Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

দ্রুত ওজন কমবে পাঁচটি কার্যকর উপায়ে

দ্রুত ওজন কমবে পাঁচটি কার্যকর উপায়ে
নিয়ম মেনে চললে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে সহজেই। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই সঠিক খাদ্যাভাস ও শরীরচর্চার অভ্যাস করতে হবে।

কিন্তু অনেকেই ব্যস্ততা ও কাজের ভিড়ে ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন না, সঠিক খাদ্যভাসের অভ্যাস আনতে পারেন না এবং শরীরচর্চার জন্য জিমে জয়েন করার সময় পান না।

সময়ের অভাবে বাড়তি ওজন কমানো থেমে থাকবে না নিশ্চয়। আজকের ফিচারে তুলে ধরা হয়েছে দারুণ পাঁচটি টিপস, যা সাহায্য করবে বাড়তি ক্যালরি ও ওজন কমাতে।

দ্রুত ঘুম থেকে উঠুন ও ঘাম ঝরান

সময় স্বল্পতার জন্য জিমে যাওয়া কষ্টকর হয়ে যায় তবে সেদিকে পা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। বরং চেষ্টা করুন সকালে কিছুটা আগে ঘুম থেকে ওঠার। প্রতিদিন যে সময়ে ঘুম থেকে ওঠেন, তার পনের মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠে নানা রকম ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। পুশ-আপ দিন, লাফান, কিংবা একই স্থানে দৌড়ান। এতে শরীরে ঘাম হবার সঙ্গে মেটাবলিজমের হার বৃদ্ধি পাবে। যা সারাদিনভর কাজ করবে।

হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি হবে এমন কাজ করুন

অন্তত এক মিনিটের জন্য হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পাবে এমন কাজ করতে হবে। এই পদ্ধতিটি সারাদিনের ভেতর ৮-১০ বার করতে হবে। এর ফলে বাড়তি অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। যা ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক ও পা কে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ৩০০-৪০০ ক্যালোরি পর্যন্ত বার্ণ করা সম্ভব হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/14/1536915822752.JPG

মেঝেতে বসে কাজ করুন

বই পড়তে, গান শুনতে, সিনেমা দেখতে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে কিংবা অলস সময়ে ফোনে কথা বলতে বিছানা কিংবা চেয়ারে নয়, মেঝেতে বসুন। শক্ত মেঝেতে বসার ফলে শরীরের পেশীর তুলনামূলক বেশি সাপোর্টের প্রয়োজন হয়। এতে করে খরচ হয় ক্যালোরি।

আলুবোখরা খাওয়ার অভ্যাস করুন

দ্য ইউনিভার্সিটি অফ লিভারপুলের একদল গবেষক, ওভারওয়েট বেশ কয়েকজন অংশগ্রহণকারীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। এই অংশগ্রহণকারীদের ১২ সপ্তাহের জন্য প্রতিদিন ৫-৬ আউন্স আলুবোখরা খাওয়ানো হয়। টানা ১২ সপ্তাহ পড়ে ওজন নেওয়া হলে দেখা যায়, গড়ে ৪.৪ পাউন্ড ওজন কমেছে অংশগ্রহণকারীদের। প্রাকৃতিক এই খাদ্য উপাদানে থাকা উচ্চ মাত্রার আঁশ পেট ভরা রাখতে ও ওজন কমাতে কাজ করে।

‘লো-ফ্যাট’ খাবার কম খাওয়া

মনে হতেই পারে, লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া যেতেই পারে। যে কারণে মানুষ লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার প্রায় ৫০ শতাংস পর্যন্ত বেশি খেয়ে ফেলে। খাবার লো-ফ্যাটের হলেও, সেটা খেতে হবে পরিমিত। নইলে আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যকর লো-ফ্যাটযুক্ত খাবার ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র