আসরের দ্রুততম ফিফটি ফ্রেজার-ম্যাগার্কের, তবুও বড় হার দিল্লির 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১২৫ রান! রেকর্ড বই এলোমেলো করে স্বীকৃত যেকোনো টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লের সর্বোচ্চ সংগ্রহের বিশ্বরেকর্ড গড়ে এদিন যেন দলীয় সংগ্রহ ৩০০-এর পথেই ছুটছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তবে ইনিংস মাঝে দিল্লি ক্যাপিটালসের স্পিনারদের নৈপুণ্যে শুরুর রান ঝড়ে কিছুটা হলেও কমে। তবুও শেষ পর্যন্তও স্কোরবোর্ডে ২৬৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় 'অরেঞ্জ আর্মি' খ্যাত দলটি। 

জবাব দিতে নেমে দিল্লির শুরুটাও ছিল বিধ্বংসী। ২২ বছর বয়সী তরুণ অজি ব্যাটার জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাগার্কের বিধ্বংসী ইনিংসে চড়ে ৮ ওভারেই ১৩১ রান তুলে ফেলে তারা। অর্থাৎ, প্রায় অর্ধেক রান। সেখানে স্রেফ ১৫ বলে ফিফটি হাঁকান ফ্রেজার-ম্যাগার্ক। যা চলমান আসরে সবচেয়ে দ্রুততম। ১৮ বলেই এই ডানহাতি ব্যাটার করেন ৬৫ রান। তবে তার ফেরার পর দিল্লিও যেন ফিরে গেল জয়ের পথ থেকে। ৩ উইকেটে ১৩১ থেকে ১৯৯ রানেই অলআউট! শুরুতে অবিশ্বাস্য কিছু করার ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত ৬৭ রানের বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দিল্লিকে। 

২৭৭ রানের পর ২৮৭। নিজেদের রেকর্ড চলতি আসরেই ভাঙে হায়দরাবাদ। এবারও চলেছিল আরও একবার সেই রেকর্ড ভাঙার পথেই। ৬ ওভার ১ বলে ১৩১ রান! সেখানে স্রেফ ২৬ বলে ৮৪ রান ব্যাট করছিলেন ট্রাভিস হেড এবং আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মা তো আরও বিধ্বংসী রুপে। ১১ বলে ৪৬ রানে! তবে পরের বলেই ফেরেন অভিষেক। রান ঝড়ের গতি কমার শুরু সেখানেই। সেখান থেকে ১৯ বলের মধ্যে দলীয় সংগ্রহ ১৫৪ রানে পৌঁছাতেই সাজঘরে আরও তিন ব্যাটার। 

অবশ্য রানের ছন্দ হারিয়ে যায়নি পুরোটাই। শেষ দিকে শাহবাজ আহমেদের ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে চড়ে ৭ উইকেটে ২৬৬ রানের সংগ্রহ পায় হায়দরাবাদ। 

এদিকে ঘরের মাঠে বিশাল এই রান তাড়ায় জিততে হলে রেকর্ডই করতে হতো দিল্লিকে। সর্বোচ্চ রান তাড়ায় রেকর্ড ২২৪ রানের। এবং দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৬২ রানের সংগ্রহ বেঙ্গালুরুর, এই হায়দরাবাদের বিপক্ষেই। সে ম্যাচেও ২৫ রানে হারতে হয় বেঙ্গালুরুকে। সব ছাপিয়ে জিততে হতো দিল্লিকে। সেখানে শুরুতেই দুই ওভারে দুই ওপেনার পৃথ্বী শ ও ডেভিড ওয়ার্নার ফিরলেও ফ্রেজার-ম্যাগার্কের তাণ্ডবে জয়ের স্বপ্ন বুনছিল স্বাগতিকরা। তবে সপ্তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১০৯ রানের মাথায় ফেরেন এই অজি ব্যাটার। ১৭ বলে ৬৫ রানের এই বিধ্বংসী ইনিংসে তিনি মারেন ৫টি চার ও ৭টি ছক্কা। 

ফ্রেজার-ম্যাগার্কের ফেরার পর আর কেউই ধরতে পারেননি ম্যাচের হাল। ১৯ ওভার ১ বলে দুইশ পেরোনোর আগেই (১৯৯ রানে) গুটিয়ে যায় রিশাভ পান্তের দল। সেখানে দিল্লির হয়ে নটরজন নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। 

এই জয়ে কলকাতা-চেন্নাইকে পেছেন ফেলে তালিকার দুইয়ে উঠে এলো হায়দরাবাদ। ৭ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে তারা। এদিকে ৮ ম্যাচের ৫টিতেই হেরে তালিকার সাতে নেমে গেছে দিল্লি। 

   

ধোনিদের বিদায় করে প্লে-অফে কোহলির বেঙ্গালুরু



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘এভাবেও ফিরে আসা যায়!’। লাইনটি যেন আইপিএলের আসরের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জন্যই বানানো। আসরের শুরুর আট ম্যাচে কেবল একটিতে জয়। শঙ্কা জেগেছিল সবার আগে আসর থেকে বিদায়ের। প্লে-অফের সমীকরণ তখন খাতা-কলমের হিসেবেই ছিল বেঙ্গালুরুর। সেখান থেকে শেষ চারের টিকিট কাটতে হলে জিততে হতো বাকি সব। এবং সেটিই করে দেখাল কোহলি-ডু প্লেসিরা। টানা ছয় ম্যাচ জিতে প্লে-অফের শেষ টিকিটটি নিশ্চিত করলো তারা। 

গতকালের ম্যাচটিতে চেন্নাই সুপার কিংসের সামনে বেঙ্গালুরু লক্ষ্যটা দাঁড় করায় ২১৯ রানের। তবে প্লে-অফে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করতে ২০ ওভারে চেন্নাইকে করতে হতো ২০১ রান। সেই লক্ষ্যে শেষ ওভারের আগের আসরের চ্যাম্পিয়নদের দরকার ছিল ১৭ রান। স্ট্রাইকে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। যশ দয়ালের প্রথম বলেই হাঁকালেন ছক্কা। তবে পরের বলে আরও এক ছক্কা মারতে গিয়ে আউত হন ধোনি। পরের জাদেজা-শার্দুলরা ৪ বলে ১১ রানের সমীকরণ মেলাতে পারলেন না। শেষ ৪ বলে দয়াল দিলেন স্রেফ ১ রান। এতে চেন্নাইয়ের সংগ্রহ থামে ১৯১ রানে। ২৭ রানে ম্যাচ জিতে নেট রান রেটের অঙ্ক মিলিয়ে শেষ চারে উঠে যায় বেঙ্গালুরু। 

ইনিংসের শুরুটা ধাক্কা দিয়েই হয়েছিল চেন্নাইয়ের। প্রথম বলেই অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান ম্যাক্সওয়েল। ক্যাচ নেন সেই দয়াল। জয়ের শুরুটা যেন এই বাঁহাতি পেসারকে দিয়েই। পরে দলীয় ১৯ রানের মাথায় চেন্নাইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ড্যারিল মিচেলের উইকেট এবার তোলেন দয়াল। শেষের আগেও তাই শুরুটাও যেন ছিল দয়ালময়। পরে রাচিন রবীন্দ্রর দলীয় সর্বোচ্চ ৬১, আজিঙ্কা রাহানের ৩৩, জাদেজার অপরাজিত ৪২ এবং ১৩ বলে ধোনির ২৫ রানের ইনিংসের প্রচেষ্টাতেও প্লে-অফের সমীকরণের ১০ রান আগে এসে থামল চেন্নাই। এতে আগের আসরের চ্যাম্পিয়নরা এবার বিদায় নিল গ্রুপপর্ব থেকেই। 

শুরুর ক্যাচ ছাড়া দয়াল নেন স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট। আগের আসরে তিনি খেলেছিলেন গুজরাট টাইটান্সের হয়ে। সেবার কলকাতার রিঙ্কু সিংয়ের কাছে টানা পাঁচ ছক্কা খেয়ে ম্যাচ হারিয়ে বেশ সমালোচিত হয়েছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। তবে এবার তার ওপর ভরসা রাখে বেঙ্গালুরু। এবং তার সবচেয়ে বড় প্রতিদান তিনি যেন দিলেন আসরের গ্রুপপর্বে নিজেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে।

;

প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ আজ



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা নির্ধারিত হবে আজ। যেখানে ভিন্ন ভিন্ন ম্যাচে লড়বে ম্যানচেস্টার সিটি ও আর্সেনাল। এ দুটি দলই আছে শিরোপার রেসে। এছাড়াও আইপিএলের লিগ পর্বের শেষ দিনও আজ।

আইপিএল
হায়দরাবাদ-পাঞ্জাব
বিকেল ৪টা, টি স্পোর্টস ও গাজী টিভি

রাজস্থান-কলকাতা
রাত ৮টা, টি স্পোর্টস ও গাজী টিভি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
ম্যান সিটি-ওয়েস্ট হাম
রাত ৯টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২, র‍্যাবিটহোল
আর্সেনাল-এভারটন
রাত ৯টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১, র‍্যাবিটহোল

লা লিগা
বার্সেলোনা-ভায়েকানো
রাত ১১টা, র‍্যাবিটহোল

ভিয়ারিয়াল-রিয়াল মাদ্রিদ
রাত ১১টা, র‍্যাবিটহোল

ফ্রেঞ্চ লিগ আঁ
মেস-পিএসজি
রাত ১টা, র‍্যাবিটহোল

;

মৌসুম সেরার পুরস্কার জিতলেন ফোডেন-পালমার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির ফিল ফোডেন। সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার উঠেছে চেলসির কোল পালমারের হাতে।

চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন ফোডেন। এখন পর্যন্ত ১৭ গোল করার পাশাপাশি ৮ গোল সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। চোটে আর অফ ফর্মে যখন সিটির অন্য ফুটবলার ভুগেছেন, তখন বহুবার দলের ত্রাতা হিসেবে হাজির হয়েছেন তিনি।

মৌসুমসেরা খেলোয়াড়ের খেতাব জিততে ফোডেন পেছনে ফেলেছেন ক্লাব সতীর্থ আর্লিং হালান্ড, আলেক্সান্দার আইসাক, মার্টিন ওডেগার্ড, কোল পালমার, ডেকলান রাইস, ভার্জিল ফন ডাইক ও ওলি ওয়াটকিন্সকে।

অন্যদিকে সেরা উদীয়মানের খেতাব জেতা কোল পালমার গোল এবং অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে ফোডেনের চেয়েও এগিয়ে। প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ২২ গোল করেছেন, করিয়েছেন আরো ১০ গোল। কিন্তু ফোডেনের দল সিটি যেখানে টানা চতুর্থবার শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে, সেখানে পয়েন্ট টেবিলে কিছুটা পিছিয়ে পালমারের দল চেলসি। অনেকটা সে কারণেই হয়ত মৌসুমসেরার পুরস্কার হাত ফসকে গেছে তার, সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে সেরা উদীয়মানের খেতাব নিয়ে।

;

মেসির মতো যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলবেন সাকিবও!



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লিওনেল মেসিকে নিয়ে সাকিব আল হাসানের পাগলামি একটু বেশিই। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে- একবার কোনো এক সাক্ষাৎকারে সাকিবকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, যদি চাঁদে চান তাহলে কাকে সঙ্গে নিতে চাইবেন? উত্তরে স্ত্রী শিশিরের নাম নেয়া যাবে না, সে শর্ত জুড়ে দেয়া ছিল। সাকিব উত্তর করেছিলেন, লিওনেল মেসি। 

সাকিবের মেসিপ্রীতি নতুন কিছু নয়। আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ের পর সাকিবকে ঢাকার রাস্তায় আনন্দে মেতে উঠতেও দেখা গিয়েছিলো। মেসির আর্জেন্টিনার কিংবা বার্সার জার্সি গায়ে দেওয়া ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অহরহ। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে ফুটবলে সবচাইতে পটু হিসেবে খ্যাতি রয়েছে তার।

এবার মেসির পথেই হাঁটছেন সাকিব। না, মেসির মতো ফুটবলার বনে যাচ্ছেন না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তবে দুজনের গন্তব্য কিছু সময়ের জন্য এক হয়ে যাচ্ছে। একজন আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন, আরেকজন আমেরিকায় আছেন বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে। তবে যে জায়গায় মিল সেটা ক্লাব।

দীর্ঘদিন কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলা সাকিব আল হাসান এবার খেলবেন, আমেরিকার মেজর লিগ ক্রিকেটের লস অ্যাঞ্জেলস নাইট রাইডার্সে। মেজর লিগ ক্রিকেটের (এমএলসি) দ্বিতীয় মৌসুমের জন্য শাহরুখ খানের দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সাকিব।

২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে হয়ে প্রথমবার আইপিএল খেলেন সাকিব। ২০১২ এবং ২০১৪ তে ভূমিকা রেখেছিলেন আইপিএল জয়ে। ২০১৭ পর্যন্ত ছিলেন কেকেআরে। ২০২১-এও দলকে নিয়েছিলেন ফাইনালে। সবশেষ ২০২৩ সালেও তাকে কিনেছিলো কেকেআর। যদিও পরে নাম প্রত্যাহার করেন৷

;