Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

নতুন বছর আসুক সঞ্চয়ের প্রতিজ্ঞায়

নতুন বছর আসুক সঞ্চয়ের প্রতিজ্ঞায়
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঠিক দুই দিন পরেই চলে আসবে নতুন একটি বছর।

নতুন বছরের শুরুতে থাকে নতুন লক্ষ্য, নতুন রেজ্যুলিউশন। নতুনভাবে নিজেকে সাজানোর পরিকল্পুনা। যার বেশিরভাগ কাগজে-কলমেই থেকে যায়। বাস্তবায়িত হওয়ার সুযোগ পায় না।

এলোমেলো রেজ্যুলিউশনের পরিবর্তে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় রেজ্যুলিউশন নির্ধারন করা উচিৎ সবার আগে। আগত নতুন বছরে খরচের মাত্রা কমিয়ে সঞ্চয়ের মাত্রা বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নির্ধারন করতে হবে সবার আগে।

অপ্রয়োজনীয় মাসিক সাবস্ক্রিপশন বাদ দিন

অনলাইনে তো বটেই অফলাইনেও অপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু জিনিসের জন্য মাসিক সাবস্ক্রিপশন করে রাখা হয়। হয়তো প্রতি মাসে ম্যাগাজিন পড়াই হয় না ভালোমতো। অথচ মান্থলি সাবস্ক্রিপশনের জন্য প্রতি মাসেই খরচ গুণতে হচ্ছে। এমন বাড়তি খরচ ছেঁটে ফেলুন একেবারেই।

ডিক্লাটার করুন আলমারি

শুধু আলমারি নয়, প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ঘরে চিরুনি অভিযান চালিয়ে বাড়তি জিনিস ডিক্লাটার করে ফেলুন। পুরনো জিনিস বেচাকেনার সাইট তো বটেই, ফেসবুকেও পুরনো জিনিস বেচাকেনার গ্রুপ রয়েছে। জমে থাকা জামা, ব্যাগ, গহনা, বই আসবাব ও অন্যান্য জিনিস সহজেই বিক্রি করে দেওয়া যাবে। জিনিস বিক্রির টাকা দিয়ে নতুন ও প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে নেওয়া যাবে। ফলে বাড়তি খরচের মুখোমুখি হতে হবে না একেবারেই।

সুপার শপ এড়িয়ে চলুন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/29/1546079674781.jpeg

আশেপাশের কয়েকটি পরিচিত কাঁচাবাজার ঘুরলে খুব সহজেই ফ্রেশ সবজি ও ফল পাওয়া সম্ভব। তাও আবার তুলনামূলক বেশ কম দামেই। কারণ খোলা বাজারে দরদাম করার সুযোগ থাকে। অন্যদিকে সুপার শপের ফিক্সড প্রাইসের সঙ্গে ভ্যাটের টাকাও গুণতে হয়। হাতে কিছুটা সময় বেশি নিয়ে কাঁচাবাজার ও মুদি দোকান ঘুরে কেনাকাটা করা হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের মতো কাজ।

সঞ্চয়ের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন

নানান খাতে খরচ করার ফলে সঞ্চয়ের বিষয়টি বেশ কষ্টকর হয়ে যায়। তাই প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা সঞ্চয়ের একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে নিজের জন্যই চ্যালেঞ্জ ঠিক করুন। ভাংতি যত টাকাই বাঁচবে, সেখান থেকে একটা বড় অংশ সঞ্চয় করতে পারলে বছর শেষে বেশ ভালো পরিমাণ টাকা জমে যাবে।

ঘরে তৈরি খাবারের প্রতি গুরুত্ব দিন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/29/1546079870118.jpeg

রেস্টুরেন্টের খাবার মুখরোচক হলেও সেগুলো যে একবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয় সেটা বলাই বাহুল্য। উপরন্তু সেই সকল খাবারের জন্য গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা। রেস্টুরেন্টে যে সকল খাবার পাওয়া যায় সেগুলো কিন্তু খুব সহজে ঘরেই তৈরি করে নেওয়া যায় বেশ কম খরচেই। ঘরে তৈরি খাবার একদিন দিয়ে যেমন স্বাস্থ্যসম্মত হয়, তেমনিভাবে খরচও হয় অল্প। তাই রেস্টুরেন্টে বা বাইরের খাবার খাওয়ার সংখ্যাটি কমিয়ে ঘরে নিজ হাতে তৈরি খাবার খাওয়ার প্রতি মনযোগী হতে হবে।

বাদ দিতে হবে উইন্ডো শপিং

অনলাইন ও অফলাইনে উইন্ডো শপিং করে প্রচুর টাকা খরচ হয়ে যায়। অকারণে কেনা এই সকল জিনিস বেশিরভাগ সময় অপ্রয়োজনীয় হয়ে থাকে। সাধারণত মন খারাপ থাকলে, বিরক্তিবোধ কাজ করলে মানুষ উইন্ডো শপিং এর প্রতি ঝুঁকে থাকে। তাই যখনই মন খারাপভাব দেখা দিবে নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে।

আরো পড়ুন: ১২ কারণে গড়ে তুলুন বই পড়ার অভ্যাস

আরো পড়ুন: এখনই নজর দিন নিজের অর্থনৈতিক অবস্থায়

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র