Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত সওয়াব ও কল্যাণে ভরপুর

রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত সওয়াব ও কল্যাণে ভরপুর
রমজানে কল্যাণের আশায় মোনাজাত করছেন একজন, ছবি: সংগৃহীত
ড. মাহফুজ পারভেজ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ফজিলত ও বরকতময় রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত সওয়াব ও কল্যাণে ভরপুর। রমজানের সওগাত আমাদেরকে বার বার আমলে ও আখলাখে রমজানকে সুষ্ঠ-সুন্দরভাবে পালন করার আহ্বান জানায়। অলস ও অহেতুক বসে বসে রমজান অতিবাহিত করলে মোবারক এই মাসের পরিপূর্ণ কল্যাণ ও সফলতা হাসিল করা সম্ভব হবে না।

আমলের কথা বা সুকর্মের বিষয়ে কোরআনে বার বার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জ্ঞানীদের জন্য বহু নিদর্শন ও দৃষ্টান্ত পবিত্র কোরআনে বার বার উল্লেখিত হয়েছে। বহু জাতির উত্থান-পতনের ঘটনাসমূহের মাধ্যমে মানব জাতিকে সঠিক পথনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন সূরা ও অধ্যায়ে।

কোরআন হলো উপদেশ ও হেদায়েত। কিন্তু সেই উপদেশ, হেদায়েত, সঠিক পথের দিশা বিনা চেষ্টা ও শ্রমে পাওয়া যাবে না। গভীর চর্চা ও অধ্যয়নের মাধ্যমে শিখতে হবে ও আত্মস্থ করতে হবে পবিত্র কোরআনের আলোময় শিক্ষাগুলো।

পবিত্র ঐশী গ্রন্থের শিক্ষাগুলো গ্রহণ করার জন্য মুসলমানগণ উদ্যোগী না হলে উপদেশ, হেদায়েত, সঠিক পথের দিশা তথা দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের মূলমন্ত্র কেমন করে পাওয়া সম্ভব হবে? পরিশ্রম ও চেষ্টা ছাড়া তো কিছুই শেখা বা পাওয়া যায় না। নিজেকে উন্নত, সুশিক্ষিত, সফল ও কল্যাণমণ্ডিত করতে হলে নিরন্তর চেষ্টা ও চর্চা করতে হবে। পবিত্র কোরআনের সূরা রাদের ১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা সুস্পষ্টভাবে ইরশাদ করেছেন,

‘নিশ্চয় আল্লাহ ওই পর্যন্ত কোনো জাতির (ভাগ্য/অবস্থা) পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের (ভাগ্য/অবস্থা) পরিবর্তন করে।’

অতএব নিজের ভাগ্য/অবস্থা বদলের জন্য নিজে সচেষ্ট হতে হবে। আল্লাহতায়ালার ওপর ভরসা করে কাজে নেমে গেলেই সফলতা আসবে। অলস ও অকেজো বসে থাকলে সফলতা কস্মিনকালেও আসবে না।

এই যে আমাদের সামনে দিয়ে রহমত, বরকত, মাগফেরাত, নাজাতের মহিমান্বিত মাস রমজান চলছে, আমরা বসে থাকলে, এ মাসের ফজিলতগুলো কেমন করে হাসিল করবো? আলস্য, হতাশা, বিমুখতার কারণে অচল, অকর্মণ্য হয়ে বসে থাকলে রমজানের সীমাহীন সুযোগ ও সওয়াবের অংশীদার হওয়া কেমন করে সম্ভব হবে? রমজানের পবিত্র ও মূল্যবান সময়ে প্রতিটি মুসলমানের উচিত নিজের কর্ম ও তৎপরতা সম্পর্কে আত্মসমীক্ষা ও আত্মসমালোচনা করা।

প্রতিটি মুসলমানের জানা আছে যে রমজান কয়েকটি বিশেষ কারণে শ্রেষ্ঠ মাসের একটি। কারণ:

১. রমজানে ইসলামের অন্যতম রোকন বা স্তম্ভ সিয়াম বা রোজা ফরজ করা হয়েছে।

২. কোরআন নাজিলের কারণে কোরআনের মাস হিসেবে রমজান সম্মানিত।

৩. এ মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সহিহ মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যখন রমজান মাস আসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।’

৪. রমজানে রয়েছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম ‘লাইলাতুল কদর’। রমজানে এমন একটি রাত আছে, যাকে কোরআনে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এ রাতের প্রশংসায় আল্লাহতায়ালা একটি স্বতন্ত্র সূরা পবিত্র কোরআনে নাজিল করেছেন। সেই সূরা কদরে বলা হয়েছে, ‘কদরের রাত হাজার মাস (তথা চুরাশি বছর চার মাস) থেকেও উত্তম।’

৫. রমজানে রোজাদারের দোয়া কবুল হয়। রমজানে রোজাদারের দোয়া কবুল করা হয়। দিনে-রাতে যে কোনো সময় রোজাদারের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। বিশেষত ইফতার সামনে রেখে দোয়া কবুলের বিষয়ে বহু বর্ণনা রয়েছে। রমজানে আল্লাহতায়ালা অধিকহারে বান্দাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। মুসনাদে আহমাদের একটি হাদিসে দোয়া কবুল ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি বিষয়ে বলা হয়েছে।

৬. রমজান গোনাহ মাফের মাস। এ মাসে আল্লাহ বান্দার গোনাহ মাফ করেন। রমজানে অধিক তওবা ও আমলের মাধ্যমে গোনাহ মাফ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। রমজান পেয়েও গোনাহ মাফ করাতে না পারা ব্যক্তিকে ‘হতভাগ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

৭. এ মাস জাহান্নাম থেকে মুক্তি আদায়ের মাস। রমজানের সঙ্গে নাজাত, মাগেফেরাত সম্পর্কিত। আমল ও রহমত আর বরকতের সঙ্গে সঙ্গে মাগফেরাত ও নাজাত পাওয়ার সুযোগ রমজান মাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অন্যতম।

৮. রমজানে আমলের সওয়াব বা প্রতিদান বহু গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। নফল ইবাদতের সওয়াব অন্য মাসের ফরজের সমতুল্য করে দেওয়া হয়। এমনকি, রমজানের ওমরার সওয়াব হজের সমতুল্য করে দেওয়া হয়। আবু দাউদ শরিফের ১৯৯১ নম্বর হাদিস এ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত। হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রমজান মাসে ওমরা পালন করা আমার সঙ্গে হজ করার সমতুল্য।’

অতএব পবিত্র মাহে রমজানের সব ধরনের কল্যাণ হাসিলের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোই প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর একান্ত কর্তব্য হওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন :

গুজব ছড়ানো কবিরা গোনাহ

গুজব ছড়ানো কবিরা গোনাহ
গুজব ছড়াবেন না, গুজবে বিশ্বাস করবেন না, এটা কবিরা গোনাহ, ছবি: প্রতীকী

দুষ্টু লোকেরা সাধারণ মানুষকে নানাভাবে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করে থাকে। সহজ-সরল মানুষের মাঝে মিথ্যা কথা, গুজব রটানো, অলিক কথাবার্তা ও নানা কল্পকাহিনী প্রচার করে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালায়।

কোনো বিষয়ে সঠিকভাবে কিছু জানা না থাকলে আন্দাজে তা না বলার জন্য আল্লাহতায়ালা কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। সূরা বনি ইসরাইলে এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে বিষয়ে তোমার নিশ্চিত বিশ্বাস নেই আন্দাজে তা প্রচার করো না। কেননা চোখ, কান ও অন্তুর এ সবেরই জবাবদিহিতা করতে হবে।’

বর্ণিত আয়াতের আলোকে ভিত্তিহীন প্রচারণা ও গুজব রটানোর ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা সহজে অনুমান করা যায়। নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র ছাড়া কেউ কোনো খবর কেউ প্রচার করলে সে সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। গুজব ছড়ানো, প্রচার ও বিশ্বাস কবিরা গোনাহ।

কোরআনে কারিমে এ বিষয়ে আল্লাহতায়ালা বলছেন, ‘হে মুসলমানগণ! যদি কোনো ফাসেক, মন্দ লোক কোনো খবর নিয়ে আসে, তাহলে তা যাচাই-পরীক্ষা করে দেখবে যেন অজ্ঞতাবশতঃ কোনো জাতির ওপর আক্রমণ করা না হয়। এরূপ কাজ করলে তোমাদেরকে নিজেদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনুতাপ করতে হবে।’ অর্থাৎ কোনো মন্দ লোকের খবর ততক্ষণ বিশ্বাসযোগ্য না, যতক্ষণ তা প্রমাণিত না হবে।

কোরআনে কারিমের এই সুনীতির অনুসরণ করা হলে গুজব রটনা বা মিথ্যা প্রচারণায় কোনো মুসলমান বিভ্রান্ত হতে পারে না। মিথ্যাকে প্রত্যাখ্যান ও বিশ্বাস না করার যেখানে উপদেশ দেওয়া হয়েছে এবং মিথ্যা প্রচারের কুফল বর্ণনা করা হয়েছে, সেখানে ন্যায় ও সত্য অনুসরণ এবং তাতে কোনো প্রকারের সংশয় না করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেহ এবং সংশয়ের বিষয়গুলো হতে বিরত থাকার প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ন্যায়-অন্যায়, সত্য-অসত্য এবং ভুল ও নির্ভুল বিষয় যে কোনো সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন ব্যক্তি নির্ধারণ করতে পারে। মিথ্যা কথায় বিশ্বাস করা এবং তা প্রচার করা যেরূপ পাপ, সত্য ও ন্যায় সম্পর্কে সংশয়বোধ করাও তেমনি অপরাধ।

সূরা হুজরাতে এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! অধিক সংশয়বোধ হতে বিরত থাকো। কেননা কোনো কোনো সংশয় পাপকার্যের অন্তুর্ভুক্ত।’

এ আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয়, যারা মুসলমানদেরকে সংশয়গ্রস্ত করে তোলে, তারা বড় পাপী। হাদিস শরিফে সংশয় সৃষ্টিকে ‘মিথ্যা’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘সত্য সম্পর্কে তোমরা সংশয় সৃষ্টি হতে বেঁচে থাকো। কেননা সংশয় সৃষ্টি মিথ্যা কথা স্বরূপ।’

মিথ্যা প্রচার ও গুজব রটনা সম্পর্কে কোরআন-হাদিসের এসব বাণী বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, গুজবের কারণে সমাজে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে। মানুষের জীবন বিপন্ন হচ্ছে। সুতরাং কোনো অবস্থাতেই গুজবে কান দেওয়া যাবে না, গুজব বিশ্বাস করা যাবে না। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো কিছু বলা ও প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে।

হাদিস শরিফে রাসূলুল্লাহ (সা.) সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন, মিথ্যা খবর ও গুজব ছড়ানোর পেছনে শয়তানের হাত রয়েছে। সহিহ মুসলিমের ভূমিকায় ইমাম মুসলিম (রহ.) সাহাবি আবদুল্লাহ বিন মাসউদের সূত্র থেকে হাদিস বর্ণনা করে বলেন, ‘মানুষের রূপ ধরে শয়তান অনেক সময় কিছু লোকের সামনে কোনো একটি মিথ্যা খবর রেখে যায়। তার রেখে যাওয়া মিথ্যা খবরটি সে লোকগুলো অন্যদের কাছে পৌঁছে দিয়ে বলে, একজন এসেছিলো, তার চেহারা ঠিকই চিনি, কিন্তু নাম কি তা জানি না। অমুক ঘটনার খবর দিয়ে গেলো।’

নবী করিম (সা.) ভিত্তিহীন কথা প্রচার করতে কঠিনভাবে নিষেধ করে বলেছেন, একজন মানুষের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, যা শুনবে, তাই বলে বেড়াবে। -সহিহ মুসলিম

আমরা তো সমাজের চলতে-ফিরতে অনেক কথা শুনতে পাই। যার অনেকগুলোই সত্য নয়। এসব অসত্য কথা প্রচার করা অনেক বড় গোনাহের কাজ। যা লোকের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। সমাজের অনেক মানুষ আছে, যারা এসব খবর প্রচারে খুবই মজা পান। শয়তান তাদের ব্যাপারে বড়ই খুশি। কারণ শয়তানের কাজটি তারা করে যাচ্ছেন।

গুজবের প্রেক্ষিতে সংঘঠিত ঘটনাগুলো প্রমাণ করে মানুষের জ্ঞানের যথেষ্ট কমতি রয়েছে। মৌলিক ইসলামি জ্ঞানের অভাব থাকায় শয়তান অনেককে এমন পাপের কাজে লিপ্ত করায়। আমাদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। মিথ্যা প্রচার ও কোনো ধরনের গুজবে কান দেওয়া যাবে না।

কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম

কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম
কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম, ছবি: সংগৃহীত

কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে গঠিত আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম।

২ আগস্ট, শুক্রবার বাদ জুমা জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ২০১৭, ১৮ ও ১৯ সালের পরীক্ষায় মুমতাজ (স্টারমার্ক) বিভাগে উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা উপলক্ষে মতবিনিময় সভারও আয়োজন করেছে সংগঠনটি । অনুষ্ঠানে বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম, শিক্ষক ও ইসলামি চিন্তাবিদরা উপস্থিত থাকবেন।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে 01674609982, 01670269028 এই নম্বরে নাম তালিকাভুক্তির জন্য যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

কওমি ফোরাম দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের নিয়ে একটি সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম গঠনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন- মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আউয়ুবি, মাওলানা হাসান জামিল, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মুফতি এনায়েতুল্লাহ ও মুফতি মুর্তজা হাসান ফয়েজি মাসুম ।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী আলেমদের উপস্থিতিতে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্স (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে ২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ‘আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীন ‘কওমি মাদরাসাগুলোর দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান প্রদান বিল ২০১৮’ জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়। ৮ অক্টোবর এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র