Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ঈদ ছুটিতে লাগেজ গোছাতে...

ঈদ ছুটিতে লাগেজ গোছাতে...
সঠিকভাবে লাগেজ গোছাতে পারলে সমস্যা থাকবে না একদম, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

এবারের ঈদে লম্বা সময়ের ছুটি পাচ্ছেন বেশিরভাগ কর্মজীবীরা।

এমন লম্বা ছুটি সাধারণত পাওয়া যায় না বলেই, এই ছুটিকে ঘিরে বড়সড় পরিকল্পনা রয়েছে অনেকের। বহুল প্রতীক্ষিত ও কাঙ্ক্ষিত এই ছুটি কাটানোর জন্যে ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন অনেকে।

পুরো পরিবারের সাথে ঈদ কাটানোর জন্য দেশের বাড়ি পাড়ি জমাবেন ছুটির শুরুতেই। কেউ হয়তো সপরিবারে দেশের বাইরে কাটাবেন এই ছুটির সময়টি, দেশের ভেতরে ভ্রমণের জন্য বেরিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন হয়তো অনেকেই। আজ দিন পার হয়ে আগামীকাল আসলেই দেখা যাবে রাজধানীতে মানুষের উপস্থিতি কমে গিয়েছে লক্ষণীয় মাত্রায়। ছুটির একটা বেলাও নষ্ট করা যাবে না একদম।

কিন্তু এই ছুটির সময়টি একদম নির্বিঘ্নে কাটানোর জন্য লাগেজে সঠিক জিনিসগুলো নেওয়া খুব খুব জরুরি। ৬-৭ দিনের জন্য লাগেজ ভর্তি ১০-১৫ সেট জামাকাপড় নেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু অন্তর্বাস সাথে নিতে ভুলে গেছেন একদম। এ এক মারাত্মক বিপদজনক পরিস্থিতি। এমন সমস্যাগুলো যেন না হয়, তার জন্যে তালিকা তৈরি করা নিতে হবে আগে থেকেই। তালিকা অনুযায়ী লাগেজে জিনিসপত্র নেওয়া হলে ছুটির দিনগুলো পার করা যাবে খুব আরামের সাথে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559211333370.jpg

প্রথমেই আসা যাক পোশাকের সংখ্যা নির্বাচনে। ৬-১০ দিনের জন্য ১৫টি পোশাক না নিয়ে ৫-৬টি পোশাক বা সেট নেওয়াই যথেষ্ট। বাড়তি কাপড় লাগেজে বাড়তি ওজন যোগ করা ব্যতীত কাজে আসবে না মোটেও। সেই সাথে মনে করে বাড়তি এক- দুই জোড়া জুতা বা চপ্পল নিতে হবে।

পোশাকের মতোই জরুরি হলো অন্তর্বাস। একগাদা পোশাক নেওয়া হলো কিন্তু সাথে শুধু এক সেট অন্তর্বাস। এতে করে দারুণ বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। তাই মনে করে এই অনুষঙ্গটি নিয়ে নিন দুই-তিন সেট।

সাথে নিজের ব্যবহারের জন্য টুথব্রাশ, টুথপেস্ট, শ্যাম্পু, চিরুনি, সাবান, ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার ও প্রসাধনী সামগ্রী একটি প্লাস্টিকের বসে নিয়ে নিন। বড় ব্যাগের পকেটে কিংবা কোন কাপড়ের ব্যাগে নিলে বাইরের চাপে টুথপেস্ট বের হয়ে যেতে পারে অথবা প্রসাধনী সামগ্রী ভেঙে যেতে পারে। প্লাস্টিকের বক্সে এই জিনিসগুলো সুরক্ষিত থাকবে।

সাথে মনে করে জরুরি ওষুধপত্রগুলোও গুছিয়ে নিতে হবে। কতদিনের জন্য বাইরে থাকা লাগবে, সে অনুযায়ী ওষুধ কিনে নিতে হবে। প্রয়োজনে কিছুটা বেশি পরিমাণে সংগ্রহে রাখতে হবে। কারণ প্রয়োজনের সময় যদি ওষুধ হাতের কাছে না থাকে তবে বিপদ দেখা দিতে পারে।

এছাড়া সাথে নিজের ভোটার আইডি কার্ড, আইডি কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এর মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলোর ফটোকপি রাখুন। ক্যাশের পাশাপাশি বিকাশে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখুন। যদি ছুটি দেশের বাইরে কাটানোর পরিকল্পনা থাকে তবে পাসপোর্ট, ভিসাসহ ডলার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একটি ফাইলে গুছিয়ে নিন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559211351289.jpg

আপনি যদি নিয়মিত চশমা ব্যবহার করেন, তবে সাথে বাড়তি চশমা নিয়ে নিন। দুর্ঘটনাবশত চশমা হারিয়ে গেলে কিংবা ভেঙে গেলে সমস্যায় পড়তে হবে।

এছাড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুইটি জিনিস অবশ্যই মনে করে সাথে রাখতে হবে- সানস্ক্রিন ও ছাতা। দেশে তো বটেই, দেশের বাইরেও বেশিরভাগ স্থানে এখন সামার সিজন চলছে। রোদেপোড়ার সমস্যা ও ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে এই দুইটা জিনিস বাধ্যতামূলকভাবেই সাথে রাখতে হবে। সঙ্গে আরও রাখুন সানগ্লাস।

এছাড়া ছোট শিশু যদি সাথে থাকে, শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিস তালিকা তৈরি করে আলাদা ব্যাগে নিতে হবে। শিশুদের কোন একটি জিনিস যদি না নেওয়া হয়, তবে ভ্রমণে থাকাকালীন সময়ে অন্য স্থানে সেই জিনিসটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হতে পারে।

একদম প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গের বাইরে বাড়তি কোন কিছু নেওয়ার প্রয়োজন হলে সেটা যেন লাগেজে বাড়তি বোঝা হয়ে না দাঁড়ায় সে বিষয়ের প্রতি নজর দিতে হবে। নির্বিঘ্নে ও শান্তিতে ছুটির সময়টি পার করতে চাইলে সাথে প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিস গুছিয়ে নিতে হবে, যেন পরবর্তী সময়ে সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয়।

আরও পড়ুন: ঈদে ঘর গোছাতে ফেলে দিন অপ্রয়োজনীয় জিনিস

আরও পড়ুন: কার্পেট থেকে চুইংগাম উঠবে সহজেই

আপনার মতামত লিখুন :

বয়স যখন চল্লিশ!

বয়স যখন চল্লিশ!
চল্লিশ বছরেও থাকা যায় প্রাণবন্ত, ছবি: সংগৃহীত

সময় এতো দ্রুত পার হয়ে যায় যে, মাঝে মাঝেই খেই হারিয়ে ফেলতে হয়।

অনিচ্ছা সত্ত্বেও মেনে নিতে হয় সময়ের গতিকে। এই সেদিন মাত্র দুই বেণী ঝুলিয়ে যে মেয়েটি স্কুলে ছুটেছে, তাকেই আজ নিজের মেয়েকে নিয়ে যেতে স্কুলে! কিছু বুঝে ওঠার আগেই বয়স বিশ ও তিরিশের কোঠা পেরিয়ে চল্লিশের ঘরে চলে আসে। চল্লিশ বছর! একেবারেই কম নয় কিন্তু! তারুণ্য ও যৌবনকে যেন এই বয়সটা অনেকখানি পেছনে ফেলে দেয়। ঠিক এই কারণেই চল্লিশ বছর বয়সে জীবনে, মনোভাবে এমনকি চেহারাতেও বড়সড় পরিবর্তন দেখা দেয়।

সামনেই কি আপনার বয়স চল্লিশ বছর হবে? তাহলে চোখ বুলিয়ে নিন আজকের ফিচারটিতে। যেখানে আলোচনায় রাখা হয়েছে চল্লিশ বছর বয়সে যে পরিবর্তনগুলো দেখা দিয়ে থাকে।

ওজন কমবে না সহজে

একটা বয়স পর্যন্ত নিত্যদিনের রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন আনলেই ঝটপট ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব হতো। কিন্তু বয়স যখনই চল্লিশের ঘর ছুঁয়ে দিবে, ওজনকে কোনভাবে কমানো সম্ভব হবে না। এক সপ্তাহ টানা ৫০০ ক্যালোরি ডায়েট চার্ট মেনে চললেও এক কেজি ওজন কমতে চাইবে না। কিন্তু এক চামচ বাড়তি খাবার খেলেও ওজন বেড়ে যাবে অবিশ্বাস্যভাবে। এমনটা হওয়ার কারণ হলো, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরের মেটাবোলিজমের মাত্রা কমতে থাকে। বয়স চল্লিশে পোঁছালে মেটাবলিজমে হার লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পায় বলেই ওজন নিয়ে বিড়ম্বনা দেখা দেয়।

নিজেকে ভালোভাবে বুঝতে পারা

প্রতিটা মানুষই জীবনের বেশ অনেকখানি সময় পার করেন নিজের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে। ‘কে আমি’, ‘কী হতে চাই আমি’, ‘কী এই জীবনের লক্ষ্য’, ‘কোন কাজে আগ্রহ আছে’, ‘কী করতে ভালোবাসি’ এমনতর হাজারো প্রশ্নের মাঝে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়।

কিন্তু জীবনের চল্লিশটি বছর পার করে ফেলার মাঝে এই বিষয়টি অনেকটাই আয়ত্ত্বে চলে আসে। এতোদিনে কোন কাজটি পছন্দ, সেটা জানা হয়ে যায়। নিজের মূল্যবোধ সম্পর্কে জানা হয়। নিজের কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝা যায়। যে বিষয়ে দ্বিধাদন্দ কাজ করতো, সে বিষয়ে পরিস্কার ধারণা চলে আসে।

কোন কিছু মনে রাখা দারুণ চ্যালেঞ্জিং

স্কুল, কলেজ কিংবা ভার্সিটিতে পড়ার সময় যেখানে কোন একটি কথা শুনলেই মনে থাকতো, সেখানে এখন একই কথা বারংবার বলা হলেও মনে রাখা কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। চল্লিশ বছর বয়সে মস্তিষ্ক অনেকটাই যেন অচেনা হয়ে যায়। প্রখর স্মৃতিশক্তিও হুট করে নেই হয়ে যায়। সন্তানের স্কুলের পড়া দেখিয়ে দেওয়ার সময়ে দেখা যায়, পারা অংকর সূত্রটাও যেন আর মনে আসছে না।

কোনো বিষয়ে বিচলিত না হওয়া

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561561335049.jpg

সত্যি বলতে, এই বয়সে আশেপাশের কথায়, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা একেবারেই কমে যাবে। বয়স যখন কম ছিল, তখন এই আপনিই অন্যের মতামতকে নিজের মতামতের চাইতেও বেশি প্রাধান্য দিতেন। অথচ এখন যেন গায়েই মাখেন না একদম। এছাড়া যেকোন বিষয়ে, ঘটনায় ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা প্রবলভাবে দেখা দিবে। সবাইকে সবার মতো থাকতে দিয়ে নিজেকে নিজের মতো করে সময় দেওয়ার প্রতিই থাকবে মূল লক্ষ্য।

চেহারার পরিবর্তনটা চোখে পড়বে খুব বেশি

বয়স বিশের কোঠা পেরুলেই চেহারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করে। তবে এই পরিবর্তনটা সবচেয়ে বেশি দেখা দেবে বয়স যখন চল্লিশে পড়বে। হুট করেই চোখের পাশে, ঠোঁটের পাশে ভাঁজ দেখা দেবে। ত্বকের মেলানিন যেন আর কাজই করছে না- এমনটা মনে হবে। এতে মন খারাপের কিচ্ছু নেই। প্রতিটা বয়সের আলাদা সৌন্দর্য আছে। সেটাকে বুঝতে হবে ও মেনে নিতে হবে।

কোনটি গুরুত্বপূর্ণ- সেটা বুঝতে পারা

নিজের গণ্ডি, আপন জগত, পরিবারের মানুষ, প্রিয় মানুষ, সন্তান, ক্যারিয়ার, সংসার- এগুলোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে আপনার জীবনে। মিথ্যে আশ্বাস, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও নানা রকম ভনিতা এ বয়সের মাঝেই অনেকখানি দেখা হয়ে যায়। ফলে খুব সাধারণ ও সহজভাবেই জীবনে কে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কোন জিনিসটি কতটা গুরুত্ব বহন করে সেটা অনুধাবন করা সম্ভব হয়। এখানে এসে বলতেই হয়, চল্লিশ বছর বয়স হিসেবে অতোটাও খারাপ নয়!

আরও পড়ুন: যোগব্যায়ামের সাথে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা

আরও পড়ুন: অলসতা ঝেড়ে ফেলুন আজ থেকেই

ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি

ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি
জিলাপি, ছবি: সংগৃহীত

পছন্দের ও পুরনো ঘরানার মিষ্টান্নের মাঝে প্রথমেই মাথায় আসবে জিলাপির কথা।

রসে টইটম্বুর, গরম ও মুচমুচে জিলাপির তুলনা হয় না। অনেকে মিষ্টি ঘরানার খাবার মাঝে শুধু জিলাপি খেতেই পছন্দ করেন।

কিন্তু মনমতো জিলাপি খুঁজে পাওয়াও বেশ ঝক্কির কাজ। খোঁজাখুঁজি বাদ দিয়ে ঘরেই কিন্তু তৈরি করে নেওয়া যাবে গরম গরম জিলাপি। একদম পারফেক্ট ও সুস্বাদু জিলাপি তৈরির জন্য দেখে নিন আজকের রেসিপিটি।

জিলাপি তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554595535.JPG

১. এক কাপ ময়দা।

২. দেড় টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার।

৩. দেড় টেবিল চামচ ময়দা।

৪. দুই টেবিল চামচ ঘি।

৫. এক চিমটি লবণ।

৬. এক চা চামচ চিনি।

৭. এক চা চামচ ইস্ট।

৮. এক কাপ পরিমাণ গরম পানি।

৯. কমলা ফুড কালার (ঐচ্ছিক)

চিনির সিরা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554614844.JPG

১. দেড় কাপ চিনি।

২. এক কাপ পানি।

৩. তিনটি লবঙ্গ।

৪. দুইটি এলাচ গুঁড়া।

৫. এক চিমটি পরিমাণ জাফরান (ঐচ্ছিক)

জিলাপি যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554627238.JPG

১. আধা কাপ পরিমাণ গরম পানিতে চিনি ও ইস্ট মিশিয়ে ঢেকে রেখে দিতে হবে।

২. বড় একটি পাত্রে ময়দা, বেসন ও লবণ একসাথে মেশাতে হবে। এতে ঘি মিশিয়ে পুনরায় মেশাতে হবে। এতে ইস্ট মিশ্রিত পানি মিশিয়ে হুইস্ক করতে হবে। এতে গরম পানি মিশিয়ে প্যানকেকের মতো স্মুদ ব্যাটার তৈরি করতে হবে। এতে যদি ফুড কালার যোগ করতে চান তবে এক-দুই ফোঁটা ফুড কালার দিয়ে মিশিয়ে তুলনামূলক উষ্ণ স্থানে গাঁজনের জন্য ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এই সময়টুকুর মাঝে পাত্রটি একেবারেই নাড়াচাড়া করা যাবে না।

৩. ব্যাটারে গাঁজন হয়ে গেলে চিনির সিরা তৈরি করতে হবে। একটি সসপ্যানে চিনি, পানি, লবঙ্গ, এলাচ গুঁড়া ও জাফরান একসাথে মিশিয়ে মাঝারি তাপে ৭-১০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। চিনির সিরা খুব বেশি ঘন ও স্টিকি হবে না।

৪. এবারে জিলাপি ভাজার পালা। সমান্তরাল ফ্রাইং প্যানে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল নিয়ে গরম করে তেলের তাপমাত্রা মাঝারি আঁচে রাখতে হবে। জিপলক ব্যাগে জিলাপির ব্যাটার নিয়ে ব্যাগের এক কোনার অংশ অল্প একটু কেটে নিতে হবে।

৫. তেল সঠিক মাত্রায় গরম হয়ে গেলে তেলের উপরে জিপলক ব্যাগ ধরে ধীরে ধীরে ব্যাগ চাপ দিয়ে ব্যাটার তেলে ছাড়তে হবে। ব্যাটার তেলে ছাড়ার সময় জিপালির মতো গোলাকৃতির প্যাঁচ তৈরি করতে হবে।

৬. প্রতিটি জিলাপি ভাজা হতে বড়জোর ৫-৬ মিনিট সময় লাগবে। জিপালি উজ্জ্বল বাদামী বর্ণ ধারণ করলে তেল থেকে তুলে সরাসরি চিনির সিরাতে দিয়ে দিতে হবে।

চিনির সিরায় মিনিট দুয়েক ভিজিয়ে উঠিয়ে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মিষ্টি মুখে আমের রসগোল্লা

আরও পড়ুন: দশ মিনিটে বাদামের স্বাদে কুলফি মালাই

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র