বিএনপির কর্মসূচি হচ্ছে পুরোনো গাড়ির মতো: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পুরোনো গাড়ি যেমন মাঝে মাঝে স্টার্ট না দিলে একেবারে বন্ধ হয়ে যায়, বিএনপির ক’দিন পরপর দেওয়া কর্মসূচিগুলো হচ্ছে সেরকম। বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য শুনে মনে হয় আওয়ামী লীগকে রাজপথে দেখে তারা ভীত হয়ে পড়েছেন।

ওমরাহ পালন শেষে বুধবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশে ফিরেই রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক আর না থাকুক, আমরা রাজপথের দল। আজ সারাদেশে লাখে লাখে আওয়ামী লীগ কর্মী রাজপথে নেমেছেন দেখে মির্জা ফখরুলদের বক্তব্য শুনে মনে হয় তারা ভীত হয়ে পড়েছেন।

‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করেছে- বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপিই দেশে গণতন্ত্র হত্যাকারী। তাদের জন্মটাই অগণতান্ত্রিকভাবে। বঙ্গবন্ধুর লাশের ওপর, মানুষের লাশের ওপর পাড়া দিয়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল, হাজার হাজার সেনাসদস্যকে বিনাবিচারে হত্যা করেছে, আওয়ামী লীগের ২২ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে।

‘সেই ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়ার জ্ঞাতসারে তারেক রহমানের নির্দেশনায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব নিশ্চিহ্ন করতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা পরিচালনা করে ২৪ জনকে হত্যা ও পাঁচশরও বেশি মানুষকে আহত করা হয়েছে, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জনসভায় বোমা মেরে, হামলা করে নেতাকর্মী ও নিরীহ মানুষ হত্যা করা হয়েছে’। যোগ করেন তিনি।

সাহস থাকলে দেশে আসুন: তারেক রহমানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে এসে মামলা মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিদেশ বসে থেকে ষড়যন্ত্র না করে সাহস থাকলে দেশে আসুন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা কোনো দিন পালাননি। আমাদের নেত্রী পালাননি। আপনি (তারেক রহমান) দেশে এসে মামলা ফেস (মোকাবিলা) করুন। এ দেশের মানুষ দেখতে পারবে কী করেছিলেন আপনি।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিদেশে থেকে মানুষ হত্যার পরিকল্পনা না করে সাহস থাকলে দেশে আসেন, আইনি পথে মোকাবিলা করুন। বিএনপি করে নৈরাজ্য আওয়ামী লীগ করে শান্তি সমাবেশ।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির নামে যদি আবারও নৈরাজ্য করেন তাহলে নিরাপত্তা বাহিনী লাগবে না জনগণকে নিয়েই আওয়ামী লীগ মোকাবিলা করবে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন বাংলাদেশকে বদলে দেবেন। তিনি সেটা করে দেখিয়েছেন। শত শত উন্নয়ন প্রকল্প তিনি করে দেখিয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।

;

বিএনপি নেতাদের শক্তি কমে আসছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের শক্তি কমে আসছে। তাই তারা পদযাত্রা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষের শক্তি যখন কমে আসে, তার মুখের বিষ তখন উগ্র হয়ে যায়, বিএনপির নেতাদের শক্তি কমে আসছে, দম ফুরিয়ে আসছে, দম ফুরিয়ে আসছে বলে লাফালাফি বন্ধ করে নিরব পদযাত্রা, শেষ পদযাত্রা শুরু করেছে। বিএনপির এ যাত্রা দেখে মনে হয় আমরা কেউ মারা গেলে নিরব চেয়ে একটা শোভাযাত্রা হয়, তাদের এ পদযাত্রা অনেকটা সেরকম নিরব শোভাযাত্রা।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া, মির্জা ফখরুল ভীষণ গোসা হয়ে গেছে, তিনি বলছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচন মাগুরার উপনির্বাচন সকাল ১০টা মাঝে ভোট শেষ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব মাগুরা স্টাইলের নির্বাচন হবে না, মাগুরার দাদাও হবে না, নানাও হবে না। ফখরুল সাহেব, আগামীকাল মাগুরার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে, আমি আজই বলে দিচ্ছি। আওয়ামী লীগ সরকার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। নির্বাচন, নির্বাচনের মতোই হবে। ঠিক আছে? ঠিক তো আছেই, খেলা তো হবেই।

রেডি আছেন? খেলা হবে, ফাইনাল খেলা, আগামী নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন, নৌকা চলছে, চলছে নৌকা ভাসিয়া, নৌকা চলে ভাসিয়া, ভোট দিবেন আসিয়া। তৈয়ার হয়ে যান, অন্ধকারে আর ফিরে যাবো না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, লন্ডনে বসে হুংকার দিচ্ছেন, Take back Bangladesh, কোথায় Take back? , আলো থেকে অন্ধকারে? আর যাব না ফিরে। আলো থেকে অন্ধকারে বাংলাদেশ আর ফিরে যাবে না। যারা আমার জননীর সহস্র বুক খালি করেছে, যারা শত শত নারীর কোল খালি করেছে, যারা এই দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত, যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে, পুনর্বাসিত করেছে, হত্যার রায় থেকে দায়মুক্তি দিতে বিবৃতি দিয়েছে, যারা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে, যারা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলা করে আইভী রহমানসহ ২৩টি প্রাণ নিঃশেষ করেছে তাদের রাজত্বে ফিরে যাব, তাদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দিবো, তাদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দিতে হবে যারা বাংলা ভাই, শায়খ রহমান সৃষ্টি করেছে, যারা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে, যারা সাম্প্রদায়িকতার উত্থান ঘটিয়েছে আমার এই জন্মভূমিতে যারা সন্ত্রাস করেছে, যারা বার বার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যারা বাংলাদেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছে, এফবিআইয়ের সাক্ষ্য দিয়ে এসেছে, সেই লুটেরাদের দেশে, সেই হাওয়া ভবনের লুটপাটকারীদের হাতে বাংলাদেশ আর ফিরে যাবে না।

আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা বলেন, সৎ সাহস থাকে তো আসুন, লন্ডন থেকে হুংকার ছাড়েন কেনো, দেশে আসুন, সৎ সাহস থাকলে এখানে এসে রাজনীতি করুন।

আপনি তো কাপুরুষ, কাপুরুষ কেনো, রাজনীতি আর করবো না, মুচলেকা দিয়ে জরুরি সরকারের কাছে তিনি লন্ডনে পারি দিয়েছেন। ২০০৭ থেকে ১৫-১৬ বছর দেখতে দেখতে শেষ হয়েছে, এখন ফখরুল করছে তার রিমোট কন্ট্রোল নেতৃত্বে আন্দোলন। বাংলাদেশে রিমোট কন্ট্রোল আন্দোলন হবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা পদ্মাসেতু করেছি, বঙ্গবন্ধু টানেল করেছি, মেট্রোরেল করছি, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এই বছরই উদ্বোধন হবে।
নারীদের সম্মান দিয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আজকে একজন নারী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, এসপি, ডিসি, ওসি, একজন নারী সচিবালয়ের দায়িত্বে। নারীদের এই ক্ষমতায়ন কি আগে ছিল?

;

বিএনপি জনগণের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপি জনগণের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি জনগণের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি জনগণের কাছ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। আবার জনগণের কাছে যেতে হলে ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে তারা যে অপরাজনীতি করেছে, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, সেগুলোর জন্য মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে চট্টগ্রামে মেট্রোরেল নির্মাণের লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা শেষে সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, 'সম্ভবত: বিএনপির দম ফুরিয়ে গেছে, এজন্য হাঁটা শুরু করেছে। তারা তো আগে মিছিল করতো, এখন মিছিলের পরিবর্তে হাঁটা শুরু করেছে। বিএনপি যে পদযাত্রা শুরু করেছে সম্ভবত তারা কারো কাছ থেকে নকল করছে।'

ড. হাছান বলেন, বিএনপি পদযাত্রা করুক আর যেই যাত্রায় করুক না কেন, তাদের এই যাত্রায় জনগণ তো দূরের কথা তাদের সাধারণ কর্মীরাও পদযাত্রায় শামিল হয়নি ।

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে ড. হাছান আবারও বলেন, 'এই দেশে আর কখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবেনা। ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কন্টিনেন্টাল ইউরোপ, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ সমস্ত সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় সেভাবেই নির্বাচন হবে। সংসদীয় গণতন্ত্রের সব দেশেই যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তারাই নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্ব পালন করে। আমাদের দেশেও তাই করবে।'

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাই নির্বাচনকালীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। তার সরকারই তখন নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এবং নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। বিএনপির এই পদযাত্রা, কিংবা কদিন পরে 'বসার যাত্রা' করবে- যে যাত্রাই করুক না কেন, কোনো লাভ হবেনা।

তবে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে আশাপ্রকাশ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। প্রতিদ্বন্দ্বিতাতাপূর্ণ একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ আগামী দিনের সরকার পছন্দ করুক সেটিই আমরা চাই।

এর আগে চট্টগ্রামে মেট্রোরেলের সম্ভাব্যতা যাচাই কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে চট্টগ্রামবাসীর জন্য একটি শুভদিন, আনন্দের দিন। কারণ চট্টগ্রামে মেট্টোরেল হবে চট্টগ্রামের মানুষও অনেকে ভাবেনি, এটি আমার জন্যও আনন্দের দিন। বেশ কয়েকবছর ধরে চট্টগ্রামে মেট্টোরেল নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর কাছে বহুবার নিবেদন করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আজকে কোরিয়ান সরকার এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হতে যাচ্ছে।

চট্টগ্রামকে নান্দনিক শহর উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নকে যে কি পরিমাণ গুরুত্ব দেন, সেটি একটি প্রজেক্টের কথা আলোচনা করলেই বুঝতে পারবেন। জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য তিনটা প্রজেক্ট মিলিয়ে ব্যয় ১.২ মিলিয়ন ডলার তিনি দিয়েছেন। সেই কাজগুলো চলছে, তিনটা প্রজেক্টের কাজের সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। সেই প্রজেক্টগুলো যদি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়, আমি আশা করি আগামী বছর থেকে চট্টগ্রাম শহরে পানি উঠবেনা।

তিনি বলেন, অনেকগুলো পাহাড় কাটা হয়েছে, পাহাড় কাটার কারণে নান্দনিকতা নষ্ট হয়েছে, পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। চট্টগ্রাম শহরকে আরো নান্দনিক করার ক্ষেত্রে মেট্রোরেল প্রজেক্টটি অত্যন্ত সহায়ক হবে। এই শহরের লোক সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আগামী পাঁচ-দশ বছর পরে এই শহরের লোকসংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে যাবে। এই শহর ঘনবসতিপূর্ণ শহর। সুতরাং এখানে মেট্রোরেলের কোন বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি ঝাং কিউন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, ইআরডি সচিব শরিফা খান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, ডিটিসিএ’র নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন ও কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইয়াং আহ দোহ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কোইকা চট্টগ্রাম মেট্রোরেলের সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। ৭০ কোটির বেশি টাকা ব্যয়ে পরিচালিত এই স্টাডিতেই চট্টগ্রামে মেট্রোরেলের প্রয়োজনীয়তা, ব্যবহার উপযোগিতা, মেট্রোরেলের রুটসহ নানা বিষয় উঠে আসবে। একই সাথে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কত অর্থের প্রয়োজন তারও হিসাব দেবে কোইকো।

;

ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ কখনো পালিয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে। রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে আছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মানুষের মনের জোর যখন কমে যায় তখন গলার জোর বেড়ে যায়। বিএনপির অবস্থা তাই হয়েছে। বিএনপি নেতাদের মনের জোর কমে যাওয়ায় গলার জোর বেড়ে গেছে। পথ হারিয়ে তারা পদযাত্রা শুরু করেছে।

তিনি বলেন, হঠাৎ বিএনপি এতো শান্ত কেনো? পথ হারিয়ে তারা পদযাত্রা শুরু করেছে। এর মধ্য দিয়ে বিএনপির আন্দোলনের মরণ যাত্রা শুরু হয়েছে। ফখরুল ইসলামের গলার জোর বেড়ে গেছে। বিক্ষোভ কর্মসূচি এখন নিরব কেন? ফখরুল সাহের অনেক বিষোদগার করেছেন।

‘আওয়ামী লীগের পায়ের নিচে মাটি নেই’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কার পায়ের নিচে মাটি আছে, কার নেই তার প্রমাণের জন্য দরকার নির্বাচন। আসুন নির্বাচনে। আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না। খেলা হবে। নির্বাচনের খেলা হবে। তখন দেখা যাবে কার পায়ের নিচে মাটি আছে আর কার নেই।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, এডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়–য়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপি-জামায়াত আবারও বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছে। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শেখ হাসিনা সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার প্রতিটি নাগরিকের জন্য গৃহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে মানুষের মাথা গোজার ঠাঁই করে দিয়েছেন অতীতে আর কেউ করে দেন নাই। চিকিৎসার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছেন সেখানে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায়।

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহবান জানিয়ে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ক্ষমতায় যেতে চাইলে ভোটে আসেন, অন্য কোন পথে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করবেন না। নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে রাজপথে জবাব দেওয়া হবে।

;