মেসির মতো যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলবেন সাকিবও!



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লিওনেল মেসিকে নিয়ে সাকিব আল হাসানের পাগলামি একটু বেশিই। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে- একবার কোনো এক সাক্ষাৎকারে সাকিবকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, যদি চাঁদে চান তাহলে কাকে সঙ্গে নিতে চাইবেন? উত্তরে স্ত্রী শিশিরের নাম নেয়া যাবে না, সে শর্ত জুড়ে দেয়া ছিল। সাকিব উত্তর করেছিলেন, লিওনেল মেসি। 

সাকিবের মেসিপ্রীতি নতুন কিছু নয়। আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ের পর সাকিবকে ঢাকার রাস্তায় আনন্দে মেতে উঠতেও দেখা গিয়েছিলো। মেসির আর্জেন্টিনার কিংবা বার্সার জার্সি গায়ে দেওয়া ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অহরহ। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে ফুটবলে সবচাইতে পটু হিসেবে খ্যাতি রয়েছে তার।

এবার মেসির পথেই হাঁটছেন সাকিব। না, মেসির মতো ফুটবলার বনে যাচ্ছেন না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তবে দুজনের গন্তব্য কিছু সময়ের জন্য এক হয়ে যাচ্ছে। একজন আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন, আরেকজন আমেরিকায় আছেন বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে। তবে যে জায়গায় মিল সেটা ক্লাব।

দীর্ঘদিন কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলা সাকিব আল হাসান এবার খেলবেন, আমেরিকার মেজর লিগ ক্রিকেটের লস অ্যাঞ্জেলস নাইট রাইডার্সে। মেজর লিগ ক্রিকেটের (এমএলসি) দ্বিতীয় মৌসুমের জন্য শাহরুখ খানের দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সাকিব।

২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে হয়ে প্রথমবার আইপিএল খেলেন সাকিব। ২০১২ এবং ২০১৪ তে ভূমিকা রেখেছিলেন আইপিএল জয়ে। ২০১৭ পর্যন্ত ছিলেন কেকেআরে। ২০২১-এও দলকে নিয়েছিলেন ফাইনালে। সবশেষ ২০২৩ সালেও তাকে কিনেছিলো কেকেআর। যদিও পরে নাম প্রত্যাহার করেন৷

   

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যাচের ভাগ্যটা দুলছিল পেন্ডুলামের মতো করে। শেষ ওভারে তিনটি সম্ভাব্য ফলাফলই খোলা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা আর ইংল্যান্ডের সামনে। শেষমেশ এই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ হাসিটা হেসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে ৭ রানে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ইংলিশদের সামনে লক্ষ্যটা ছুঁড়ে দিয়েছিল ১৬৪ রানের। সে মোমেন্টামটা অবশ্য কাজে লাগাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদেরকে সেটা করতে দেননি প্রোটিয়া বোলাররা। রাবাদার শিকার হয়ে ফিল সল্ট পাওয়ারপ্লেতেই বিদায় নেন। ৬ ওভার শেষে দলটা তুলতে পারে ৪১ রান। স্কোরবোর্ডটা ১০ ওভার শেষে জানান দিচ্ছিল ইংলিশদের রান ৬০, তিন উইকেটের বিনিময়ে। শুরুর চাপটা মাঝের ওভারে বাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এ সময় কেশভ মহারাজ ৮ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ফেরান ডেঞ্জারম্যান জস বাটলার আর জনি বেয়ারস্টোকে।

১১তম ওভারে মইন আলীও যখন বিদায় নিলেন, তখন ইংলিশরা তখন রীতিমতো ধুঁকছে। এরপরই প্রতি আক্রমণ শুরু করেন হ্যারি ব্রুক। সঙ্গী হিসেবে পান লিয়াম লিভিংস্টোনকে। দুজন মিলে ৭ ওভারে দলকে এনে দেন ৭৮ রান। তার মধ্যে বার্টম্যানের ওই ওভারটাও আছে।

তবে এরপরই দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে ফেরে লিভিংস্টোনকে ফিরিয়ে। ১৭ বলে ৩৩ রান করে রাবাদার বলে ফেরেন তিনি। পরের দুই ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ২১ রান। কিন্তু মার্কো ইয়ানসেন ১৯তম ওভারে দিয়ে যান মোটে ৭ রান। শেষ ওভারের চাপটা হ্যারি ব্রুক আর নিতে পারেননি। ৩৭ বলে ৫৩ রান করা ব্রুক ফেরেন আনরিখ নরকিয়ার প্রথম বলেই। এরপর স্যাম কারান একটা চার মেরে আশা জাগিয়েছিলেন ইংল্যান্ড শিবিরে। তবে ওভারের পঞ্চম বল ডট দিয়ে সে আশা ধুলোয় মিশিয়ে দেন নরকিয়া। স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইটা শেষমেশ ৭ রানে জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা।

এর আগে টস জিতে ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ওপেনার কুইন্টন ডি কক যেভাবে শুরু করেছিলেন, তাতে প্রোটিয়ারা বড় রানই দেখতে পাচ্ছিল। পাওয়ারপ্লেতে তুলে ফেলেছিল ৬৩ রান। ডি কক নিজে ২২ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন, করে ফেলেন এবারের বিশ্বকাপে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড।

তবে তার পাশে রিজা হেনড্রিকস অবশ্য বেশ ম্লানই ছিলেন ১৯ রান করতে খেলেছেন ২৫ বল। তাকে দিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার পিছিয়ে পড়ার শুরু। মইন আলীর বলে তিনি বিদায় নেওয়ার এক ওভার পরই ডি কক ফেরেন ৩৮ বলে ৬৫ রান করে।

এরপর থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাটাররা স্রেফ আসা যাওয়ার মিছিল করেছেন। বিরুদ্ধ স্রোতে দাঁড়িয়ে ২৮ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন ডেভিড মিলার। মূলত তার ইনিংসে ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকা শেষমেশ ১৬৩ রানের পুঁজি নিয়ে ইনিংস শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। বোলারদের কল্যাণে সে পুঁজিটা সামলে নেয় প্রোটিয়ারা। টানা ৬ষ্ঠ জয় তুলে নিয়ে চলে যায় সেমিফাইনালের হাতছোঁয়া দূরত্বে।

;

দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৬৩ রানে বেধে রাখল ইংল্যান্ড

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফায়ার অ্যান্ড আইস। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসটাকে এভাবে বলে দিলেও মিলে যায় বেশ। আগুনে শুরুর পর শেষটা হলো বড্ড ম্লান। দারুণ শুরুর পর তাদেরকে ১৬৩ রানে বেধে ফেলেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।

দুই দলই সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে। ইংল্যান্ড হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে, আর দক্ষিণ আফ্রিকা যুক্তরাষ্ট্রকে। ফলে এই ম্যাচে দুই দলের সামনেই সমীকরণ এক। জয় মানেই শেষ চারের আরও কাছে চলে যাওয়া। 

সে ম্যাচে টস জিতে ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ওপেনার কুইন্টন ডি কক যেভাবে শুরু করেছিলেন, তাতে প্রোটিয়ারা বড় রানই দেখতে পাচ্ছিল। পাওয়ারপ্লেতে তুলে ফেলেছিল ৬৩ রান। ডি কক নিজে ২২ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন, করে ফেলেন এবারের বিশ্বকাপে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। 

তবে তার পাশে রিজা হেনড্রিকস অবশ্য বেশ ম্লানই ছিলেন ১৯ রান করতে খেলেছেন ২৫ বল। তাকে দিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার পিছিয়ে পড়ার শুরু। মইন আলীর বলে তিনি বিদায় নেওয়ার এক ওভার পরই ডি কক ফেরেন ৩৮ বলে ৬৫ রান করে। 

এরপর থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাটাররা স্রেফ আসা যাওয়ার মিছিল করেছেন। বিরুদ্ধ স্রোতে দাঁড়িয়ে ২৮ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন ডেভিড মিলার। মূলত তার ইনিংসে ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকা শেষমেশ ১৬৩ রানের পুঁজি নিয়ে ইনিংস শেষ করে। জফরা আর্চার নেন ৩ উইকেট, মইন আলী আর আদিল রশিদ মিলে নেন ১টি করে উইকেট। 

;

বেঙ্গালুরু ট্র্যাজেডি ভুলিয়ে দিতে পারবে তো বাংলাদেশ?

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সেদিন তিন বলে দুই রান নিতে পারলে আজ হয়তো এই গল্পটা আক্ষেপের নয়, বরং প্রাপ্তি আর অনুপ্রেরণার হতে পারতো। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী বাংলাদেশকে আর কিছু উপহার দেক বা না দেক, আজীবন আক্ষেপ করার মতো একটা ট্র্যাজেডির সাক্ষী করে রেখেছে। ভারতের বিপক্ষে হয়তো একদিন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হেসেখেলে জিতবে কিংবা বিশ্বকাপের মূল পর্বে জয় নিয়মিতই হয়তো পাবে, তবে এক রানে হারের সেই ক্ষত কি কোনো ভাবে শুকানো সম্ভব?

বিশ্বকাপে আবারও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ এলেই যে স্মৃতিগুলো বা যে ম্যাচগুলো নিয়ে আলোচনা থাকে অনেক বেশি, সেখানে এই ম্যাচটা থাকে আলোচনার হটকেক হিসেবেই। যে ম্যাচটা এখনও আক্ষেপে পোড়ায় কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তকে।

মহেন্দ্র সিং ধোনি সেদিন রানআউট না করলে গল্পটা ভিন্ন হতে পারতো। খাদের কিনারা থেকে টেনে আনা মুশফিক না হয় ভুল করেছেন। কিন্তু রিয়াদ যেটা করলেন সেটাকে বাচ্চাসুলভ না বলে উপায় নেই। এবারও টাইগার ব্যাটিং লাইন আপের সেই জায়গাটায় নর্থ সাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবেন রিয়াদ। চাইবেন সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করতে। কারণ সেমিতে যেতে হলে সেটার বিকল্প নেই।

শুধু রিয়াদই নন। সেবারের একাদশের সাকিব-মুস্তাফিজ-সৌম্যদের মাঝে এবার শুধুমাত্র সৌম্যকে নিয়ে সংশয়। ফর্মের কারণে একাদশে জায়গা হচ্ছে না। সাকিব আছেন একই সমস্যায়। মুস্তফিজ সেই আগের মতোই ছন্দে। দ্য ফিজ তথা বোলিং অ্যাটাকের মোট ব্যাটাররাও জ্বলে উঠলে হয়তো ব্যাঙ্গালুরু ট্র্যাজেডির আক্ষেপ কিছুটা হলেও কমবে।

আগের চার দেখায় একটাও জেতেনি লাল সবুজ। এবার সেই আক্ষেপ মেটাতে পারবেন তো সাকিব-রিয়াদরা? সেই প্রশ্নের উত্তরটা জানা যাবে আগামীকাল রাত সাড়ে ৮ টায় সুপার এইটের ম্যাচে বাংলাদেশ-ভারত মুখোমুখি হলেই।

;

হ্যাটট্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলেন কামিন্স!



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিকেটে ছক্কা কিংবা চারের হ্যাটট্রিক হরহামেশাই দেখা গেলেও উইকেটের হ্যাটট্রিক হাতে গোনা। সেই হাতে গোনাদের কাতারেই এবার নাম লিখিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার প্যাট কামিন্স। দ্বিতীয় অজি ও সপ্তম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করার কীর্তি গড়েছেন তিনি। অথচ, এমন কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন যেই বলে সেই বলটি করার আগ পর্যন্ত; এমন রেকর্ড গড়তে পারেন তা মনেই ছিল না তার। ভুলে গেছেন হ্যাটট্রিক বল এটা! কামিন্স বলেছেন সেই গল্পই।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে ইনিংসের ১৮তম ওভারের শেষ দুটি বলে পরপর মাহমুদউল্লাহ ও মেহেদী হাসানকে আউট করেন কামিন্স। এরপর ২০তম ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরান দারুণ ছন্দে থাকা তাওহীদ হৃদয়কে। যার সুবাদে হ্যাটট্রিক পূরণ হয় কামিন্সের হ্যাটট্রিক।

যা তাকে নিয়ে গেছে হ্যাটট্রিক করা বোলারদের অভিজাত ক্লাবে। নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক করে চতুর্থ অজি বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতি এই কীর্তি গড়েছেন কামিন্স। এবারের বিশ্বকাপে যা প্রথম। অথচ, এমন কীর্তি গড়ার বিষয়টি ভুলেই বসেছিলেন কামিন্স। তাই আলাদা করে বাড়তি গুরুত্ব ছিল না এই বলটি করা নিয়ে। কিংবা হ্যাটট্রিকের দেখা পেতে ফিল্ডিং সেট করা নিয়ে।

নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক নিয়ে কামিন্স ম্যাচশেষে বলেন, ‘জুনিয়র পর্যায়ে আমার কয়েকটি হ্যাটট্রিক ছিল কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কখনও এটা পাওয়া হয়নি। টি-টোয়েন্টিতে অ্যাগার ও এলিসদের ক্লাবে নাম লেখাতে পেরে খুশি। ছেলেরা আমাকে তাদের ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছে। তবে বেশি ভালো লেগেছে খেলাটি জিততে পেরে। তাছাড়া আমাদের নেট রান রেটও বেশ ইতিবাচক।’

এমন কথার পর সংবাদ সম্মেলনে এসেও হ্যাটট্রিক নিয়ে কথা বলেছেন কামিন্স। হ্যাটট্রিক নিয়ে সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে জানতাম না যে আমি হ্যাটট্রিক করেছি। কারণ যখন আগের ওভারটি করেছি তখন স্ক্রিনে ভেসে উঠেছিল। কিন্তু যখন আমার পরের ওভারটি আসে তখন আমি হ্যাটট্রিকের বিষয়টি পুরোপুরি ভুলে গিয়েছিলাম। পরে যখন মার্কাস স্টয়নিস দৌড়ে এসে উল্লাস শুরু করল; তখন বিষয়টি মাথায় আসে, ওহ এটা তো ভুলেই গিয়েছিলাম। যা হোক চমৎকার অনুভূতি এটা।’

;