দেশের আইসিটি খাতে সম্ভাবনার সঞ্চারণে হাত মেলালো হুয়াওয়ে ও বুয়েট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দেশের আইসিটি খাতে সম্ভাবনার সঞ্চারণে হাত মেলালো হুয়াওয়ে ও বুয়েট

দেশের আইসিটি খাতে সম্ভাবনার সঞ্চারণে হাত মেলালো হুয়াওয়ে ও বুয়েট

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী দুই বছরে বিশ্ব আইসিটি ক্ষেত্রে সাত লাখেরও বেশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। আর দশ বছরের মধ্যে এই খাতের ব্যাপক সম্প্রসারণের ফলে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় সাত কোটি পেশাদার আইসিটি কর্মীর ঘাটতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ আইসিটি শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্ব পেশাবাজারে নিজেদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জায়গা করে নিতে পারে সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে এক হয়ে বিশেষ আইসিটি একাডেমি পরিচালনা করতে চায় হুয়াওয়ে।

সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) প্রথম আইসিটি একাডেমি স্থাপন করতে যাচ্ছে হুয়াওয়ে ও বুয়েট। আজ এই উদ্দেশ্যে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বুয়েট কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট লিনঝিজুন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর সত্য প্রসাদ মজুমদার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিওও তাও গুয়াংইয়াও। আরও উপস্থিত ছিলেন হুয়াওয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও বুয়েটের শিক্ষকবৃন্দ।

চলতি বছরের এপ্রিলের মধ্যে বুয়েট একাডেমিক ভবনে তৈরি হবে এই বিশেষ ট্রেনিং সেন্টার যেখানে কারিগরি প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশ নিশ্চিত করা হবে। সাথে থাকবে কানেক্টিভিটি যার মাধ্যমে সারা বিশ্বের ১,২০০ এরও বেশি প্রশিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ পাবেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর ৮৩টি সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম থাকবে এখানে। আর এই কোর্স এবং সার্টিফিকেশন সমন্বয় করবে হুয়াওয়ে অথরাইজড ইনফরমেশন এণ্ড নেটওয়ার্ক একাডেমি (এইচএআইএনএ) যা মুলত: এই হুয়াওয়ে- বুয়েট আইসিটি একাডেমি ।

এই আইসিটি একাডেমি থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের কৃতিত্বের ওপর ভিত্তি করে তিন ধরনের গ্রেড যেমন- অ্যাসোসিয়েট, প্রফেশনাল ও এক্সপার্ট; সার্টিফিকেট পাবেন। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারের জন্য নিজেদের উপযুক্ত করে তৈরি করতে পারবেন এবং সবশেষে তাদের জন্য জব ফেয়ারেরও আয়োজন করা হবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, যে কোন দেশের অগ্রগতির জন্য শিক্ষা, বিশেষত: আইসিটি শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি। বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা বেশ অনেকদিন থেকেই বিশ্বে আমাদের নাম উজ্জ্বল করে চলেছে। কিন্তু এখনও অনেক দূর যেতে হবে আমাদের। এই যাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে হুয়াওয়ে এবং বুয়েট যে পদক্ষেপ নিতে চলেছে তা অনেক আশাব্যাঞ্জক। আমাদের সামনে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন রয়েছে, তা পূরণ করতে বুয়েটের মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। আর আমার খুব ভালো লাগবে যখন আমাদের ছেলেমেয়েরা শুধু আমাদের দেশের জন্য নয় বরং সারা পৃথিবীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

বুয়েটের উপাচার্য ডক্টর সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, বিশ্বব্যাপী হুয়াওয়ে একটি বিশ্বস্ত নাম। তাই, আইসিটি একাডেমি তৈরির উদ্যোগ এবং এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এই প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। ইতিপূর্বে আমরা জিএসএম ল্যাব প্রতিষ্ঠাকালে হুয়াওয়ের কাছ থেকে যে আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছিলাম, তা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের সুশিক্ষার জন্য বেশ ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করেছিল। আসন্ন ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণে হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমির মত একটি প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে আমাদেরকে বিপুল চালিকাশক্তি জোগাবে। বিগত দশকগুলোতে পাঠদানের ক্ষেত্রে বুয়েট যে গুণগত মান ধরে রেখেছে তার সাথে এই উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিওও তাও গুয়াংইয়াওবলেন, তরুণদের কর্মদক্ষতার উন্নয়ন না ঘটলে একটি দেশ উপকৃত হতে পারে না। উন্মুক্ত বৈশ্বিক শিক্ষার সুযোগ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনেক প্রয়োজন। এই সুযোগ তাদের চিন্তাশক্তিকে বাড়িয়ে তোলে অনেক গুণ। আইসিটি ক্ষেত্র যখন প্রতি মুহূর্তেই নতুন নতুন আবিষ্কার নিয়ে আবির্ভাব হচ্ছে তখন এর সাথে আরও এক হয়ে সমাজের জন্য নতুন উপযোগিতা তৈরি করতে হবে। গত ২২ বছর ধরে আমরা বাংলাদেশের আইসিটি ক্ষেত্রের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। পাশাপাশি আমরা চাই এদেশের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করুক এবং আমরা একসাথে এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি। তাই মূলতঃ আমাদের এই হুয়াওয়ে-বুয়েট আইসিটি অ্যাকাডেমি স্থাপন করা।

অলাভজনক শিক্ষা প্রোগ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এই একাডেমিটি দু’টি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করবে। এর মধ্যে একটি হলো আইসিটি খাতের চাহিদা পূরণে ট্রেনিং ও লার্নিং সল্যুশন প্রদান করা; অন্যটি হলো আইসিটি খাতের জন্য একটি ট্যালেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরি করা।

সারা বিশ্বে এরকম ৯০০টিরও বেশি আই সিটি একাডেমি স্তাপনের পরিকল্পনা রয়েছে হুয়াওয়ের এবং প্রতি বছর এই একাডেমিগুলো থেকে ৪৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী বের হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বুয়েট থেকে ২৫০ জন শিক্ষার্থী এই ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণ করবে। এই পর্যন্ত পাকিস্তান, জাম্বিয়া ও চীনসহ আরও বেশ কিছু দেশে এই একাডেমি কার্যক্রম শুরু করেছে।

ইনফিনিক্সের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালু হলো যমুনা ফিউচার পার্কে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশে ইনফিনিক্সের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালু হলো যমুনা ফিউচার পার্কে

বাংলাদেশে ইনফিনিক্সের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালু হলো যমুনা ফিউচার পার্কে

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে তুমুল জনপ্রিয় স্মার্টফোন কোম্পানি ইনফিনিক্স সম্প্রতি রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে ব্র্যান্ডটির প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালু করেছে। নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোর শপিংমলের ইলেকট্রনিক্স ফ্লোরের সাউথ কোর্টে অবস্থিত।

ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইনফিনিক্স বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তানজিন তিশা। আরো উপস্থিত ছিলেন চিফ অপারেটিং অফিসার শ্যামল কুমার সাহা, ট্রানসিওন হোল্ডিংস এর মার্কেটিং ডিরেক্টর ভ্যান নি, যমুনা গ্রুপের মার্কেটিং এন্ড সেলস ডিরেক্টর ড. মোঃ আলমগীর আলম, ইনফিনিক্স মার্কেটিং ম্যানেজার মেনগুয়ান ওয়াং, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ জাহিদুর রহমান, এসআই ম্যানেজার ইমরান খান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার ইফতেখার উদ্দিন সানি এবং পিআর ম্যানেজার তেহসিন মুসাভি।

ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও অতিথিরা ফিতা কেটে ফ্ল্যাটশিপ স্টোরটি উন্মোচন করেন; এছাড়া কেক কাটা এবং অন্যান্য আয়োজনও ছিল অনুষ্ঠানে। ইনফিনিক্সের স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে স্মার্টফোনপ্রেমীরা স্টোরে ভিড় জমান ও ব্র্যান্ডটির বিভিন্ন ডিভাইস সম্পর্কে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া, স্টোরটি উন্মোচন উপলক্ষে ইনফিনিক্সভক্তদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারা অভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে দেখা করেন ও সেলফি তোলেন। ইনফিনিক্সের নতুন এই যাত্রায় সঙ্গী হতে পেরে তারা খুবই রোমাঞ্চিত ছিলেন! 

ইনফিনিক্সের স্টোর চালু হওয়ার জমকালো এই শুরুতেই গ্রাহকদের বিভিন্ন আকর্ষণীয় গিফট ও উপহার প্রদান করা হয়।

ইনফিনিক্স সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিত্যনতুন ও অভিনব সব উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রযুক্তিতে অবদান রেখে চলেছে। ব্র্যান্ডটি সম্প্রতি ১৮০ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এবং থ্রি-ডি ভ্যাপর লিকুইড কুলিং টেকনোলজির মাধ্যমে টেকপ্রেমীদের মনোযোগ কেড়েছে। অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর সম্বলিত হেলিও জি৯৬ ও হেলিও জি৮৮ ভার্সনের ইনফিনিক্সের নোট ১২ সিরিজের স্মার্টফোন ঘিরে ইতোমধ্যে দেশের তরুণদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ও তারা স্মার্টফোনটি সম্পর্কে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিজেদের ইতিবাচক মতামত তুলে ধরছেন।

;

জানুয়ারির মধ্যে ফাইভ-জির হোম নেটওয়র্ক চালু হবে: মোস্তাফা জব্বার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জানুয়ারির মধ্যে ফাইভ-জির হোম নেটওয়র্ক চালু হবে: মোস্তাফা জব্বার

জানুয়ারির মধ্যে ফাইভ-জির হোম নেটওয়র্ক চালু হবে: মোস্তাফা জব্বার

  • Font increase
  • Font Decrease

বিটিআরসি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রণয়ন করতে যাওয়া ডিজিটাল, সোশ্যাল মিডিয়া ও ওটিটি প্লাটফর্ম বিষয়ক নীতিমালা দুটিকে শিল্পবান্ধব করার দাবি জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

শনিবার এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত রেগুলেশন অব ডিজিটাল, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যান্ড ওটিটি প্ল্যাটফর্মস : দ্য নিড টু স্ট্রাইক দ্য রাইট ব্যালান্স শীর্ষক সেমিনারে তারা এ দাবি জানান।

সেমিনারে উদ্যোক্তারা বলেন, তথ্য প্রযুক্তির যুগে নিউ মিডিয়া অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নতুন সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনেক উদ্যোক্তা এই সৃষ্টিশীল খাতে বিনিয়োগ করছেন। নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে। একই সাথে দেশীয় সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে সোশ্যাল ও ডিজিটাল মিডিয়া এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো ভূমিকা রাখছে। তাই সরকারের নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালাগুলো এ খাতের বিকাশে সহযোগীতামূলক হওয়া জরুরি। একই বিষয়ে দুটি ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রনালয়ের ভিন্ন নীতিমালার কারণে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হওয়ার শঙ্কা করেন বক্তারা।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান, এ সংক্রান্ত নীতিমালার খসড়া সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সাথে আলোচনা করেই প্রস্তুত করা হয়েছে। তারপরও সবার মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন, পরিবর্ধন করে চুড়ান্ত নীতিমালা তৈরির আশ্বাস দেন মন্ত্রী। দুই মন্ত্রণালয়ের একই বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, টেলিভিশন, রেডিওসহ সম্প্রচার মাধ্যমগুলো তদারকির দায়িত্ব তথ্যমন্ত্রণালয়ের। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়াসহ ইন্টারনেটভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মসহ অন্যান্য মাধ্যমের দায়িত্ব ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের। তাই দুটো ভিন্ন এখতিয়ারভুক্ত হওয়ায় দুই মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালার প্রয়োজন রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ফেসুবক, ইউটিউব যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্ষাপটে তৈরি কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে। বাংলাদেশের বাস্তবতার সাথে সেগুলোর কোন কোন ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য নেই। তাই এসব প্ল্যাটফর্মে নিরাপদ কনটেন্ট নিশ্চিত করার জন্য এই নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।

সরকার বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রবিরোধী ও সংবিধানবিরোধী কোন কার্যক্রম মেনে নেয়া হবে না।

মন্ত্রী জানান, আগামী জানুয়ারির মধ্যে দেশে ফাইভজির হোম নেটওয়র্ক চালু হবে। যার মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন করা যাবে। বিশ্ব এখন ৪র্থ শিল্পবিপ্লব পার হয়ে ৫ম শিল্পবিপ্লবের দিকে এগোচ্ছে মন্তব্য করে ব্যবসায়ীদের আগামীদিনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন পিএএ জানান আদালতের নির্দেশেই দুটি মন্ত্রণালয় তার নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালার খসড়া প্রস্তত করেছে। তাই নীতিমালা দুটি সাংঘর্ষিক হবার কোন সুযোগ নেই।

এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন নীতিমালার কারণে যেন নতুন এই সম্ভাবনাময় শিল্পের বিকাশ সংকুচিত না হয়ে যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়াও  বিটিআরসি ও তথ্য মন্ত্রণালয় কোন কোন বিষয় তদারকি করবে সে বিষয়গুলো সুস্পষ্ট করার তাগিদ দেন সভাপতি। তিনি বলেন, দেশে ডিজিটাল যেসব সুযোগ তৈরি হয়েছে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার আহ্বান জানান মোঃ জসিম উদ্দিন। একই সাথে ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও তাগিদ দেন তিনি।

এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু কোভিড মহামারীকালীন তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষাসহ সব ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। মূল প্রবন্ধে খসড়া নীতিমালায় শাস্তির বিধানকে কমানো, নেট নিউট্রালিটি নিশ্চিত করা এবং প্ল্যাটফর্মগুলোর নিজস্ব ও সরকারি নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় আনার সুপারিশ করা হয়।

প্যানেল আলোচনায় এফবিসিসিআই’র পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবির জানান, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের বৈশ্বিক বাজারের আকার ১৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৭ সালা নাগাদ ২৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। এমন সম্ভাবনাময় বাজারের বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে শিল্পবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ণের আহ্বান জানান তিনি।

বিটিআরসির মহাপরিচালক (সিস্টেম ও সার্ভিসেস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ নাসিম পারভেজ জানান, দায়িত্বের সাথে ব্যবসা নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত নীতিমালা প্রস্তত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ফেসবুক, টিকটকসহ ৬১টি সংস্থার মতামতের ভিত্তিতে নীতিমালার খসড়া তৈরি করেছে সংস্থাটি। ভারত, নিউজিল্যান্ডের নীতিমালাও যাচাই করে দেখা হয়েছে। যে কোন ডিজিটাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো বিটিআরসি বিনামূল্যে নিবন্ধন করতে পারবে বলে জানান বিটিআরসির (সিস্টম ও সার্ভিসেস) মহাপরিচালক।

কোভিড মহামারি উত্তর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সময়ে নতুন নীতিমালার অর্থনৈতিক প্রভাব যাচাই করে তা কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছেন এশিয়া ইন্টারনেট কোয়ালিশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেফ পেইন

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশের আগে যাচাইযোগ্য কনটেন্ট এবং যেগুলো যাচাইযোগ্য নয়, এমন কনটেন্টের জন্য আলাদা নীতিমালার দাবি করেন ফেসবুকের মুল কোম্পানি মেটার পাবলিক পলিসি বাংলাদেশের প্রধান শাবনাজ রশিদ দিয়া।

;

ইভ্যালি নতুন করে চালু করতে আবেদন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইভ্যালি নতুন করে চালু করতে আবেদন

ইভ্যালি নতুন করে চালু করতে আবেদন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিতর্কিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ইভ্যালির ব্যবসা আবার শুরুর অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলমের আদালতে করা আবেদনটিতে তিনি বলেছেন, তারা বিনিয়োগকারী খুঁজে পেয়েছেন এবং নিজেরাই কোম্পানিটি পরিচালনা করতে চান।

তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম জানান, পুনরায় ব্যবসা শুরুর পর ইভ্যালির গ্রাহক ও বিক্রেতাদের পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শামীমা।

বুধবার এই আবেদনের ওপর শুনানি হয়। তবে আদালত কোনো আদেশ দেননি।

বাংলাদেশে আমাজন ও আলিবাবার মতো প্লাটফর্ম তৈরির স্বপ্নের কথা বলে ২০১৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে ইভ্যালি। শুরুতেই গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে তিনি চালু করেন ক্যাশব্যাক অফার। এ অফারের আওতায় পণ্যভেদে ১০ শতাংশ থেকে শুরু করে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতেন গ্রাহকরা।

লোভনীয় অফারের টোপ দিয়ে গ্রাহকের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের দায়ে গেল বছরের সেপ্টেম্বরে গ্রাহকের মামলায় গ্রেফতার করা হয় ইভ্যালির কর্ণধার মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে।

ওই বছরের ১৮ অক্টোবর ইভ্যালি পরিচালনার জন্য আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বোর্ড গঠন করেন।

গত ২১ এপ্রিল চেক প্রতারণার ৯ মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলকে জামিন দেন আদালত। ওই দিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিন পান তিনি। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় কারামুক্ত হতে পারেননি রাসেল। শামীমা নাসরিন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

;

বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জমকালো পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে অংশীদার ও অংশীজনদের সাথে নিজেদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ট্রাভেল এজেন্ট (ওটিএ) শেয়ারট্রিপ। সম্প্রতি রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শেয়ারট্রিপ এর ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পর্কিত অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২০-২০২১ সালে সার্বিক সহায়তা ও নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য সৌহার্দ্যপূর্ণ আংশিদারিত্বের প্রতীক স্বরূপ পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করেছে। পর্যটন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থেকে শেয়ারট্রিপ প্রথমবারের মতো এর সাপ্লায়ার এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের পুরস্কৃত করে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কাশেফ রহমান।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ এর অংশীদার প্রতিষ্ঠানদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি জানাতে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার প্রদান করে, যেমন: এক্সেমপ্লারি পারফর্মিং এয়ারলাইন ইন সাউথ এশিয়া, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, আমেরিকাস, ইউরোপ, ওশেনিয়া, মিডল ইস্ট ও সেন্ট্রাল এশিয়া, এশিয়া রিজিওনস এবং বাংলাদেশ, লিডিং ক্যাম্পেইন পার্টনার, লিডিং ট্র্যানজ্যাকশন পার্টনার, বেস্ট কমার্শিয়াল পার্টনার, বেস্ট পারফর্মিং এজেন্ট সহ আরও অন্যান্য অনেক বিভাগ। এছাড়াও, গ্রাহকদের পছন্দ জানার জন্য, তিন দিনব্যাপী পরিচালিত এক জরিপের দশ হাজারেরও বেশি মতামতের ভিত্তিতে শেয়ারট্রিপ পিপল’স চয়েস এয়ারলাইন এবং পিপল’স চয়েস হোটেল খাতে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। 

আইসিটি বিভাগের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এ ওটিএ প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে এবং শেয়ারট্রিপ-ই দেশের প্রথম পর্যটন খাতে বিনিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পর্যটন খাতের সকল ক্ষেত্রে এ ওটিএ যাতে এগিয়ে যেতে পারে, তাই শেয়ারট্রিপে কৌশলগত এ বিনিয়োগ করা হয়। পর্যটন খাতে একটি প্রভাবশালী ভূমিকা পালনের এবং এর অগ্রগতিকে আরও ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের প্রতিষ্ঠান শেয়ারট্রিপে বিনিয়োগ করেছে। শেয়ারট্রিপের লক্ষ্য পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এবং উন্নয়নকে ডিজিটালাইজড খাতে রূপান্তর করা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন “ আমরা দেশের পর্যটন খাতের ২০ শতাংশ সম্পর্কে জানি, এ খাতের বাকি ৮০ শতাংশই অনেকের কাছে অজানা। বিদেশ ও দেশের পর্যটকরা বেশিরভাগ ভ্রমণের জায়গা সম্পর্কে অবগত নন। আমার প্রত্যাশা, শেয়ারট্রিপ ও স্টার্টআপ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে দেশের পর্যটন খাতও একই গতিতে এগিয়ে যাবে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্যের অধীনে আমরা দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরি করছি। স্টার্টআপগুলোর জন্য আমাদের ৫শ’কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা একসাথে আমরা দেশের ভবিষ্যতের ইউনিকর্ন স্টার্টআপ গড়ে তুলতে পারবো।”

সামি আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বলেন “ শেয়ারট্রিপে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ ঘোষণা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি স্টার্টআপ বাংলাদেশ পরিবারে শেয়ারট্রিপকে স্বাগত জানাতে চাই, যারা খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অনলাইন ট্রাভেল মার্কেটের ৫০ শতাংশ বাজার নিজেদের করে নিয়েছে। তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ গুণ প্রবৃদ্ধির মাইলফলক গড়েছে, যা রীতিমতো বিস্ময়কর। তবে এটিই স্টার্টআপের বিশেষত্ব, যে যখন একটি দূর্দান্ত আইডিয়াকে দক্ষ জনশক্তি ও অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ দেয়া হয়, তা ফলাফল হয় অভাবনীয় সাফল্য। উদ্ভাবন ও দক্ষতার মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ বিশ্ব-বাজারেও অবস্থান পাকা করে নেবে বলে আমার বিশ্বাস ।”

শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক বলেন “শেয়ারট্রিপ শুধুমাত্র ট্রাভেল এজেন্টই নয়, আমরা স্টার্টআপ হিসেবে অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্টের সেবা প্রদান করি। ট্রাভেল ইকোসিস্টেমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারট্রিপ। বাংলাদেশের হোটেল ইন্ডাস্ট্রি এখনও বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, আমাদের লক্ষ্য এ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসা। শুধুমাত্র আমাদের সেবা উন্নত করার জন্যই নয়, বরং আমাদের গ্রাহকদের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে উদ্ভাবন এবং পণ্য ও সেবার উন্নয়নে আনতে আমরা উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছি। উদ্ভাবন এবং উন্নত গ্রাহক সেবার মাধ্যমে, আমরা লক্ষ্য আরও সামনে এগিয়ে যাওয়া। ”

দেশজুড়ে ৫ লাখেরও বেশি গ্রাহকদের সেবা প্রদান করেছে শেয়ারট্রিপ। ৫ হাজারেরও বেশি এজেন্ট ব্র্যান্ডটির জন্য কাজ করে, যা অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্রমণকে আরও সহজ করে তোলে। শেয়ারট্রিপ বিশ্বাস করে, দেশে এখনও ডিজিটাইজেশনের বিশাল সুযোগ রয়েছে। বর্তমান পর্যটন খাতের মোট অনলাইন কার্যক্রমের প্রায় ৫০ শতাংশের অধিক পরিচালনা করে শেয়ারট্রিপ। এ খাতে ডিজিটালাইজেশন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকাতে গ্রাহকরা অনেক পরিষেবা এবং সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকছেন। আইসিটি বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো অংশীজন ও অংশীদারদের সাথে হাত মিলিয়ে, শেয়ারট্রিপ বৈশ্বিকভাবে স্বদেশী প্রযুক্তির উৎকর্ষের সুযোগ প্রসারিত করে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার সুযোগ তৈরি করতে চায়।

;