হঠাৎ উধাও ফেসবুক, জাকারবার্গ লিখলেন ‘চিল গায়েজ’



Sajid Sumon
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মেটার সার্ভারে ত্রুটির কারণে হঠাৎ করেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রাম। প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর এসব সামাজিক মাধ্যম সচল হয়।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) রাত সাড়ে দশটার দিকে এসব মাধ্যম সচল হতে দেখেন ব্যবহারকারীরা।

এসময় মেটা প্রধান মার্ক জাকারবার্গ নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লিখলেন, ‘চিল গায়েজ, কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফেসবুকে লগইন করতে সমস্যার মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন অনেক ব্যবহারকারী।

এসময় হঠাৎ করেই ব্যবহারকারীদের আইডি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হয়ে পড়ে। পুনরায় পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে গেলেও তা সম্ভব হচ্ছিলো না। নিজের আইডি হ্যাকারের কবলে পড়লো কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় পড়েন ব্যবহারকারীরা।

এদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী মেটার সার্ভার ডাউন হয়ে পড়েছে। এতে ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

   

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট ট্যাক্সেশন ইকোসিস্টেম লাগবে: পলক



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট ট্যাক্সেশন ইকোসিস্টেম লাগবে’

‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট ট্যাক্সেশন ইকোসিস্টেম লাগবে’

  • Font increase
  • Font Decrease

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, করখাত পুনর্গঠনের সাথে সাথে টেলিযোগাযোগ খাত কীভাবে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখতে পারে সেই লক্ষে কাজ করতে হবে। রাজস্ব আদায়ের বড় খাত এখন টেলিযোগাযোগ। এই খাতের অবদানকে কীভাবে জিডিপি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সমন্বয় করা যায় তা চিন্তা করতে হবে।

মোবাইল অপারেটরেরা এখন আসলে ডিজিটাল অপারেটর। বিটিআরসিও যেন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা না হয় সেই দিকে খেয়াল করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কমিশনকে উদ্ভাবনী সংস্থা হিসেবে তৈরি হতে হবে। এনবিআরকেও স্মার্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। টেলিযোগাযোগ খাতকে স্মার্ট খাত হিসেবে তৈরি করতে হবে। স্মার্ট ট্যাক্সেশন ইকোসিস্টেম গড়তে কাজ করতে হবে।

রোববার (৭ এপ্রিল) সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ টেলিকম এন্ড টেকনোলজি রিপোটাস নেটওয়ার্ক (টিআরএনবি) ও অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) আয়োজিত রাউন্ড টেবিল বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এসব একথা বলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টিআরএনবি সভাপতি রাশেদ মেহেদী।

এসময় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ, এমটবের প্রেসিডেন্ট ও গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, রবির চিফ কর্পোরেট এন্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম, গ্রামীণফোনের সিনিয়র ডিরেক্টর (কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স ) হোসেন সাহাদাত, বাংলালিংকের ভারপ্রাপ্ত সিইও তাইমুর রহমান, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাহী পরিচালক টিআইএম নুরুল কবির, ফাইবার@হোমের সিটিও সুমন আহমেদ সাবির উপস্থিত ছিলেন।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমটের সেক্রেটারি জেনারেল লে: কর্নেল (অব) জুলফিকার আহমেদ। বক্তব্য রাখেন- টিআরএনবি'র সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষে পৌঁছতে হলে টেলিযোগাযোগ খাতের কর পুনর্বিবেচনা করাসহ সবকিছু সহজিকরণ করতে হবে। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ভিন্ন পৃথিবী দেখবে মানুষ। বাংলাদেশও সেই ভিন্ন পৃথিবীর অংশ হবে।

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ করনীতি পুনর্গঠন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এমটবের প্রেসিডেন্ট ও গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, শুধু ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি যেন বাদ দেওয়া হয়। স্মার্টফোনকে বাদ দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ অর্জন কঠিন হবে। তাই মোবাইল ফোনের পেনেট্রেশন বাড়ানোর ক্ষেত্রে ফোনের ওপর থেকে যৌক্তিক কর ধার্য করা উচিত। সবকিছুতে জটিলতার জায়গা থেকে সহজিকরণ কীভাবে করা যায় সেই চিন্তা করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে কর যেন অনেক বড় বোঝা না হয়।

রবির চিফ কর্পোরেট এন্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, করের ক্ষেত্রে শুরুতেই এন্ট্রি ব্যারিয়ার থাকে। যেমন সিম ট্যাক্স শুরুতে ১২০০ টাকা ছিল, যা এখন ১০০ টাকা। অথচ এন্ট্রি ব্যারিয়ার তৈরি না করলে বরং পরবর্তীতে এখান থেকে আরো বেশি কর আদায় সম্ভব। টেলিযোগাযোগ খাতকে স্পেশাল খাত হিসেবে গণ্য করা হলেও স্পেশাল মর্যাদা দেওয়া হয় না। তরঙ্গের ওপর কর বিশ্বের কোথাও নেই। আমাদের এখানে তরঙ্গকে অবকাঠামো হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

গ্রামীণফোনের সিনিয়র ডিরেক্টর (কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স) হোসেন সাহাদাত বলেন, এবারের বাজেটে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাবো। স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে যাতে এগিয়ে যেতে হবে। কর্পোরেট ট্যাক্সটাকে রেশনালাইজ করা উচিত।

বাংলালিংকের ভারপ্রাপ্ত সিইও তাইমুর রহমান বলেন, স্মার্ট ট্যাক্সেশন তৈরি করতে হবে। ট্যাক্স নেট কীভাবে বাড়াবো সেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাহী পরিচালক টিআইএম নুরুল কবির বলেন, টেলিযোগাযোগ খাত চেঞ্জ মেকার। সিগারেট কোম্পানি ও টেলিকম খাতের কর কেন একই হারে হবে। কারণ সিগারেট কোম্পানি স্বাস্থ্যখাতের ব্যয় বাড়াবে। প্রযুক্তি কোনো আলাদা খাত নয়। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে যাচ্ছে। অমীমাংসিত ইস্যুগুলো যদি সমাধান না হয় তাহলে খাত এগোবে না।

ফাইবার@হোমের চিফ টেকনিক্যাল অফিসার (সিটিও) সুমন আহমেদ সাবির বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে যাচ্ছি। যে-সব দেশে কর কম সেদেশে জিডিপি তত বেশি। প্রতিটি লেয়ারে আমরা ভ্যাট দিচ্ছি। কর এমনভাবে আরোপ করা হোক যাতে এটি বোঝা না হয়।

লে: কনেল (অব) জুলফিকার আহমেদ বলেন, ডিজিটাল কানেক্টিভিটির পর এবার ডিজিটাল ইকোনমিতে সফলতা চাই। তবে এক্ষেত্রে অনেক ধরনের বাধা রয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ খাতে ৮ম সর্বোচ্চ মোবাইল মার্কেট। ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রায় প্রতি বছর ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হচ্ছে। অথচ এই খাতে যৌক্তিক কর আদায় হচ্ছে না। বিশ্বের বহু দেশের চেয়ে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাতে কর বেশি।

;

রিয়েলমি সি৬৭ স্মার্টফোন কিনে ১ লাখ টাকা পুরস্কার জিতলেন রিয়েলমি গ্রাহক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রিয়েলমি সি৬৭ স্মার্টফোন কিনে ১ লাখ টাকা পুরস্কার জিতলেন রিয়েলমি গ্রাহক

রিয়েলমি সি৬৭ স্মার্টফোন কিনে ১ লাখ টাকা পুরস্কার জিতলেন রিয়েলমি গ্রাহক

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রি-বুক রিয়েলমি সি৬৭ ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া ভাগ্যবান একজন বিজয়ীকে এক লাখ টাকা পুরস্কার প্রদান করেছে তরুণদের জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি।

রিয়েলমি স্মার্টফোন কিনে একটি আকর্ষণীয় লটারির মাধ্যমে এক লাখ টাকার এ অসাধারণ সুযোগ জিতে নিয়েছেন শরীফ আহমেদ।

রিয়েলমি বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং ডিরেক্টর ড্যারেন ঝ্যাং সম্প্রতি বিজয়ীর হাতে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন।

এছাড়া, রিয়েলমি সি৬৭ কিনে আরও ১০ জন ভাগ্যবান ক্রেতা লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে পেয়েছেন বোগো (একটি কিনলে একটি ফ্রি) ডিলের পুরস্কার।

বাংলাদেশের স্মার্টফোনের বাজারে রিয়েলমি সি৬৭ ছাড়ার সময়, ব্র্যান্ডটি তাদের গ্রাহকদের জন্য অসাধারণ এক সুযোগ নিয়ে হাজির হয়। স্মার্টফোন সিরিজটি বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে রিয়েলমি’র অনুমোদিত আউটলেটগুলোতে ডিভাইসটির প্রি-বুকিং দিলে, লটারির মাধ্যমে বিজয়ী স্মার্টফোনপ্রেমী গ্রাহকদের এক লাখ টাকা এবং একটি কিনলে একটি ফ্রি অফারের ঘোষণা দেয় জনপ্রিয় এই স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটি।

রিয়েলমি বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং ডিরেক্টর ড্যারেন ঝ্যাং বলেন, “ অনন্য স্থায়িত্ব ও গুণগতমান ধরে রেখে একটি যথার্থ টেক ব্র্যান্ড হতে চায় রিয়েলমি। তার একটি উদাহরণ হলো রিয়েলমি সি৬৭। এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ায়, আমি এক লাখ টাকা বিজয়ীকে এবং ১০ জন স্মার্টফোন বিজয়ীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

এক লাখ টাকার ভাগ্যবান বিজয়ী শরীফ আহমেদ বলেন, “একটি ফোন কিনে এক লাখ টাকার পুরস্কার জিতে যাব, তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। এতে আমি খুবই আনন্দিত। রিয়েলমিকে আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। রিয়েলমি ও এর স্মার্টফোন ডিভাইসের সঙ্গে আমার এই অভিজ্ঞতা সব সময়ই অসাধারণ ছিল!”

সি-সিরিজের রিয়েলমি সি৬৭ হলো সেগমেন্টের প্রথম স্মার্টফোন ডিভাইস, যাতে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের কোয়ালিটি ক্যামেরা। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শট নেওয়ার ক্ষেত্রে স্মার্টফোন গ্রাহককে দেয় দারুণ ফটোগ্রাফিক সক্ষমতা। আনুষ্ঠানিকভাবে তোলা স্যাম্পল ছবিগুলোতে দেখা গেছে, প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলোর ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার তুলনায় এই ডিভাইসের ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা তুলনামূলক অনেক স্পষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম।

বিশেষ করে বলতে গেলে, সি-সিরিজেই প্রথম রিয়েলমি সি৬৭- এর ৩x ইন-সেন্সর জুমে উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বৈচিত্র্যময়তার সঙ্গে ছবি তোলার ক্ষেত্রে এই সেন্সর ছবিপ্রেমীদের দিচ্ছে অসাধারণ রেজোল্যুশন।

শুধু তাই নয়, এই প্রথমবারের মতো সি-সিরিজের সি৬৭ ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর। এতে রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ ৬এনএম চিপসেট, যা নেক্সট-লেভেলের পাওয়ার প্রদানের পাশাপাশি ব্যবহারকারীকে দেয় নিশ্চিত কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা। ৩৩০কে- এর একটি শক্তিশালী স্কোরের মাধ্যমে, এই চিপসেট স্মার্টফোন গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের অসাধারণ অভিজ্ঞতা লাভের নিশ্চয়তা দেয়।

;

প্রায় ছয় শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করবে অ্যাপল



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রায় ছয় শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করবে অ্যাপল

প্রায় ছয় শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করবে অ্যাপল

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বব্যাপী কর্মী ছাঁটাইয়ের তালিকায় এবার নাম লেখাল অ্যাপল। প্রায় ছয় শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ২৭ মে থেকে অ্যাপল'র এই কর্মী ছাঁটাই কার্যক্রম কার্যকর হবে বলে জানা গেছে। 

সম্প্রতি অ্যাপেলের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট।

গণমাধ্যমগুলো জানায়, বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিখাতে চলছে কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রতিযোগিতা। একের পর এক কর্মী ছাঁটাই করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এবার অন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটছে বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। প্রায় ছয় শতাধিক কর্মী ছাঁটাই করবে প্রতিষ্ঠানটি। ধারণা করা হচ্ছে করোনা মহামারির পর এবারই প্রথম এত বেশি সংখ্যক কর্মী ছাটাই করতে যাচ্ছে অ্যাপল।

অ্যাপল'র ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মসংস্থান উন্নয়ন বিভাগের কাছে জমা দেওয়া এক নথিতে বলা হয়েছে, গাড়ি ও স্মার্টওয়াচ ডিসপ্লে প্রকল্প বন্ধ করার সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়ায় ৬শ'র অধিক কর্মীকে ছাঁটাই করবে অ্যাপল।

এক্ষেত্রে ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী, গণহারে কর্মী ছাঁটাইয়ের আগে কোম্পানিগুলোকে ৬০ দিনের নোটিশ দিতে হয়।

সম্প্রতি ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মন্থর অর্থনীতি ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কর্মীসংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাপল।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওয়ার্কার অ্যাডজাস্টমেন্ট অ্যান্ড রিট্রেনিং নোটিফিকেশন বা ওয়ার্ন প্রোগ্রাম মেনে চলতে রাজ্যটির কাছে আটটি পৃথক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে অ্যাপল। এদের মধ্যে অন্তত ৮৭ জন অ্যাপলের পরবর্তী প্রজন্মের স্ক্রিন ডেভেলপমেন্টের গোপন ঠিকানায় কাজ করছেন এবং বাকিরা গাড়ি প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভবনে কাজ করছেন।

এদিকে স্যান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মসংস্থান উন্নয়ন বিভাগের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অ্যাপলের একজন আইনজীবী ২৭ মে থেকে কর্মী ছাঁটাই কার্যকর হওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু সেখানে কতজন কর্মীকে ছাঁটাই করা হবে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। তবে ছাটাইয়ের তালিকায় প্রতিষ্ঠানের মেশিন শপ ম্যানেজার, হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং পণ্য নকশা প্রকৌশলীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে যে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অ্যাপলের প্রধান গাড়ি-সম্পর্কিত অফিস থেকে ৩৭১ জন কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে এবং একাধিক স্যাটেলাইট অফিস থেকেও কয়েক ডজন কর্মীর ছাটাইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

;

বাংলালিংকের আয় বেড়েছে ১৪.৪ শতাংশ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক, তাদের দুই অংকের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রেখেছে। অপারেটরটির বার্ষিক আয় আগের বছরের তুলনায় ১৪.৪ শতাংশ বেড়ে ২০২৩ অর্থবছরে ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বাংলালিংক-এর এই অর্জনে ভূমিকা রেখেছে এর ফোর-জি গ্রাহক সংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, ‘ডিজিটাল অপারেটর ১৪৪০’ কৌশলের সঠিক বাস্তবায়ন, যার অর্থ হলো দিনের প্রতি মিনিটে গ্রাহকদের সাথে যুক্ত থাকা এবং দেশব্যাপী নেটওয়ার্কের উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ। এই কৌশলগত পদক্ষেপগুলো বাংলালিংককে দেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা বাংলাদেশের ডিজিটাল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন মান প্রতিষ্ঠা করেছে।

সম্প্রতি, বাংলালিংক তার নেটওয়ার্ক কভারেজ দ্বিগুণ করেছে, তাদের মোট টাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১৬ হাজারের বেশি। বাংলালিংক-এর উচ্চ গতি ও মানসম্মত নেটওয়ার্কের পাশাপাশি মাইবিএল সুপার অ্যাপ, টফি ও বিপ-এর মতো উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবাগুলো এই ভালো ফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুসারে, ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত বাংলালিংক-এর গ্রাহকের সংখ্যা ৪ কোটি ৩৫ লাখ। সম্প্রতি বাংলালিংক-এর মূল কোম্পানি ভিওন প্রকাশিত ২০২৩ সালের বার্ষিক আয়ের প্রতিবেদন অনুসারে অপারেটরটির ফোর-জি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৪.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২ কোটি ফোর-জি গ্রাহকের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

ইতোমধ্যে ডিজিটাল স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিনোদনের মতো ক্ষেত্রে বাংলালিংক তাদের ডিজিটাল সেবার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। বাংলালিংক-এর মাইবিএল সুপার অ্যাপ, দেশের টেলিকম খাতের প্রথম সুপার অ্যাপ যা অন্য মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকরাও ব্যবহার করতে পারবে এবং যা এক প্ল্যাটফর্ম থেকেই বিস্তৃত ডিজিটাল সেবা প্রদান করছে। অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের প্রাত্যহিক জীবনকে করে তুলে আরও সহজ।

গুগল প্লে স্টোর-এর লাইফস্টাইল বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে মাইবিএল সুপার অ্যাপ, যা এর জনপ্রিয়তা ও ব্যবহার উপযোগিতা প্রতিফলিত করে।

২০২৩-এ চতুর্থ প্রান্তিকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিলো, প্রায় আশি লাখ, যা ৩৬.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। বাংলালিংক-এর টফি বর্তমানে অডিও ও ভিডিও স্ট্রিমিং সংবলিত দেশের শীর্ষস্থানীয় বিনোদন অ্যাপ্লিকেশন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। দেশের সকল মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে গ্রাহকগণ টফি ব্যবহার করতে পারেন। দেশজুড়ে বিস্তৃত ফোর-জি নেটওয়ার্কের সুবিধা নিয়ে, বাংলালিংক গত চার বছরে বাংলাদেশের ‘দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্ক’-হিসেবে ধারাবাহিকভাবে ওকলা স্পিডটেস্ট অ্যাওয়ার্ড জিতেছে যা বাংলালিংক-এর ডেটা গ্রাহক বৃদ্ধিতে এটি বিশেষ অবদান রেখেছে।

বাংলালিংক-এর সিইও এরিক অস বলেন, উদ্ভাবন, বিশ্বাস ও মানসম্মত সেবা প্রদানের কারণেই বাংলালিংক দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে পেরেছে। গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে, ডিজিটাল অপারেটর কৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল সেবা খাতে আমরা আরও নতুন মাত্রা যোগ করতে চাই। দেশব্যাপী ব্যাপক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সারা দেশে আমাদের কভারেজকে দ্বিগুণ করেছি। সবচেয়ে বেশি গতি ও মানসম্মত নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করার মাধ্যমে মাইবিএল সুপার অ্যাপ, টফি ও বিপ-এর মতো উন্নত ডিজিটাল সেবাগুলির মান আরও বাড়াতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

;