) ধর্ষণ ও তার নগ্ন ভিডিও চিত্র ধারণের অভিযোগে মো.কালাম ওরফে কালা মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। এ সময় অভিযুক্ত যুবকের কাছ থেকে ভিকটিমের আপত্তিকর ভিডিও সম্বলিত ১টি মোবাইল, ২টি সিম, ১টি মেমোরি কার্ড, ভিকটিমের আপত্তিকর ছবির স্ক্রিনশট উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সোনাপুর জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন আল আকসা রেঁস্তোরার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃত মো.কালাম উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম করিমপুর গ্রামের আবিদ মিয়ার বাড়ির মৃত নুরুল আমিনের ছেলে।

বুধবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো.শামীম হোসেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সানজিদা আক্তার (ছদ্মনাম) (২৬) একজন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। ভিকটিমের স্বামী সৌদি প্রবাসী হওয়ায় পিতার বাড়িতে ঘর নির্মাণ করে ছোট ২ ছেলে নিয়ে একা বসবাস করে আসছেন। আসামি কালাম ভিকটিমকে বিয়ের আগে থেকে প্রেমের প্রস্তাবসহ কু-প্রস্তাব দিত। বিবাহের পর ভিকটিমের স্বামী প্রবাসে চলে গেলে আসামি বাড়ির আঙিনা ও রাস্তা-ঘাটে ভিকটিমকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে কু-প্রস্তাব দিত। গত ২৬ জুন রাত ১০টার দিকে ভিকটিম রাতের খাবার শেষ করে ছোট ছেলেকে ঘুম পাড়িয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য ঘরের বাহিরে টয়লেটে যায়। ওই সুযোগে কালাম অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ভিকটিমের অগোচরে বসত ঘরে প্রবেশ করে খাটের নীচে লুকিয়ে থাকে। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভিকটিম তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে মানুষের হাতের স্পর্শ অনুভব করায় ঘুম ভেঙে যায়। ঘরের মধ্যে বৈদ্যুতিক বাতির আলোতে ভিকটিম আসামি দেখতে পায়।

আরও বলা হয়, সানজিদা আক্তার ঘুমের ঘোরে থাকা অবস্থায় আসামি তার অজান্তে অশ্লীল আপত্তিকর ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে। পরবর্তীতে আসামি তার হাতে থাকা ১টি ছোরা ভিকটিমের ছোট ছেলের গলায় ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করত ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর =পূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর থেকে আসামি ভিকটিম ও তার সৌদি প্রবাসী স্বামীকে মোবাইল করে ১০ লাখ টাকা দাবি করে এবং দাবিকৃত টাকা প্রদান না করলে ভিকটিমের অশ্লীল আপত্তিকর ভিডিও ও স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ সুধারাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

;

এমপিওভুক্ত হলো ২ হাজার ৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অনুমোদন শেষে ২ হাজার ৭১৬টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দুপুর ১টায় সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ২ হাজার ৫১টি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি কলেজ এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। আর কারিগরি ও মাদরাসা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হয়েছে ৬৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এর আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য প্রাথমিক তালিকা করে এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটি। এ তালিকা শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। মন্ত্রীর অনুমোদনের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন শেষে এটি চূড়ান্ত হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

;

পরিস্থিতি বিবেচনায় লোডশেডিং দিতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অবস্থায় জ্বালানি তেল আমদানি, এলএনজি আমদানি সাময়িক বন্ধ রয়েছে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় লোডশেডিং দিতেই হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৬ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তিনি।

সরকার প্রধান বলেন, মানুষের কল্যাণে যা যা করার দরকার সে জিনসটাই আমরা করছি। আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছে, সেজন্য বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। তবে আপনারা জানেন ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে আমেরিকা ও ইউরোপ রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো। যার ফলশ্রুতিতে তেলের দাম বেড়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে। এলএনজির দাম বেড়ে গেছে। এমন অবস্থায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালিয়ে রাখা আমাদের যেটুকু গ্যাস আছে তাছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালিয়ে রাখাই একটা কষ্টকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালিয়ে রাখা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফার্নেস অয়েলের আগে দাম ছিল ৭০৮ টাকা সেখানে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ১০৮০ টাকা, অর্থ্যাৎ ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এলএনজি যেটা মাত্র এমএমবিটিইউ ১০ মার্কিন ডলারে পাওয়া যেতে এখন তা ৩৮ মার্কিন ডলার। প্রায় ২৮০ শতাংশ দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়লাও ১৮৭ মার্কিন ডলার থেকে এখন তা ২৮৭ মার্কিন ডলার। ডিজেলের লিটার আগে ছিল ৮০ মার্কিন ডলার এখন সেটা ১৩০ চলে এসেছে। এবং শোনা যাচ্ছে এটা নাকি ৩০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। এখন একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে সারাবিশ্ব যাচ্ছে। এবং আমরা অনেক নির্ভরশীল ডিজেলের ওপর আর সেই ডিজেলের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আর যদি নিষেধাজ্ঞাটা না দিত তাহলে কিন্তু রাশিয়া থেকে, ইউক্রেন থেকে তেল, গম ও সার এগুলোর সরবরাহ থাকতো। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে শুধু আমরা নই, পুরো বিশ্বই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থনৈতিক ভাবে শুধু আমরা নই সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিশ্বে বিভিন্ন জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সারের মূল্য বেড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও।

;