Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যে খাবারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখবে কোলেস্টেরল

যে খাবারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখবে কোলেস্টেরল
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

কোলেস্টেরল বৃদ্ধিজনিত সমস্যায় ভোগেন অনেকেই।

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা ও উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে। তবে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে জেনে রাখতে হবে জরুরি একটি তথ্য। কোলেস্টেরল দুই প্রকারের হয়ে থাকে। ভালো কোলেস্টেরল (HDL) ও খারাপ কোলেস্টেরল (LDL). ক্ষতিকর খাদ্য উপাদান অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেলেই শারীরিক সমস্যা ও রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে শুরু করে।

কিছু খাদ্য উপাদান রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে দিলেও, কিছু উপকারি খাদ্য উপাদান এই খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এমন কয়েকটি খাদ্য উপাদানের নাম জেনে রাখুন।

ওটস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547460730832.jpeg

খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে আঁশযুক্ত খাবার সবচেয়ে বেশি উপকারিতা বহন করে। সেক্ষেত্রে ওটস থাকবে সবচেয়ে উপরের দিকে। ওটসের প্রায় ১১-১৫ শতাংশ হলো  দ্রবণীয় আঁশ। ওটসের আঁশকে বলা হয় বেটা-গ্লুকেন, যা ফ্যাটকে শোষণ করে নিতে কাজ করে। সকালের নাস্তায় উপকারি অন্যান্য ফলের সঙ্গে এক বাটি ওটস হতে পারে সবচেয়ে ভালো নাস্তার খাবার।

মটরশুঁটি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547460775945.jpg

বিচিযুক্ত অন্যান্য যেকোন সবজির চাইতে মটরশুঁটিতে অনেক বেশি মাত্রায় থাকে দ্রবণীয় আঁশ। মটরশুঁটি গ্রহণের পর হজম হতে লম্বা সময় প্রয়োজন হয় বলে, ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেয় না। যে কারণে শুরু কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেই নয়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রেও মটরশুঁটি সমান উপকারিতা বহন করে।

বেগুন

সবজির মাঝে বেগুনে দ্রবণীয় আঁশের মাত্রা বেশি থাকে। যা রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলকে দ্রুত শোষণ করতে কাজ করে।

বাদাম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547460802541.jpg

বেশ কয়েকটি গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা গেছে যে- কাঠবাদাম, কাজুবাদামসহ বিভিন্ন ধরণের বাদাম প্রতিদিন স্বল্প পরিমাণে খাওয়ার ফলে হৃদরোগ দেখা দেওয়ার প্রবণতা কমে যায়। প্রতিদিন ২ আউন্স পরিমাণ বাদাম রক্তে LDL এর মাত্রা ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমায়। এছাড়া বাদাম গ্রহণের বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য উপকারিতা তো আছেই।

আঁশযুক্ত ফল

প্রাকৃতিক সকল প্রকারের ফলে আঁশ থাকলেও, আপেল, আঙ্গুর, স্ট্রবেরি ঘরানার ফলে দ্রবণীয় আঁশ থাকে বেশি। এছাড়া ফলে উপস্থিত পেকটিন রক্তের LDL কে শোষণ করে এবং HDL কে অ্যাকটিভ করে। এছাড়া লেবু, জাম্বুরা কিংবা কমলালেবুর মতো সাইট্রাস ঘরানার ফলও কোলেস্টেরলের নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

তৈলাক্ত মাছ

রেড মিটের বদলে খাদ্যাভাসে তৈলাক্ত মাছ রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। রেড মিটের স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তে LDL এর মাত্রা বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে তৈলাক্ত মাছের অমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইদের মাত্রা কমিয়ে কোলেস্টেরলকে স্বাভাবিক রাখতে এবং হার্টবিট স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: যে খাবারগুলো কোলেস্টেরল বৃদ্ধির জন্য দায়ী

আরও পড়ুন: পাঁচ উপকারি মশলার পঞ্চকথা

আপনার মতামত লিখুন :

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র