আন্দোলনের মাধ্যমেই গণবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করতে হবে : দুদু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪. কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

গণবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করতে হলে আমাদের নিজেদেরকেই আন্দোলন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

বুধবার (২২ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত ধারাবাহিক প্রহসনের নির্বাচন ও বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ লেবার পার্টি। আলোচনা সভায় শামসুজ্জামান দুদু বলেন, অন্য কোনো দেশ আমাদের আন্দোলন করে দিয়ে যাবে এটা বিশ্বাস করার কনো কারণ নেই। গণবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করতে হলে আমাদের নিজেদেরকেই আন্দোলন করতে হবে। বড়-ছোট সকল দলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আন্দোলন করতে হবে। দেশকে বাঁচাতে হবে।

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশে পরিপূর্ণভাবে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করে রাজনীতিকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য যে দেশ স্বাধীন হয়েছে সে দেশে এখন আর গণতন্ত্র নেই। এই সরকার দেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে একটি দলের আওতায় নিয়ে এসেছে।

এসময় আলোচনা সভায় গণফোরামের মহাসচিব অ্যাড. সুব্রত চৌধুরী বলেন, একটা দানবীয় শক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে আছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সামনের কর্মসূচিগুলোতে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে। বাংলাদেশ ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। অরাজকতার বিরুদ্ধে বিপ্লব করে দেশকে বাঁচাতে হবে। আমরা আবার রাজপথ কাঁপাবো। সরকারের পতন ঘটাবো।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, শেখ মুজিবের আমলে দেশ যেমন ছিল আজকে তার কন্যার হাত ধরে দেশ সেদিকে যাচ্ছে। গত ১৬ বছরে আ. লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন জনগণ তার পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দিতে পারেনি। বিরোধী দলের কৌশল, দূরদর্শিতার অভাবে আ. লীগ এখনো ক্ষমতায় বসে আছে। বাংলাদেশ আরেকটা ফিলিস্তিন হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। আমেরিকার আশায় আন্দোলন করলে হবে না। আমাদের নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য নিজেদেরকে আন্দোলন করতে হবে।

বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, ইসলামি জোটের প্রেসিডেন্ট মো.শওকত আমিন প্রমুখ।

   

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার বড় সাফল্য স্বাধীনতা: রেলমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রেলপথ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো জিল্লুল হাকিম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার বড় সফলতা স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে আমরা এ দেশটাকে স্বাধীন করেছিলাম। স্বাধীনতা হলো আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

রোববার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা আ’লীগের আয়োজনে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

জিল্লুল হাকিম বলেন, বঙ্গবন্ধুকে দেশি এবং বিদেশি চক্রান্তকারীরা হত্যা করে আমাদেরকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। তারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে চক্রান্ত করেছিল। যখন জাতিসংঘ বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে শ্রেষ্ঠ ভাষণের স্বীকৃতি দিল তখন সমস্ত রকম চক্রান্ত থেমে যায় তাদের।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু আজ আমাদের মাঝে নেই। তবে তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। রাজধানীবাসী মেট্রোরেলে চলার স্বাদ পাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি'র আমলে বন্ধ হওয়া ট্রেন লাইন আজ সচল হয়েছে। ঢাকা থেকে মাত্র ২ ঘণ্টায় ট্রেনে রাজবাড়ীতে আসতে পারছে। রাজবাড়ীতে ১০৫ একর জায়গার উপর দেশের সর্ববৃহৎ রেল কারখানা হচ্ছে। এতে করে জেলার অনেক বেকার কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান মোল্লার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ হারুনের সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হাকিম সাধন, ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ফরিদ হোসেন বাবু, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর বিশ্বাস প্রমুখ।

;

‘সরকার বিরোধীদের জীবন রাষ্ট্রীয় বন্দুকের নলের নিচে বন্দি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ডা. শাহাদাত হোসেন

ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকার বিরোধীদের জীবন এখন রাষ্ট্রীয় বন্দুকের নলের নিচে বন্দি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার (২৩ জুন) বিকেলে নগরীর চকবাজারস্থ কিশলয় কমিউনিটি সেন্টারে চট্টগ্রাম ৯ আসনে (কোতোয়ালি, বাকলিয়া, চকবাজার) বিগত আন্দোলন সংগ্রামে মিথ্যা মামলায় কারাবরণকারী ও হামলা মামলার শিকার দুই শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা প্রদানকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিগত ডামি নির্বাচনের আগে দেশের ক্ষমতা দখলের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিএনপির বলিষ্ঠ নেতাকর্মীদের টার্গেট করে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছিল আওয়ামী লীগ। এখনো তারা কারাগারগুলো বিএনপির নেতাকর্মীদের দ্বারা পরিপূর্ণ করে রেখেছে। অবৈধ দখলদার সরকার তাদের দখলদারিত্ব ধরে রাখার জন্য পুরো দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। সরকার বিরোধীদের জীবন এখন রাষ্ট্রীয় বন্দুকের নলের নিচে বন্দি। বর্তমানে প্রত্যেকটি কারাগার হচ্ছে শেখ হাসিনার বন্দিশালা।

‘এই জুলুমবাজ সরকারের সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা কোথাও নিরাপদ নয়। বিগত সরকার পতনের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা জেলখানায় মৃত্যুবরণ করেছে, যারা গ্রেফতার হয়েছে তারা এদেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আন্দোলন করে গ্রেফতার হয়েছেন। যারা আজ জেলখানায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের শহীদি মৃত্যু হয়েছে। শহীদের রক্ত কোনো দিন বৃথা যায় না। বিএনপি নেতাকর্মীরা দেশের জন্য যে আত্মত্যাগ করে গেছেন, তা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, এই অবৈধ সরকার তাদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অসংখ্য গণতন্ত্রকামী মানুষকে গ্রেফতার করেছে। রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়ে জনগণকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করছে সরকার। এখানে আইন কানুন কোনো কিছুর দরকার নেই। আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে কারাগারে থাকতে হচ্ছে। দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে। এভাবে দেশ চলতে পারে না। জনগণের শক্তির কাছে অচিরেই এই সরকারকে মাথানত করতে হবে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, রাজনীতি করলে গ্রেফতার হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার কিন্তু নির্যাতন ও অত্যাচার যেভাবে সীমা ছাড়িয়ে গেছে এটা সহ্য করা যায় না। তারপরও আমাদের নেতাকর্মীদের মনোবল হারায়নি। তারা আশায় আছে, আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে মুক্ত করবে। জনগণের আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার টিকে থাকতে পারবে না। তারেক রহমান হতাহত ও নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীরা আরও ত্যাগ শিকারের জন্য শপথ গ্রহণ করেছেন।

চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মন্জুর আলম মন্জুর সভাপতিত্বে ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সি. যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান ও মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, শফিকুর রহমান স্বপন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন প্রমুখ।

;

খালেদা জিয়ার হৃৎপিণ্ডে বসলো পেসমেকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হৃৎপিণ্ডে পেসমেকার বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জাহিদ হোসেন।

রোববার (২৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের হৃদরোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হার্টে ব্লক ধরা পড়েছিল। সেখানে একটা স্টেন্টও (রিং) লাগানো ছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছুক্ষণ আগে তার হার্টে পেসমেকার বসানো হয়েছে।

পেসমেকার হলো হৃদস্পন্দন নিয়মিত রাখার কৃত্রিম বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যা বৈদ্যুতিক স্পন্দন তৈরি করে হৃদপেশিতে পাঠায় এবং হৃদপিণ্ডের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

হঠাৎ অসুস্থতা বেড়ে গেলে শুক্রবার (২১ জুন) গভীর রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীনে খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন আছেন। ওই গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা শনি ও রোববার কয়েক দফা বৈঠকে বসে পেসমেকার লাগানোর সিদ্ধান্ত দেন।

লন্ডন থেকে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়েদা রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ার কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ভার্চুয়ালি মেডিকেল বোর্ডের এসব সভায় যুক্ত থাকেন।

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস ছাড়াও হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন। গত চার বছরে বেশ কয়েকবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

;

শেখ হাসিনার উন্নয়ন অনেকে দেখতে পারে না: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন অনেকে দেখতে পারে না’

‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন অনেকে দেখতে পারে না’

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার উন্নয়ন অনেকে দেখতে পারে না।

রোববার (২৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্লাটিনাম জুবিলির সমাবেশের বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার উন্নয়ন অনেকে দেখতে পারে না। আজকে একটি দল অন্তরজ্বালায় জ্বলছে। ওরা (বিএনপি) দিনের আলোতে রাতের অন্ধকার দেখে। ওরা পূর্ণিমার আলোতে অমাবস্যার অন্ধকার দেখে। ওরা উন্নয়ন দেখতে পায় না।

বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, ওরা আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শত্রু। একুশ বছর এরা আমাদের দেশে স্বৈরশাসন করেছিলো। জয় বাংলাকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের যারা মাস্টার মাইন্ড তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এই দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা। এই অর্জনের জনক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই দেশে দুইটা ল্যাগেসি সৃষ্টি হয়েছি, একটা ল্যাগেসি স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু। আরেকটি ল্যাগেসি আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির, তিনি শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যতদিন এই বাংলায় চন্দ্র-সূর্য উদয় হবে, পাখিরা গান গাইবে, নদীর কলতান থাকবে ততদিন শেখ হাসিনা অমর হয়ে থাকবেন। তিনি হচ্ছেন পোয়েট অফ পলিটিশিয়ান।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের যারা স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাস করেন, চেতনাকে ধারণ করেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি সকলের কাছে আহ্বান জানাই, আমাদের ভুল ত্রুটি নেই, সেটা আমি বলবো না। এরপরেও শেখ হাসিনা আমাদের একমাত্র আস্থার ঠিকানা। আসুন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে শক্তিশালী করে তুলি।

;