Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডসে সেরা লেডি গাগা

ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডসে সেরা লেডি গাগা
গ্লেন ক্লোজ ও লেডি গাগা
বৃষ্টি শেখ খাদিজা
নিউজরুম এডিটর


  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডসের ২৪তম আসরে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার ভাগাভাগি করলেন দুই প্রজন্মের দুই তারকা গ্লেন ক্লোজ ও লেডি গাগা। ‘দ্য ওয়াইফ’ ছবির জন্য গোল্ডেন গ্লোব জেতার পর এবার ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস পেলেন গ্লেন। তার কাছে গোল্ডেন গ্লোবে হারলেও ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডসে পুরস্কার জিতলেন গাগা। ‘অ্যা স্টার ইজ বর্ন’ ছবিতে দারুণ অভিনয়ের সুবাদে এই স্বীকৃতি উঠলো তার হাতে।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে রবিবার (১৩ জানুয়ারি) এবারের ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী করা হয়। সেরা মৌলিক গান বিভাগে সেরা হয়েছে ‘অ্যা স্টার ইজ বর্ন’ ছবিতে ৩২ বছর বয়সী গাগার গাওয়া ‘শ্যালো’।

ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস জিতলে অস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যাওয়া যায় বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। সেই হিসেবে গ্লেন ক্লোজ ও লেডি গাগার মধ্যে এবারের অস্কারে তুমুল লড়াই হতে পারে।

২৪তম ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডসে সেরা চলচ্চিত্রসহ সর্বোচ্চ চারটি পুরস্কার জিতেছে ‘রোমা’। ছবিটির জন্য আলফনসো কুয়ারন সেরা পরিচালক ও সেরা চিত্রগ্রাহক বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছেন। সেরা বিদেশি ভাষার ছবি বিভাগের স্বীকৃতিও গেছে তার হাতে।

‘ভাইস’ ছবিতে আমেরিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি চরিত্রের সুবাদে সেরা অভিনেতা বিভাগের পুরস্কার জিতেছেন ক্রিশ্চিয়ান বেল। সেরা কমেডি অভিনেতার স্বীকৃতি এসেছে ব্রিটিশ এই তারকার হাতে। সেরা কমেডি অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন আরেক ব্রিটিশ তারকা অলিভিয়া কোলম্যান (দ্য ফেভারিট)। তার ছবিটি সম্মিলিত অভিনয় বিভাগে সেরা হয়েছে।

গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডসের মতো ক্রিটিকস চয়েসেও মাহেরশালা আলি (গ্রিন বুক) সেরা পার্শ্ব অভিনেতা ও রেজিনা কিং (ইফ বিয়েল স্ট্রিট কুড টক) সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হয়েছেন।

হলিউড হার্টথ্রব টম ক্রুজের ‘মিশন: ইমপসিবল-ফলআউট’ সেরা অ্যাকশন ছবি নির্বাচিত হয়েছে। গত বছর বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দেওয়া ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস বিভাগে সেরার স্বীকৃতি পেয়েছে।

ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস বিজয়ী তালিকা
সেরা চলচ্চিত্র: রোমা
সেরা অভিনেত্রী: গ্লেন ক্লোজ (দ্য ওয়াইফ) ও লেডি গাগা (অ্যা স্টার ইজ বর্ন)
সেরা অভিনেতা: ক্রিশ্চিয়ান বেল (ভাইস)
সেরা অভিনেত্রী (কমেডি): অলিভিয়া কোলম্যান (দ্য ফেভারিট)
সেরা অভিনেতা (কমেডি): ক্রিশ্চিয়ান বেল (ভাইস)
সেরা পার্শ্ব অভিনেতা: মাহেরশালা আলি (গ্রিন বুক)
সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী: রেজিনা কিং (ইফ বিয়েল স্ট্রিট কুড টক)
সেরা নবীন অভিনয়শিল্পী: এলসি ফিশার (এইথ গ্রেড)
সেরা সম্মিলিত অভিনয়: দ্য ফেভারিট
সেরা সাই-ফাই/ভৌতিক ছবি: অ্যা কোয়াইট প্লেস
সেরা অ্যাকশন ছবি: মিশন: ইমপসিবল-ফলআউট
সেরা কমেডি ছবি: ক্রেজি রিচ এশিয়ানস
সেরা বিদেশি ভাষার ছবি: রোমা (মেক্সিকো)
সেরা অ্যানিমেটেড ছবি: স্পাইডার-ম্যান: ইন্টু দ্য স্পাইডার-ভার্স
সেরা পরিচালক: আলফনসো কুয়ারন (রোমা)
সেরা মৌলিক সুর: ফার্স্ট ম্যান (জাস্টিন হারউইৎজ)
সেরা মৌলিক গান: শ্যালো (অ্যা স্টার ইজ বর্ন)
সেরা ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস: ব্ল্যাক প্যান্থার
সেরা চিত্রগ্রহণ: আলফনসো কুয়ারন (রোমা)
অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্য: ইফ বিয়েল স্ট্রিট কুড টক (ব্যারি জেনকিন্স)
মৌলিক চিত্রনাট্য: ফার্স্ট রিফর্মড (পল শ্রেডার)

টেলিভিশনে সেরা
সেরা ড্রামা সিরিজ: দ্য আমেরিকানস (এফএক্স)
সেরা অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ): সান্ড্রা ওহ (কিলিং ইভ)
সেরা অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ): ম্যাথু রাইস (দ্য আমেরিকানস)
সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী (ড্রামা সিরিজ): থ্যান্ডি নিউটন (ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড)
সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (ড্রামা সিরিজ): নোয়া এমারিচ (দ্য আমেরিকানস)
সেরা কমেডি সিরিজ: দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেইসেল
সেরা অভিনেত্রী (কমেডি সিরিজ): র‌্যাচেল ব্রসনাহান (দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেইসেল)
সেরা অভিনেতা (কমেডি সিরিজ): বিল হেডার (ব্যারি)
সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী (কমেডি সিরিজ): অ্যালেক্স বোর্স্টেইন (দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেইসেল)
সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (কমেডি সিরিজ): হেনরি উইঙ্কলার (ব্যারি)
সেরা অভিনেত্রী (টিভি মুভি/মিনি সিরিজ): প্যাট্রিসিয়া আর্কেট (এস্কেপ অ্যাট ড্যানমোরা) ও অ্যামি অ্যাডামস (শার্প অবজেক্টস)
সেরা অভিনেতা (টিভি মুভি/মিনি সিরিজ): ড্যারেন ক্রিস (দ্য অ্যাসাসিনেশন অব জান্নি ভারসাচে: আমেরিকান ক্রাইম স্টোরি)
সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (টিভি মুভি/মিনি সিরিজ): বেন হুইশো (অ্যা ভেরি ইংলিশ স্ক্যান্ডাল)
সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী (টিভি মুভি/মিনি সিরিজ): প্যাট্রিসিয়া ক্লার্কসন (শার্প অবজেক্টস)
সেরা টেলিভিশন মুভি: জেসাস ক্রাইস্ট সুপারস্টার লাইভ ইন কনসার্ট

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাকার ফুটপাত ও ওভারব্রিজ চেনাচ্ছেন ডিপজল

ঢাকার ফুটপাত ও ওভারব্রিজ চেনাচ্ছেন ডিপজল
ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে সচতেনতামুলক প্রচারে ডিপজল/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এক সময়ের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় খলনায়ক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তাকে এখন দেখা যাচ্ছে ঢাকার রাস্তার ফুটপাত ও ফুট ওভারব্রিজের সামনে। ফুটপাত ব্যবহারকারীদের বলছেন, 'খারাও ভাতিজা! এইডা ফুটপাত মোটরসাইকেল চালানোর জায়গা না।'

আবার ফুট ওভারব্রিজের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন, 'ভাতিজা ওই যে ফুট ওভারব্রিজ। একটু কষ্ট কইয়া দু কদম হাঁটো।'

তবে সিনেমার সত্যিকারের ডিপজল এসব কথা বলছেন না। ডিপজলের ছবি দিয়ে প্ল্যাকার্ডে এসব লিখে সচেতন করা হচ্ছে ঢাকাবাসীদের। সম্প্রতি ঢাকার বাড্ডা লিংক রোডসহ বিভিন্ন সড়কে দেখা মিলছে ডিপজলের এসব প্ল্যাকার্ডের। জানা গেছে, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের 'দেশ আমার দোষ আমার' শিরোনামে সামাজিক সচেতনতার ক্যাম্পেইনের জন্য এসব প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563634109539.jpg

এর আগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সামাজিক সচেতনতার ক্যাম্পেইনে সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে বার্তা প্রচারের বিজ্ঞাপনেও দেখা গিয়েছিল ডিপজলকে। বিজ্ঞাপনটিতে দেখানো হয়েছিল, রং সাইডে গাড়ি চালানো চালককে ‘ভাতিজা’ সম্বোধন করে ডিপজল বলছেন, 'কী ভাতিজা, নবাব হইছো, রং সাইডে গাড়ি চালাও, রাস্তা চেনো না। ফিডার খাও?' যা ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

১৯৫৮ সালে মিরপুরের বাগবারিতে জন্মগ্রহণ করেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। চলচ্চিত্র পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে তার। খলনায়ক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছিলেন এই অভিনেতা। তবে ২০০৮ সালে নায়ক মান্নার মৃত্যুর পর তার ক্যারিয়ারের সফলতা কমতে থাকে। এর বাইরে 'দাদীমা', 'চাচ্চু'সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে ডিপজলকে ইতিবাচক চরিত্রে দেখা গেছে।

বরগুনার ঘটনা নিয়ে সজল-শখের ‘দোটানায়’

বরগুনার ঘটনা নিয়ে সজল-শখের ‘দোটানায়’
সজল ও শখ

সজল-শখ জুটির ভক্তদের জন্য সুখবর। আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য একটি নতুন নাটকে জুটিবদ্ধ হয়েছেন তারা।

মাহতাব হোসেনের গল্পে ‘দোটানায়’ শিরোনামের নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন শামীমুল ইসলাম শামীম। এটি পরিচালনা করেছেন আকাশ নিবির। প্রযোজনায় রয়েছে চৌধুরী এন্টারটেইনমেন্ট।

বর্তমান সময়ের আলোচিত বরগুনার সেই ঘটনার আদলেই নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘দোটনায়’। বাস্তবে যা কিছু ঘটে যায় তা আসলে পুরোটা নাটকে দেখানো সম্ভব না হলেও দর্শকরা এই নাটকের মাধ্যমে কিছু সত্য কাহিনী দেখতে পারবেন। আগামী ২৭ তারিখ থেকে নাটকটির শুটিং শুরু হবে।

‘দোটানায়’ নাটকটি সম্পর্কে সজল বলেন, ‘অসাধারণ একটি গল্পে নাটকটি নির্মিত হচ্ছে। তবে এতে যোগ করা হয়েছে ফেসবুকেরও কিছু বাস্তবচিত্র। আশা করি দর্শকের মনে দাগ কাটবে। শখের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। আশা করছি, এই নাটকটিও দর্শকের ভালো লাগার মতো একটি কাজ হবে।’

এ প্রসঙ্গে আনিকা কবির শখ জানান, ‘পরিচালকের সাথে আমার এসএমএস এ নাটকটি নিয়ে কথা হয়েছে। এতে আমার সহকর্মী হিসেবে থাকবেন সজল ভাই। আশাকরি নাটকটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করবে।’

নাটকের নির্মাতা আকাশ নিবির বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দেশে টিভি নাটক বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। ঘটনার আড়ালে অনেক সত্যই ধামাচাপা পরে যায়। তখন দর্শকরা আমাদের মতো অনেক পরিচালকদের দিকে তাকিয়ে থাকে কিছু সত্য ঘটনা অবলম্বনে নাটক দেখার জন্য। দর্শকের এই ধরনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ‘দোটানায়’ নাটকটি র্নিমাণে আগ্রহী হয়েছি।”

সজল-শখের পাশাপাশি নাটকে একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ডিএ তায়েবকে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘দোটানায়’ নাটকটি প্রচারিত হবে একুশে টিভিতে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র