Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফল থেকে যেভাবে রাসায়নিক উপাদান দূর হবে

ফল থেকে যেভাবে রাসায়নিক উপাদান দূর হবে
রাসায়নিক উপাদান দূর করতে প্রয়োজন হবে সঠিক নিয়মের, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নিত্যদিন আমাদের খাওয়া প্রায় সকল ফলেই রয়েছে রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতি।

ফলের আর্দ্রতা রক্ষা, ফল দীর্ঘদিন সংরক্ষণ ও পচনশীলতার হার স্লথ করার জন্যে ব্যবহার করা হয় প্রিজার্ভেটিভ। এছাড়াও আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য ফলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে নানান ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান। যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ হুমকিস্বরূপ।

ফল খাওয়া হয় সুস্বাস্থ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেই ফল যদি স্বাস্থ্যহানীর কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে বিষয়টি গোলমেলে হয়ে যায়। রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতির দরুণ ফল খাওয়া বাদ থাকবে না নিশ্চয়। তবে ফল খাওয়ার আগে নিশ্চিত করতে হবে ফলে যেন কোন ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি না থাকে।

আমরা সাধারণত ঠাণ্ডা পানিতে ফল লম্বা সময় ভিজিয়ে রাখি এবং ধরে নেই, এভাবেই ফল থেকে রাসায়নিক পদার্থ দূর হয়ে যাবে। কিন্তু এতে করে ফলের সাথে থাকা রাসায়নিক পদার্থের খুব অল্প অংশই দূর হয় মাত্র। রয়ে যায় বেশিরভাগ অংশই। সঠিক নিয়মে ফল থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে চাইলে মানতে হবে সহজ একটি নিয়ম। যা ফলকে খাওয়ার উপযোগী করে তুলতে কাজ করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558674038843.jpg

এর জন্য প্রয়োজন হবে পানি ও সাদা ভিনেগার। চার ভাগ পানির সাথে এক ভাগ সাদা ভিনেগার মিশিয়ে, মিশ্রণে ফলগুলো ভিজিয়ে রাখতে হবে আধা ঘণ্টার জন্য। আধা ঘণ্টা পর মিশ্রণ থেকে ফলগুলো তুলে কলের পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। ফল যদি আপেল, কমলালেবু, আমের মত মোটা খোসাযুক্ত হয় তবে ব্রাশের সাহায্যে হালকাভাবে ফলের উপরিভাগ ঘষে নিতে হবে। আঙ্গুর বা স্ট্রবেরির মতো পাতলা খোসাযুক্ত ফলের ক্ষেত্রে হাতের আঙুলের সাহায্যে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

সাদা ভিনেগার খুব সহজেই ফলে থাকা রাসায়নিক উপাদান, প্রিজার্ভেটিভ ও কীটনাশক দূর করতে কাজ করে। এছাড়াও ফলের খোসায় থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধনেও কার্যকর সাদা ভিনেগার। অনেকেই সাদা ভিনেগারের গন্ধ পছন্দ করেন না। সেক্ষেত্রে সাদা ভিনেগারের পরিবর্তে লেবুর রস ব্যবহার করতে হবে এবং আধা ঘন্টার পরিবর্তে ঘন্তাখানেক সময় পানি ও লেবুর রসের মিশ্রণে ফল চুবিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া এই একই নিয়মে সবজি থেকেও রাসায়নিক উপাদান দূর করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: ফল খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি?

আরও পড়ুন: বেকিং সোডার চমৎকার ছয় ব্যবহার

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র