সিলেটের জয়ে শেষ বিপিএলের লিগ পর্ব



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা টাইগার্স বনাম সিলেট স্ট্রাইকার্স ম্যাচটি এককথায় ছিল ‘ডেড রাবার’। যার অর্থ টুর্নামেন্টের সমীকরণ বিবেচনায় গুরুত্বহীন ম্যাচ। কারণ দুই দলের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। সিলেট তো আগেই বিদায় নিয়েছিল, দিনের প্রথম ম্যাচে বরিশাল জেতায় খুলনারও বিপিএলের পাট চুকিয়ে যায়। এমন ম্যাচে সান্ত্বনার জয় পেয়েছে সিলেট। খুলনাকে তারা হারিয়েছে ৬ উইকেটে।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টসভাগ্য সঙ্গ দেয় সিলেটের। টস জিতে আগে খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান সিলেট অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু শুরুতেই শফিকুল ইসলামের বলে এনামুল হক বিজয় (১০) বোল্ড হয়ে গেলে বিপদ দেখে খুলনা।

তিনে নামা হাবিবুর রহমান সোহান এবং চার নম্বর ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় দলের স্বস্তির কারণ হতে পারেননি। বিজয়ের সঙ্গে ইনিংস শুরু করতে নামা আফিফ হোসেনই হয়ে ওঠেন দলের বড় ভরসা। অন্য প্রান্তের ব্যাটাররা সমর্থন দিতে না পারলেও একাই দলের রানের চাকা সচল রাখেন। খণ্ডকালীন বোলার নাজমুল হোসেন শান্তকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৩১ বলে ফিফটি করেন এই ব্যাটার।

তবে ফিফটির পর আর ইনিংসটিকে এগিয়ে নিতে পারেননি আফিফ। সামিট প্যাটেলের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিডউইকেটে ইয়াসির আলির হাতে ধরা পড়েন তিনি। আউট হয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ বলে ৩ চার এবং ৪ ছক্কা সহযোগে ৫২ রান।

৯৮ রানে প্রথম পাঁচ ব্যাটারকে হারানো খুলনা একশ ছাড়ায় ওয়েইন পারনেলের ১৪ বলে ২১ রানের ক্যামিওর কল্যাণে।

সিলেটের রান তাড়ার শুরুটাই হয় বড়সড় হোঁচট দিয়ে। প্রথম দুই ওভারে সাজঘরের পথ ধরে দলটির দুই ওপেনার জাকির হাসান (০) এবং কেনার লুইস (৫)। তবে তৃতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বির জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সিলেট। তাদের ৭০ রানের জুটি ভাঙেন আরিফ আহমেদ। তার বলে ব্যাকফুট পাঞ্চ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন শান্ত (৩৯)।

জেসন হোল্ডারের বলে নাহিদুল ইসলামের ক্যাচ হয়ে ৪৬ রানে থামেন রাব্বি। তবে দুই সেট ব্যাটারে খুব একটা বিপদে পড়তে হয়নি সিলেটকে। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন (১৯*) এবং অলরাউন্ডার বেনি হাওয়েল (১২*) মিলে ২ ওভার হাতে রেখেই তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।

   

‘কোচ’ জাভির লাল কার্ড এবারই প্রথম নয়



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পেশাদার ক্যারিয়ারে ২২ বছর আর আট শতাধিক ম্যাচে কখনো সরাসরি রেড কার্ড দেখেননি। যে দুই বার দেখেছেন দুইবারই দুইটা ইয়োলো কার্ড মিলে হয়েছিলো রেড। অথচ সেই জাভিই কিনা গত আট মাসে বার্সার ডাগ আউটে বসে কোচ হিসেবে দেখেছেন তিন রেড কার্ড। সবশেষটা ক্যাম্প ন্যুতে পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচের ৫৬ মিনিটে। 

খেলোয়াড়ি জীবনে মাত্র দুইবারই লাল কার্ড দেখেছেন বার্সা কিংবদন্তি। ২০০৮ সালের ৭ মে এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দুইটা হলুদ কার্ড দেখায় সিনিয়র স্টেইজে প্রথম লাল কার্ড দেখেন এই বার্সা স্টার।

পরের ঘটনা ২০১৮ এর এপ্রিলে। সেবার অবশ্য মাঠে ছিলেন না। কাতার কাপের ফাইনালে ডাগ আউটে ফেরার পর তর্কে জড়িয়ে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন। খানিক পরেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় সেটা হয় রেড কার্ড।

২০২৩ সালের আগস্টে গেটাফের বিপক্ষে ড্র এর দিনে মেজাজ হারিয়ে ম্যানেজার হিসেবে প্রথম লাল কার্ড দেখেন। ২০২৪ এর মার্চে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে দেখেন কোচিং ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় লাল কার্ড। আর সবশেষটা গতরাতেই।

;

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবেন নারাইন?



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে সর্বশেষ দেখা যায় সুনীল নারাইনকে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে দাপিয়ে বেড়ালেও দেশের হয়ে খেলায় কোনো আগ্রহ ছিল না তার। সতীর্থরা তাকে জাতীয় দলে ফেরার কথা বললেও কানে তুলতেন না। তবে আইপিএলে সেঞ্চুরি করার পর হঠাৎ জাতীয় দলে ফেরার আলোচনা নিজেই উসকে দিয়েছেন নারাইন!

ইডেন গার্ডেনে রাজস্থানের বিপক্ষে কলকাতার হয়ে সেঞ্চুরি করার পর ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের সঙ্গে আলাপের সময় নারাইন বলেন, ‘দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়।’

নারাইনকে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ফেরানোর জন্য দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা করছেন বলে জানান রাজস্থানে খেলা ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার রভম্যান পাওয়েল, ‘গত ১২ মাস ধরে এই কথা তাকে (নারাইনকে) বলছি, তবে সে কারো কথা কানে তোলেনি।’

গতকাল (মঙ্গলবার) ইডেন গার্ডেনে কলকাতার হয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন নারাইন। ৪৯ বলে পান তিন অঙ্কের দেখা। ৫৬ বলে ১৩ চার এবং ৬ ছক্কায় করেন ১০৯ রান।

তবে রাজস্থানের জস বাটলারের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে বিফলে যায় নারাইনের সেঞ্চুরি। ৬০ বলে ১০৭ রান করে রেকর্ড রাস্ন তাড়ায় জয় এনে দেন রাজস্থানকে।

;

পেশাদার ফুটবলে ফিরছেন ৫৮ বছর বয়সী রোমারিও 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

২০০৮ সালে সব ধরণের ফুটবলকে বিদায় বলেছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোমারিও। তবে সেই অবসর ভেঙেছিলেন পরের বছরই। প্রয়াত বাবার স্বপ্ন পূরণে সে সময় রিও ডি জেনিরোর ক্লাব আমেরিকা আরজের হয়ে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছিলেন ১৯৯৪ আসরের বিশ্বকাপজয়ী এই ফরোয়ার্ড। ১৫ বছর পর আবারও অবসর ভেঙে পেশাদার ফুটবলে ফিরতে চলেছেন তিনি। কারণটা অনেকটা আগেরবারের মতোই। বাবার পর এবার ছেলের স্বপ্ন পূরণে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। 

রোমারিও এখন সেই আমেরিকা আরজের ক্লাব সভাপতি। তার ছেলে রোমারিনিওকে গত মাসে দলে ভিড়িয়েছে ক্লাবটি। ৩০ বছর বয়সী এই ছেলের সঙ্গে খেলার স্বপ্ন পূরণ করতেই ক্লাবটির হয়ে রিও ডি জেনিরোর স্টেট ফুটবল লিগের দ্বিতীয় বিভাগের টুর্নামেন্টে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলবেন রোমারিও। 

বিষয়টি জানিয়েছেন রোমারিও নিজেই। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমার মাঠে ফেরায় চোখ রাখুন। পুরো চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আমার লক্ষ্য না। পছন্দের দল মেকাওয়ের (আমেরিকা ক্লাবের তকমা) হয়ে কিছু ম্যাচ খেলতে চাই। পাশাপাশি নিজের আরেকটি স্বপ্নও পূরণ করতে চাই, ছেলের সঙ্গে খেলতে চাই।’

ক্লাবটির সভাপতি হিসেবে আলাদাভাবে বেতনভুক্ত হলেও খেলোয়াড় হিসেবেও বাড়তি বেতন নেবেন রোমারিও। যদিও টা নামমাত্র। খেলোয়াড়দের চুক্তিনামায় বাধ্যতামূলকভাবে পারিশ্রমিকের অঙ্ক থাকতে হবে বিধায় বাড়তি বেতনে প্রসঙ্গ আসে। অবশ্য রোমারিও জানিয়েছেন বেতনের সেই অর্থ পরে ক্লাবকে ফিরিয়ে দেবেন তিনি। 

এক যুগের বেশি সময় পরে মাঠের খেলায় ফেরা নিয়ে নিজদেশের গণমাধ্যমেও কথা বলেছেন রোমারিও। সেখানে তিনি বলেন, ‘খুব কম অ্যাথলেট এবং ফুটবলারই নিজের ছেলের সঙ্গে খেলার স্বপ্নপূরণের সুযোগ পায়। আমার বয়স ৫৮ বছর হলেও এখনো বেশ ভালো বোধ করছি। খেলার জন্য নিজেকে যথেষ্ট যোগ্য বলেই মনে করি। এটা তার (ছেলের) জন্য বিস্ময় হয়ে এসেছে। সে বেশ খুশি। আশা করি, সর্বোচ্চ গোলদাতা বানাতে সে আমাকে বল পাস দেবে।’ 

এর আগে ২৩ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারে এক হাজারেরও বেশি গোল করেছেন রোমারিও। এবার সেই সংখ্যা হয়তো বাড়বে আরও খানিকটা। 

;

ইতিহাদের গেরো কাটবে রিয়ালের?



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘রাজা’ বলা হয় রিয়াল মাদ্রিদকে। একবার-দুইবার নয়, ১৪ বার এই শিরোপা উঠেছে তাদের হাতে। অথচ ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পাঁচবার খেলে এখনো জয় তাদের অধরা, সবশেষ তিন ম্যাচে তো হেরে ফিরতে হয়েছে। সেই ইতিহাদেই এবার সিটিজেনদের সঙ্গে সেমিতে যাওয়ার লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে তাদের।

ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে প্রথম লেগে ৩-৩ গোলে ড্র করে রিয়াল মাদ্রিদ। রোমাঞ্চকর সে ম্যাচ দর্শকদের বিনোদন উপহার দিলেও সব হিসাব-নিকাশ কিন্তু দ্বিতীয় লেগের জন্যই তোলা। যেহেতু এখন আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাওয়ে গোলের তাৎপর্য নেই, তাই সেমির টিকিট পেতে ইতিহাদে আবার প্রাণপণ লড়াই করতে হবে সিটি ও রিয়ালকে।

ইতিহাদে রেকর্ড সুখকর না হলেও সেটা নিয়ে ভাবছেন না রিয়াল কোচ আনচেলত্তি, ‘আগে কী হয়েছে তা আমাদের মনে নেই। আমরা শুধু সামনের ম্যাচ নিয়ে ভাবছি।’

রিয়ালকে সমীহ করলেও ম্যানচেস্টার সিটি টানা দ্বিতীয় ট্রেবল জয়ের স্বপ্নে বিভোর। প্রিমিয়ার লিগের শিরোপার দৌড়ে আর্সেনাল, লিভারপুলকে পেছনে ফেলে শীর্ষে তারা। এফএ কাপের সেমিফাইনালের টিকিট আগেই কাটা হয়ে গেছে। এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও শেষ চার তাদের হাতছানি দিচ্ছে।

তাই তো দলটির মিডফিল্ডার বার্নার্দো সিলভার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, ‘আমরা লিগ্যাসি তৈরি করতে চাই। টানা চার প্রিমিয়ার লিগ জিততে চাই, টানা দুই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং টানা দুই ট্রেবলও জিততে চাই।’

ম্যাচের আগে দুই দলের দুই মহাতারকা হালান্ড এবং বেলিংহ্যামের নাম ভিন্ন কারণে আসছে আলোচনায়। ফর্ম আর খেলার ধরন নিয়ে সম্প্রতি সমালোচনার মুখ পড়েছেন হালান্ড। দেশ এবং ক্লাবের হয়ে সবশেষ ২০ ম্যাচের ১৩টিতেই গোল পাননি। রিয়ালের বিপক্ষে সবশেষ তিন ম্যাচে তার কোনো গোল নেই। হতাশার এসব পরিসংখ্যান ঝেড়ে ইতিহাদে হালান্ডের দুর্ধর্ষ রূপে ফিরবেন এমনটা প্রত্যাশা সিটি ভক্তদের।

অন্যদিকে দারুণ ছন্দে থাকা বেলিংহ্যাম প্রথম সিজনেই রিয়ালের প্রাণভোমরা বনে গেছেন। রিয়ালের ইতিহাদ-গেরো কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে বিশ্বাস আনচেলত্তির, ‘বেলিংহ্যাম অত্যন্ত ভালো ফুটবলার। সামনের সময়ে রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হবে।’

আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১ টায় কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে ম্যান সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদ।

;