Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নতুন বছরটি হোক ভালো থাকার!

নতুন বছরটি হোক ভালো থাকার!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সময়ে ভালো থাকাটাই যেন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সবকিছু অনেক বেশি জটিল ও কঠিন হওয়ার ফলে, ভালো থাকার রসদগুলো যেন হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

বেশিরভাগ মানুষের নতুন বছরটি শুরু হয় আনন্দ ও ভালো থাকার প্রতিজ্ঞায়। নিজেকে সুখি মানুষ হিসেবে দেখার প্রত্যাশায়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, বেশিরভাগ সময়েই সফল হওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না অনেকের জন্য। নতুন বছরের জন্য যতই গুছিয়ে পরিকল্পনা করা হোক না কেন, বাস্তবে ঘটবে একেবারেই বিপরীত কিছু। নানান রকম ঘটনার মাঝেও নিজের মানসিক প্রশান্তি ধরে রাখা ও নিজেকে ভালো রাখার জন্য প্রয়োজন হবে একটু সচেতনতা।

অতিরিক্ত চাহিদাকে বিদায় জানাতে হবে

নতুন জামা, নতুন জুতা, নতুন ফার্নিচার, আরো বেশি টাকা আয়, ভালো খাবার, ঘনঘন ভ্রমণে যাওয়ার চাহিদাগুলোকে কমিয়ে আনতে হবে। একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত এই চাহিদাগুলোর প্রয়োজনীয়তা আছে। তার বেশি হয়ে হয়ে গেলেই অশান্ত হয়ে যায় মন। সেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সবসময় অস্থিরতা বোধ হতে থাকে। এই অস্থিরতা ও অশান্তি কখনোই আপনাকে ভালো থাকতে দিবে না। নিজেকে আনন্দে ও প্রশান্তিতে রাখতে চাইলে, বাড়তি চাহিদা ঝেড়ে ফেলতে হবে সম্পূর্ণভাবে। ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে হবে নিজের সার্বিক অবস্থার বিষয়ে।

দায়িত্ব নেওয়া শিখতে হবে

নিজের কোন অবস্থার জন্য অন্যকে বা পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিকে দায়ী করার স্বভাবটি একেবারেই বাদ দিতে হবে। অন্যের উপর কোন না কোনভাবে দায় দিয়ে পুরোপুরি পার পাওয়া সম্ভব নয় কখনোই। বরঞ্চ নিজের ব্যর্থতা, দুর্বলতা, অসফলতা ও দুঃসময়ের দায়কে নিজের করে নিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

আপনার ল্যাপটপে বারবার সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে আপনি যদি কাজ না করে বসে থাকেন, তবে সমস্যায় পড়তে হবে নিজেকেই। অথচ এখানে ভুলটা ছিল নিজের। ল্যাপটপে সমস্যা দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটা সারিয়ে নিলে কোন ধরণের সমস্যা দেখা দিতো না।

সকল পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে

প্রথমেই বলা হয়েছে, যতই চেষ্টা করুন না কেন পরিকল্পনা অনুযায়ী কোন কিছুই হবে না জীবনে। আপনি ভেবে রাখবেন এক, বাস্তবে ঘটবে একেবারেই ভিন্ন ঘটনা। নিজেকে সবসময় সুখি রাখার জন্য বাড়তি কোন চাপ মাথায় নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তার পরিবর্তে সময় যেভাবে আগাবে, নিজেকে সেভাবে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ‘গো উইথ দ্য ফ্লো’ এই ধারণায় বিশ্বাস রেখে চলতে হবে সবসময়।

প্রত্যাশার মাত্রা কমিয়ে ফেলুন

খুব স্বাভাবিকভাবেই এক্সপেকটেশন বা প্রত্যাশা গড়ে ওঠে কাছের মানুষের প্রতি। এমনকি সাধারণ কোন একটি স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করলেও মানুষ এক্সপেক্ট করে দ্রুত ও ভালো ফল পাওয়ার। এটা প্রতিটা মানুষের সহজাত বৈশিষ্ট্য। যদি বলা হয়- যে কারোর উপরেই কোন ধরণের প্রত্যাশা না রাখতে, তবে সেটা খুবই অযৌক্তিক হবে। তাই প্রত্যাশার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। সুখি থাকতে চাইলে এই নিয়মের কোন বিকল্প নেই।

আরো পড়ুন: নতুন বছর আসুক সঞ্চয়ের প্রতিজ্ঞায়

আরো পড়ুন: ভ্রমণে কী রাখবেন সাথে?

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র