Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আবহাওয়া বদলে সুস্থ থাকতে উপকারি খাবার

আবহাওয়া বদলে সুস্থ থাকতে উপকারি খাবার
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে যে খাদ্য উপাদানগুলো। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ইতিমধ্যেই শীতের পূর্বাভাস দেখা দেওয়া শুরু হয়েছে।

হিম হিম হাওয়ার সঙ্গে ত্বকে টান পড়ছে। আবহাওয়া বদলের এই সময়টাতে হুটহাট অসুস্থতা দেখা দেওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। কারণ, আবহাওয়ার এই বদলের সময়ে শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয়ে পরে। ফলে ঠাণ্ডা কিংবা জ্বরের মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয় অহরহ।

নিজেকে এই সময়টাতে সুস্থ রাখার জন্য, কিছু সাধারণ নিয়ম মানার পাশপাশি খেতে হবে এমন কিছু উপকারি খাদ্য উপাদান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। জেনে নিন এমন কয়েকটি খাবারের নাম।

মাশরুম

মাশরুমে রয়েছে অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদানসমূহ। যা শরীরকে ভাইরাল ফ্লুয়ের বিরুদ্ধে লড়ায়ের জন্য শক্তি প্রদান করে। মাশরুম ফ্রাই কিংবা সবজী ও স্যুপের সঙ্গে মাশরুম রান্না করে খেতে পারেন।

রসুন

আমাদের প্রায় সকল রান্নায় কমবেশি যে উপকরণটা ব্যবহার করা হয় সেটা হলো রসুন। আবহাওয়া বদলের এই সময়টাতে চেষ্টা করতে হবে অন্য সময়ের চাইতে একটু বেশি রসুন খাওয়ার। রসুনে থাকা পুষ্টি গুণাগুণ রক্ত কোষের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যা প্যাথোজেন থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে কাজ করে।

পানি

জি ঠিকই পড়েছেন! রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে পান করতে হবে প্রচুর পানি। শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে কোনভাবেই সুস্থ থাকা সম্ভব হবে না এবং খুব অল্পতেই শরীর অসুস্থ হয়ে পড়বে। এছাড়াও শরীরে পানির অভাব ব্যাকটেরিয়ার সংক্রম হয় দ্রুত। ফলে দেখা দেয় নানান ধরণের ইনফেকশনের প্রাদুর্ভাব। চেষ্টা করতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশপাশি ঘনঘন পানি পান করার।

সাইট্রাস ফলসমূহ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/10/1539153707977.JPG

কমলালেবু, মাল্টা, জাম্বুরা, লেবু সহ নানান ধরণের সাইট্রাস ফল দিয়ে সাজিয়ে ফেলুন প্রতিদিন বিকালের নাস্তার টেবিল। ভিটামিন-সি ও অসংখ্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ সাইট্রাস ফল শরীরের ভেতরের লুকায়িত ইনফেকশনকে সারিয়ে তুলতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সাইট্রাস ঘরানার এই সকল ফলের সাথে টমেটোও রাখতে পারেন।

প্রোবায়োটিকসমূহ

কী এই প্রোবায়োটিক? দই, লাচ্ছি, ঘোল হলো মাইক্রোব সমৃদ্ধ প্রোবায়োটিক খাদ্য ও পানীয়। এই সকল খাদ্য উপাদান পাকস্থলিস্থ খাদ্য দ্রুত ও ভালোভাবে পরিপাক হতে সাহায্য করে। যা পরিপাকতন্ত্র সুস্থ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

আদা

অ্যান্টি-ভাইরাল ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান সমৃদ্ধ আদা ফ্লু ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যাকে প্রতিরোধ করে। এক কাপ আদা চা আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে দেখা দেওয়া ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন ও ভাইরাল ইনফেকশনকে সারাতে বেশ কার্যকর।

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র