পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রের ঘূর্ণনগতি ক্রমশ ধীর হচ্ছে



বিজ্ঞান ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রভাগের ঘূর্ণনগতি ক্রমশ ধীর হয়ে আসছে। কয়েক দশকের পর্যবেক্ষণের পর এ তথ্য জানিয়েছেন গবেষকেরা।

বিজ্ঞানবিষয়ক অনলাইন বিজ্ঞান সাময়িকী স্পেস.কম ২১ জুনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগের কেন্দ্রের ঘূর্ণনগতি এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশ কমে গেছে। বিভিন্ন সময়ের ভূমিকম্প এবং পারমাণবিক পরীক্ষার কারণে এ ঘূর্ণনগতি কমতে শুরু করেছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর পৃষ্ঠভাগ যে গতিতে ঘুরছে, পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগের কেন্দ্র সে তুলনায় আগের চেয়ে এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশ কম গতিতে ঘুরতে শুরু করেছে। এতে করে পৃথিবীর দিনের দৈর্ঘ্য এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশের কম হয়েছে। গত এক দশক ধরে ভূকম্পন উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

তারা ভূকম্পনের তরঙ্গের মাত্রা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পেয়েছেন বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার (ইউএসসি) গবেষকেরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্প এবং পারমাণবিক পরীক্ষার কম্পন পুরো গ্রহে ছড়িয়ে পড়ে।

তারা পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়া এই কম্পনের মাত্রা পরিমাপ করে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রের বিচ্যুতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।

গবেষকেরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, ২০১০ সাল থেকে এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে জানা গেছে, পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রের গতি আগের তুলনায় কমে গেছে।

এ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদনের সহলেখক এবং ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার (ইউএসসি) আর্থ সায়েন্সের অধ্যাপক জন ভিডেলি বলেছেন, বেশ কয়েক দশকের পর এই প্রথম জানা গেছে, পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্রের ঘূর্ণনগতি কমে গেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন মডেল উপস্থাপনার পর এ সিদ্ধান্তে আসা গেছে।

প্রসঙ্গত, পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ ভীষণরকম উত্তপ্ত এবং খুব ঘন কঠিন বস্তুর তৈরি। এর মধ্যে লোহা ও নিকেল রয়েছে।

এ স্তর ভূপৃষ্ঠ বা আমাদের পায়ের তলা থেকে ৩ হাজার ২শ মাইল (৫ হাজার একশ ৫০ কিলোমিটার) গভীরে। এর তাপমাত্রা ৯ হাজার ৮শ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এর বাইরের স্তর লোহা আর নিকেলের সঙ্গে কঠিন পাথরের আবরণে আবৃত।

নতুন গবেষণা জানাচ্ছে, পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগের কেন্দ্রের ঘূর্ণনগতি ধীর হওয়ার কারণ, বাইরের স্তরের সঙ্গে তরল লোহার মিশ্রণের ফলে পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্র রয়েছে। এটি মধ্যাকর্ষণ শক্তিকে আকর্ষণ করে মিশে যায়।

গবেষণা পরিচালনায় মোট ১শ ২১টি ধারাবাহিক ভূমিকম্পের তথ্য ব্যবহার করা হয়। এর ক্ষেত্র ছিল সাউথ আটলান্টিক ও সাউথ স্যান্ডউইচ দ্বীপ আর ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৩ সালের কম্পন রেকর্ড করা উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।

"অনন্য ভ্যান্টেজ পয়েন্ট" থেকে চন্দ্রোদয়ের ছবি প্রকাশ করেছে নাসা



বিজ্ঞান ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
"অনন্য ভ্যান্টেজ পয়েন্ট" থেকে চন্দ্রোদয়ের ছবি প্রকাশ করেছে নাসা/ ছবিঃ সংগৃহীত

"অনন্য ভ্যান্টেজ পয়েন্ট" থেকে চন্দ্রোদয়ের ছবি প্রকাশ করেছে নাসা/ ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন যুক্তরাষ্টের গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) নিয়মিতভাবে আমাদের মহাবিশ্বের অত্যাশ্চর্য ছবি ধারণ করে থাকে। যা মহাকাশ প্রেমীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে।

এই সংস্থাটি প্রতিনিয়ত তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলগুলোতে শিক্ষামূলক ভিডিওর পাশাপাশি পৃথিবী এবং মহাকাশ প্রদর্শনকারী আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেন। সম্প্রতি এই গবেষণা সংস্থাটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের অভ্যন্তরের স্থান "অনন্য ভ্যান্টেজ পয়েন্ট" থেকে চন্দ্রোদয়ের একটি ছবি শেয়ার করেছেন।

ছবিটির উপরের মাঝামাঝি অংশে চাঁদকে আংশিকভাবে আলোকিত দেখা যাচ্ছে। পৃথিবীকে নীল দেখা যাচ্ছে বায়ুমণ্ডলে সাদা মেঘের সাথে, নীচের বাম থেকে উপরের ডানদিকে প্রসারিত। কালো মহাকাশ চাঁদটিকে ঘিরে রয়েছে। 

ছবিটি নাসা মহাকাশচারী ম্যাথিউ ডমিনিক তুলেছেন। যিনি প্রায় চার মাস ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে বাস করছেন।

মার্কিন সরকারি সংস্থা ছবিটির বর্ণনায় বলেছে, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরের গ্রহতে একটি অর্ধচন্দ্র দেখা যাচ্ছে। ওই গ্রহটি সমুদ্র-নীল জলের মতো। কমলা এবং কালো রঙের স্তরগুলো চিত্রের কেন্দ্র জুড়ে প্রসারিত নীলের অনুভূমিক ব্যান্ডের নীচে প্রদর্শিত হয়। অর্ধচন্দ্রটি সাদা এবং মহাকাশের কালোত্বের বিপরীতে অবস্থান করছে।

দৃশ্যটি বর্ণনা করার সময় ম্যাথিউ ডমিনিক বলেছিলেন, "স্লিভার রঙয়ের চাঁদটি কালো মেঘ থেকে উঠে আসে এবং সূর্যোদয়ের অপেক্ষায় দিগন্তের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়।" 

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংস্থাটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে একক ফ্রেমে চাঁদ এবং পৃথিবীর একটি ছবি শেয়ার করেছিল। ওই ছবিতে, অর্ধচন্দ্রাকার রূপে একটি চাঁদকে দেখা যায় এবং পৃথিবী বায়ুমণ্ডলে ক্ষীণ সাদা মেঘের সাথে ঐ স্থানটিকে নীল দেখা যাচ্ছে।

;

কৃত্রিম মঙ্গলগ্রহে বছর কাটিয়ে ফিরে এলেন নাসার ৪ নভোচারী



বিজ্ঞান ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত, মঙ্গল গ্রহের কৃত্রিম আবহে থেকে ফিরে এলেন ৪ নভোচারী- কেলি হাসটন, আনকা সেলারাইউ, রস ব্রকওয়েল এবং নাথান জোনস

ছবি: সংগৃহীত, মঙ্গল গ্রহের কৃত্রিম আবহে থেকে ফিরে এলেন ৪ নভোচারী- কেলি হাসটন, আনকা সেলারাইউ, রস ব্রকওয়েল এবং নাথান জোনস

  • Font increase
  • Font Decrease

নাসার তৈরি কৃত্রিম মঙ্গলগ্রহে এক বছর সময় কাটিয়ে পৃথিবীর বুকে নেমে সবাইকে ‘হ্যালো’ বলে স্বাগত জানিয়েছেন নাসার চার নভোচারী।

মঙ্গলে সীমিত খাদ্যে সুস্থ থাকা, সবজি উৎপাদন এবং নিজেদের তৈরি বর্জ্য পুনর্ব্যহারযোগ্য করার এক জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে এই চার নভোচারী কৃত্রিম মঙ্গলগ্রহে ৩শ ৭৮ দিন কাটান।

২০২৩ সালের ২৫ জুন তারা কৃত্রিমভাবে তৈরি মঙ্গলগ্রহের আবহে প্রবেশ করেন। এসময় তারা পৃথিবী, পরিবারের সদস্য থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন এবং ৬ জুলাই কৃত্রিম আবহ থেকে মু্ক্ত করার আগে ২২ মিনিট পৃথিবীর সঙ্গে তাদের সবরকম যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়।

এক বছরের মিশন শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল ৫টায় তাদের কৃত্রিম মঙ্গলগ্রহের দরজা খুলে দেওয়া হয়।

এসময় নভোচারী কেলি হাসটন হাউসটন জনসন স্পেস সেন্টারের অন্যান্য নভোচারীদের সামনে প্রথম বেরিয়ে সবাইকে ‘হ্যালো’ বলেন।

মঙ্গল গ্রহের কৃত্রিম আবহে থাকা নভোচারী ৪ জন হলেন- কেলি হাসটন, আনকা সেলারাইউ, রস ব্রকওয়েল এবং নাথান জোনস। এই ৪ নভোচারী ‘ক্রু হেলথ অ্যান্ড পারফরম্যান্স এক্সপ্লোরেশন অ্যানালগ প্রজেক্ট’ (সিএইচএপিইএ) মিশনের অংশ হিসেবে একবছর সময় কাটান। এ বিষয়ে নভোচারী কেলি হাসটন উপস্থিত নভোচারীদের উদ্দেশে বলেন, সবাইকে ‘হ্যালো’ বলাটি ছিল ভীষণরকম আনন্দের।

চার নভোচারীর একজন নাথান জোনস এই মিশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং পেশায় একজন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন। জোনস বলেন, এই ৩শ ৭৮ দিন খুব তাড়াতাড়ি পার হয়ে গেছে।

কৃত্রিম এই মঙ্গলগ্রহটির আকার ১৭ হাজার ফুট (১ হাজার ৫শ ৭৯ স্কয়ার মিটার)। সিএইচএপিইএ মিশনের উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়েছে, মঙ্গলগ্রহে বিচরণ বা ‘মার্সওয়াকস’। এই মিশনের একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, মঙ্গলগ্রহের আবহে সবজি চাষ করা, সেখানে আবাসিক হিসেবে অভ্যস্ত হওয়া এবং সেখানে যেসব যন্ত্রপাতি থাকবে, তার সংরক্ষণ করা।

এই কৃত্রিম মঙ্গলগ্রহে সত্যিকারে মঙ্গলগ্রহের আবহ তৈরি করা হয় এবং ৩শ ৭৮ দিন চার নভোচারীকে পৃথিবীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয় এবং তাদের কৃত্রিম মঙ্গলগ্রহ থেকে মুক্ত করার আগে ২২ মিনিট নাসার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়। যদিও তাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হয় নাসার পক্ষ থেকে।

নাসা থেকে জানানো হয়, এই ৪ নভোচারীর দুইজন ফের এই মিশনে ফিরে যাবেন এবং মঙ্গলগ্রহের আবহে শারীরিক ও মানসিক এবং আচরণে এর প্রভাব কী হয়, তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের উপপরিচালক স্টিভ কয়েরনার বলেন, এই মিশনে তাদের নজর ছিল নভোচারীদের পুষ্টিগত দিক এবং তার প্রভাব খতিয়ে দেখা। এটি ছিল বিজ্ঞানের জন্য জটিল একটি অধ্যায় যে, সত্যিকারভাবে মঙ্গলগ্রহে যাওয়ার জন্য নভোচারীদের প্রস্তুত করা।

এ বিষয়ে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার ব্লকওয়েল বলেন, এ মিশন আমাকে দেখিয়েছে, পৃথিবীর মানুষের স্বার্থে কীভাবে বসবাস করা যায়, তার গুরুত্ব উপলব্ধি করা।

ব্লকওয়েল বলেন, আমাকে এ ধরনের চ্যালেঞ্জিং মিশনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় আমার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং আগামী ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমি খুবই উৎফুল্ল অনুভব করছি।

;

২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে যাবেন ভারতীয় নভোচারীরা: ইসরো প্রধান



বিজ্ঞান ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত, এনটিভি'র প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ

ছবি: সংগৃহীত, এনটিভি'র প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ

  • Font increase
  • Font Decrease

২০৪০ সালের মধ্যে ভারতীয় নভোচারীবাহী মহাশূন্যযান চাঁদে যাবে বলে জানিয়েছেন ভারতের মহাশূন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান- ইসরো-র (ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ।

সেইসঙ্গে চন্দ্রায়ন-৪ অভিযানের মাধ্যমে চীনের মতো চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার প্রান্তের পাথর সংগ্রহ করবে ভারত। চীনের আগে ইসরোর একট নভেযান চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার প্রান্তের কাছাকাছি এলাকায় অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

শনিবার (২৯ জুন) ভারতের বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনডিটিভি’র (নয়াদিল্লি টিভি চ্যানেল) সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ সব তথ্য জানান ইসরো প্রধান।

এস সোমনাথ বলেন, ভারতের সর্বশেষ ‘চন্দ্রায়ন-৩’ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর চির অন্ধকার প্রান্তে সফলভাবে অবতরণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এর পর ২০৪০ সালের মধ্যে মনুষ্যবাহী নভেযান চাঁদে পাঠানো হবে।

ইসরো প্রধান বলেন, ‘গগনায়ন’ নামে ইসরো একটি অভিযান হাতে নিয়েছে। এর মাধ্যমে মনুষ্যবাহী নভোযান পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪শ কিলোমিটার উঁচুতে পৃথিবীর কক্ষপথে আবর্তন করবে। একদিনের অভিযান শেষে মনুষ্যবাহী নভোযানটি ভারতের জলে অবতরণ করবে।

ইতোমধ্যে, এ বিষয়ে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। কয়েক বছরের মধ্যে মনুষ্যবাহী যান পৃথিবীর কক্ষপথে পরিভ্রমণ করবে। এ জন্য চারজন নভোচারীকে নির্বাচন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইসরো’র ‘চন্দ্রায়ন-৩’ চাঁদের যে অন্ধকার প্রান্তে অবতরণ করেছিল, সেই ‘শিবশক্তি’ পয়েন্ট থেকে চাঁদের নমুনা নিয়ে ফের ভারতে ফিরে আসবে ‘চন্দ্রায়ন-৪’। কয়েক বছরের মধ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এসময় তিনি আরো বলেন, এ জন্য আমাদের সামনে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাহলো- সফরওয়্যার তৈরি, নভোযানকে নির্দেশনা ইত্যাদি।

একবার যদি চাঁদের নমুনা আনা সম্ভবপর হয়, তাহলে মনুষ্যবাহী নভোযান পাঠানো আরো নিরাপদভাবে পরিকল্পনা করা সম্ভবপর হবে বলে জানান ইসরো প্রধান এস সোমনাথ। তবে তিনি বলেন, এ অভিযান অবশ্যই জটিল একটি প্রক্রিয়া।

এক প্রশ্নের জবাবে সোমনাথ বলেন, ‘চন্দ্রায়ন-৩’ যেখানে সফলভাবে অবতরণ করেছে, সেটি বেশ একটি মজার জায়গা। এ অভিযানের সবকিছু এখনো চলমান। এ জন্য নতুন করে নভোযান তৈরিতে হাত দিয়েছে ইসরো। মনুষ্যবাহী নভোযানের আকার হবে বেশ বড় এবং এর নাম দেওয়া হয়েছে- ‘সূর্য’।

;

চাঁদের দূরবর্তী স্থান থেকে নমুনা নিয়ে ফিরেছে চীনের মহাশূন্যযান



বিজ্ঞান ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদের দূরবর্তী স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফের পৃথিবীতে ফিরে এসেছে চীনের মহাশূন্যযান চ্যাঙ্গ’ই-৬।

৫৩ দিনের অভিযান শেষে মঙ্গলবার (২৫ জুন) ইনার মঙ্গোলিয়ায় নিরাপদে অবতরণ করে বলে জানিয়েছে চায়না ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএনএসএ)।
নিরাপদে অবতরণের পর সংস্থা থেকে জানানো হয়, অভিযান পুরোপুরি সফল হয়েছে।

জানানো হয়, মহাশূন্য যানটি চাঁদের মাটি এবং পাথর সংগ্রহ করে এনেছে। যেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, সে এলাকা সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের কমই ধারণা রয়েছে। এর কাছাকাছি এলাকায় প্রাচীন লাভার প্রবাহ ছিল এবং এলাকাটি এবড়োথেবড়ো।

এ নমুনা থেকে বুঝতে সুবিধা হবে যে, চাঁদ কীভাবে গঠিত হয়েছিল এবং বিবর্তিত হয়ে বর্তমান অবস্থা ধারণ করেছে।

চ্যাঙ্গ’ই-৬ নিরাপদে অবতরণের পর চীনের প্রেসিডেন্ট বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, এ মিশন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং দেশ ও দেশের মানুষ তা সারাজীবন মনে রাখবে।

মহাশূন্য যানটি চলতি বছরের ৩ মে হাইনান প্রদেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এইটকিন উপত্যকায় ল্যান্ডিং করে।

;