মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট ও এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিএনপি নেতারা।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনটায় রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, বৈঠকে উপস্থিত আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

তিন দিনের সফরে আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছান মার্কিন এই প্রতিনিধিদল। এ দলে আফরিন আক্তার ছাড়া আরও আছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এনএসসি) দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলিন লুবাখার, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফার।

জানা গেছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পারস্পরিক স্বার্থের অগ্রগতির জন্য কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন তারা। তরুণ সমাজকর্মী, সুশীল সমাজ, শ্রম সংগঠক এবং মুক্ত গণমাধ্যমের বিকাশে নিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেনতারা। প্রতিনিধি দলটির আগামী সোমবার পর্যন্ত ঢাকায় থাকবেন বলে জানা গেছে।

   

ব্যারিস্টার খোকনকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম থেকে অব্যাহতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন

ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন

  • Font increase
  • Font Decrease

দলের সিদ্ধান্ত না মেনে বার সভাপতির দায়িত্ব নেয়ায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দপ্তর সম্পাদক মো. জিয়াউর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলের নির্দেশনা অমান্য করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির দায়িত্ব নেয়ায় ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র সহ সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হলো।

;

মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের নির্বাচনে মানা ক্ষমতাসীনদের, অনড় প্রার্থীরা



রুহুল আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সন্তান ও নিকটাত্মীয়দের প্রার্থী না হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তবে সে নির্দেশনা উপেক্ষা করে এখনো নির্বাচনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্যদের অনেক স্বজনেরা।

মন্ত্রী-সংসদ সদস্য ও প্রার্থীদের এ বিষয়ে তাগাদা দিতে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নির্দেশনা দেন। সে নির্দেশনা অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ধানমন্ডির সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দায়িত্বশীল যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকরা বৈঠক করেন। বৈঠকে আত্মীয়দের তালিকা করারও নির্দেশনা দিয়ে এই বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়।

তবে এমন কঠোর বার্তাও নির্বাচন থেকে সরাতে পারছে না প্রার্থীদের। প্রার্থীরা বলছেন, আমরা মন্ত্রী-এমপিদের রাজনীতি করি না। তাহলে আমাকে কেন এমপি সাহেবদের জন্য সরে দাঁড়াতে হবে? আমরা আমাদের যোগ্যতায় নিজেদের রাজনীতির মাঠ তৈরি করেছি কিন্তু আমার স্বজন কেউ এমপি বা মন্ত্রী হলেন বলেই আমি সব কিছু ছেড়ে দেব, এটা সম্ভব না।

মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের নিকটাত্মীয়দের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন প্রায় দুই ডজনেরও অধিক স্বজন। তাদের মধ্যে আছেন, মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানের ছেলে মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ও ছোট ভাই মিনহাদুজ্জামান ওরফে লিটন (তারা ভিন্ন ভিন্ন উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন), টাঙ্গাইল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাকের খালাত ভাই, পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিমের ছোট ভাই নূর-ই আলম, বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছোট ছেলে আশিক আব্দুল্লাহ, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর চাচাত ভাই বিল্লাল হোসেন নিপু।

এছাড়াও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার আশরাফ খানের শ্যালক মো. শরিফুল হক, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের শ্যালক লুৎফুল হাবীব রুবেল, মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরেন শিকদারের ছোট ভাই বিমল শিকদার, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সংসদ সদস্য এম এ মান্নানের ছেলে শাহাদাত মান্নান, সুনামগঞ্জের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুন্নাহার বেগমের ছেলে ফজলে রাব্বি, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের ফুপাত ভাই ইসরাফিল হোসেন, কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুব-উল আলম হানিফের চাচাত ভাই আতাউর রহমান, নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর ছেলে আতিক আলী অমি, এমপি মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী ও সাবেক এমপি আয়েশা আলীও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।

আবার নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী এক জনসভায় গিয়ে তার ছেলের পক্ষে দেওয়া বক্তব্য হয়েছে ভাইরাল। সেখানে তিনি বলেছেন, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে তার ছেলেকে ভোট না দিলে উন্নয়নকাজ করবেন না তিনি। তার ছেলে আতাহার ইশরাক শাবাব চৌধুরী সুবর্ণচর সদর উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।

স্বজনদের প্রার্থিতার বিষয়ে কঠোর হওয়ার বার্তা দিয়ে শনিবার (২০ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, 'একটা দলে আমি এমপি, আমি মন্ত্রী, আবার আমার ভাই, ছেলে এরাও পদ নিয়ে যাবে সব, তাহলে তৃণমূলের কর্মীরা কী করবে? তাদের পদে যাওয়ার কোনো অধিকার নেই? সে সুযোগটা করে দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

তবে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের ভাষ্যমতে, শুধু স্বজন হওয়ার কারণেই প্রার্থী না হওয়ার বিষয়টি তারা মানতে নারাজ। তাদের কথা, আমরা তো মন্ত্রী-এমপিদের ভরসায় নির্বাচন করছি না। আমরা আমাদের পরিচয়ে নির্বাচন করছি। তাহলে স্বজন হওয়া কি অপরাধ? তারাও তাই অনড় নির্বাচনি মাঠে; দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে হলেও নির্বাচনি মাঠে থেকে দেখতে চান শেষটা।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের নিকটাত্মীয়রা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না, সে ক্ষেত্রে যেহেতু আপনার বোনের স্বামী নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য (আনোয়ার আশরাফ খান), আপনি কি মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে পলাশ উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শরিফুল হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি উইথড্র করব কারণ কী? আমি তো এমপি সাহেবের রাজনীতি করি না।

শরিফুল হক বলেন, ঘোড়াশাল-পলাশে আমরা রাজনৈতিক পরিবার। আমার রাজনৈতিক পরিচয় তো শালা-সম্বন্ধী না। আমার রাজনৈতিক পরিচয় হচ্ছে পলাশের আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসানুল হক হাসান সাহেবের ভাতিজা। ছাত্র সংসদের নির্বাচনের মাধ্যমে আমার রাজনৈতিক জীবনের শুরু। আমার ভগ্নীপতি তখন কোনো রাজনৈতিক নেতাও ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন ডাক্তার। আমি কি আমার বোনের স্বামীর জন্য আমার তিলে তিলে গড়া রাজনীতি ধ্বংস করে দেব? অবশ্যই আমি আমার নির্বাচন চালিয়ে যাব।

পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিমের ছোট ভাই নূর-ই আলম নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী। তার সংসদ সদস্য ভাইয়ের সাথে সরাসরি কোন সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি ৩০ বছর থেকে আলাদা সংসার মেনটেইন করি। আমার মতাদর্শ আলাদা। আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসি, শেখ হাসিনাকে ভালোবাসি। আমার ভাই যে সংসদ সদস্য তিনি চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে আছেন গত ১৫ দিন। আমি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। করোনার সময়ে সামাজিক কাজ করেছি, বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সাহায্য করেছি। সে কাজের ক্ষেত্রে আমাকে নিয়ে একটা বলয় তৈরি হয়েছে। তারা আমাকে নির্বাচনের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে, সেজন্য আমি নির্বাচন করি।

নূর-ই আলম বলেন, আমি রাজনৈতিক মতাদর্শে আওয়ামী লীগের একজন সমর্থক, কিন্তু অফিসিয়ালি দলের সাথে সংশ্লিষ্ট না। কোনো ইউনিটের সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত না। এমনকি আমি এমপি সাহেবের রাজনীতির সাথেও সরাসরি সম্পৃক্ত না। আমি দূর থেকে যতটা পারি সহযোগিতা করি। তার সাথে আসলে আমার রাজনৈতিকভাবে তেমন কোন সম্পৃক্ততা নেই।

তবে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলছেন, দলের বার্তা সব জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বজনরা নির্বাচনে থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা। এমনকি তাদের পক্ষে সমর্থনও করতে পারবেন না দলীয় কোনো ব্যক্তি। এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী তালিকাও প্রস্তুত করা হচ্ছে।

মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নিকটাত্মীয়দের উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ছেলে, স্ত্রী, কন্যা, ভাগিনা, শ্যালক সরাসরি ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দেরকে প্রার্থী করা যাবে না। আমরা অংশগ্রহণমূলক একটি সুন্দর নির্বাচন চাই। এই নির্বাচন যেন কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেজন্যই আমরা আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় কোন প্রতীক দিইনি। এটা সবাই মানবে, মানার জন্যই বলা হয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত কেউ মানবে না বলে আমরা মনে করি না।

নাছিম বলেন, আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দু'চারজন প্রার্থী আছে বিভিন্ন বিভাগে, তারা দায়িত্বশীল মানুষ, দায়িত্বশীল নেতা, তারা দলের অভিমতকে, সিদ্ধান্তকে অবশ্যই মানবেন, সম্মান দেবেন, প্রতিপালন করবেন।

;

একটা দুঃসময় আমরা অতিক্রম করছি: মির্জা ফখরুল



Sajid Sumon
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘একটা দুঃসময়, কঠিন সময়… আমরা অতিক্রম করছি। রাজনৈতিক সংকট, অর্থনৈতিক সংকট ভয়াবহভাবে আমাদের আক্রমণ করেছে। এখানে বিচারব্যবস্থা পুরোপুরিভাবে দলীয়করণ হয়ে গেছে। অর্থনীতিকে পুরোপুরিভাবে নিজেদের মতো করে তারা সেখানে লুটপাট চালাচ্ছে। আজ রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ধবংস করা হয়েছে, নির্বাচনী ব্যবস্থাকে একেবারে উপড়ে ফেলা হয়েছে।’

শনিবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্মরণে নাগরিক স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে নাগরিক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যার জন্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী লড়াই করছিলেন, সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যদি আবার আমাদের ফিরিয়ে আনতে হয়, বাংলাদেশকে যদি সত্যিকার অর্থে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আমরা পরিণত করতে চাই, তাহলে আমাদেরকে এখন অবশ্যই সব নতুন করে চিন্তা করে নতুনভাবে আবার বলীয়ান হয়ে বেরিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, `কে কী বললো সেটা ভাবার দরকার নেই, আমাদের মধ্যে যে আশা, যে আকাঙ্ক্ষা আছে; আমরা যারা একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, যারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছি, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছি, যারা গুম হয়েছে তাদের সবাইকে সেই সম্মানটুকু দেওয়ার জন্য আমাদের আজ একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে… আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।’

তিনি বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আলাপ হচ্ছিল… একজন কৌশলের কথা বলেছেন। আসলে এখানে প্রয়োজন সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। সব নাগরিক যারা দেশকে ভালোবাসেন, সব রাজনৈতিক দল যারা দেশে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করতে চায় তাদের এখন সবাইকে এক হয়ে সোচ্চার কণ্ঠে শুধু রাজপথে বেরিয়ে নয়, সমগ্র রাষ্ট্র যন্ত্রকে ঝাঁকি দিতে হবে। তাহলেই হয়তোবা ডা. জাফরুল্লাহর যে স্বপ্ন সেই স্বপ্নকে আমরা কিছুটা বাস্তবায়িত করতে পারবো।’

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাস নাইম বাবু। এতে বক্তব্য দেন অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান, সুজনের বদিউল আলম মজুমদার, ব্রতীর শারমিন মুরশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, এফবিবিআইয়ের আবদুল হক, মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, ‘মায়ের ডাক’ এর সানজিদা ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি জোনায়েদ সাকি, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির তানিয়া রব, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, মিয়া মশিউজ্জামান এবং প্রয়াত জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মেয়ে বৃষ্টি চৌধুরী স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন।

;

জাপার আংশিক কমিটি ঘোষণা রওশন এরশাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বেগম রওশন এরশাদ

বেগম রওশন এরশাদ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির (রওশন) চেয়ারম্যান ও সাবেক বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আংশিক নাম ঘোষণা করেছেন। পর্যায়ক্রমে কমিটির বাকি সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে বলে খবর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে রওশন এরশাদ গত ৯ মার্চ আইবি চত্ত্বরে এক তরফাভাবে জাতীয় পার্টির আয়োজন করেন। কাউন্সিলে রওশন এরশাদকে চেয়ারম্যান, কাজী ফিরোজ রশীদকে নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, আর মহাসচিব নির্বাচিত হন কাজী মামুনুর রশীদ।

কাউন্সিলের পর শনিবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।

এতে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে রফিকুল হক হাফিজ (সাবেক উপ- মন্ত্রী), অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন (সাবেক সংসদ সদস্য), ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (সাবেক সংসদ সদস্য), জাফর ইকবাল সিদ্দিকী (সাবেক সংসদ সদস্য), কারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, ডা. কে আর ইসলাম, নিগার সুলতানা রাণী, আবুল কাশেম সরকার (সাবেক সংসদ সদস্য), ইয়াহিয়া চৌধুরী (সাবেক সংসদ সদস্য), শফিকুল ইসলাম শফিক (নরসিংদী), শংকর পাল (হবিগঞ্জ), আমানত হোসেন আমানত, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, হাজী মো: ফারুক (ঢাকা), আব্দুল গাফ্ফার বিশ্বাস (খুলনা), নুরুল ইসলাম নুরু (টাঙ্গাইল), তুহিনুর রহমান (নুরু হাজী) ঢাকা।

উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এমএ গোফরান (লক্ষীপুর) ও এমএ কুদ্দুস খাঁন (ঝালকাঠী)।

ভাইস-চেয়ারম্যান শেখ আলমগীর হোসেন (গোপালঞ্জ), মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক (ঢাকা), ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ (জামালপুর) সাবেক সংসদ সদস্য, মো: মোক্তার হোসেন (খুলনা) সাবেক সংসদ সদস্য, হাজী নাসির সরকার (ঢাকা), আব্দুল আজিজ খাঁন (গুলশান), মোল্যা শওকত হোসেন বাবুল (খুলনা), মো: শারফুদ্দিন আহমেদ শিপু (ঢাকা), মিজানুর রহমান দুলাল (পটুয়াখালী), শাহ্ আলম তালুকদার (বরিশাল), এ্যাড. মো: আব্দুল কাইয়ুম (ময়মনসিংহ), শাহ্ জামাল রানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)।

যুগ্ম-মহাসচিব পদে ফকরুল আহসান শাহজাদা (বরিশাল), পীরজাদা জুবায়ের আহমেদ (বাহ্মণবাড়িয়া), শেখ মাসুক রহমান (ঢাকা), সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম তরুণ (খুলনা), সুজন দে (চট্টগ্রাম), এসএম হাসেম (ঢাকা)।

সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানাজ পারভীন (ঢাকা), মোশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ), এ্যাড. এসএম মাসুদুর রহমান (খুলনা), এ্যাড. মো: আবু সালেহ চৌধুরী (সিলেট), অধ্যাপিকা বিলকিস সরকার পুতুল (নরসিংদী), ফজলে ইলাহী সোহাগ (নোয়াখালী), জাফর ইকবাল নিরব (পিরোজপুর), শামসুল আলম (কক্সবাজার)।

যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক কাওসার আহমেদ (ঢাকা), মো: মোসলেম আলী (মেহেরপুর), আবুল বাশার (মানিকগঞ্জ), নাফিজ মাহবুব (ময়মনসিংহ), সিরাজুল আরেফিন মাসুম, এম, এম, আমিনুল হক সেলিম, কোষাধ্যক্ষ ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (রংপুর), প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম খুশু (চাঁদপুর), দপ্তর সম্পাদক আবুল হাসান আহমেদ জুয়েল, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. এমদাদ (নড়াইল), সমবায় বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ আলম মীর (বরিশাল), সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল খাঁন (লালমনিরহাট), তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাহিন আরা সুলতানা রিমা (চাপাইনবাবগঞ্জ), আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. সাজ্জাদ হোসেন সেনা (কুষ্টিয়া), যুব বিষয়ক সম্পাদক মো: জহির উদ্দিন (ঢাকা), শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সুলতানা আহমেদ লিপি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সায়িকা হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শরিয়ত আলী তালুকদার (সুনামগঞ্জ), প্রাদেশিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার।

যুগ্ম-সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য, যুগ্ম- প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আসাদ খান, যুগ্ম- কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মেহবুব হাসান, যুগ্ম- সমবায় বিষয়ক সম্পাদক চিশ্তী খায়রুল আবরার শিশির, যুগ্ম- ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মুকুল, যুগ্ম-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো: তৌহিদুর রহমান খাঁন, যুগ্ম- শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাজী মাসুম পারভেজ, যুগ্ম- এনজিও বিষয়ক সম্পাদক এম, আবু জাফর কামাল, যুগ্ম- সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শরীফ, যুগ্ম- সাহিত্য ও কৃষ্ঠি বিষয়ক সম্পাদক আফতাব গনি, যুগ্ম- প্রাদেশিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রবিন।

সদস্য রিয়াজ খান, মকবুল হোসেন মুকুল, এসএম মুর্তজ আলম বুলবুল, নাসির নেওয়াজ, আবু নাসের সিদ্দিকী, কাদের মুন্সি, আব্দুল হালিম, আহমদ আলী (সিলেট)।

;