Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভালোবাসার সম্পর্কটি যখন ভুল!

ভালোবাসার সম্পর্কটি যখন ভুল!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রিয় মানুষটির সাথে ভালোবাসার সম্পর্কটি হবে ছিমছাম, আনন্দময়।

সম্পর্কের মাঝে ভালোবাসা, বোঝাপড়া, সম্মান ও বন্ধুত্বের কোন কমতি থাকবে না। কমতি থাকবে না নিরাপত্তাবোধেও। প্রতিটি ভালোবাসার সম্পর্ক এভাবেই গড়ে ওঠার কথা থাকলেও, বাস্তবতার সাথে প্রত্যাশার মেলবন্ধন ঘটে খুব কম।

হুট করে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার পর খেয়াল করলেন যেমনটা হওয়ার কথা ছিল, সবক্ষেত্রে হচ্ছে তার উল্টো ঘটনা। নিজেকে বড্ড ভুল একটি সম্পর্কের মাঝে জড়িয়ে ফেলার পরেও অনেক সময় সন্দেহ থেকে যায় মনে। আদতে সম্পর্কটি ভুল, নাকি সমস্যাটি নিজের। সেক্ষেত্রে খুবই সাধারণ কিছু আচরণ ও লক্ষণে ভুল সম্পর্কের বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে ওঠে।

সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা

ছোট-বড় প্রতিটি বিষয়ে সঙ্গী যখন আপনার উপর জোরজবরদস্তি করবে, নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করবে আপনার সকল সিদ্ধান্তকে, তখন বুঝতে হবে খুব একটা ‘সঠিক’ কোন সম্পর্কের মাঝে আপনি নেই। সম্পর্কে কোন না কোন ক্ষেত্রে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীলতা চলে আসে। কিন্তু নিজের সকল বিষয়ের ওপর যদি জোরপূর্বক অধিকার খাটানো হয়, তবে তা সময়ের সাথে সাথে সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করা ব্যতীত ভালো কিছুই বয়ে আনবে না।

সঙ্গীর সাথে থাকলে অস্বস্তি কাজ করা

শরীরের মতো আমাদের মনও খুব নাজুক ও সংবেদনশীল। স্বাস্থ্যকর খাবারে শরীর যেমন সুস্থ থাকবে, অস্বাস্থ্যকর সম্পর্কে মন তেমনই নাজুক হয়ে পড়বে। ভালোবাসার মানুষটির সাথে থাকার ফলে নিজেকে সুখি, প্রাণবন্ত, উৎফুল্ল ও খুব গভীরভাবে নিরাপদবোধ করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে থাকাকালীন সম্পূর্ণ উল্টো অনুভূতি বোধ করেন, তবে সম্পর্কের দিকে এখনই খেয়াল দেওয়া প্রয়োজন।

সবসময় ঝগড়া করা

যে কোন সম্পর্কে দু’জন মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি বা মনোমালিন্যের সৃষ্টি হবে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু প্রতিদিন সামান্যতম ছোট বিষয় নিয়েও ঝগড়া হওয়া এবং এমন ঝগড়া, তর্কাতর্কি চলতে থাকা কখনোই একটি সুসম্পর্কের নির্দেশনা দেয় না।

সবকিছুই বড় বেশি নাটকীয়

হুট করে রিঅ্যাক্ট করার স্বভাবটি আমাদের সবার মাঝেই আছে। কিন্তু অহেতুক, অকারণে ও একেবারেই সামান্য বিষয়ে বড় ধরনের কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলা কখনোই ভালো ফলাফল বয়ে আনে না। উত্তেজনা ও হটকারিতার এই সময়ে অনেক সময়েই সঙ্গী একে অপরের গায়ে হাত তোলার মতো কাজও করে ফেলেন।

কোন বিষয়ে খোলাসা করে কথা না বলা

একসাথে ঘোরা, ছবি তোলা কিংবা রেস্টুরেন্টে যাওয়াই ভালো সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক নয়। সম্পর্কের মাঝে একে-অন্যের সাথে কথা বলতে হবে। এই কথা বলা মানে নিজের মানসিক অবস্থা, নিজের ভয় কিংবা নিজের সংশয় নিয়ে কথা বলে। সঙ্গী যখন কোন বিষয়ে জানতে চাইবে তাকে সে বিষয়ে জানানো, আশ্বস্ত করা। কিন্তু ঘটনা যদি তার উল্টো হয়, সঙ্গী যদি কথা আলোচনা করার পরিবর্তে একেবারেই কথা বলতে না চায়, কোন বিষয় লুকিয়ে রাখতে চায়- তবে বুঝতে হবে সেখানে কোন সমস্যা রয়েছে।

যে সম্পর্ক আপনাকে আনন্দিত রাখার পরিবর্তে মানসিক অশান্তিতে রাখছে, সে সম্পর্কটি কখনোই সঠিক নয়। ভুল সম্পর্কে নিজেকে লম্বা সময়ের জন্য জড়িয়ে রাখলে সময় নষ্ট হওয়ার সঙ্গে নষ্ট হয় আত্মবিশ্বাসও। তাই নিজের ভালোবাসার সম্পর্কটির ধরন বোঝা প্রয়োজন সবার আগে।

আরও পড়ুন: সম্পর্কে ‘দূরত্ব’ তৈরি করছে যে আচরণগুলো

আপনার মতামত লিখুন :

চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম
খেজুর গুড়ের আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

খেজুর গুড়ের পায়েস নিশ্চয় খাওয়া হয়েছে, কিন্তু খেজুর গুড়ে তৈরি আইসক্রিম কি খাওয়া হয়েছে কখনো?

চিনির মিষ্টি নয়, গুড়ের মিষ্টিতে তৈরি এই আইসক্রিমে পাওয়া যাবে একেবারেই ভিন্ন ঘরানার অচেনা স্বাদ।

বাইরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে আইসক্রিম খাওয়ার ইচ্ছাটাও তাড়া দিতে থাকে। এই সুযোগে ঘরে বসে ফ্রেশ দুধ ও গুড় দিয়ে তৈরি করে নিন অচেনা স্বাদের মিষ্টান্ন খেজুর গুড়ের আইসক্রিম।

খেজুর গুড়ের আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563538258867.JPG

১. দুই কাপ ক্রিম।

২. এক কাপ দুধ।

৩. চারটি ডিমের কুসুম।

৪. আধা কাপ খেজুর গুড়।

খেজুর গুড়ের আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563538280218.JPG

১. একটি পাত্রে ভালোভাবে ডিমের কুসুমগুলো ফেটিয়ে নিতে হবে।

২. ভিন্ন একটি সসপ্যানে ক্রিম ও দুধ একসাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে বলক আনতে হবে।

৩. গরম দুধ ও ক্রিমের মিশ্রণের এক-চতুর্থাংশ ডিমের কুসুমে দিয়ে পুনরায় ভালোভাবে হুইস্ক করতে হবে তথা ফেটিয়ে নিতে হবে।

৪. এবারে ডিমের মিশ্রণটি সস্প্যানে দিয়ে পুনরায় জ্বাল দিতে হবে এবং গুড় মেশাতে হবে। সকল উপাদান ভালোভাবে মিশে গেলে কাস্টার্ডের মতো ঘন মিশ্রণ তৈরি হবে।

৫. মিশ্রণ ঘন হয়ে আসলে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে কাঁচের পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে এলে পাত্রের মুখ বন্ধ করে ডিপ ফ্রিজে সারারাতের জন্য রেখে দিতে হবে।

পরদিন সকালে নাশতার সাথে উপভোগ করুন খেজুর গুড়ের আইসক্রিম।

আরও পড়ুন: দশ মিনিটে বাদামের স্বাদে কুলফি মালাই

আরও পড়ুন: গরমে স্বস্তি আনবে তিন ভিন্ন স্বাদের কোল্ড কফি

হৃদরোগের ঝুঁকি কমে দারুচিনি গ্রহণে

হৃদরোগের ঝুঁকি কমে দারুচিনি গ্রহণে
দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঝাল ও মিষ্টি উভয় ধরনের খাবার তৈরিতেই দারুচিনি বাড়তি স্বাদ ও গন্ধ যোগ করে।

আমাদের রান্নায় দারুচিনি ব্যবহারের মূল কারণ হলো ফ্লেভার, তবে আরও একটি বিশেষ কারণে নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাসে দারুচিনি রাখা প্রয়োজন। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকবে। সেই সাথে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়বেটিসের সমস্যাটিও।

মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এই উপাদানটিতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও পলিফেনল শরীরে অক্সিডেটিভ ড্যামেজ থেকেও রক্ষা করতে কার্যকরি। গবেষণা জানাচ্ছে, দারুচিনি গুঁড়া গ্রহণ বেশ কয়েকদিক থেকেই সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। তেমন কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে রাখুন।

প্রদাহ কমায় দারুচিনি

বেশ কিছু গবেষণা জানাচ্ছে, দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রদাহ বিরোধী তথা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। পেশীর ব্যথাভাব, ফোলাভাব, শরীরের কোন অংশে হুটহাট ব্যথা দেখা দেওয়ার মতো সমস্যাগুলো কমাতে কাজ করে দারুচিনি।

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে কাজ করে দারুচিনি

রক্তে চিনি ও ইনস্যুলিনের মাত্রার হেরফেরের উপরেই নির্ভর করে মেটাবোলিজমের মাত্রা ও টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা। বেশ কিছু পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে দারুচিনি গুঁড়া গ্রহণে ডায়বেটিস রোগীদের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। দারুচিনি শুধু রক্তে চিনির মাত্রাই নয়, ইন্স্যুলিন সেনসিটিভিটিকেও নিয়ন্ত্রণে কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563531546124.jpg

হৃদরোগ দূরে রাখে দারুচিনি

প্রতিদিন ১২০ মিলিগ্রাম পরিমাণ দারুচিনি গ্রহণে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL), ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ভিন্ন একটি গবেষণার ফলাফল বলছে- যারা নিত্যদিনের খাবারে হলুদ ও দারুচিনি গুঁড়া রাখে, তাদের রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা পূর্বের চাইতে কমে যায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে হৃদরোগ দেখা দেওয়ার ঝুঁকিও কমে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি।

ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে

সিনামন এক্সট্র্যাক্ট তেলে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান, যা প্রায় সকল ধরনের ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। দারুচিনিতে থাকা সিনাম্যালডিহাইড (Cinnamaldehyde) হলো প্রধান উপাদান, যা ইনফেকশন দ্রুত সারাতে কাজ করে। বিশেষত ইষ্ট ইনফেকশনের বিরুদ্ধে দারুচিনির তেল সবচেয়ে উপকারী।

মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

এক্ষেত্রে ধন্যবাদ দিতে হবে দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রভাবকে, যা মুখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে কাজ করে। গবেষণা থেকে দেখা গেছে দারুচিনি দাঁতের ক্ষয়রোগ ও মুখে বাজে গন্ধ হওয়া প্রতিরোধে কাজ করে।

আরও পড়ুন: গরম আবহাওয়ায়, সুস্থতায় ডাবের পানি

আরও পড়ুন: ঘুম আনতে সাহায্য করবে এই খাবারগুলো

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র