এমবাপ্পের জোড়া গোলে প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্বে ফ্রান্স



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে ফ্রান্সের দারুণ  জয়। এই জয়ে কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করলো ফরাসিরা। প্রথমার্ধে বারবার আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ৬১ মিনিটে ড্যানিশ দুর্গ ভেঙে প্রথমবার জালে জড়ান। বেশিক্ষণ উল্লাস করতে পারেনি ফরাসিরা। ৭ মিনিট না যেতেই ক্রিসটেনসেনের গোলে সমতা আনে ডেনমার্ক।

এরপর ফ্রান্সদের ত্রাতা হয়ে আবার আসেন এমবাপ্পে। মাত্র ২ গজ দূর থেকে থাইয়ের মাধ্যমে গোল করে এগিয়ে দেন ফ্রান্সকে। এই গোলের আর সমতা আনতে পারেনি ডেনমার্ক। ২ ম্যাচে ফ্রান্সের ২টিতেই জয়। অন্যদিকে ড্যানিশদের সমান ১টি করে ড্র ও হার। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিততে পারেলি ফ্রান্সের পর শেষ ষোলোতে যেতে পারবে তারা।

এমবাপ্পের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ফ্রান্স। ৮৬ মিনিটে ডান দিকে একটি দারুণ ক্রস করেন গ্রিজম্যান। গোলের দুই গজ দূরে থাকা এমবাপ্পে লাফিয়ে উঠে থাইয়ের টোকায় বল পাঠিয়ে দেন জালে। ড্যানিশ গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না বাঁচানোর। ফ্রান্সের হয়ে শেষ ১২ ম্যাচে তিনি ১৪ গোল করেন।

এমবাপ্পের গোলের ৭ মিনিট পরেই ডেনমার্কের গোল। এরিকসেন একটি দারুণ কর্নার কিক নেন। ডান দিকে বল এলে সেখানে থাকা অ্যান্ডারসেন গোলমুখে পাঠান ক্রিসটেনসেনের কাছে। ক্রিসটেনসেন লরিসকে ফাঁকি দিয়ে জড়ান ফরাসিদের জালে। ১-১ গোলে সমতা। 

অবশেষে এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে ফ্রান্স। ৬১ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি স্ট্রাইকার। ডি বক্সের বাঁ পাশ দিয়ে হার্নান্দেজ ঢুকেন বল নিয়ে। ওয়ান টু ওয়ান পাসে আবার যায় এমবাপ্পের কাছে। নিখুঁত শটে ড্যানিশদের জালে বল পাঠিয়ে দেন এমবাপ্পে। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েও রুখতে পারেননি ড্যানিশ গোলরক্ষক।

ফ্রান্স ও ডেনমার্কের মধ্যকার ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হয়েছে। অবশ্য ফ্রান্স বেশ কিছু সুযোগ পেয়েও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। তারা ১৩টি শট নিয়েছিল। তার মধ্যে তিনটি ছিল অন টার্গেটে। অন্যদিকে ডেনমার্ক অন টার্গেটে একটিও শট নিতে পারেনি।

   

সাকিবের ব্যর্থতার দিনে বড় বিপদে রংপুর



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিপিএলের নক আউট পর্বে হাসে না সাকিব আল হাসানের ব্যাট। এটা অনেকটা নিয়মেই পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালের ফাইনালে ২৯ বলে ৪১ রানের পর থেকেই ব্যাট হাতে নক আউট পর্বে রান পাচ্ছেন না সাকিব। এবারও এর ব্যতিক্রম হলো না। আগের ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে ৫ রানে আউটের পর এবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে সাকিব ফিরেছেন মাত্র ১ রান করে। আর তাতে বেশ বিপদেই পড়ে গেছে তার দল।

সাকিবের ব্যর্থতার দিনে দলীয় ১৮ রানে তিন উইকেট খুইয়েছে রংপুর। এরপর দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন আগের ম্যাচে ৯৭ রানের অনবদ্য একটা ইনিংস খেলা জিমি নিশাম। তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি নিকোলাস পুরান। উল্টো এই ব্যাটার ফিরেছেন বাকিদের ওপর ডট বলের বোঝা চাপিয়ে। ১২ বলে ৩ রান করে শেষটাই ধরাশায়ী হয়েছেন মিরাজের কাছে।

আর তাতে ফাইনালে উঠার শেষ সুযোগটা কাজে লাগানো বেশ কঠিনই হয়ে গেছে রংপুরের। বাকিদের ব্যর্থতার দিনে বাড়তি দায়িত্ব নিতে পারেননি নিশাম। পুরানের পর ফিরেতে হয়েছে তাকেও। ফেরার আগে ২২ বলে ২৮ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টসে হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের সংগ্রহ ১০ ওভার শেষে ৫ উইকেট খরচায় ৫১ রান। দায়িত্বটা এখন নিতে হবে নুরুল হাসান সোহান ও মোহাম্মদ নবীদের। তাদের ব্যাটেই শেষ আশা দেখছে রংপুর। নয়তো বেশ বিপদেই পড়তে হবে রংপুরকে।

;

রংপুরের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে উড়ছে বরিশাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যাচের শুরুতে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান জানাচ্ছিলেন, শুরুর ছয়টা ওভার তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শেষ কয়েক ম্যাচে এই ছয় ওভারেই যে ভুগেছে তার দল রংপুর রাইডার্স! তবে শুরুর ছয় ওভার ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারল না দলটা। শুরুতেই উইকেট খোয়াল, এরপর পাওয়ারপ্লে শেষের আগে খোয়াল আরও দুটো উইকেট। রংপুরের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে এই সময় উড়ন্ত এক সূচনাই পেয়ে গেছে ফরচুন বরিশাল।

টস জিতে রংপুরকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল বরিশাল। প্রথম ওভারটা কাটিয়ে দিতে পারলেও দ্বিতীয় ওভারে সাইফউদ্দিনের তোপের মুখে পড়ে রংপুরের মেইকশিফট ওপেনিং জুটি। যাকে তুলে আনা হয়েছিল ওপেনিংয়ে, সেই শেখ মাহেদি প্রথম শিকার বনলেন সাইফউদ্দিনের। ক্যাচ দিলেন উইকেটের পেছনে।

নকআউট পর্বের ঠিক আগে সাকিবের ব্যাটের রানের ধারা শুকিয়ে গেল যেন। তিনি আগের ম্যাচে দুই অঙ্কে যেতে পারেননি। পারলেন না আজও। দুই অঙ্কে যাওয়ার আগেই বিদায় নিলেন। তাও আবার সাইফউদ্দিনের ওই ওভারেই! ক্যাচ দিলেন উইকেটের পেছনে।

শুরুর ধাক্কাটা সাইফউদ্দিন এনে দিয়েছিলেন। এরপর মায়ার্স এলেন সামনে। তুলে নিলেন রনি তালুকদারকে। পাওয়ারপ্লে শেষের আগে তৃতীয় উইকেট খুইয়ে অকূল পাথারেই পড়ে যায় রংপুর। 

পাওয়ারপ্লেটা ২৬ রান তুলে শেষ করেছিল রংপুর। এরপর নিকলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গড়ায় মন দিয়েছিলেন জিমি নিশাম। তবে পুরান বিদায় নিলেন ওভার তিনেক পরই। মেহেদি হাসান মিরাজের করা ফ্লাইটেড ডেলিভারিটাকে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে মারতে চেয়েছিলেন। তবে তা শেষমেশ মিড অন পর্যন্তই নিতে পারলেন স্রেফ। ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন সৌম্য সরকারকে।

নিশাম একপাশে দাঁড়িয়ে সঙ্গীদের আসা যাওয়া দেখছিলেন। তবে নিশাম নিজেও খুব নিয়ন্ত্রিত ইনিংস খেলছিলেন না। ২৭ রানের ইনিংস খেলেছেন বটে, কিন্তু তাতে ভাগ্যের সহায়তা ছিল স্পষ্ট, শটের ওপর নিয়ন্ত্রণ ছিল মোটে ৪৭ শতাংশ! শেষমেশ তিনিও বিদায় নেন দশ ওভার পেরোনোর আগেই। জেমস ফুলারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বসেন তিনি। ৪৮ রান তুলতেই ইনিংসের অর্ধেক হাওয়া হয়ে যায় রংপুরের। 

 

;

টস জিতে বোলিংয়ে বরিশাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে টস ভাগ্যটা সঙ্গে দিয়েছে তামিম ইকবালের দল ফরচুন বরিশালকে। টস জিতে তামিম ব্যাট করতে পাঠালেন সাকিব আল হাসানের দল রংপুর রাইডার্সকে।

এই ম্যাচে দুই দল এসেছে পুরো বিপরীত ফর্ম নিয়ে। টানা দুই ম্যাচে হেরে আজ কোয়ালিফায়ার দুইয়ে এসেছে রংপুর। আর বরিশাল এসেছে টানা দুই ম্যাচ জিতে।

এমন এক ম্যাচে বরিশাল আস্থা রেখেছে তাদের উইনিং কম্বিনেশনের ওপর। এলিমিনেটরের দলটা নিয়েই আজ নেমেছে রংপুরের সামনে। 

বরিশাল একাদশ
তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, কাইল মায়ার্স, ডেভিড মিলার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জেমস ফুলার, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ওবেদ ম্যাককয়, তাইজুল ইসলাম।

রংপুর একাদশ
রনি তালুকদার, শামিম পাটোয়ারী, সাকিব আল হাসান, মেহেদি হাসান মিরাজ, জিমি নিশাম, নিকলাস পুরান, নুরুল হাসান বেয়ারস্টো, মোহাম্মদ নবী, আবু হায়দার রনি, হাসান মাহমুদ, ফজলহক ফারুকী

;

আইরিশ বোলারদের ‘টলারেন্সে’ ব্যর্থ আফগানরা



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার একমাত্র টেস্টটি শুরুর আগেই ঘটেছে মজার এক ঘটনা। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল নিরপক্ষে ভেন্যু আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। তবে ম্যাচ শুরুর একদম শেষ মুহূর্তে পাল্টে যায় ভেন্যু। আবুধাবি স্কুল স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে ম্যাচটি শুরু হয়েছে নতুন এক মাঠে। যার নামটিও এই ঘটনার মতো মজার, ‘টলারেন্স ওভাল’। এবং এই টলারেন্স ওভালেই আইরিশ বোলারদের টলারেন্সে পুরোদস্তুর ব্যর্থ আফগান ব্যাটাররা। 

এতে টেস্টের প্রথম দিনে চা বিরতির আগে পেসারদের তোপে স্রেফ ১৫৫ রানেই থেমেছে আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস। সেখানে ফাইফার তুলে নিয়েছেন মার্ক অ্যাডায়ার। 

এর আগে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহীদি। সেখানে শুরুতেই ধাক্কা খায় তারা। সপ্তম ওভারে দলীয় ১১ রানের মাথায় জোড়া আঘাত হানেন অ্যাডায়ার। সেই চাপ সামলে উঠার পথে একের পর ব্যর্থ ব্যাটারদের মধ্যে কেবল ফিফটি পেরোনো ইনিংস খেলেন ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান। ৫৩ রান করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। 

এছাড়া শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়া করিম জানাতের ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। এদিকে অ্যাডায়ারের পাঁচ উইকেট বাদে দুটি করে উইকেট নেন ক্রিইগ ইয়ং ও কার্টিস ক্যামফার। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১৫৫ (ইব্রাহিম ৫৩, জানাত ৪১*; অ্যাডায়ার ৫/৩৯, ক্যাম্ফার ২/১৩)

 

;