Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যেভাবে মোকাবিলা করবেন ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’

যেভাবে মোকাবিলা করবেন ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’
ঘূর্ণিঝড় ফণি, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

দ্রুততার সঙ্গে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’।

এতে করে বাংলাদেশের উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিমাংশ উপকূলীয় অঞ্চলগুলো ক্ষতিগ্রস্তের মুখে পড়তে পারে। ইতোমধ্যে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বন্দর থেকে লঞ্চ ও জাহাজ চলাচল। এছাড়া চট্টগ্রামে ছয় নাম্বার বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রয়োজন পূর্ব প্রস্তুতি ও সচেতনতা। আকস্মিক এমন বিপর্যয়ে স্বাভাবিকভাবেই দিশেহারা হয়ে যান সকলে। কীভাবে মোকাবিলা করবেন এবং কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন এবং কী করলে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে এই ঘূর্ণিঝড়ে, সেটাই সবিস্তারে তুলে ধরা হয়েছে আজকের বিশেষ ফিচারে।

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগের প্রস্তুতি

১. বাসার সকল দরজা-জানালার লক ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে। প্রয়োজনে লক ঠিক করতে হবে অথবা নতুন লক লাগিয়ে নিতে হবে।

২. বাসার কোথাও কোন ধরনের ফাটল বা চিড় আছে কিনা দেখতে হবে, এবং টিনের ছাদ হলে ছাদে উঠে দেখতে হবে ছাদের অংশে কোন সমস্যা রয়েছে কিনা। যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তবে দ্রুত মেরামত করতে হবে। নতুবা ঝড়ে বাড়ির দুর্বল অংশের কারণে ঘরের উপরে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেয়।

৩. এ সময়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে। তাই ঘরে হারিকেনের কেরোসিন তেল, মোমবাতি রাখতে হবে। যেন দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকলেও কোন সমস্যা না হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/02/1556791791951.jpg
সংগ্রহে রাখতে হবে মোমবাতি। 

 

৪. বিদ্যুৎ এর বিষয়ে যেহেতু সংশয় থাকছে, তাই মোবাইল, ল্যাপটপ, পাওয়ার ব্যাংক, চার্জার লাইট-ফ্যান আগে থেকেই ফুল চার্জ দিয়ে রাখুন। প্রয়োজনের সময়ে যেন সমস্যায় না পড়তে হয় সে কারণে।

৫. এবারের ঘূর্ণিঝড়ের আকার ও বেগ তুলনামূলক বেশ বড়। সেক্ষেত্রে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে কিছু এলাকার মানুষকে ঘরবন্দি অবস্থায় পড়ে যেতে হতে পারে। এছাড়াও অন্যান্য স্থানের মানুষেরাও প্রবল বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাতের সম্মুখীন হতে পারেন। তাই ঘরে আগে থেকেই শুকনো খাবার ও সুপেয় পানি সংগ্রহ করে রাখা প্রয়োজন। এতে করে খাদ্য সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে।

৬. জরুরি কাগজপত্র আলমারি বা টেবিলের ড্রয়ারে থাকলেও ওয়াটারপ্রুফ ফাইলে সংরক্ষের ব্যবস্থা নিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/02/1556791829213.jpg
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখতে হবে ওয়াটারপ্রুফ ফাইলে।

 

৭. বাসার শিশুদের সাথে কথা বলতে হবে, ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে তাদের ধারণা দিতে হবে। শিশুরা সাধারণত ঝড়-বৃষ্টি ভয় পেয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে তারা যেন ভীত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৮. যেকোন সমস্যার জন্য ঘরে ফার্স্ট এইড বক্স তৈরি রাখতে হবে। নিত্যদিনের ওষুধ, জরুরি ওষুধ, ডেটল, ব্যান্ডেজ প্রভৃতি সংগ্রহে রাখতে হবে।

৯. টিভি কিংবা রেডিও খবরে প্রতি মুহূর্তের আপডেট শুনতে হবে এবং সেই মতো প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে করণীয়

১. প্রথমেই ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে এবং ইলেকট্রনিক পণ্য সুইচড অফ করে দিতে হবে। এতে করে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক পণ্য বজ্রপাতে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

২. গ্যাস লাইন বন্ধ রাখতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/02/1556791953429.jpg
বন্ধ রাখতে হবে গ্যাস লাইন।

 

৩. বাইরে বিদ্যুৎ চমকানোর সময় পানি ও পানিযুক্ত স্থানের আশেপাশে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৪. ঝড়ের সময় দাহ্য জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. ঘরের ও ঘরের আশেপাশের যেকোন ধরনের লোহা ও স্টিলের জিনিসপত্র স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৬. বাইরে থাকাকালীন অবস্থায় ঝড় শুরু হলে যতসম্ভব দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে এবং বজ্রাপাতের সময় দ্রুত মাটিতে শুয়ে পড়তে হবে।

৭. ঝড়ের মাঝে কোন অবস্থাতেই জলাশয় তথা পুকুর, খাল, নদীতে অবস্থান করা যাবে না।

৮. বাইরে খোলা ও উঁচু কোনো স্থানে অবস্থান করা যাবে না এবং সম্পূর্ণ উন্মুক্ত স্থানে খোলা ছাতা ব্যবহার করা যাবে না।

এছাড়া যেকোনো ধরনের জরুরি প্রয়োজনে ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?
গরমে ঘামাচির সমস্যাটি খুব বেশি দেখা দেয়, ছবি: সংগৃহীত

আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলেই দেখা দিতে শুরু করে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা, যার মাঝে থাকে ত্বকের সমস্যাও।

ঘামাচি তেমনই গরমকালীন একটা ত্বকের সমস্যা। গরমে ত্বকে লালচে র‍্যাশ ওঠাকেই স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ঘামাচি ওঠা। এই র‍্যাশগুলো ত্বকে চুলকানির উপদ্রব তৈরি করে এবং বেশ জ্বালাপোড়া হয় ত্বকে।

কেন ঘামচি দেখা দেয়?

শরীরের ঘর্মগ্রন্থিগুলো বন্ধ হয়ে গেলে ঘামাচি দেখা দেয়। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীরের কিছু অংশে ত্বকের নিচের ঘাম আটকে থাকে, যা থেকে ত্বকের সমস্যা তথা র‍্যাশ বা ঘামাচি তৈরি হয়। আক্রান্ত স্থানের ত্বক লালচে হয়ে ছোট ছোট র‍্যাশ দেখে দেয় এবং ঘামচির সমস্যাটি শিশু থেকে শুরু করে পূর্ণবয়স্ক সবারই হতে পারে।

ঘামাচি সাধারণত ঘাড়, পিঠ, গলার ভাঁজে, হাতের ভাঁজে ও দুই পায়ের মধ্যবর্তী অংশে দেখা দেয়। বলা যেতে পারে, শরীরের যে অংশগুলোতে ঘাম জমে থাকে এবং সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে না, সে অংশগুলোতেই ঘামাচির সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত রোদের আলোর সংস্পর্শে আসলে শরীরের অন্যান্য অংশেও ঘামাচি দেখা দিতে পারে।

ঘামাচি প্রতিরোধে কী করতে হবে?

কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলেই ঘামাচি থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া ঘামাচির প্রকোপ শিশুদের মাঝে যেহেতু বেশি দেখা দেয়, সঠিক যত্ন ও খেয়াল রাখা হলে শিশুদের ঘামাচির সমস্যাটি কমে যাবে। সেক্ষেত্রে জেনে রাখুন একদম সহজ কিছু নিয়ম, যা মেনে চললে ঘামাচির উপদ্রব কম দেখা দেবে।

১. খুব বেশি গরম ও আর্দ্রতাপূর্ণ স্থান এড়িয়ে যেতে হবে এবং যতটা সম্ভব বাইরে সরাসরি রোদের আলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। কোন কারণ ঘাম তুলনামূলক বেশি হলে দ্রুত ফ্যানের নিচে বাতাসযুক্ত স্থানে বসতে হবে এবং শরীরের ঘাম শুকানোর চেষ্টা করতে হবে। এ সময়ে সাধারণ তাপমাত্রার পানি পান সবচেয়ে ভালো কাজ করবে।

২. গরম আবহাওয়ায় অন্যান্য যেকোন ধরনের তন্তুর চেয়ে সুতি তন্তুর পোশাক পরা সবচেয়ে বেশি উপকারী। সুতি কাপড় দ্রুত ঘাম শোষণ করে ও শুকিয়ে ফেলে এবং সুতি কাপড়ের ভেতর থেকে খুব ভালোভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। যদিও সিল্ক, লিলেন, জর্জেট কাপড়গুলো আভিজাত্যভাব আনে, এই গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে চাইলে সুতি তন্তুর পোশাকই বেছে নিতে হবে।

৩. বাইরে কাজে বের হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সাথে ফেসিয়াল টিস্যু ও পকেট তোয়ালে রাখার চেষ্টা করতে হবে। গরমে ঘাম হলেই সাথে সাথে ঘাম মুছে ফেলতে হবে এবং শরীর ঠাণ্ডা করা ও শুকানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, ঘামে ত্বক যেন ১৫-২০ মিনিটের বেশি সময় আর্দ্র না থাকে।

৪. গরমে সবচেয়ে উপকার দেয় বেবি পাউডার। শিশুদের জন্য তো বটেই, বড়দের ক্ষেত্রেও বেবি পাউডার ত্বকে আরামদায়ক ও শীতল অনুভূতি তৈরি করে। যাদের শরীর কিছুটা ভারি গড়নের তাদের জন্য বেবি পাউডার খুব ভালো কাজ করবে।

৫. বাইরে থেকে ফিরেই শরীরে পানিতে ধুয়ে ফেলা অথবা ঠাণ্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে নেওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে করে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ঘাম ও ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং ঘামাচির উপদ্রব দেখা দেবে না।

আরও পড়ুন: শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

আরও পড়ুন: পানিশূন্যতা রোধে কী করা প্রয়োজন?

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র