Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

হাঁটুর ব্যথা কমাবে ঘরোয়া সমাধান

হাঁটুর ব্যথা কমাবে ঘরোয়া সমাধান
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আঘাত পাওয়া থেকে আর্থ্রাইটিস- হাঁটুর ব্যথাটি যেকোন কারণেই দেখা দিতে পারে।

সমস্যাটি হাঁটুর জয়েন্টে হতে পারে, সেই অংশের পেশীতে হতে পারে কিংবা লিগামেন্টের সমস্যার ফলেও দেখা দিতে পারে।

দৌড়ানো, নাচ, শরীরচর্চা কিংবা হাঁটা সময় অসাবধানতায় পা ফেলার ফলেও হুট করে হাঁটু ব্যথা দেখা দেওয়ার সম্ভবনা থাকে। শারীরিক এই সমস্যাটি দেখা দেওয়ার ফলে প্রতিদিনের কাজকর্ম করা, চলাফেরা করায় বড় ধরণের ব্যাঘাত ঘটে।

সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারে এই ব্যথাভাব অল্প সময়ের মাঝেই ভালো হয়ে যায়। উপকারী উপাদানের সঠিক ব্যবহারে হাঁটুর ব্যথায় খুব বেশিদিন কষ্ট করতে হবে না।

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার

‘ন্যাচারাল রিমেডি’ হিসেবে অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। প্রত্যেহ পরিমিত পরিমাণে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার পান শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজ করে। তবে হাঁটুর ব্যথার ক্ষেত্রেও যে এই তরলের অবদান রয়েছে, সেটা জানেন না অনেকেই। এভিসিতে থাকা অ্যালকালাইজিং প্রভাব হাঁটুর প্রদাহকে কমায়।

হাঁটুর ব্যথাভাব কমানোর জন্য দুই চা চামচ এভিসির সঙ্গে দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে হাঁটুর ব্যথাযুক্ত স্থানে ম্যাসাজ করতে হবে ধীরে ধীরে। প্রতিদিন দুইবার এই মিশ্রণটি ব্যবহার করতে হবে।

আদা

আদাতে থাকে জিনজেরোল (Gingerol), যা এক প্রকারের অন্যতম শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি তথা প্রদাহ বিরোধী উপাদান। এই উপাদানটি শরীরের যেকোন অংশের ফুলে যাওয়া ও পেশীর ব্যথাকে কমাতে কাজ করে। আদা মুখে খেলে কিংবা আক্রান্ত স্থানে সরাসরি ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যাবে।

আদা খেতে চাইলে গরম পানি, আদা কুঁচি  ও মধু একসাথে মিশিয়ে পান করতে হবে। হাঁটুতে ব্যবহারের জন্য নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলায় কিছুক্ষণ গরম করে এরপর গরম তেলটি ব্যথাযুক্ত স্থানে ম্যাসাজ করতে হবে।

তিলের তেল ও লেবুর রস

ভারতীয় উপমহাদেশ ও চীনে শারীরিক সমস্যা ও ব্যথা দূর করার জন্য বহুল ব্যবহৃত তেল হলো তিলের তেল। পেশীর ব্যথাকে কমাতে তিল বিশেষ উপকারিতা বহন করে। প্রতিদিন অন্তত একবার তিলের তেল ব্যবহারেই কাঙ্ক্ষিত উপকার পাওয়া যাবে। শুধু তিলের তেল হালকা গরম করে অথবা তিলের তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়েও ব্যবহার করা যাবে। লেবুর রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড হাঁটুর জয়েন্টের ব্যথাকে কমাতে কার্যকরি।

হলুদ গুঁড়া

প্রতিদিনের রান্নায় যে মশলাটি ব্যবহার করা হয়, সে মশলাটিই হাঁটুর ব্যথা কমাতে উপকারী ভূমিকা রাখবে। হলুদ গুঁড়াকে অনেক স্থানেই ‘মিরাকল স্পাইস’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। হলুদের গুণাগুণের পেছনে রয়েছে এতে থাকা কারকিউমিন নামক উপাদানের উপস্থিতি। মেডিকেল শাস্ত্রে যাকে উচ্চমানের প্রদাহ বিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়।

নিয়মতি বিভিন্ন রান্নায় হলুদ খাওয়া হলেও, দুধের সঙ্গে হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যাবে। পাশাপাশি নারিকেল তেল ও অলিভ অয়েলের সঙ্গে হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে হাঁটুতে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

এই সকল উপাদানের ব্যবহার ও ম্যাসাজে হাঁটুর স্বাভাবিক ব্যথার সমস্যা দ্রুতই ভালো হয়ে যাবে। তবে হাঁটুর আঘাত যদি বড় হয় এবং ব্যথাটি দীর্ঘদিন পর্যন্ত থাকে, তবে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

আরও পড়ুন: ভোগান্তি যখন বন্ধ নাকের সমস্যা

আরও পড়ুন: পেটের মেদ বাড়ছে যে সকল অভ্যাসে

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র