Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

হুমকির মুখে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক

হুমকির মুখে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
টাঙ্গাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ১১১টি গ্রামের কয়েক লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। বন্যাকব‌লিত মানুষজন গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। রয়েছে খাদ্য সংকট।

বৃহস্প‌তিবার (১৮ জুলাই) টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পা‌নি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৯১ সে‌ন্টি‌মিটার উপর দি‌য়ে প্রবা‌হিত হ‌চ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563427996601.jpg

বুধবার (১৭ জুলাই) রাত ১১টার দিকে ভূঞাপুর উপজেলার তাড়াই এলাকার বাঁধ ভেঙে নতুন করে প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। ওই সময় তীব্র স্রো‌তে নদীর পা‌নি প্রবেশ করায় ভে‌ঙে গেছে কয়েকটি ঘর-বা‌ড়ি। এছাড়া ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান দিয়ে পানি লিকেজ হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে রয়েছে সড়কটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাড়াই এলাকার বাঁধ রক্ষায় কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় গ্রামবাসী চেষ্টা করেও সেটি রক্ষা করতে পারেনি।

অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ২০০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে অধিকাংশ বানভাসি মানুষ ত্রাণ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

মাদারীপুরে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মনির শেখ (২৭) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর শহরের পাঠককান্দি এলাকায় স্থানীয় ফয়সাল খালাসীর নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মনির সদর উপজেলার টুবিয়া এলাকার শামসু শেখের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শহরের পাঠককান্দি এলাকায় ফয়সাল খালাসীর নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন মনিরসহ কয়েকজন শ্রমিক। অসাবধানতাবশত মনির ভবনের ৩ তলার ছাদ থেকে পড়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হলে অন্য শ্রমিকরা মনিরকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মাহাবুব আবির জানান, মাথায় বড় ধরনের আঘাত পাওয়ার কারণে ঘটনাস্থলেই মনিরের মৃত্যু হয়।

কুষ্টিয়ায় পার্চিং পদ্ধতিতে পোকা দমন

কুষ্টিয়ায় পার্চিং পদ্ধতিতে পোকা দমন
ধানক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুষ্টিয়ার ছয়টি উপজেলায় এ বছর আমন মৌসুমে ধানক্ষেতে পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এসব উপজেলার কৃষকরা তাদের আমন মৌসুমে রোপণকৃত ফসলের ক্ষেতে গাছের ডাল পুঁতে দিচ্ছেন।

গাছের ডালে বিভিন্ন ধরনের পাখি বসে ক্ষতিকর পোকা খেয়ে ফেলছে এবং ওইসব পাখি পার্চিংয়ে বসে ক্ষণিক সময়ের জন্য বিশ্রামও নিচ্ছে। এভাবে কীটনাশক ছাড়াই পোকার আক্রমণ থেকে ধান গাছ রক্ষা পাচ্ছে বলে জানান উপজেলা কৃষি বিভাগ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566719133900.jpg

কৃষি অফিসগুলো বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্চিংয়ের আয়োজন করেছে। এর ফলে কৃষকরা একদিকে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে, অন্যদিকে পরিশ্রমও কমে যাচ্ছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে বারুইপাড়া ব্লকের বিভাগ গ্রামের কৃষক নাজিম উদ্দীনের জমিতে গিয়ে দেখা যায়, সম্প্রতি রোপণ করা ধান ক্ষেতে গাছের ডাল পুঁতে দেওয়া হচ্ছে। ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মইনুল ইসলামের পরামর্শে এই ডাল পুঁতে দিচ্ছেন তিনি।

পার্চিং কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মিরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাবিহা সুলতানা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566719149571.jpg

তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, মাটি, ফসল ও মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কীটনাশকের পরিবর্তে ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকরা এখন বেশি সচেতন। পার্চিং পদ্ধতি হচ্ছে পাখির মাধ্যমে ফসলের পোকা দমনের উত্তম ব্যবস্থা।

মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রমেশ চন্দ্র ঘোষ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা এলাকার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে ধারাবাহিকভাবে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে এর উপকারিতা সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করছে। পাশাপাশি ধান ক্ষেতের পোকা দমনের জন্য পার্চিং ব্যবহার পদ্ধতি ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র