Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শনিবার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শনিবার
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শনিবার। ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর খুবি ক্যাম্পাস ও কুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (১৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শহরের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুল এবং জীব বিজ্ঞান স্কুলে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কলা ও মানবিক স্কুল, সমাজ বিজ্ঞান স্কুল, আইন স্কুল, চারুকলা ইনস্টিটিউট এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া চারুকলা ইনস্টিটিউটের জন্য ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ‘সি’ ইউনিটের অধীন ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ বছর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মূল কেন্দ্রে রোল নম্বর-০০০০১ থেকে ০৫০৬৪ পর্যন্ত এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযু্ক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উপ-কেন্দ্রে রোল নম্বর- ০৫০৬৫ থেকে ১২১০০ পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবার ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ৬টি স্কুল ও ২টি ইনস্টিটিউটের অন্তর্ভুক্ত ২৯টি ডিসিপ্লিনে মোট ১২২৯ আসনের বিপরীতে ২৭৬৩০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করে। অর্থাৎ আসন প্রতি আবেদনকারীর সংখ্যা ২২ জনের বেশি।

ভর্তি পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বা কুয়েট উপ-কেন্দ্রে মোবাইল ফোন বা কোনো প্রকার ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোন সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মুখমণ্ডল ও কান অনাবৃত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অপরদিকে ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্বরত অবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারী মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।

পরীক্ষার দিন গল্লামারী ব্রিজ থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য জিরো পয়েন্ট এবং তার আশপাশের এলাকা ব্যবহারের সুবিধা রাখা হবে। এ সময় বিকল্প পথ হিসেবে সোনাডাঙ্গা বাইপাস হয়ে রূপসা সংযোগ সড়ক দিয়ে জিরো পয়েন্ট হয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য-চিত্রের প্রয়োজন হলে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সঙ্গে আগেই যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে আশপাশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব ও সাদাপোশাকে নিয়োজিত নিরাপত্তা সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি নিয়োজিত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন :

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী, সুমন জোয়ার্দার, ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম সুমন জোয়ার্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৪৪ তম ব্যাচের ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানার অনুসারী বলে জানা যায়।

সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসের মালিক মো. সুজন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'রোববার বিকালে সুমন তার বান্ধবীকে নিয়ে আমার দোকানে আসে। এ সময় তার বাড়ি থেকে আনা মাংস গরম করে দিতে বলে। কিন্তু আমাদের গ্যাসের চুলা নিভিয়ে ফেলায় আমরা অস্বীকৃতি জানাই। এরপরও সুমন কয়েকবার আমাকে ডাকে। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আমি শুনতে পাইনি। পরে তার কাছে গেলে সুমন আমাকে বলে, তোর কানেতো সমস্যা, যাওয়ার সময় ঠিক করে দিয়ে যাব। খাওয়া শেষে বান্ধবীকে নিয়ে চলে যায় সুমন। পরে হলের সাত-আটজন জুনিয়র ছাত্রলীগ কর্মীকে নিয়ে এসে কাঠের টুকরা দিয়ে আমাকে মারধর করে।'

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুমন জোয়ার্দার মারধরের ঘটনা স্বীকার করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানের কাঠের চেলা দিয়ে মারছি। তার দোষের কারণেই মারধর করা হয়েছে। আমার জায়গায় অন্য কেউ হলে সেও মারধর করত।'

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মাত্র জানতে পারলাম, এমন ঘটনা দুঃখজনক। এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানগুলো হলের নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত হল প্রশাসন নেন। তবে যেহেতু মারধরের ঘটনা ঘটেছে আমরা খোঁজ খবর নেব। এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগপত্র পাইনি।'

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাকৃবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোভাযাত্রা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

৫৮ পেরিয়ে ৫৯ বছরে পা দিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কৃষি শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। কৃষি ও কৃষি বিজ্ঞানের সকল শাখায় উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৬১ সালের আজকের এই দিনে (১৮ আগস্ট) ময়মনসিংহে পূর্ব পাকিস্থান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু করে এ প্রতিষ্ঠানটি। স্বাধীনতার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশবিদ্যালয় (বাকৃবি)।

ময়মনসিংহ শহর থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে এক হাজার ২০০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৈরি হয়েছে ৪৭ হাজার ২৬৮ জন কৃষিবিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122325068.gif

প্রতিষ্ঠাকালে ভেটেরিনারি ও কৃষি অনুষদ নামে মাত্র দুটি অনুষদ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ছয়টি অনুষদ রয়েছে। কৃষি, ভেটেরিনারি, পশুপালন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান, কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আওতায় ৪৪ বিভাগে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে সাত হাজার ১০৩ জন শিক্ষার্থী ও ৫৮১ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য রয়েছে ১৩টি হল।

শোকের মাস আগষ্টের কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তেমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন না করে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122353373.gif

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যালিপ্যাডে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ভিসি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। পরে হ্যালিপ্যাড থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়।

শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মৎস্য খামারের সহযোগিতায় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে জার্মপ্লাজম সেন্টারের সহযোগিতায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বনজ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদ ও উপাসনালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122378559.gif

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস বাস্তবায়ন উপ-কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান।

উপাচার্য বলেন, 'বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ। দেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করার যে চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছিলাম, তাতে আমরা জয়লাভ করেছি। তবে বর্তমানে দেশে সেইফ ফুড বা খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে আমরা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছি।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র