Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বাংলার, বাঙালির ঊর্মি রহমান

বাংলার, বাঙালির ঊর্মি রহমান
ঊর্মি রহমান
ড. মাহফুজ পারভেজ
কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কলকাতায় ঊর্মি রহমান সরব জীবন কাটাচ্ছেন। বাঙালির সর্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসবের নানা আয়োজনে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন তিনি। পহেলা বৈশাখের ব্যাপক অনুষ্ঠানমালার ব্যস্ততার পাশাপাশি সাংবাৎসরিক নানা সামাজিক উদ্যোগে মেতে আছেন এই মানুষটি। নিবিড় ভাবে সংশ্লিষ্ট আছেন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ গ্রুপের সঙ্গে।

বাংলাদেশের সত্তর ও আশির দশকের লেখালেখি ও সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি মানুষই ঊর্মি রহমানকে চেনেন। তাঁর ব্যক্তিগত বা পেশাগত নৈকট্য পেয়েছেন অনেকেই। সে সময়ের বাংলাদেশে তাঁর উজ্জ্বল তৎপরতার কথা বিস্মৃত হওয়ার মতো নয়।

লেখালেখির কারণে ছিলেন পাঠকের প্রিয়। তৎকালের গুরুত্বপূর্ণ সাপ্তাহিক, অধুনালুপ্ত ‘বিচিত্রা’র নিয়মিত লেখক-সাংবাদিক ছিলেন তিনি। তারপর আচমকাই চলে গেলেন বিলাতে, ‘বিবিসি’তে। লেখার বদলে লন্ডন থেকে ইথারে ভেসে আসা তাঁর কণ্ঠস্বর শুনেছেন সহস্র শ্রোতা। সেখানেও থিতু হলেন না। ইচ্ছে করলেই স্থায়ী বসবাস গড়তে পারতেন। কিন্তু সেটা না করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চলে এলেন বাঙালির আরেক প্রিয় শহর কলকাতায়। দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটিতে গগনচুম্বী এক নান্দনিক অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করছেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/30/1538285513140.jpg

মনে হয় বিশ্বায়নের জাতিকা হয়ে দেশ-দেশান্তরে ঘুরছেন ঊর্মি রহমান। তথাপি বাংলা ও বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সংযোগ অমোচনীয়। ঢাকার শিল্প-সাহিত্য-সাংবাদিকতার সকল খবরই জানতে চেষ্টা করেন। সাইবার যোগাযোগের কারণে তথ্যের আদান-প্রদান আজকাল আরও সহজ। বার্তা২৪.কমের নবযাত্রার কথা জেনে বলেন, ‘এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন আমার ঘনিষ্ট। তাঁকে আমার শুভেচ্ছা জানাবেন।’

বহু বছর পর তাঁর সঙ্গে আবার দেখা করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে আমার সম্ভাব্য কলকাতা ভ্রমণের কারণে। জানালেন, ‘এখন নাতিদের কাছে লন্ডনে আছি। অক্টোবরের মাঝামাঝি ফিরে আসবো কলকাতায়। তখন যদি থাকেন তো দেখা হবে।’ আমিও অপেক্ষায় থাকি বৃক্ষবহুল দক্ষিণ কলকাতার কোনও এক রেস্তরাঁয় এক পেয়ালা চা কিংবা কফি হাতে তাঁর মুখোমুখো হওয়ার।

কবুল করাই শ্রেয় যে, তাঁর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও আলাপ অবশ্যই আনন্দের অভিজ্ঞতা। যেমনটি আমার একবারই হয়েছিল নব্বই দশকের সূচনায়। তখন তিনি বাংলাদেশ-পর্ব শেষে লন্ডন প্রবাসী। ‘বিবিসি’র পক্ষ থেকে ঢাকায় এসেছেন ইংরেজি শিক্ষার অনুষ্ঠান ‘টাইগার্স আই’ নিয়ে। পুরো অনুষ্ঠানের একটি ক্যাসেট (তখন সিডি’র জন্ম হয় নি) আর অনুষ্ঠানের পুরোটা নিয়ে একটি বইয়ের ছাপানো ভার্সন উন্মোচন হয়েছিল সে আমলের হোটেল শেরাটনে। মিডিয়ার মাধ্যমে ভাষার শিক্ষা কোনও প্রকল্প সম্ভবত সেটিই ছিল প্রথম। বেতারে ও প্রকাশিত আকারে ‘টাইগার্স আই’ অসম্ভব সাড়া জাগিয়েছিল। দক্ষিণ এশিয়ার বিষয়বস্তু, চরিত্র ও প্রেক্ষাপট ব্যবহার করে ইংরেজি শেখানোর ক্ষেত্রে বিবিসি’র সে উদ্যোগকে বলা যায় পথিকৃৎ। ‘বিবিসি’র পক্ষে সেটি প্রয়োজনা করেছিলেন সাগর চৌধুরী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/30/1538285599440.jpg

‘টাইগার্স আই’ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ঊর্মি রহমান ঢাকায় ছিলেন। সে সময় আনুষ্ঠানিক আয়োজনের বাইরে একটি দীর্ঘ সন্ধ্যা ঊর্মি-সাগরের সান্নিধ্যে কাটে বনানীর এক বাড়িতে। বনানী পোস্ট অফিসের পেছনের দিকে বাড়িটি ছিল ঊর্মি রহমানের এক আত্মীয়ের, সম্ভবত বোনের। অনেক কথা হয়েছিলে এই যুগলের সঙ্গে নানা বিষয়ে ও প্রসঙ্গে।  

তারপর বহু বছর আর দেখা নেই। কিন্তু মাঝে মাঝে ভার্চুয়াল স্পেসে কথা-বার্তা হয়। তথ্যের আদান-প্রদান চলে। বার্তা২৪.কমে লিখতে বললে রাজি হন। বার্তায় প্রকাশিত আমার লেখা পড়ে মুদ্রণ প্রমাদ ধরতে কসুর করেন না বাংলা সাহিত্যের এই তুখোড় ছাত্রীটি। কাছের ঊর্মি রহমান এক ও অনন্য হয়েই থাকেন দূরত্বের সীমানা ডিঙিয়ে।

কাছেরই তো! ফরিদপুর অঞ্চলের যে তরুণী রাজধানী শহরের আজিমপুরে বড় হয়েছেন ঢাকার বিখ্যাত স্কুল-কলেজে পড়ে, তিনি এই শহর, এই জনপদের সবচেয়ে কাছের একজন তো বটেই। তারপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আবার ঢাকায় সাংবাদিকতা করেছেন, শিল্প-সাহিত্যের সঙ্গে মিলেমিশে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন লন্ডন থেকে আন্তর্জাতিক বাংলাভাষীর পরিমণ্ডলে। এখন বসবাস করছেন বাংলারই আরেক ভূগোল কলকাতায়। তাঁর চেয়ে বাংলা ও বাঙালির কাছের জন আর কে!

আমাদের ঊর্মি রহমান ভৌগোলিক দূরত্বের আরেক শহরে আছেন, সত্যটি আমাদের জন্য বেদনার ও কষ্টের। কিন্তু ঊর্মি রহমান সর্বাবস্থায় বাংলা ও বাঙালিকে নিয়ে আছেন, এই পরম সত্যটি সকল কষ্ট ও বেদনার উপশম। অনন্য আনন্দের সুশোভন অভিঘাত হয়ে জীবনে ও কর্মে ঊর্মি রহমান রয়েছেন বাংলার ও বাঙালিরই। 

আপনার মতামত লিখুন :

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব
হাইকোর্ট

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), মহাব্যবস্থাপক (জিএম), উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এই তিনজনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২ জলুাই তাদের শরীরে হাজির হতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিচারপতি এস আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন না করায় একটি সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ তলবের আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে হাইকোর্ট তিতাসের কর্মচারী নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা অনুসরণ না করায় আদালত সম্পূরক আবেদন করেন। আদালতের আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিতাসে ৭৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিলেও চূড়ান্ত ফলে তাদের বাদ দেওয়া হয়। কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে মো. রেজাউল করিমসহ ৮ জন ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর রিট দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ৬৩ জনকে নিয়োগ দেয় তিতাস। গত ২ এপ্রিল আরো ১৭ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে ক্ষুব্ধ রিট আবেদকারীরা হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন করেন।

এই আবেদনের শুনানি করে হাইকোর্ট তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে তলবের আদেশ দেন।

আদালতে তিতাসের আইনজীবী জানান, ৩০ শতাংশ  কোটা সংরক্ষণ করেছে কর্তৃপক্ষ। রিটের আইনজীবীরা তার এই বক্তব্যে আপত্তি জানান। 

নারীশ্রমে বাঁচলো মৃতপ্রায় নদী!

নারীশ্রমে বাঁচলো মৃতপ্রায় নদী!
নারীশ্রমে প্রাণ পেলো মৃত নদী, ছবি: সংগৃহীত

ভারতে সম্ভাব্য পানি সংকটের পদধ্বনিতে আশাবাদী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন দেশটির নারীশক্তি। মৃতপ্রায় নদী বাঁচাতে ২০০০০ মহিলা নিরলস প্রচেষ্টা চালালেন দীর্ঘ চার বছর। নারীশ্রমে নবপ্রাণ পেয়ে বাঁচলো নদী।

চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার জন্য  দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের যে ভেলোর পরিচিত, সেখানে নাগানধি নদী পেলে নতুন জীবন। বহু মানুষও বেঁচে গেলেন তীব্র পানিকষ্ট থেকে।

তামিলনাড়ুর যে ২৪টি জেলা খরাপ্রবণ, তার মধ্যে অন্যতম ভেলোর। এই ভেলোরের মানুষদের কাছে বেঁচে থাকার, জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় পানির উৎস ছিল একমাত্র এই নাগানধি।

কিন্তু ১৫ বছর আগে এই নদীটি শুকিয়ে মৃতপ্রায় হয়ে যায়। নারীশ্রম মৃত নদীকে নবজন্ম দিয়েছে। ফলে মানুষ, প্রকৃতি ও কৃষি সম্ভাব্য ক্ষয় থেকে রক্ষা পেয়েছে।

দক্ষিণ ভারত থেকে শত মাইল দূরে ভারতের উত্তর দিকেও একই ছবি দেখা গেছে। উত্তরাখণ্ডের পউরি গাড়ওয়ালের প্রায় ১০০ জন গ্রামবাসী ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে নিয়ে নানা মাপের রিজ়ার্ভার তৈরি করছেন। পানির স্বল্পতার কবল থেকে বাঁচতে স্বেচ্ছা শ্রম ও স্বেচ্ছা প্রণোদনায় এগিয়ে এসেছেন মানুষ। যে মানুষের মধ্যে অগ্রণী ও সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেন গ্রামের নারীরা।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে বার বার জানাচ্ছে যে, ২০৩০ সাল নাগাদ ভারতের বড় বড় অনেক শহরই চরম পানি সংকটের মুখোমুখি হবে। এরই মাঝে চেন্নাই প্রভৃতি শহরে পানি স্বল্পতা ও সংকটের আঁচ পড়েছে।

আরও পড়ুন: চেন্নাইয়ে পানির তীব্র সংকট

ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামেও যে পানির ভয়াবহ সংকট হাতছানি দিচ্ছে, তা সারা বিশ্বের সামনে স্পষ্টভাবে চিত্রিত হয় নদী উদ্ধারের এই ঘটনাগুলো থেকেই। ভেলোরের ক্ষেত্রে ২০ হাজার মহিলার ৪ বছরের প্রচেষ্টায় ১৫ বছর আগে শুকিয়ে যাওয়া নাগানধি নদীকে আবারও স্রোতস্বিনী করা প্রচেষ্টার পাশাপাশি বহু গ্রামে পানির জন্য রিজার্ভার, কুয়া, জলাধার তৈরি করছে মানুষ, যাতে প্রচুর নুড়ি পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। 

‘নাগানধি বাঁচাও’ প্রকল্পের ডিরেক্টর চন্দ্রশেখরণ কুপ্পান বলছেন, 'কোনও নদীকে পুনরায় বাঁচিয়ে তোলার জন্য শুধু তার বহমানতার দিকে নজর দিতে হয়, তা নয়।  নদীর গভীরতাও যাতে ঠিক থাকে সেদিকেও নজর দিতে হয়।  এক্ষেত্রে বৃষ্টির পানিও যাতে মাটি শুষে নিয়ে জমিয়ে রাখে সেটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।  তাই বৃষ্টি হলে সেটা এজাতীয় নদীর ক্ষেত্রে খুব কাজে দেয়। '

উল্লেখ্য, নদীটি মৃতপ্রায় হলে ভেলোরের অর্ধেকের বেশি কৃষক পানির অভাবে গ্রাম ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে থাকেন। কারণ তারা চাষের জন্য পানি পাননি দীর্ঘদিন। নদী নতুন জীবন পাওয়ায় বেঁচেছে জনপদ, কৃষি ও কৃষক।

ভেলোরের আগে দক্ষিণ ভারতের আরেক জায়গায় একই সংকট ঘণীভূত হয়েছিল। কর্ণাটকের বেদবতী এবং কুমুদবতী নামে দুটি নদীও সংস্কারের অভাবে মৃত্যু মুখে পতিত হয়। দুটি নদীকেই স্বেচ্ছাশ্রমে পুনরায় নাব্যতা দিয়েছিলেন স্থানীয় মানুষ, যাদের সিংহভাগ ছিলেন গ্রামীণ নারী।

পানি সংকটের সম্ভাব্য বিপদ থেকে বাঁচতে ভারতীয় গ্রামের নারীরা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন। তারা গ্রামে গ্রামে রিজার্ভার বা কুয়া বানাচ্ছেন। দক্ষিণ ভারতের কান্যায়মবাদি ব্লকের সালামানাথাম গ্রামের একজন নারী একাই প্রায় ৩৬ টা কুয়া খুঁড়েছেন।   

উত্তর ভারতেও এমন ঘটনা ঘটছে। সেখানে পউরি গাড়ওয়ালের ১৩ বছরের ছাত্রী দীপা রাওয়াত এবং তার বন্ধু স্কুল শেষে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য রিজ়ার্ভার তৈরি করতে মাটি খুঁড়ে চলে আজকাল।  সেখানকার সরকারি স্কুলগুলো প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকেই এই কাজে উৎসাহ দেয়।  বলা হয়েছে, এক একটি রিজ়ার্ভার যাতে অন্তত ২ ফুট গভীর হয় সেদিকে নজর দিতে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 'শহরের পাশাপাশি গ্রামগুলোতে মানুষের সচেতন হওয়া খুব জরুরি এখনই। যাতে ভবিষ্যতের জন্য তারা পানি সঞ্চয় করে রাখতে পারেন। নইলে সমস্যা বাড়বে। কারণ গ্রামগুলো দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। জলের উৎসও কমছে। দিন দিন জল যত কমবে লোকজন চলে যাবেন এই এলাকা থেকে।  তাই গণ সচেতনতা ও অংশগ্রণ ছাড়া এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে মুক্তির কোনও আশা নেই।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র